আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিডে রাতের বেলা রাশিয়ার ‘বড় ধরনের’ হামলার পর দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার বিমান হামলা বন্ধে মস্কোকে আবারও একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছেন।
কিয়েভ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে জেলেনস্কি ক্ষেপণাস্ত্র, দূরপাল্লার ড্রোন ও বোমার ব্যবহার নিষিদ্ধ করে ‘আকাশে নীরবতা’র আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়া সত্যিকার স্বাভাবিক নৌ-চলাচল নিশ্চিতে সমুদ্রেও নীরবতার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
Category: আন্তর্জাতিক
-

রাশিয়াকে বিমান হামলা বন্ধের প্রস্তাব জেলেনস্কির
-

রাশিয়া বানাবে মিয়ানমারে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বানাতে যাচ্ছে রাশিয়া। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মিয়ানমারের জান্তা প্রধান মিন অং হ্লেইংয়ের বৈঠকের পর এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় দেশ দুটির মধ্যে। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
চুক্তি অনুসারে, রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পরমাণু বিদ্যুৎ কোম্পানি রোসাটমের অর্থায়ন ও তত্ত্বাবধানে মিয়ানমারে ১০০ মেগাওয়াটের একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এই কেন্দ্র নির্মাণ শেষে পরিচালনার দায়িত্বও রোসাটমের হাতে থাকবে।
এর আগে, মঙ্গলবার মস্কো সফরে যান মিয়ানমারের জান্তা প্রধান। পরে ক্রেমলিন প্রাসাদে রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি.
উল্লেখ্য, ২০০০ সালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক-বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি চুক্তি হয় দুদেশের মধ্যে। মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে বড় দুই দাতা হিসেবে দেখা হয়ে থাকে রাশিয়া ও চীনকে। কিছুদিন আগেই মস্কোর কাছ থেকে ৬টি যুদ্ধবিমান কেনে নেপিদো।
-

উক্রেনকে সামরিক সহযোগিতা প্রদান বন্ধ করে দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: এবার সাময়িক সময়ের জন্য ইউক্রেনকে সামরিক সহযোগিতা প্রদান বন্ধ করে দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই মধ্যে কার্যকর হয়েছে সিদ্ধান্ত। হোয়াইট হাউসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার পর এ সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
স্থানীয় সময় সোমবার (৩ মার্চ) একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, যতক্ষণ না ট্রাম্প মনে করবেন ইউক্রেনের নেতারা শান্তির প্রতি অঙ্গীকারের সদিচ্ছা দেখাচ্ছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত সহযোগিতা বন্ধ থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রের যেসব সামরিক সরঞ্জাম এখন ইউক্রেনে নেই, সেগুলো এই সাময়িক সহযোগিতা বন্ধের আওতায় পড়বে। সাময়িক এই অস্ত্র সহযোগিতা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পরই ইসরায়েল ও মিসর ছাড়া সব দেশে সহায়তা কার্যক্রম বন্ধে পদক্ষেপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া। ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযানের শুরু থেকেই অস্ত্র সহায়তা দিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র।
-

গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চায় কি ইসরায়েল !
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চায় কি ইসরায়েল ? নাকি আপাতত যুদ্ধ বন্ধ রেখে জিম্মিদের ফিরিয়ে নেয়ার পাঁয়তারা এটি? যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি রূপরেখা অনুসারে সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদও বাড়িয়েছে নেতানিয়াহু প্রশাসন। চুক্তি অনুযায়ী, জিম্মি হস্তান্তরের পর দ্বিতীয় ধাপে স্থায়ী সমাধানের কথা বলা হলেও তাতে নজর নেই ইসরায়েল ও মধ্যস্থতাকারী যুক্তরাষ্ট্রের। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রস্তাবনার বিরোধিতা জানিয়ে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চেয়েছে হামাস।
চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় হামাস-ইসরায়েল। দুই ধাপে ৮৪ দিনের যুদ্ধবিরতির মধ্যে প্রথম ধাপের ৬ সপ্তাহ শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কথা ছিল। এখন প্রথম ধাপকে আরও দীর্ঘায়িত করে জিম্মি হস্তান্তর চালিয়ে যেতে চায় ইসরায়েল।
এখন যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া নতুন রূপরেখা ধরেই এগোতে চায় ইসরায়েল। যার অর্থ স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নয় জিম্মিদের ঘরে ফেরানোই তাদের মূল লক্ষ্য।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমার বৈঠক হয়েছে। সে আলোচনার প্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি সাময়িক যুদ্ধবিরতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি রূপরেখাই ইসরায়েল গ্রহণ করবে। রমজান আর পাসওভার উৎসবকে সামনে রেখে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতেই প্রস্তাবনা দিয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে আলোচনার জন্য যে অতিরিক্ত সময়টুকু দরকার তা এই রূপরেখার মাধ্যমে সম্ভব। স্থায়ী সমাধান খুঁজতে এটা দু’পক্ষের আলোচনার সুযোগ হিসেবেও দেখা যেতে পারে।
মার্কিন প্রস্তাবনা কার্যকর হলে প্রথম দিনেই বাকি জিম্মির অর্ধেক ফিরিয়ে দিতে হবে হামাসকে। হস্তান্তর করতে হবে মরদেহও। আর স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে বাকি জিম্মিদেরও ছেড়ে দিতে হবে এক ধাপেই। কিন্তু, সব জিম্মি হস্তান্তরের পর আবারও যে আগ্রাসন শুরু হবে না উপত্যকায়, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। উল্টো প্রস্তাবনার সাফাই নেতানিয়াহুর মুখে।
উল্লেখ্য, তেলআবিবের দাবি- এখনও হামাসের হাতে জিম্মি রয়েছে ৫৯ ইসরায়েলি। যাদের মধ্যে ২৪ জন জীবিত, বাকিরা মৃত।
-

গাজায় সব ধরনের মানবিক সহায়তা প্রবেশ বন্ধ
নিউজ ডেস্ক গাজায় সব ধরনের মানবিক সহায়তা প্রবেশ বন্ধ করেছে ইসরায়েল। যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায় শেষ হওয়ায় রোববার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েলি সরকার। রোববার (২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয় যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফের প্রস্তাবিত সাময়িক যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের প্রস্তাব এখনও গ্রহণ করেনি হামাস।
এরপরই প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, স্থানীয় সময় রোববার (২ মার্চ) সকাল থেকেই গাজায় সমস্ত পণ্য ও ত্রাণ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। হামাস যদি তাদের অবস্থান পরিবর্তন না করে, তাহলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
দ্বিতীয় পর্যায়ে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলে তা রমজানের সময়সীমা শেষ হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ ৩১ মার্চ এবং ইহুদিদের অনুষ্ঠান পাসওভার শেষ হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ ২০ এপ্রিল পর্যন্ত লড়াই বন্ধ হতো।
হামাসের মুখপাত্র বলেছেন, গাজায় সহায়তা প্রবেশ বন্ধের এই সিদ্ধান্ত আবারও ইসরায়েলি দখলদারিত্বের কুৎসিত রূপ প্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত ইসরায়েল সরকারকে আমাদের জনগণকে অনাহারে রাখা বন্ধ করার জন্য চাপ দেয়া।
-

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব অনুযায়ী গাজায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে রাজি হয়েছে ইসরায়েল
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব অনুযায়ী গাজায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে রাজি হয়েছে ইসরায়েল। রমজান মাস শেষ হওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে তেলআবিব।
রোববার (২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি হামাস।
জানা গেছে, প্রস্তাব অনুযায়ী গাজায় বন্দি অর্ধেক সংখ্যক জিম্মিকে মুক্তি দেয়া হবে। যারমধ্যে জীবিত ও মৃত উভয়ই থাকবে। বাকিরা মুক্তি পাবে স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সমঝোতা হলে।
/এমএইচ