Category: গণমাধ্যম

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সাংবাদিক এসোসিয়েশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত!

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সাংবাদিক এসোসিয়েশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত!

    এম. এস. আই শরীফ : ঐক্যেই শক্তি, একতাই উন্নতি এই মূলমন্ত্র নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সাংবাদিক এসোসিয়েশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। জেলার বিশ্বরোড মোড়স্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সাংবাদিক এসোসিয়েশনের হল রুমে (৩০ আগস্ট ২০২৫) শনিবার সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক এমপি মোঃ লতিফুর রহমান। এসোসিয়েশনের মহাসচিব মোঃ শাহীন আকতারের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আক্তারুজ্জামান, এসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান ও দৈনিক সকালের সময় জেলা প্রতিনিধি মোঃ জমসেদ আলী, মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক বাংলাদেশের খবর পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি বদিউজ্জামান রাজাবাবুসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

    সাংবাদিক এসোসিয়েশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক এমপি লতিফুর রহমান সাংবাদিক এসোসিয়েশনের প্রশংসা করে বলেন, সাংবাদিকরা জাতির দর্পণ। সত্যনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে জাতি নতুন স্বাধীনতা পেয়েছে। আমরা চাই সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে তাদের কাজ করবেন সাদাকে সাদা এবং কালোকে কাল বলে জাতীর সামনে তুলে ধরবেন। তিনি বলেন, ১৯৭১’র স্বাধীনতার যেমন মূল্য আছে, তেমনি জুলাই ২০২৪’র স্বাধীনতার নূতন ধারণার জন্ম দিয়েছে।

    এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম বলেন ঐক্যেই শক্তি একতাই উন্নতি ধারণাকে ভিত্তি করে তিনি জেলার সকল সাংবাদিকের ঐক্যের ডাক দেন। ২০২০ সালে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে ৫ বছরের মধ্যে সংগঠনটি অনেক শক্তিশালী হয়েছে এবং আগামী দিনে সংগঠনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাসহ সারাদেশে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম আরও বলেন, আমাদের দেশে সাংবাদিকতা ভয়াবহ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে! বিভিন্ন পরিচয়ে রাজনৈতিক সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজী, গূম-খুন হচ্ছে, সত্যনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করলে সাংবাদিক নির্যাতন, হামলা ও হত্যার ঘটনা ঘটে চলেছে; গণতন্ত্রে উত্তরণের পথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে! এ জন্য সাংবাদিকদের দৃঢ় ঐক্য গড়ে তোলাও জরুরী বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। এ ক্ষেত্রে তিনি রাজনীতিকদের সহযোগিতাও কামনা করেন।

    অনুষ্ঠানের শেষ অংশে কেক কাটা ও মধ্যাহ্ন ভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠান শুরুর আগে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

  • জুলাই আমাদের নতুন আশার আলো: প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস

    জুলাই আমাদের নতুন আশার আলো: প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস

    অনলাইন ডেস্ক:   প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই আমাদের নতুন করে আশার আলো; একটি ন্যায় ও সাম্যভিত্তিক, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে। হাজারও শহীদের আত্মত্যাগ আমাদের রাষ্ট্র সংস্কারের যে সুযোগ এনে দিয়েছে তা যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে। পতিত স্বৈরাচার ও তার স্বার্থলোভী গোষ্ঠী এখনও দেশকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করতে হবে। আসুন সবাই মিলে আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে আর কোনো স্বৈরাচারের ঠাঁই হবে না।

    ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে দেয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

    গণঅভ্যুত্থান দিবসের কথা উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের ৫ আগস্ট এক অবিস্মরণীয় দিন। এক বছর আগে এই দিনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পূর্ণতা পায়, দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্ত হয় প্রিয় স্বদেশ। বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ, যাদের মুখবন্ধ আন্দোলনের ফসল আমাদের এই ঐতিহাসিক অর্জন, তাদের সবাইকে আমি এই দিনে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, আজ আমি স্মরণ করছি সেই সব সাহসী তরুণ, শ্রমিক, দিনমজুর, পেশাজীবীদের; যারা ফ্যাসিবাদী শক্তিকে মোকাবেলা করতে গিয়ে শাহাদাত বরণ করেছেন। আমি গভীর কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করি সকল জুলাই যোদ্ধাকে যারা আহত হয়েছেন, চিরতরে পঙ্গু হয়েছেন, হারিয়েছেন দৃষ্টিশক্তি। জাতি তাদের অবদান শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। গণঅভ্যুত্থানে মারা যাওয়া সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাও জানিয়েছেন তিনি।

    মুহাম্মদ ইউনূস উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান টানা ১৬ বছরের স্বৈরাচারী অপশাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিস্ফোরণ। জুলাই অভ্যুথানের মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারমুক্ত নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে রাষ্ট্রকে জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেয়া। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এ সকল লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল খাতে ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। জুলাই গণহত্যার বিচারের কার্যক্রম দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। জুলাই শহীদদের স্মৃতি রক্ষা ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

    গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে রাজনৈতিক ও নির্বাচনব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় সকল সংস্কারে রাজনৈতিক দল ও অংশীজনদের সাথে আলোচনা চলমান আছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, একটি টেকসই রাজনৈতিক সমাধানের পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের কাছে রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

  • ন্যায়বিচার হবে রাষ্ট্রের নতুন যাত্রার প্রথম শর্ত: জোনায়েদ সাকি

    ন্যায়বিচার হবে রাষ্ট্রের নতুন যাত্রার প্রথম শর্ত: জোনায়েদ সাকি

    অনলাইন ডেস্ক:    যৌক্তিক সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে নির্বাচন দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, ন্যায়বিচার হবে এই রাষ্ট্রের নতুন যাত্রার প্রথম লক্ষণ।গত সোমবার (৪ আগস্ট) মিরপুরে জুলাই শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

    জোনায়েদ সাকি বলেন, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শহীদ পরিবারগুলো হাহাকার করে বিচার প্রক্রিয়া কত দূর ভেবে। একটা রাষ্ট্র সত্যিকার অর্থে জনগণের রাষ্ট্র হয়ে উঠছে কিনা, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারছে কিনা তা নির্ভর করে রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার দেয়ার সক্ষমতার ওপর।

    তিনি আরও বলেন, শহীদ এবং যারা আহতরা এই জাতিকে গৌরবান্বিত করেছেন। তারা প্রমাণ করেছেন, দেশের মানুষ মৃত নয়, তারা অন্যায়ের বিরোধিতা করে ও শেষপর্যন্ত লড়াই করে খুনীদেরকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ করে গৌরবান্বিত করে গেছেন।

    অন্তর্বর্তী সরকারকে উদ্দেশ্য করে সাকি বলেন, সবার আগে কর্তব্য ছিল শহীদদেরকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করা। বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের পর সবচেয়ে বড় মাহেন্দ্রক্ষণ ৫ আগস্ট আবার আসছে। এখনও জানি না শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাব কি না, তাদেরকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অধিষ্ঠিত দেখবো কি না, তাদের পরিবারের জীবনের দায়িত্ব নেয়া নিশ্চিত হবে কি না, সমস্ত আহতের চিকিৎসা ও জীবনের দায়িত্ব নেয়া হয়েছে—সেটা দেখবো কি না। এটা এই সরকারের ব্যর্থতা।

  • সাংবাদিকতায় বিশেষ সম্মাননা পেলেন নুরুল হুদা বাবু

    সাংবাদিকতায় বিশেষ সম্মাননা পেলেন নুরুল হুদা বাবু

    নিজস্ব প্রতিনিধি:  সাংবাদিক নুরুল হুদা বাবুকে সম্মাননা দিয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম। সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

    ৩০ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হল মিলনায়তনে বিকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর, বিএমএসএফ এর সহ-সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, সহ-সভাপতি জহুরুল হক সাংবাদিক নুরুল হুদা বাবুর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।

    নুরুল হুদা বাবু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় ১৯৯২ সালে চাকুরী বার্তা পত্রিকায় শিক্ষানবিশ রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন। বর্তমানে তিনি কাউখালী বার্তার সহকারি সম্পাদক ও ব্যবস্থাপক এবং অনলাইন নিউজ পোর্টল নিউজ ৫২ বাংলার প্রকাশক ও সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

    নুরুল হুদা বাবু bmsf এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সম্পাদক, বরিশাল বিভাগীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি, পিরোজপুর জেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম কাউখালী শাখার উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।

    সাংবাদিক নুরুল হুদা বাবু একজন সাহসী সাংবাদিক। অন্যায়ের কাছে কোনদিন মাথানত করেন নি। সাংবাদিকতা পেশায় তিনি আপোষ বা দালালী কিংবা লেজুড়ভিত্তি পছন্দ করেন না। প্রতিবাদী সাংবাদিকদের প্রতীক তিনি। কোন সাংবাদিক নির্যাতিত হলে (বিএমএসএফ) এর পতাকা তলে ছুটে চলেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

  • তাবলিগের দুই পক্ষের বিবাদ মেটাতে কমিটি হচ্ছে: ধর্ম উপদেষ্টা

    তাবলিগের দুই পক্ষের বিবাদ মেটাতে কমিটি হচ্ছে: ধর্ম উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক:    তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের বিবাদ মেটাতে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা আ ফম খালিদ হোসেন।

    আজ বুধবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে নিজ দফতরে তাবলিগের দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।

    ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, কমিটিতে দুই পক্ষের প্রতিনিধি থাকবেন। আশা করি, এই কমিটির মাধ্যমে উভয় পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে। সামনে সংঘাতের পথ বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা এটাই চাচ্ছি।

    দুই পক্ষের একসাথে ইজতেমা করা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, একসাথে ইজতেমা করা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। কমিটি গঠন করা হচ্ছে, যাতে আগামীতে দুই গ্রুপই শান্তিপূর্ণভাবে আলাদাভাবে ইজতেমা করতে পারে।

    রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ধর্ম অবমাননাকে কেন্দ্র করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করা ঠিক নয়। এতে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। রংপুরের গঙ্গাচড়ায় যে কটুক্তি করেছে, তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে যারা বাড়িঘরে ভাংচুর চালিয়েছে, তাদের এটা করা ঠিক হয়নি। এ নিয়ে মামলা করা হলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • জুলাই শহীদদের জন্য আবাসন: সমন্বয় করে প্রকল্প এগিয়ে নেবে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়

    জুলাই শহীদদের জন্য আবাসন: সমন্বয় করে প্রকল্প এগিয়ে নেবে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়

    অনলাইন ডেস্ক:    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারগুলোর স্থায়ী বসবাসের জন্য ফ্ল্যাট প্রকল্প গ্রহণ করেনি একনেক সভা। খরচের হিসাব মূল্যায়ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ তথ্য জানান, পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ। বলেন, প্রকল্প এগিয়ে নেবে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়। প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ৮ হাজার ১৪৯ কোটি টাকার ১২টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    রোববার (২৭ জুলাই) সকালে এনইসি মিলনায়তনে চলতি অর্থবছরের প্রথম একনেক সভায় নানা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    সভায় জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের স্থায়ী বাসস্থানের জন্য, ‘৩৬ জুলাই আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণের জন্য প্রকল্প’ উত্থাপন করে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। প্রকল্পটিকে সাধুবাদ জানালেও অনুমোদন দেয়নি একনেক সভা। প্রশ্ন ওঠে, শুধু ঢাকায় কেন আবাসন প্রকল্প হবে? দেশজুড়ে জুলাই যোদ্ধারা ছিলেন। অনেক পরিবার ঢাকায় থাকতে চায় না।

    পরিকল্পনা উপদেষ্টা জানান, ব্যয়ের প্রাক্কলন আরও যথাযথ হওয়া উচিত। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে প্রকল্পটিকে এগিয়ে নেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়কে।

    পরে ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি ২ হাজার কোটি টাকার স্যানিটেশন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন। বলেন, আপাতত আমাদের স্যানিটেশন সিস্টেম প্রতিবেশি ভারতসহ আরও কয়েকটি দেশের চেয়ে ভালো।

    গাজীপুর থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত র‍্যাপিড বাস ট্রানজিট কার্যক্রমকে বড় ধরণের অপরিকল্পিত প্রকল্প হিসেবে অভিহিত করা হয় একনেক সভায়। ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, বিপুল ব্যয়ের এই অহেতুক প্রকল্পের নকশা ও পরিকল্পনার সাথে কারা জড়িত ছিল, তা অনুসন্ধান করা হবে।

    সভায়, ২ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা ব্যায়ে ‘ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিকতর উন্নয়ন’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। এর আওতায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য বহুতল হল ও আবাসন ভবনের পাশাপাশি একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে।

    সরকার পরিবর্তনের পর বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের ঠিকাদারদের পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে একনেক। এসব প্রকল্পের সাথে জড়িত প্রকল্প পরিচালক এবং সরকারি কর্মকর্তাদের বিষয়েও তদন্ত করা হবে।