অনলাইন ডেস্ক: ১৮ বিচারককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। তাদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় বাংলাদেশ সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এর ৫৪ ধারায় তাদের অবসরে পাঠানো হয়।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) রাতে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে তাদের অবসরে পাঠিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন উপসচিব মো. আজিজুল হক।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের নিম্নবর্ণিত সদস্যদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বৎসর পূর্ণ হওয়ায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে জনস্বার্থে তাদের সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৫ ধারার বিধান মতে চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো।’
অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন— জেলা ও দায়রা জজ বিকাশ কুমার সাহা, শেখ মফিজুর রহমান, মাহবুবার রহমান সরকার, শেখ গোলাম মাহবুব, মজিবুর রহমান, এহসানুল হক, জুয়েল রানা, মনির কামাল, সহিদুল ইসলাম, আল মাহমুদ ফায়জুল কবীর, মো. নাজিমুদ্দৌলা, এ কে এম মোজাম্মেল হক চৌধুরী, ফজলে এলাহী ভূইয়া, আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান, মো. রুস্তম আলী, নুরুল ইসলাম, এ কে এম এনামুল করিম, মোহাম্মদ হোসেন।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, উপরে বর্ণিত বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
অনলাইন ডেস্ক: সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালকে আদালতে তোলা হবে । বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুরের পর তাকে আদালতে তোলা হতে পারে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিতর্কিত সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়ালের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে।
এর আগে, গতকাল বুধবার (২৫ জুন) দুপুরে মগবাজার এলাকায় আত্মীয়ের বাসায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় হাবিবুল আউয়ালকে আটক করার কথা জানায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম।
তিনি জানান, গ্রেফতার এড়াতে বার বার অবস্থান পরিবর্তন করায় হাবিবুল আউয়ালকে আটক করতে বেগ পেতে হয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল পরিবর্তন ও প্রশাসনকে প্রভাবিত করার অভিযোগে শেরেবাংলা নগর থানায় বিএনপির করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত রোববার (২২ জুন) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় বিগত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলার আবেদন করে বিএনপি।
ওই মামলায় ওইদিন সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরার বাসা থেকে আরেক সাবেক সিইসি কেএম নূরুল হুদাকে ‘মব’ তৈরি করে আটক করে জনতা। পরে তাকে উত্তরা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওইদিন রাতেই তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়। পরদিন সোমবার (২৩ জুন) পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
অনলাইন ডেস্ক: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনামলে দমন এবং পীড়নের অস্ত্র হিসেবে নির্যাতন করা হতো। রাজনৈতিক বিরোধী, ভিন্নমতালম্বী এবং দুর্বল জনগোষ্ঠীর ওপর এসব বর্বরতা চালানো হতো। অন্তর্বর্তী সরকার নির্যাতনের এই সংস্কৃতি বন্ধে অঙ্গীকারবদ্ধ।
বুধবার (২৫ জুন) জাতিসংঘ ঘোষিত নির্যাতিতদের সহমর্মিতা দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে এ কথা বলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার আমলে আইনের অপব্যবহার করে মানুষকে হয়রানি, গ্রেফতার আইনের শাসনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পাশাপাশি রাজনীতিকে বিকৃত এবং সমাজের একটি অংশকে বিষাক্ত করে তুলেছে। নির্যাতন ও মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন মানব মর্যাদার প্রতি চরম অবমাননা। কোনও ন্যায়ভিত্তিক সমাজে এটি স্থান পেতে পারে না এবং সহ্য করা যায় না। আমরা বাংলাদেশের সেই হাজারো নির্যাতিত মানুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের নির্যাতিতদের সাহস ও সহনশীলতাকে সম্মান করি।
তিনি আরও বলেন, সরকারের তিনটি মূল ম্যান্ডেট রয়েছে। তা হলো, পূর্ববর্তী শাসনামলে নির্যাতনের সঙ্গে যুক্তদের বিচারের আওতায় আনা, কাঠামোগত সংস্কার এবং নির্বাচন। একটি নিরাপদ, মর্যাদাসম্পন্ন ও মানবাধিকারের ভিত্তিতে পরিচালিত দেশ গড়তেই এই তিন লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। সরকার গঠনের পর থেকেই নির্যাতনের এই ধারা মোকাবেলা, জবাবদিহিতা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে একটি রাষ্ট্র নির্মাণে দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়েছি।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রথমে ‘গুম প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সনদে’ স্বাক্ষর করেছে। এই সনদের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় বা রাষ্ট্র-ঘনিষ্ঠ বাহিনীর দ্বারা কোনও ব্যক্তিকে গুম করা বা আটকের পর অস্বীকার করার মতো অপরাধ সহ্য না করার ব্যাপারে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই সনদের স্বাক্ষর একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা। এর মাধ্যমে আমরা জাতীয় পর্যায়ে আইন প্রণয়নের দিকে এগোচ্ছে সরকার। যা ইতোমধ্যে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
গুম প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, সরকার একটি গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন গঠন করেছে। এর লক্ষ্য হলো নির্যাতন, গুম এবং আটক সংক্রান্ত অভিযোগগুলো তদন্ত করা। বিশেষত অতীতের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো। এই স্বাধীন কমিশনের দায়িত্ব হলো স্বচ্ছ তদন্ত, দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ এবং ক্ষতিপূরণের সুপারিশ করা।
পুলিশ ও বিচার বিভাগে প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, এই দুই বিভাগে ব্যাপক সংস্কার চলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, কারা প্রশাসন এবং বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের তদন্তের বিষয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। হেফাজতে নেয়া ও জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাছাড়া এসব ঘটনার বাধ্যতামূলক প্রতিবেদন ও নথিভুক্তকরণ চালু করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো প্রাথমিক হলেও এগুলো এক গভীর পরিবর্তনের সূচনা।
শেষে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে নির্যাতন প্রতিরোধের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করা হবে। এই দিনটি হোক একটি মোড় পরিবর্তনের মুহূর্ত।
খেলাধুলা ডেস্ক: পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) খেলার জন্য বাংলাদেশি অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সোমবার (১৯ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিসিবি।
২২ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত সময়ের জন্য মিরাজকে পিএসএলে অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়া হয়েছে। তিনি লাহোর কালান্দার্স দলের হয়ে মাঠে নামবেন।
এনওসি পাওয়ার সুবাদে দ্বিতীয়বারের মতো বিদেশি কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন মিরাজ। এর আগে, ২০১৭ সালে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) খেলার সুযোগ এসেছিল মিরাজের সামনে। যদিও সেবার ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের হয়ে ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি।
জিম্বাবুয়ের তারকা অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজার বিকল্প হিসেবে মিরাজকে নিতে আগ্রহী লাহোর কালান্দার্স। কেননা, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট খেলতে খুব শীঘ্রই পিএসএল ছেড়ে যাবেন তিনি।
লাহোর কালান্দার্সের এলিমিনেটর ম্যাচ ২২ মে, জয় পেলে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ২৩ মে, আর ফাইনাল ২৫ মে। ফলে প্লে-অফের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই মিরাজকে পাচ্ছে দলটি।
উল্লেখ্য, লাহোর কালান্দার্সের হয়ে আগেই মাঠে নেমেছেন বাংলাদেশের তরুণ লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। তবে বর্তমানে তিনি জাতীয় দলের সঙ্গে থাকায় আর পিএসএলে অংশ নিচ্ছেন না। এখন দলে আছেন আরেক বাংলাদেশি তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
যশোর প্রতিনিধি: সরকারি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র, আওয়ামী যুবলীগের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু ওরফে রেন্টু চাকলাদার, তার স্ত্রী শামীমা শারমিন এবং ছেলে সায়েদ আনান চাকলাদারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১৯ মে) বিকেলে যশোরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের পিপি সিরাজুল ইসলাম।
তিনি জানান– দুদকের অনুসন্ধান আবেদনে জানানো হয়, রেন্টু চাকলাদার ও তার পরিবার সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। এ বিষয়ে তদন্তের জন্য দুদকের সহকারী পরিচালক আল-আমীনকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয় কমিশনের প্রধান কার্যালয়।
তিনি আরও জানান, অনুসন্ধান চলাকালে তারা জানতে পারে, অভিযুক্ত তিনজনই দেশত্যাগ করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন; যা তদন্ত প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহে মারাত্মক বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের পক্ষে তিনি কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদনক্রমে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপের আবেদন করেন। বিচারক তা মঞ্জুর করেন।
প্রসঙ্গত, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পরপরই রেন্টু চাকলাদার সপরিবারে দেশের বাইরে চলে যান বলে তার বলে নিকটজনরা জানিয়েছেন।
নিউজ ডেস্ক: যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বরং গায়ের জোরে দাবি আদায় করার উদ্দেশ্যেই নগর ভবন বন্ধ করে মহানগর বিএনপি আন্দোলন চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানোর দাবিতে নগর ভবনের সামনের আন্দোলনের বিষয়ে সোমবার (১৯ মে) সামাজিক মাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে এসব কথা জানান তিনি।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হলো:
‘প্রথমত, আর্জি সংশোধন অবৈধ মর্মে হাইকোর্টের রায় ভায়োলেট করে নির্বাচন কমিশন ট্রাইব্যুনাল এই রায় প্রদান করেছে।
দ্বিতীয়ত, নির্বাচন কমিশন শুনানিতে অংশগ্রহণ না করায় একপাক্ষিক রায় হয়েছে, এবং পরবর্তীতে কমিশন আপিলও করেনি।
তৃতীয়ত, আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হলেও, মতামত দেয়ার আগেই এবং একই সাথে দুইজন নাগরিকের পাঠানো লিগ্যাল নোটিশ উপেক্ষা করে রাত ১০টায় গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
চতুর্থত, উক্ত মামলায় স্থানীয় সরকার বিভাগ পক্ষভুক্ত ছিল না, এবং রায়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতি কোনো নির্দেশনার উল্লেখ নেই।
পঞ্চমত, শপথ না দেয়ার কারণে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার বিভাগকে বিবাদী করে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে, যা এখনও বিচারাধীন।
ষষ্ঠত, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সংক্রান্ত মামলায়, আর্জি সংশোধন সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়কে আমলে নিয়ে খারিজ করেছে ট্রাইব্যুনাল। ফলে ট্রাইব্যুনালের দ্বিমুখী অবস্থান বোধগম্য হচ্ছে না।
সপ্তমত, মেয়াদ সংক্রান্ত জটিলতা দেখা দিয়েছে; কতদিন মেয়র থাকবেন বা আদৌ মেয়াদ আছে কিনা তা স্পষ্ট নয়।
অষ্টম, নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে “কোনোপ্রকার আইনি জটিলতা না থাকলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ” এর কথা বলা হয়েছে। স্পষ্টতই বিতর্কিত রায়, স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতি কোনো নির্দেশনা না থাকা, লিগ্যাল নোটিশ এবং রিট পিটিশন বিচারাধীন থাকা সংক্রান্ত আইনি জটিলতা রয়েছে।
নবমত, এই জটিলতা নিরসনে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে।
দশমত, আওয়ামী আমলের অবৈধ নির্বাচনগুলোকে বৈধতা দেয়ার প্রশ্নও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি স্বীকার করে যে আওয়ামী আমলের নির্বাচনগুলো বৈধ, তবে সরকারের জন্য এসব প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে না।
উচ্চ আদালতে বিচারাধীন এবং উপরোল্লিখিত জটিলতা নিরসন না করা পর্যন্ত শপথ গ্রহণ সম্ভব নয়। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বরং গায়ের জোরে আদায় করার উদ্দেশ্যেই নগর ভবন বন্ধ করে মহানগর বিএনপি এই আন্দোলন চালাচ্ছে। ফলে সিটি কর্পোরেশনের দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হওয়াসহ জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
এসকল জটিলতা নিরসন হলে স্থানীয় সরকার বিভাগের শপথ দিতে কোনো সমস্যা নেই। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমার বিরুদ্ধে ইশরাক হোসেনের এই আক্রমণাত্মক ও অপমানজনক কার্যক্রমের কোনো কারণ খুঁজে পেলাম না! আবার কেউ বলবেন না যে এটা সাধারণ জনগণ করছে, কারণ বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন গ্রুপের নির্দেশনা এবং গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী দলীয় নেতাকর্মীরাই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।’