Category: গণমাধ্যম

  • যশোরের সাবেক মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার ও তার স্ত্রী-সন্তানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    যশোরের সাবেক মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার ও তার স্ত্রী-সন্তানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    যশোর প্রতিনিধি: সরকারি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র, আওয়ামী যুবলীগের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু ওরফে রেন্টু চাকলাদার, তার স্ত্রী শামীমা শারমিন এবং ছেলে সায়েদ আনান চাকলাদারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১৯ মে) বিকেলে যশোরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ আদেশ দেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের পিপি সিরাজুল ইসলাম।

    তিনি জানান– দুদকের অনুসন্ধান আবেদনে জানানো হয়, রেন্টু চাকলাদার ও তার পরিবার সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। এ বিষয়ে তদন্তের জন্য দুদকের সহকারী পরিচালক আল-আমীনকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয় কমিশনের প্রধান কার্যালয়।

    তিনি আরও জানান, অনুসন্ধান চলাকালে তারা জানতে পারে, অভিযুক্ত তিনজনই দেশত্যাগ করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন; যা তদন্ত প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহে মারাত্মক বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের পক্ষে তিনি কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদনক্রমে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপের আবেদন করেন। বিচারক তা মঞ্জুর করেন।

    প্রসঙ্গত, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পরপরই রেন্টু চাকলাদার সপরিবারে দেশের বাইরে চলে যান বলে তার বলে নিকটজনরা জানিয়েছেন।

  • নগর ভবন বন্ধ করে মহানগর বিএনপি আন্দোলন চালাচ্ছে :উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

    নগর ভবন বন্ধ করে মহানগর বিএনপি আন্দোলন চালাচ্ছে :উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

    নিউজ ডেস্ক:    যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বরং গায়ের জোরে দাবি আদায় করার উদ্দেশ্যেই নগর ভবন বন্ধ করে মহানগর বিএনপি আন্দোলন চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

    বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানোর দাবিতে নগর ভবনের সামনের আন্দোলনের বিষয়ে সোমবার (১৯ মে) সামাজিক মাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে এসব কথা জানান তিনি।

    আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হলো:

    ‘প্রথমত, আর্জি সংশোধন অবৈধ মর্মে হাইকোর্টের রায় ভায়োলেট করে নির্বাচন কমিশন ট্রাইব্যুনাল এই রায় প্রদান করেছে।

    দ্বিতীয়ত, নির্বাচন কমিশন শুনানিতে অংশগ্রহণ না করায় একপাক্ষিক রায় হয়েছে, এবং পরবর্তীতে কমিশন আপিলও করেনি।

    তৃতীয়ত, আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হলেও, মতামত দেয়ার আগেই এবং একই সাথে দুইজন নাগরিকের পাঠানো লিগ্যাল নোটিশ উপেক্ষা করে রাত ১০টায় গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।

    চতুর্থত, উক্ত মামলায় স্থানীয় সরকার বিভাগ পক্ষভুক্ত ছিল না, এবং রায়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতি কোনো নির্দেশনার উল্লেখ নেই।

    পঞ্চমত, শপথ না দেয়ার কারণে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার বিভাগকে বিবাদী করে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে, যা এখনও বিচারাধীন।

    ষষ্ঠত, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সংক্রান্ত মামলায়, আর্জি সংশোধন সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়কে আমলে নিয়ে খারিজ করেছে ট্রাইব্যুনাল। ফলে ট্রাইব্যুনালের দ্বিমুখী অবস্থান বোধগম্য হচ্ছে না।

    সপ্তমত, মেয়াদ সংক্রান্ত জটিলতা দেখা দিয়েছে; কতদিন মেয়র থাকবেন বা আদৌ মেয়াদ আছে কিনা তা স্পষ্ট নয়।

    অষ্টম, নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে “কোনোপ্রকার আইনি জটিলতা না থাকলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ” এর কথা বলা হয়েছে। স্পষ্টতই বিতর্কিত রায়, স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতি কোনো নির্দেশনা না থাকা, লিগ্যাল নোটিশ এবং রিট পিটিশন বিচারাধীন থাকা সংক্রান্ত আইনি জটিলতা রয়েছে।

    নবমত, এই জটিলতা নিরসনে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে।

    দশমত, আওয়ামী আমলের অবৈধ নির্বাচনগুলোকে বৈধতা দেয়ার প্রশ্নও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি স্বীকার করে যে আওয়ামী আমলের নির্বাচনগুলো বৈধ, তবে সরকারের জন্য এসব প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে না।

    উচ্চ আদালতে বিচারাধীন এবং উপরোল্লিখিত জটিলতা নিরসন না করা পর্যন্ত শপথ গ্রহণ সম্ভব নয়। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বরং গায়ের জোরে আদায় করার উদ্দেশ্যেই নগর ভবন বন্ধ করে মহানগর বিএনপি এই আন্দোলন চালাচ্ছে। ফলে সিটি কর্পোরেশনের দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হওয়াসহ জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

    এসকল জটিলতা নিরসন হলে স্থানীয় সরকার বিভাগের শপথ দিতে কোনো সমস্যা নেই। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমার বিরুদ্ধে ইশরাক হোসেনের এই আক্রমণাত্মক ও অপমানজনক কার্যক্রমের কোনো কারণ খুঁজে পেলাম না! আবার কেউ বলবেন না যে এটা সাধারণ জনগণ করছে, কারণ বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন গ্রুপের নির্দেশনা এবং গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী দলীয় নেতাকর্মীরাই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।’

  • বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করেছে পরিকল্পনা কমিশন

    বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করেছে পরিকল্পনা কমিশন

    অর্থনীতি ডেস্ক:  আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করেছে পরিকল্পনা কমিশন। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত এডিপির আকার ২ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা। উন্নয়ন বাজেটে বরাবরের মতো এবারও বড় ৫ খাতেই ৭০ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে শুধু পরিবহন ও যোগাযোগ খাতই ২৫ শতাংশ বরাদ্দ পেয়েছে।

    অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে চলতি অর্থবছরের মূল এডিপি থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে এবার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ধরা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এরমধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি এবং বৈদেশিক ঋণ থেকে ৮৬ হাজার কোটি টাকা। এডিপিতে মোট ২ লাখ ১৫ হাজার ৫১৪ কোটি টাকা এক হাজার ১৪২ প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    জানা গেছে, বরাবরের মতো এবারও অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে পরিবহণ ও যোগাযোগ খাতে। মোট বরাদ্দের ২৫.৬৪ শতাংশ বা ৫৮ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকছে পরিবহণ ও যোগাযোগ খাতে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪.০৮ শতাংশ বা ৩২ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে। ১২.৪২ শতাংশ বা ২৮ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা বরাদ্দ পাচ্ছে শিক্ষা খাত। গৃহায়ন ও কমিউনিটি সুবিধাবলী খাতে ৯.৯০ শতাংশ বা ২২ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে। আর স্বাস্থ্য খাত পেয়েছে ৭.৮৯ শতাংশ বা ১৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা ।

    এছাড়া স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ১৩ হাজার ৪৭২ কোটি, কৃষি খাতে ১০ হাজার ৭৯৫ কোটি টাকা, পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও পানিসম্পদ খাতে ১০ হাজার ৬৪১ কোটি টাকা, শিল্প ও অর্থনীতিক সেবা খাতে ৫ হাজার ৩৮ কোটি টাকা, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ৩ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা, ধর্ম, সংস্কৃতি ও বিনোদন খাতে ৩ হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা, জনশৃঙ্খলা ও সুরক্ষা খাতে ২ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা, সামাজিক সুরক্ষা খাতে ২ হাজার ১৮ কোটি টাকা, সাধারণ সরকারি সেবা খাতে এক হাজার ৮৭৭ কোটি টাকা ও প্রতিরক্ষা খাতে ৪৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের এডিপিতে ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে সংশোধিত এডিপিতে তা কমিয়ে ২ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। আগামী অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেট মূল এডিপির তুলনায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা কম হলেও সংশোধিত এডিপির তুলনায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বেশি। চলতি অর্থবছরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো চাহিদা দিয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা।

    চলতি অর্থবছরের মূল এডিপিতে সরকারের অর্থায়ন ছিল ১ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা, আর বিদেশি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছর উন্নয়ন কর্মসূচিতে সরকারের অর্থায়ন কমে ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকায় নেমেছে, আর বিদেশি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ১৪ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৮৬ হাজার কোটি টাকায় নামানো হয়েছে।

  • বায়ু দূষণ! ঢাকা শহরের নিত্যসঙ্গী

    বায়ু দূষণ! ঢাকা শহরের নিত্যসঙ্গী

    অনলাইন ডেস্ক:  বায়ু দূষণ! ঢাকা শহরের নিত্যসঙ্গী। দিনের পর দিন বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর শীর্ষে থাকে ঢাকা। ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা পিএম ২ দশমিক ৫ এবং, ক্ষতিকর গ্যাসীয় উপাদানের উপস্থিতি আছে, স্বাভাবিকের চেয়ে ৬-৭ গুণ বেশি।

    ঢাকার বাতাস পরিশৃুদ্ধ করতে নতুন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। মহাখালী, গুলশান ও ফার্মগেটের মতো জনবহুল এবং দূষণপ্রবণ এলাকায় বেশ কয়েকটি আউটডোর এয়ার পিউরিফায়ার বসাবে ডিএনসিসি। এসব যন্ত্র এর আশপাশের ৩০ হাজার ঘনফুট এলাকার বাতাস পরিশুদ্ধ করতে পারবে।পরীক্ষামূলকভাবে ৪-৫টি স্থানে বসানো হবে এই পিউরিফায়ার।

    বাংলাদেশের আগে এয়ার পিউরিফায়ার বা স্মগ টাওয়ার দিয়ে দূষণ রোধের চেষ্টা করছে ভারত, চীনসহ বিভিন্ন দেশ। তবে সেসব দেশে এমন প্রযুক্তি খুব একটা সফলতার মুখ দেখেনি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর কার্যকারিতা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

    ডিএনসিসির এই এয়ার পিউরিফায়ারের কার্যপ্রণালী অনুযায়ী, এইচডিসিটি ৫১০০০ মডেলের এসব এয়ার পিউরিফায়ার, এর আশপাশের ৩০ হাজার ঘনফুট এলাকার বাতাস থেকে পিএম ২ দশমিক ৫ এবং পিএম ১০ ধুলিকণা ৯০ শতাংশ পর্যন্ত শোষণ করতে পারবে। অর্থাৎ এটি বাতাসে দূষিত গ্যাসীয় পদার্থ শোষণে ব্যর্থ। তবু এই ধরনের উদ্যোগ হাতে নেয়া কতটা যুক্তিযুক্ত এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    এ বিষয়ে ডিএনসিসি’র প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ জানান, এটি নিজেদের খরছে নয় বরং স্পন্সর করা হবে। কাজ করলে তা বাস্তবায়ন হবে অন্যথায় হবে না।

    কিছু গণমাধ্যমে এয়ার পিউরিফায়ার নিয়ে ভুল তথ্য প্রচারিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা যদি মনে করি শুধু পিউরিফায়ার দিয়ে পুরো সমস্যার সমাধান সম্ভব এটি ভুল ধারণা। এটি কোনো প্রকল্প নয় বরং একটি পাইলট প্রচেষ্টা। আমরা এর কার্যকারীতা দেখতে চাই।

    এ বিষয়ে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, সাধারণত এটি ইনডোরের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। চার ধরনের দূষণ আছে। এয়ার পিউরিফায়ার শুধু ধুলিকণা শোষণ করতে পারে। অন্যগুলোর ক্ষেত্রে এটি খুব বেশি পরীক্ষিত নয়।

    তিনি আরও জানান, এয়ার পিউরিফায়ার কোনো জায়গায় কাজ করতে পারে আবার নাও করতে পারে। নিয়ন্ত্রিতভাবে দুই-একটি জায়গায় ব্যবহার করে দেখা যেতে পারে। তবে এটিকে শতকোটি টাকা বিনিয়োগের প্রকল্প হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

    বিভিন্ন অভিযোগ মাথায় নিয়েই আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ‘সিআরএস’ এর সাথে এবিষয়ে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর করবে ডিএনসিসি। তবে ঠিক কবে নাগাদ এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে তা এখনও নির্ধারণ হয়নি।

  • অন্তঃসত্ত্বা ভাতার টাকা ফিরিয়ে দিয়ে বিবেকের শক্তি ও সততার নজির স্থাপন করলেন ইউপি সদস্য মঞ্জু

    অন্তঃসত্ত্বা ভাতার টাকা ফিরিয়ে দিয়ে বিবেকের শক্তি ও সততার নজির স্থাপন করলেন ইউপি সদস্য মঞ্জু

    নিজস্ব প্রতিবেদন: ৬ মে ২০২৫, মঙ্গলবার — যখন সমাজের নানা স্তরে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও স্বার্থপরতায় সাধারণ মানুষের আস্থা প্রতিনিয়ত আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে, তখন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দেউলী ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ মঞ্জু এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দেখালেন—মানুষ চাইলে এখনো বিবেক, সততা ও মানবিকতা বজায় রাখতে পারে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভরিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ জাকিরুল ইসলাম ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মোছাঃ শারমিন আক্তার জুঁইকে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাসে মোট ৮ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ১ হাজার টাকা ব্যাংক একাউন্ট খোলার কাজে এবং বাকি টাকা পরীক্ষানিরীক্ষা ও আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ দাবি করা হয়।

    ইউপি সদস্য মঞ্জু নিজেই জানিয়েছেন, তিনি সর্বমোট ৬ হাজার টাকা গ্রহণ করেন—যার মধ্যে ৩ হাজার টাকা বিকাশে এবং বাকি ৩ হাজার টাকা স্থানীয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে তার হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

    তবে নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভাতার কার্ড অনুমোদন না হওয়ায়, ইউপি সদস্য মঞ্জু কোনোরকম বিলম্ব না করে বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে পুরো টাকা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং তা সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে স্বচ্ছতার সঙ্গে জাকিরুল ইসলামের পরিবারের হাতে তুলে দেন।

    এই ঘটনাটি শুধু একটি টাকার লেনদেন নয়—এটি একটি নৈতিক অবস্থান, এক মানবিক বোধের উদাহরণ, যা আমাদের সমাজে আজ বড় প্রয়োজন। যখন ভাতার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে অসৎ আচরণ নিত্যদিনের খবর, তখন ইউপি সদস্য মঞ্জুর এই সৎ ও বিবেকবান পদক্ষেপ আশার আলো দেখায়।

    স্থানীয় জনসাধারণ তার এই মানবিক ও নৈতিক ভূমিকায় উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন। তারা মনে করেন, এমন উদাহরণ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দেয় এবং অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদেরও জনসেবার আদর্শে অনুপ্রাণিত করে।

  • কুয়েটের উপাচার্য  হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. হযরত আলী

    কুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. হযরত আলী

     নিউজ ডেস্ক:   খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. হযরত আলী।

    বৃহস্পতিবার (১ মে) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বৃত্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সহকারী সচিব এ এস এম কাশেম।

    এতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৩-এর ১০ (১) ও ১০ (৩) ধারা অনুসারে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণকালীন ভাইস-চ্যান্সেলর নিয়োগের পূর্ব পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হযরত আলীকে রুটিন দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োগ দেয়া হলো।

    অন্তবর্তীকালীন এই উপাচার্য তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতনভাতা পাবেন। বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধাও ভোগ করবেন।

    উল্লেখ্য, গত ২৫ এপ্রিল কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস কে শরীফুল আলমকে অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।