Category: গণমাধ্যম

  • অস্বাস্থ্যকর বাতাস নিয়ে বায়ুদূষণের শীর্ষে ঢাকা

    অস্বাস্থ্যকর বাতাস নিয়ে বায়ুদূষণের শীর্ষে ঢাকা

    অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বের ১২৪ শহরের মধ্যে আজ দূষিত শহরের প্রথম স্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। শনিবার (২২ মার্চ) দুপুর ১২টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    সংস্থাটি জানায়, ২২২ স্কোর নিয়ে বায়ুদূষণের তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। অর্থাৎ এখানকার বাতাসের মান বসবাসকারীদের জন্য ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। পরের স্থানে থাকা পাকিস্তানের লাহোরের স্কোর ১৮৭। সেখানকার বাতাস নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’।

    তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি, তাদের স্কোর ১৭৯। চারে রয়েছে থাইল্যান্ডের চিয়াংমাই আর পাঁচে ভিয়েতনামের হানোই। আইকিউএয়ার’র ভাষ্য অনুযায়ী এসব এলাকার বাতাস বসবাসকারীদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’।

    বাতাসের গুণমান সূচক (একিউআই) দিয়ে বায়ুদূষণের মাত্রা নির্ধারণ করে নিয়মিত বায়ুদূষণের পরিস্থিতি তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। তাদের তালিকায় বলা হয়েছে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই দূষণের প্রধান উৎস। বেশি মাত্রার দূষণ শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদ্‌রোগ এবং দীর্ঘ মেয়াদে ক্যানসারের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

    বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১-১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১-১৫০-এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১-২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।

  • সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর

    সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোকে স্বাগত জানিয়েছেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নকারীর প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস।

    প্রশ্ন: মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান তুলসী গ্যাবার্ড বাংলাদেশে ইসলামি চরমপন্থার ক্রমবর্ধমান হুমকি ও একটি ইসলামি খেলাফত প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। তবে তিনি (তুলসী) মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে সরাসরি দায়ী করেননি- ইউনূস সরকারও এসব উদ্বেগকে তীব্রভাবে অস্বীকার করেছে, এগুলোকে অসত্য বলে অভিহিত করেছে। এ ছাড়া গতকালও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খিলাফতপন্থী বিশাল একটি র‍্যালি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রশ্নকারী। মার্কিন সরকারের চলমান উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে, যুক্তরাষ্ট্র কী ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার মতো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বিবেচনা করছে?

    উত্তরে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস বলেন, আমরা যেকোনো দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের প্রতি সহিংসতা বা অসহিষ্ণুতার যেকোনো ঘটনার নিন্দা জানাই এবং বাংলাদেশের সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপগুলোকে স্বাগত জানাই। আমরা এটাই দেখছি। এটাই আমরা প্রত্যাশা করি। এবং এটাই অব্যাহত থাকবে।

  • জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর বিরুদ্ধে

    জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর বিরুদ্ধে

    নিউজ ডেস্ক: জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, তার মেয়ে সুমাইয়া হোসেন ও শ্যালিকা সৈয়দা হক মেরীর বিরুদ্ধে আলাদা তিনটি মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

    বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) এক ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির পরিচালক আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

    দুদক পরিচালক বলেন, আমির হোসেন আমুর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে ২৬ কোটি ২৭ লাখ ৮১ হাজার ৪৬১ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ভোগ দখলে রাখার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ১৪টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে মোট ৩১ কোটি ৪৭ লাখ ৯২ হাজার ৭০৮ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করে জ্ঞাতসারে হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, আমির হোসেন আমুর মেয়ে সুমাইয়া হোসেনের বিরুদ্ধে বাবার সহযোগিতায় ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৪ কোটি ৪৩ লাখ ৫২ হাজার ৮১ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া, তার নামে থাকা ১৮টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৪৮ কোটি ৪৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

    এদিকে আমির হোসেন আমুর শ্যালিকা সৈয়দা হক মেরীর কোনো বৈধ আয়ের উৎস না থাকলেও তার ৭ কোটি ৬৬ লাখ ৯১ হাজার টাকা জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানান দুদক পরিচালক।

    অপরদিকে, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

  • বিচারিক আদালতে সব মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান

    বিচারিক আদালতে সব মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান

    নিউজ ডেস্ক: বিচারিক আদালতে সব মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে থাকা সর্বশেষ মামলা ‘হত্যা মামলা থেকে দায়মুক্তির উদ্দেশ্যে ঘুষ লেনদেন’ এর অভিযোগ থেকে তারেক রহমানসহ আটজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন বিচারিক আদালত।

    বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) সকালে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মুহা. আবু তাহের এই রায় ঘোষণা করেন।

    এর ফলে বিচারিক আদালতে তারেক রহমানের আর কোনো মামলা নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপির আইনজীবীরা।

    এই মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সাব্বির হত্যা মামলার আসামি সাফিয়াত সোবাহান সানভীরকে দায়মুক্তি দেয়ার উদ্দেশ্যে ২১ কোটি টাকা ঘুষ নেয়া হয়। এক-এগারোর সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বাদী হয়ে মামলাটি করেছিল। ২০০৮ সালের ১৪ জুলাই তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবরসহ আট আসামির বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করেছিলেন।

    বিএনপির আইনজীবী বোরহান উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, আসামিদের বিপক্ষে কোনো স্বাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি দুদক। এখন কোনো মামলা না থাকার কারণে তারেক রহমানের দেশে ফিরে রাজনীতি করতে আর কোনো বাধা নেই।

    গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারেক রহমান আইনি প্রক্রিয়ায় তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো থেকে খালাস পেয়েছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন ও তারেক রহমানের মা খালেদা জিয়া রাষ্ট্রের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পান গত ৬ আগস্ট। গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন মামলায় তাদের সাজা হয়েছিল।

    হাসিনা সরকারের পতনের পর বিএনপি নেতাকর্মীদের আগ্রহ, যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত তারেক রহমান দেশে ফিরছেন কবে সে বিষয়ে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম তার ফেরার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ের কথাও বলেছিল। তবে বিএনপির শীর্ষ নেতারা আইনি বাধা কাটানোর কথা জানিয়েছিল।

    যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য, কেবল আইনি বাধা নয়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরার সঙ্গে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি ও তার নিরাপত্তার বিষয়টি জড়িত।

  • ৩ এপ্রিলও ছুটির ঘোষণা দিয়েছে সরকার

    ৩ এপ্রিলও ছুটির ঘোষণা দিয়েছে সরকার

    নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩ এপ্রিল ছুটির ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এতে ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৯ দিনের ছুটি পাচ্ছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিরা।

    আজ বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

    প্রসঙ্গত, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ৩১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর হতে পারে। সম্ভাব্য এই তারিখ ধরে আগেই পাঁচ দিনের ছুটির তারিখ নির্ধারণ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সে হিসাবে কাগজপত্রে ২৯ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে ঈদুল ফিতরের ছুটি।

    পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে অফিস খোলার কথা ছিল ৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার। এর পরের দুই দিন ছিলো সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার। তবে ৩ এপ্রিল ছুটির ঘোষণা দেয়ায় টানা ৯দিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিরা।

    এদিকে নির্ধারিত ছুটি শুরুর আগের দিন ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার। একই সঙ্গে একই দিন পবিত্র শবে কদরেরও ছুটি। ফলে বাস্তবে ছুটি শুরু হচ্ছে ২৮ মার্চ থেকে।

    এই ছুটি শুরুর দুই দিন আগেও রয়েছে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ছুটি। পরদিন বৃহস্পতিবার ২৭ মার্চ এক দিন অফিস খোলা থাকবে। ফলে ছুটির সুযোগ আরও বেশি আছে।

    তবে সরকারি ছুটির বিধিমালা অনুযায়ী, দুই ছুটির মাঝখানে নৈমিত্তিক ছুটি নেয়ার নিয়ম নেই। নিলে তা টানা ছুটি হয়ে যাবে। অবশ্য অর্জিত ছুটি নেয়ার সুযোগ আছে। এ ছাড়া ঐচ্ছিক ছুটি নেয়ারও সুযোগ আছে।

    অবশ্য প্রত্যেক কর্মচারীকে বছরের শুরুতে নিজ ধর্ম অনুযায়ী নির্ধারিত তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করতে হবে। সাধারণ ছুটি, নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত করে ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেয়ারও সুযোগ আছে।

  • চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট

    চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট

    নিউজ ডেস্ক: ষ্ট্রদ্রোহের মামলায় গ্রেফতার বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। তাকে কেন জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি মো. আলী রেজার হাইকোর্ট বেঞ্চে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন আবেদনের শুনানি শেষে দুই সপ্তাহের রুল জারি করা হয়।

    আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য ও প্রবীর রঞ্জন হালদার। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনিক আর হক ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ।

    চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের নেতৃত্বে চট্টগ্রামে সনাতনী সম্প্রদায়ের একটি বড় সমাবেশ হয় গত ২৫ অক্টোবর। এর কয়েক দিন পর গত ৩১ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয়। এ মামলায় আরও ১৮ জনকে আসামি করা হয়।

    গত ২২ নভেম্বর চিন্ময়ের নেতৃত্বে রংপুরে আরও একটি বড় সমাবেশ হয়। এরপর রাষ্ট্রদ্রোহের সেই মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গত ২৫ নভেম্বর ঢাকায় গ্রেফতার করা হয়। পরদিন জামিন আবেদন করা হলে তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।

    আদালত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিলে সেদিন চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের সঙ্গে চিন্ময়ের অনুসারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে আদালত চত্বরের বাইরে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর থেকেই কারাগারে আছেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস।

    গত ২ জানুয়ারি চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা জজ আদালত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। এর আগে, গত বছরের ২৬ নভেম্বর চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন নাকচ করে দেন চট্টগ্রামের ষষ্ঠ মহানগর হাকিম আদালত।