বিশেষ প্রতিনিধি : পুরাতন ঢাকার এতিহ্যবাহী এএম শারফুদ্দিন আহমেদ এর নাতি ও জাহাঙ্গীর মো আদেল এর পুত্র তারেক এ আদেল কর্তৃক বাংলাদেশ পেশাদার সাংবাদিক ফোরাম (বিপিজেএফ) এর প্রধান উপদেষ্টা, জানিপপের চেয়ারম্যান, রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. লে. কর্নেল নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ এর নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে পুরাতন ঢাকার শারফুদ্দিন হাউজে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়। এতে অংশগ্রহন করেন, সৌদি আরবের সাবেক রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ, এয়ার কমোডর ডক্টর আব্দুস সামাদ আজাদ, মেজর(অব.) আমীন আহমেদ আফসারী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, শিক্ষাবিদ প্রফেসর ফরহাদ হোসেন, প্রফেসর তানভির আবির, বাংলাদেশ পেশাদার সাংবাদিক ফোরাম (বিপিজেএফ) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি কাজী শরিফুল ইসলাম শাকিল, সাধারন সম্পাদক রোমান আকন্দ। সঞ্চালনা করেন-পিবজার সহ-সভাপতি ডক্টর দিপু সিদ্দিকী।
Category: গণমাধ্যম
-

নোয়াখালীতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, থানায় জিডি
নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাংবাদিক শাহাদাৎ বাবু ও সাংবাদিক একেএম ফারুক হোসেনকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে একটি ভিডিও পোস্ট করার অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সকালে ভুক্তভোগী সাংবাদিক শাহাদাৎ বাবু নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানায় এই জিডি করেন। যাহার জিডি নং ৬০৫ /০৯.০১.২০২৫। সাংবাদিক শাহাদাৎ বাবু নোয়াখালী প্রেস ক্লাবের একজন সদস্য, তিনি দ্য ডেইলি পোস্ট পত্রিকা ও সময়ের কণ্ঠস্বর অনলাইন মাল্টিমিডিয়া গণমাধ্যমের নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। অপর ভুক্তভোগী সাংবাদিক এ কে এম ফারুক হোসেন তিনিও নোয়াখালী প্রেস ক্লাবের একজন সদস্য ও দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকায় নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন।
জানা যায়, গত শুক্রবার ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় Bakhtiar Shikdar নামে একটি ফেক আইডি থেকে এই ভিডিও পোস্ট করা হলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক বখতিয়ার শিকদারের বলেন, আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করি না। আমার নাম ও ছবি দিয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি ফেক আইডি খুলে আমার এবং আমার সহকর্মীদের নামে মিথ্যা প্রপাকাণ্ড ছড়াচ্ছে। এই ভুয়া আইডির বিরুদ্ধে আমি গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে থানায় একটি জিডি করেছি।
সাংবাদিক শাহাদাৎ বাবু অভিযোগ করে বলেন, ফেক আইডির মিথ্যা প্রপাকান্ডে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। এই ফেক আইডি থেকে অনেক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানিকর পোস্ট করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার সম্মানহানি করার জন্য এই আইডি থেকে আমার ছবি দিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে। যার কোন ভিত্তি নেই। আমি দীর্ঘদিন থেকে পরিচ্ছন্নভাবে পেশাদারিত্বের সাথে সাংবাদিকতা পেশায় কাজ করে যাচ্ছি। তাই আমি এমন মানহানিকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আপত্তিকর মন্তব্য করে, ভুল ব্যাখ্যায় আমার ছবি সম্বলিত ভিডিও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। এখানে আসল বিষয় হচ্ছে গত কিছুদিন আগে আমার আপন বড় ভাইয়ের বাসায় নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি হয়। তারপর আমরা চোরকে সনাক্ত করতে সমর্থ হই। পরবর্তীতে চোরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তারা চোরাইকৃত স্বর্ণ কোন দোকানে বিক্রি করেছে সেটা জানতে চাইলে তারা জানায় বিশ্বনাথের ‘শিল্পী স্বর্ণ শিল্পালয়’ নামে একটি স্বর্ণের দোকানে তারা স্বর্ণ বিক্রি করেছে। চোরের দেওয়া তথ্য মতে চোরকে নিয়ে আমি সেই দোকানে যাই। এ সময় আমাদের আরো সাত আট জন সাংবাদিক সহকর্মী এসে হাজির হয়। পরবর্তীতে চোরের সম্মুখে সেই স্বর্ণের দোকানদারের কাছে জানতে চাইলে দোকানদার স্বর্ণ কিনেছেন বলে স্বীকার করেন। এবং স্বর্ণ কিনে তিনি তা বিক্রিও করে ফেলেন বলে জানান। তার জবানবন্দীর পুরো ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে। দোকানদার অন্যায় ভাবে স্বর্ণ ক্রয় করার কারণে সে দোষী সাব্যস্ত হওয়াতে তার পার্শ্ববর্তী পরিচিত কিছু সাঙ্গপাঙ্গ দোকানদারকে বাঁচাতে বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। এ সময় তাদের সাথে আমাদের বাক-বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তারা আমার দু’একজন সহকর্মীর সাথে দুর্ব্যবহার করে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। যে কারণে আমার সহকর্মীরা পুলিশে খবর দিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে। পরবর্তীতে থানায় অভিযোগ দিলে সেই স্বর্ণ দোকানদারসহ যারা দুর্ব্যবহার করেছে তারা সকলে থানায় গিয়ে অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চায় এবং মুচলেখা দিয়ে ক্রয়কৃত স্বর্ণ ফেরত দেয় এবং বিষয়টি নিষ্পত্তি করে। যার পূর্ণ বিবরণ আমার অভিযোগে আমি লিখেছি।
এ বিষয়ে সাংবাদিক একেএম ফারুক হোসেন বলেন, আমরা আমাদের সহকর্মীর ভাইয়ের চুরি হওয়া স্বর্ণের বিষয়ে আপোষ নিষ্পত্তির জন্য সেখানে যাই। স্বর্ণ দোকানদারের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আমরা বিষয়টি নিষ্পত্তির পর্যায়ে চলে আসলে একদল অসাধু চক্র আমাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে। যে কারণে আমরা থানায় অভিযোগ দিলে পরবর্তীতে তারা থানায় মুচলেখা দিয়ে আমাদের কাছে ক্ষমা চায় এবং চোরাইকৃত স্বর্ণ ফেরত দেয়। কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের ভিডিও ধারণ করে তা ভুল ব্যাখ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে আমাদের সম্মানহানি করা হয়েছে। আমরা আইনি প্রতিকার আশা করছি।
অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
-

গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে কম্বল পেলেন ৩শ দুস্থ অসহায় মানুষ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধা প্রেসক্লাব সদস্য সাংবাদিকদের পেশাগত মান ও মর্যাদা উন্নয়নের পাশাপাশি আর্তসামাজিক কর্মকা-ও পরিচালনা করছে। এরই অংশ হিসেবে বুধবার ৩শ দুস্থ মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করে। সকাল ১১টায় প্রেসক্লাব চত্বরে কম্বল বিতরণ করেন গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা কেএম রেজাউল হক।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি অমিতাভ দাশ হিমুন, সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিসউজ্জামান মোনা, সহ-সভাপতি রেজাউন্নবী রাজু, খালেদ হোসেন ও শফিউল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ রোকনুজ্জামান, কুদ্দস আলম, জাভেদ হোসেন ও মিলন খন্দকার, সাংগঠনিক সম্পাদক রজতকান্তি বর্মন, ডিবিসি প্রতিনিধি রিকতু প্রসাদ, দৈনিক বাংলা প্রতিনিধি মাছুম বিল্লাহ প্রমুখ।
এর আগে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ দরিদ্র অসহায় মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কম্বলের টোকেন বিতরণ করেন। কম্বল পেয়ে দুস’ মানুষজন বলেন, শীতে অনেক কষ্ট করছিলাম। গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের কম্বল পেয়ে অনেক উপকৃত হলাম।
প্রেসক্লাবের সভাপতি অমিতাভ দাশ হিমুন বলেন, আগামীতেও সাংবাদিকতা পেশাগত মান উন্নয়নের পাশাপাশি সমাজের কল্যাণকর কাজের সাথে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব সবসময় নিজেকে সম্পৃক্ত রাখবে। তিনি এ বিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। -

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনদের প্রধানদের নিয়ে বিবিসি নিউজ টুয়েন্টিফোরের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময়
নিজস্ব প্রতিবেদক : জেলার সার্বিক উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে বিবিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর লাইভ ডটকম-এর বিশেষ প্রতিনিধি জুয়েল আহমেদ ও রাজশাহী বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার এসএম রুবেল’ সহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন। রাজশাহী বিভাগীয় ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের গণমাধ্যম” এ সময় জেলার সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক নানা উন্নয়ন অবকাঠামো বিষয় নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করা হয়।
জেলা প্রশাসকের বক্তব্য: সমস্যার চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের প্রতিশ্রুতি জেলা প্রশাসক চাঁপাইনবাবগঞ্জের সামগ্রিক উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও নাগরিক সেবা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করে বলেন
কৃষি খাত: জেলার প্রধান আয়ের উৎস আম ও অন্যান্য কৃষিজ পণ্যকে আরও রপ্তানিযোগ্য করার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ চলছে।
অবকাঠামো উন্নয়ন: গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন, নদীভাঙন রোধ এবং বন্যা প্রতিরোধে টেকসই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে ইতিমধ্যে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাত: সরকারি স্কুল-কলেজ এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দের জন্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।তিনি আরও বলেন,“আমরা বিগত দিনে যে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করেছি, সেগুলোকে পেছনে ফেলে জেলার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে চাই। জনগণের নিরাপত্তা ও সেবায় আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি এবং আমাদের এই অঙ্গীকার অব্যাহত থাকবে” সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সাংবাদিকতা পেশা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সঠিক তথ্য উপস্থাপন ও নৈতিক দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম। সমাজ পরিবর্তনে আপনাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
পুলিশ সুপারের প্রতিশ্রুতি: আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে অটল
পুলিশ সুপার চাঁপাইনবাবগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন,মাদক নিয়ন্ত্রণ: সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় মাদক চোরাচালান একটি বড় সমস্যা। এ বিষয়ে পুলিশ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে এবং মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন, এতে অপরাধ দমন: জেলার প্রতিটি থানা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছাও নারী,শিশু সুরক্ষা: নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। জনগণের সঙ্গে পুলিশের সমন্বয় আরও জোরদার করা হবে।”উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তার পরিকল্পনা জানান, অবৈধ কার্যক্রম রোধে কঠোরতা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গ্রামীণ সমস্যা সমাধানে চলমান কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করেন। অবৈধ মাটি কাটা ও ইটভাটা, এসব বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। খাস জমি পুনরুদ্ধার: অবৈধভাবে দখল করা জমি পুনরুদ্ধারে অভিযান চলছে।
দারিদ্র্য দূরীকরণ: স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।তিনিও সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানান,“সঠিক তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনে অবদান রাখতে। আমরা আপনাদের পাশে আছি।”সমন্বিত উন্নয়নের অঙ্গীকার,এই মতবিনিময় সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জের উন্নয়নে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সাংবাদিকদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। প্রতিনিধি দল এই উদ্যোগকে জেলার ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বিশেষ আলোচনার মধ্যে দিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ক্রাইম রিপোর্টার এস এম রুবেল বলেন, “গণমাধ্যম একটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ এবং এর স্বাধীনতা রক্ষা করা সুশাসন ও গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য। সাংবাদিকদের নির্ভয়ে সত্য প্রকাশের সুযোগ দিতে হবে এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এছাড়া সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রায়শই প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর একে অপরের সঙ্গে সমন্বয়হীনভাবে কাজ করে, যা সাধারণ মানুষের সেবা প্রাপ্তিকে ব্যাহত করে। এ ধরনের বিচ্ছিন্নতা দূর করে প্রশাসনের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ এবং সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। প্রশাসন ও গণমাধ্যম একসঙ্গে কাজ করলে উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে।”
-

ঋণ কেলেঙ্কারি ও নানা অনিয়মের কারণে ৬ বেসরকারি ব্যাংকের এমডির বাধ্যতামূলক ছুটি
নিউজ ডেস্ক: ঋণ কেলেঙ্কারি ও নানা অনিয়মে খাদের কিনারায় যাওয়া ৬ বেসরকারি ব্যাংকে ‘অডিট’ চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংক খাত সংস্কারে গঠিত টাস্কফোর্স। অডিট চলাকালে এসব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হচ্ছে। রোববার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ব্যাংকগুলো হচ্ছে-ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, এসআইবিএল, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংক।
প্রথম ধাপে শরিয়াহভিত্তিক ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে অডিট শুরু হবে। এজন্য শনিবার (৪ ডিসেম্বর) ব্যাংকটির পরিচালক পর্ষদের সভায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ওয়াসেক মোহাম্মদ আলীকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। বলা হয়, এসব ব্যাংকের এমডিরা আগের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সময়ে ছিলেন, তাই তাদের দায়িত্বে রেখে অডিট প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। এজন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
একটি নির্দিষ্ট সময়ে হওয়া সবধরনের লেনদেন যাচাই-পর্যালোচনা ও কোনো তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে কিনা, তা দেখতে অডিটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে টাস্কফোর্স। সেই সিদ্ধান্তে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকও।
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংককেও অডিটের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সবগুলো ব্যাংকই বিগত সরকারের আমলে এস আলম গ্রুপের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে ছিল।
-

গাইবান্ধায় যুবদল নেতাকে মারধর, চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন
মোঃ মিঠু মিয়া : গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোসাব্বির হোসেনের বিরুদ্ধে দুই যুবদল নেতাকে মারধর, চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে অপসারণ চেয়ে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। শনিবার (৩ জানুয়ারী ) দুপুরে গাইবান্ধা-নাকাইহাট সড়কের বালুয়া বাজার এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুলসংখ্যক এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, চেয়ারম্যান মোসাব্বির হোসেন তার প্রভাব খাটিয়ে সকল ধরনের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। সর্বশেষ ২ জানুয়ারি একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বাবু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আমিনুল ইসলামকে মারধর করেন। এ ঘটনায় শফিকুল ইসলাম বাবু বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় চেয়ারম্যান মোসাব্বিরের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা চেয়ারম্যানের এই কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তার বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেন। বক্তারা আরও বলেন, চেয়ারম্যান মোসাব্বির বালুয়া বাজারের চাঞ্চল্যকর রোকন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি। এই চেয়ারম্যান বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার পরও এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। তার এসব কার্যকলাপের কারণে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার। মানববন্ধনে উপস্থিত এলাকাবাসী চেয়ারম্যানের অপসারণ এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। যদি যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
