Category: গণমাধ্যম

  • আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আরও ১৬ দিন বৃদ্ধি

    আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আরও ১৬ দিন বৃদ্ধি

    নিউজ ডেস্ক: ২০২৪-২৫ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আরও ১৬ দিন বৃদ্ধি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আগমী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন জমা দেয়া যাবে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) এনবিআরের কর নীতি উইংয়ের দ্বিতীয় সচিব এইচ এম শাহরিয়ার হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    ব্যক্তিগত আয়করদাতাদের আয় ও সম্পদের বিবরণী দাখিলের সময়সীমা শেষ হওয়ার একদিন আগে এলো এই ঘোষণা এলো। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো মেয়াদ বাড়াল এনবিআর।

    আয়কর আইন অনুযায়ী, ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার রিটার্ন জমা দেয়ার শেষ সময় ৩০ নভেম্বর (পূর্ববর্তী জুনে শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য)। বোর্ড চাইলে মেয়াদ বাড়াতে পারে। গত বছরের ১৭ নভেম্বর এই সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। পরে এনবিআর আবারও সময় বাড়িয়ে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারিত করে।

    এনবিআর সূত্র থেকে আগেই জানা গিয়েছিল, কর আইনজীবীদের আবেদন এবং রিটার্ন জমার গতি প্রত্যাশার চেয়ে কম হওয়ায় সময়সীমা আরেক দফা বাড়ানোর চিন্তা করা হচ্ছিল।

    এদিকে, পৃথক আরেক বিজ্ঞপ্তিতে কোম্পানিগুলোর আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমাও বাড়িয়েছে এনবিআর। প্রতিষ্ঠানগুলো এখন ১৫ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ১৬ মার্চ পর্যন্ত তাদের রিটার্ন দাখিল করতে পারবে।

    এর আগে, কোম্পানির ক্ষেত্রে রিটার্ন জমার সময় এক মাস বাড়িয়ে ১৫ জানুয়ারির পরিবর্তে ১৫ ফেব্রুয়ারি করা হয়েছিল।

  • বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এন্ড প্রেস সোসাইটির অ্যাওয়ার্ড পেলেন মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক আনজার শাহ

    বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এন্ড প্রেস সোসাইটির অ্যাওয়ার্ড পেলেন মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক আনজার শাহ

    নিজস্ব প্রতিবেদন: বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এন্ড প্রেস সোসাইটি” কর্তৃক আয়োজিত সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ পেয়েছেন বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এন্ড প্রেস সোসাইটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কুমিল্লা সাংগঠনিক বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক মোঃ আনজার শাহ।

    শনিবার (২৫জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ, তোলখানা রোড়,ঢাকা-১০০০ এ অনুষ্ঠানটির আয়োজন হয় শিশু কল্যাণ পরিষদের হলরুমে ব্যাপক আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হিউম্যান এন্ড প্রেস সোসাইটির চেয়ারম্যান ও দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আনোয়ার হোসেন আকাশ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জননেতা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র দ্বিতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ,না, ম,সাইফুল ইসলাম ও দৈনিক ঢাকার ক্রাইম পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশক আবু সাঈদ মৃধা,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উপদেষ্টা মোঃআবুল বাসার মজুমদার,দেশপ্রিয় পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হাজী লিয়াকত আলী ও বাংলাদেশ হিউমান রাইট এন্ড প্রেস সোসাইটির কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক মোঃআনজার শাহ, সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রিন্ট ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগণ পরিশেষে সেরা রিপোর্টার ও গুণীজনদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

    বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এন্ড প্রেস সোসাইটি থেকে জীবন নিউজ ২৪ ডট কমকে জানানো হয়েছে, সাংবাদিক আনজার শাহ দেশের মানবাধিকার নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে আসছেন। মানুষের মৌলিক চাহিদা, বিশেষতঃ অধিকার বঞ্চিত সাধারণ জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ে, যৌতুক ও বাল্য বিবাহ, দুঃস্থ্য, অসহায় এতিমদের নিয়ে কাজ করা এবং সরকারী-রাস্ট্রীয় বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের পাশাপাশি পরিবেশ সংক্রান্ত দাবি বিষয় এবং অসহায় বৃদ্ধ নারী ও শিশুদের আইনী সহায়তামূলক কাজ করে আসছেন। বিগত বন্যায় তিনি সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে অসহায় মানুশের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

    দেশ প্রিয় কে আরো জানানো হয়েছে যে, মানুষের প্রতি সেবার মনোভাব ও আগ্রহ দেখে যার অবদান স্বরুপ সাংবাদিক মোঃআনজার শাহ কে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এন্ড প্রেস সোসাইটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। তার সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনার পাশাপাশি এই সেবামূলক মনোভাব বজায় থাকবে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এন্ড প্রেস সোসাইটির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আকাশ এই কামনা করছে।

    বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এন্ড ফেস সোসাইটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আনজার শাহ ফার্স্ট ক্লাস ট্রাভেলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বারকাতুল্লাহ শিমুলকে ইনভাইট করলে তিনার বিশেষ কারণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পেরে দুঃখ প্রকাশ করে মোঃ আনজার শাহ ভবিষ্যতের সাফল্য কামনা করছেন তিনি।

    অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে মানবাধিকার রক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এন্ড ফেস সোসাইটির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আকাশ। চেয়ারম্যান ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এই ধরনের কার্যক্রম আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানান।

  • শোক সংবাদ

    শোক সংবাদ

     

     

    দৈনিক আলোর জগত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ফারুক আলম তালুকদার সাহেব আমাদের মাঝে আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। অনলাইন পোর্টাল জীবন নিউজ ২৪ ডট কম পরিবারের পক্ষ থেকে গভীরভাবে শোক প্রকাশ করছি। পরম করুনাময় অসীম দয়ালু আল্লাহ যেন তাহাকে বেহেস্ত নসিব করেন, আমিন।

    বিঃদ্রঃ জীবন নিউজ ২৪ ডট কম এর সকল গণমাধ্যম কর্মীকে উক্ত সংবাদটি সর্বত্র পৌছায় দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো ।

  • গণতন্ত্র ও সুশাসন নিশ্চিত না হলে চাপের শঙ্কা বাংলাদেশের !

    গণতন্ত্র ও সুশাসন নিশ্চিত না হলে চাপের শঙ্কা বাংলাদেশের !

    নিউজ ডেস্ক: ফের ট্রাম্প জামানায় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর যে মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, তাও প্রত্যাশিত, চমক নেই খুব একটা। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠজনরাই মূলত দায়িত্বশীল পদে। অনেকেই বলছেন, কয় বছর আগেও মোস্ট আনপ্রেডিক্টেবল ট্রাম্প এখন মোস্ট প্রেডিক্টেবল। ভোটের আগের ও পরের কথা আর কাজে দারুণ মিল তার।

    যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশ খুব গুরুত্বপূর্ণ না হলেও মার্কিন নীতি দারুণভাবে প্রভাবিত করে ঢাকাকে। সেইসাথে চীন ও ভারত নিয়ে ট্রাম্পের ভাবনা আর পদক্ষেপে প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশেও।

    বিশ্লেষকরা শঙ্কা করছেন, গণতন্ত্র ও সুশাসন নিশ্চিত করতে না পারলে ট্রাম্প প্রশাসনের চাপের মুখে পড়তে পারে বাংলাদেশ। এতে করে বাংলাদেশে মার্কিন সহায়তাও কমতে পারে।

    তারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র্রের চীন নীতি, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতে প্রভাব ফেলার শঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না। আর চীন ও ভারত— দুই প্রতিবেশির সাথে আগের মতো ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক রাখাও কঠিন হতে পারে বলে ধারণা তাদের। সেক্ষেত্রে কোনো একটি পক্ষ বেছে নেয়ার চাপও বাড়তে পারে ঢাকার ওপর।

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক শাহাব এনাম খান বলেন, যেসব জায়গায় অর্থনৈতিক সুবিধা থাকবে সেইসব দেশের সাথে এক ধরনের জোরালো সম্পর্কের সৃষ্টি হবে। চীনের ক্ষেত্রে তার একটা ব্যতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ভারতের সাথেও ব্যতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা এবং দুটোই বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বাংলাদেশের স্থিতিশীলতার সাথে জড়িত। চীন-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে বাংলাদেশের ফরেন পলিসির গতিপ্রকৃতি কী হবে, এইটা আগের মতো যেটা আমরা বলতাম ব্যালেন্সিং, এইটা খুব সম্ভবত থাকবে না। সুতরাং সেখানে এক ধরনের অ্যালায়েন্স পলিটিকসের মতো টিল তৈরি হতে পারে, সেটা নিয়ে আমাদের প্রস্তুতি থাকা দরকার।

    সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমান বললেন, গণতন্ত্রের জন্য আমাদের যে সংগ্রাম, সেখানে বাংলাদেশ যদি দ্রুত একটা সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করতে না পারে, যে ফর্মেই হোক অথবা যে ধরনের সরকারের মাধ্যমেই হোক তাহলে আমরা সম্ভবত আরও একটা বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। রিপাবলিকানরা ঢালাওভাবে যে অর্থ সাহায্য বা প্রকল্প সাহায্য যেটা করে সেটা অবশ্যই স্থিমিত হয়ে আসবে, মানে কমে যাবে।

    বাংলাদেশের এককভাবে সবচে বড় রফতানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র। খুব স্বাভাবিক কারণেই ট্রাম্পের ট্যাক্স নীতি ভাবাচ্ছে বিশ্লেষকদের। এর বাইরে জলবায়ু ও স্বাস্থ্য খাত কিংবা রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বরাদ্দ কমতে পারে বলে ধারণা।

    তাই ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্ক জোরদার এবং নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় বরাদ্দ বাড়াতে মিশনকে আরও সক্রিয় হওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। পাশাপাশি উন্নতি করতে হবে অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির।

    অধ্যাপক শাহাব এনাম খান বলেন, বাংলাদেশের ওয়াশিংটন দূতাবাসকে সর্ম্পূর্ণ ঢেলে সাজানো, অনেক বেশি আর্থিক দিকটাও চিন্তা করতে হবে। কারণ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসনের লবির কিন্তু একটা বড় রকমের ভূমিকা থাকবে আগামী চার বছর। সুতরাং সেই জায়াগাতে আমাদেরকে এখন মনোযোগ দিতে হবে।

    মাহফুজুর রহমান বললেন, মার্কিন পররাষ্ট্র নীতিতে চীন নীতিটা যখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে, তখন হয়তো আমাদের প্রতিরক্ষা নীতিতেও কিছুটা প্রভাব ফেলবে। যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কতগুলো প্রস্তাব অনেকদিন থেকেই ঘুরাঘুরি করছে, ঝুলে আছে, এইগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে নতুন ধরনের কোনো ব্যবস্থার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে চাপ আসতে পারে। এগুলো মোকাবেলার জন্য আমাদের একটা বিশ্বাসযোগ্য ও জনপ্রিয় সরকার দরকার। একইসাথে সুশাসনও দরকার।

    ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অগ্রাধিকার যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থরক্ষা, সেটি মাথায় রেখেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কাজ করার পরামর্শ দিলেন এই দুই বিশ্লেষক।

    সূত্র যমুনা টিভি

  • খুব অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস !

    খুব অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস !

    নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এই সময়ে ঢাকার বায়ুর মান স্কোর ছিল ২২৮। তবে সকাল ৯টা দিকে ছিল ২৪৬।বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায়  ঢাকার অবস্থান চতুর্থ। দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বসনিয়ার হার্জেগোভিনার সারায়েভো শহর।

    তালিকার শীর্ষে অবস্থান করা সারায়েভোর বায়ুর মানের স্কোর ৪৭৮! অর্থাৎ সেখানকার বায়ু ‘দুর্যোগপূর্ণ বা বিপজ্জনক’ পর্যায়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকে ভারতের কোলকাতার বায়ুমান ২৮৫ বা খুবই অস্বাস্থ্যকর। তিনে পাকিস্তানের করাচির বায়ুমান ২৩২। এখানকার বাতাসও খুবই অস্বাস্থ্যকর। চারে থাকা ঢাকার বায়ুমান ২২৮, অর্থাৎ খুব অস্বাস্থ্যকর। পাঁচে থাকা দিল্লির বায়ুমান ২২৮।

  • প্রবীণ সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম: দৈনিক ইত্তেফাক” সত্যের পথে অটুট নক্ষত্রের পরিচয়

    প্রবীণ সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম: দৈনিক ইত্তেফাক” সত্যের পথে অটুট নক্ষত্রের পরিচয়

    এসএম রুবেল ক্রাইম রিপোর্টার চাঁপাইনবাবগঞ্জ : রাজশাহী অঞ্চলের সাংবাদিকতার ইতিহাসে শফিকুল ইসলাম একটি উজ্জ্বল নাম। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত থেকে সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং সত্যের পক্ষে নিজের অঙ্গীকার বজায় রেখেছেন। এই প্রবীণ সাংবাদিক শুধু সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্রেই নয়, সাংবাদিকতার নৈতিকতার ক্ষেত্রেও এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

    ১৯৯৭ সালে কলম যোদ্ধা হিসেবে শুরু করেন প্রথম যাত্রা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের পারচৌকা গ্রামের দিদার আলী মন্ডল এর ছেলে শফিকুল ইসলাম। তিনি শৈশব কাল থেকেই যেন তার নেশা হিসেবে প্রত্যেকটি কলম যেন তার সঙ্গে হিসাবে আজও তার অনন্যর দিকনির্দেশনার পথে হাঁটছে নবীন সাংবাদিকতার অনুসরণ।

    শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকতা শুরু করেন একটি মিশন নিয়ে—সত্য প্রকাশ করা এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করা। তার সাংবাদিকতার প্রতিটি অধ্যায়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, সত্যকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আপোষহীন থাকা যায়। সংবাদ পরিবেশনে পক্ষপাতহীন থাকা এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য সরবরাহ করাই তার প্রধান লক্ষ্য দেখা মিলেছে।

    তিনি মনে করেন, সাংবাদিকতা শুধুমাত্র একটি পেশা নয়; এটি একটি দায়িত্ব, যেখানে প্রতিটি কলমের খোঁচায় সমাজ বদলে যেতে পারে। তার প্রকাশিত বহু প্রতিবেদন সমাজের অন্যায় এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করেছে। এ কারণেই সাধারণ মানুষের কাছে তিনি আজও প্রিয়।

    বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতার একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো হলুদ সাংবাদিকতা। কিছু অসাধু ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য সাংবাদিকতার আদর্শের অপব্যবহার করছে। মিথ্যা তথ্য প্রচার, বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ এবং ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে আক্রমণ করা—এসব হলুদ সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজ ও সাংবাদিকতার মূলধারায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    শফিকুল ইসলাম বারবার এই অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সরব থেকেছেন। তিনি বলেছেন, “সাংবাদিকতা একটি শক্তিশালী মাধ্যম, কিন্তু এটি যদি ভুল পথে পরিচালিত হয়, তবে সমাজের ক্ষতি অনিবার্য। আমাদের দায়িত্ব সাংবাদিকতার মাধ্যমে সত্য প্রতিষ্ঠা করা, বিভ্রান্তি ছড়ানো নয়।”

    হলুদ সাংবাদিকতার কারণে আজ মূলধারা সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। শফিকুল ইসলাম মনে করেন, এই অবস্থার মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং তাদের নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখতে হবে। তিনি তরুণ প্রজন্মের সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তারা যেন সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকে।

    সাংবাদিকতা জগতে শফিকুল ইসলামের অবদান এবং তার সততা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বড় প্রেরণা। তিনি প্রমাণ করেছেন, আদর্শ থেকে বিচ্যুত না হয়েও সাংবাদিকতা করা সম্ভব। রাজশাহীর এই প্রথিতযশা সাংবাদিক সমাজের কল্যাণে আজীবন কাজ করে গেছেন এবং এখনো তার আদর্শে অনেক তরুণ সাংবাদিক অনুপ্রাণিত হচ্ছেন।

    সাংবাদিক শফিকুল ইসলামের মতো ব্যক্তিত্ব আমাদের মনে করিয়ে দেন যে সত্য, সততা, এবং মানবিক মূল্যবোধই সাংবাদিকতার প্রকৃত পরিচয়। তার জীবন এবং কাজ আমাদের একটি বার্তা দেয়—“সত্যের জন্য লড়াই কখনো বৃথা যায় না। তথ্যচিত্রে সরজমিন প্রতিবেদক লেখক এসএম রুবেল।