Category: গণমাধ্যম

  • জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য

    জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য

    ভোক্তা পর্যায়ে জুলাই মাসের জন্য সব ধরনের জ্বালানি তেলের মূল্য অপরিবর্তিত রেখেছে সরকার।

    অপরিবর্তিত মূল্যহার অনুযায়ী প্রতি লিটার অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা ও ডিজেল ১১৫ টাকা রাখা হয়েছে।

    আজ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনকে (বিপিসি) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। অপরিবর্তিত মূল্য আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

    এর আগে গত ৩১ মে জুন মাসের জন্য প্রতি লিটার অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা ও ডিজেলের মূল্য ১১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

  • বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    প্রায় ১১ বছর আগে এক বাক্ প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি আব্দুল মমিন (৪১)কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত।

    একই সঙ্গে দুই লাখ টাকা অর্থদ- এবং ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক আলী মনসুর আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন। ২০১৫ সালে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে সংঘটিত এক বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় এ রায় দেওয়া হয়। আসামি আব্দুল মমিনকে দোষী সাব্যস্ত করে, যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে, আসামিকে দুই লাখ টাকা অর্থদ- এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

    আব্দুল মমিন রাণীশংকৈল উপজেলার ভাংবাড়ী এলাকার মৃত জালাল বৈরাগী ওরফে প্রামাণিকের পুত্র।

    আদালতের নির্দেশে বলা হয়, ‘অর্থদণ্ডের অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে। প্রয়োজনে দণ্ডিতের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায়ের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হলো।’

    মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর রাতে রাণীশংকৈল উপজেলার ভাংবাড়ী এলাকায় নিজ বাড়িতে একা থাকা ১৪ বছর বয়সী বাক্ প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের সময় তার মা ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে অভিযুক্ত পালিয়ে যায় এবং এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তবে একই মামলার অন্য আসামি এরশাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। এ রায়ে সন্তুষ্ট ভিকটিমের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এনতাজুল ইসলাম বলেন, আজকের এ রায় সমাজে ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে।

    যারা অপরাধী তাদের এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত করা থেকে নিরুৎসাহিত করবে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট এ জন্য যে, ভিকটিমের মা আদালতের কাছে একটি ন্যায় বিচার পেয়েছেন।

  • স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স

    স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স

    যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিউইয়র্কের স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে বর্ণাঢ্য আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স।

    সোমবার ফ্রান্সের কনস্যুলেট এ তথ্য জানিয়েছে।

    ‘স্মরণীয় শিল্পসৃষ্টির’ এ আয়োজন আগেই ধারণ করা হবে। পরে ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এবিসি নেটওয়ার্কের ২৫ ঘণ্টাব্যাপী বিশেষ সম্প্রচারের শুরুতেই এটি প্রচার করা হবে। নিউইয়র্ক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    ফরাসি কনস্যুলেট এক বিবৃতিতে জানায়, ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টিকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হবে, যা আগে কখনও জনসাধারণ দেখেনি। এর প্রতীকী ও আবেগঘন তাৎপর্য আরও উজ্জ্বল করে তুলতেই এ বিশেষ মঞ্চায়নের আয়োজন করা হয়েছে।’

    নিউইয়র্কে ফ্রান্সের কনসাল সেডরিক ফুরসিকো এএফপিকে বলেন, ‘আমাদের বন্ধুত্বের ইতিহাস ২৫০ বছরের। সেই সম্পর্ক এখনও অত্যন্ত দৃঢ় ও গভীর। তাই আমরা বিশেষ কিছু করতে চেয়েছি।’

    ফ্রান্স ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে নিউইয়র্ক বন্দরের এই স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয়। এটি বর্তমানে দেশটির অন্যতম বিখ্যাত স্থাপনা।

    ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চলতি মাসে ফ্রান্স তাদের বিমানবাহিনীর অ্যারোবেটিকস দলও যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়েছে।

    গত ৯ জুন ‘পাত্রুই দ্য ফ্রান্স’-এর আটটি আলফা জেট ম্যানহাটনের আকাশে ফরাসি জাতীয় পতাকার তিন রঙে আকাশ রাঙিয়ে তোলে। একই সঙ্গে তারা স্ট্যাচু অব লিবার্টির উপর দিয়ে উড়ে যায়।

  • স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : মির্জা ফখরুল

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : মির্জা ফখরুল

     স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং সংসদে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে।

    আজ জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলামের (নওগাঁ-৬) টেবিলে উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

    মন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক এবং সুষ্ঠু স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

    বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আব্দুল করিম (গাইবান্ধা-২)-এর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

  • ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন

    ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন

    শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলায় ১ হাজার ৪৫০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানির পর দেশটির জন্য ১০০ মিলিয়ন ইউয়ান (১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) মূল্যের দুর্যোগ ত্রাণ সহায়তা পাঠাবে চীন।

    সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা ও দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্গঠন কার্যক্রমে সমর্থন দিতে ভেনেজুয়েলাকে ‘জরুরি ভিত্তিতে বিনামূল্যে ত্রাণসামগ্রী’ দেবে চীন সরকার।

    বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    জিয়াকুন বলেন, এসব ত্রাণসামগ্রী ‘যত দ্রুত সম্ভব’ পাঠানো হবে। পাশাপাশি উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার স্যাটেলাইট চিত্রও কারাকাসকে দিচ্ছে বেইজিং।

    গুও বলেন, ‘পরিস্থিতির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী ভেনেজুয়েলাকে আরও সহায়তা দিতে চীন প্রস্তুত রয়েছে।’

    চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং শুক্রবার ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেজের কাছে পাঠানো এক শোকবার্তায় জানান, দুর্যোগ মোকাবিলা ও পুনর্গঠন কার্যক্রমে চীন সহায়তা দেবে।

    সোমবার চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত চীনের আট জন নাগরিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

  • যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

    যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে।

    তিনি তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যানকে জাতীয় অগ্রাধিকার উল্লেখ করে বলেন, ‘দেশের পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কৃষিকে সহায়তা দেওয়া এবং উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নয়নে যে কোনো মূল্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।’

    আজ দুপুরে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ‘নদী, খাল ও সেচ অবকাঠামোয় বড় ধরনের বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের দীর্ঘদিনের পানি ব্যবস্থাপনার সমস্যা সমাধানে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

    তারেক রহমান বলেন, ‘বিশেষ করে রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের মানুষের অন্যতম বড় উদ্বেগের বিষয় পানি। সংসদ সদস্যরা নিয়মিত পদ্মা ও তিস্তা নদী নিয়ে বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। আমরা এসব সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক কাজ করে যাচ্ছি। ‘

    সারা বছর কৃষির জন্য পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে।

    তিনি বলেন, বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে কৃষিসহ অন্যান্য খাতে তা ব্যবহার করা হবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমে বর্ষার অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ করা হবে। যেন পুরো শুষ্ক মৌসুম এবং বছরের অন্যান্য সময় কৃষি ও প্রয়োজনীয় খাতে সেই পানি সরবরাহ করা যায়।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা, পানি সংরক্ষণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তঃনদী সংযোগের অভাবে বাংলাদেশ ভুগছে। এর ফলে অনেক নদীর নাব্যতা হারিয়ে গেছে এবং বিভিন্ন এলাকায় সেচ ও পানির সংকট তৈরি হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘আমি এমন এলাকা পরিদর্শন করেছি, যেখানে বর্ষায় চারদিকে পানি থাকলেও অল্প দূরের কৃষকরা পানির অভাবে জমিতে সেচ দিতে পারেন না।তবে এই সমস্যা সমাধানে দেশব্যাপী নদী ও খাল খনন এবং পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’

    আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পানি প্রবাহ, সেচব্যবস্থা এবং বন্যা ব্যবস্থাপনা যাতে উন্নত করা যায় এ লক্ষ্যে খাল খনন কর্মসূচি চলছে। গত তিন মাসে প্রায় ৯শ’ কিলোমিটার খাল খনন বা পুনঃখনন করা হয়েছে।’

    কৃষকদের জন্য সরকারের সহায়তার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের অন্যতম প্রথম সিদ্ধান্ত ছিল ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ এবং তার সুদ মওকুফ করা। এতে প্রায় ১৩ লাখ কৃষক উপকৃত হয়েছেন।’

    তিনি বলেন, ‘কৃষকদের সরাসরি সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকার বিশেষ কৃষক কার্ড চালু করেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় ৪৩ লাখ কৃষক এই কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা এবং অন্তত ১০টি অতিরিক্ত সেবা পাবেন। আমরা কৃষকদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছি। ‘

    যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দক্ষ জনশক্তি বিদেশে পাঠানো এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সেবার পরিধি বাড়াতে সরকার কাজ করছে।’

    এর অংশ হিসেবে প্রবাসীদের বিভিন্ন সেবা সহজলভ্য করতে এবং বিদেশে তাঁদের ভোগান্তি কমাতে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

    জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য নয়, জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

    তিনি অভিযোগ করেন, ‘দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, দুর্বল পরিকল্পনা ও অবহেলার কারণে দেশের জ্বালানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানকে অবহেলা করে বিদেশি কোম্পানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা তৈরি করা হয়েছে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার এখন জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণ, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং জ্বালানি ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে আমদানি নির্ভরতা কমানো যায়।’

    মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংকটের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ পরিস্থিতি আবারও প্রমাণ করেছে যে আমদানি নির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ।’

    তিনি বলেন, ‘সরকারের বৃহত্তর লক্ষ্য হলো এমন একটি শক্তিশালী ও সহনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলা, যা বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।’

    শিক্ষা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষিত ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন জনগোষ্ঠীই দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তবে আগের শাসনামলে শিক্ষা ব্যবস্থা পরিকল্পিতভাবে দুর্বল করা হয়েছিল। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে শিক্ষা খাতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন।

    এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। বাজেট এ অধিবেশনে প্রথমে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান এবং পরে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখেন।