Category: গণমাধ্যম

  • জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

    জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

    হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে সফরকারী বাংলাদেশ।

    এ ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট অভিষেক হচ্ছে ব্যাটার তাওহিদ হৃদয় এবং উইকেটরক্ষক অমিত হাসানের।

    দেশের হয়ে ৫৩ ওয়ানডে ও ৬২ টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা আছে হৃদয়ের। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৬ ম্যাচ খেলে তিন সেঞ্চুরি ও চার অর্ধশতকে ৯৮৩ রান করেছেন ২৫ বছর বয়সী হৃদয়।

    ৪৯টি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১১ সেঞ্চুরি ও ১৭ হাফ-সেঞ্চুরিতে ৩,৬৫০ রান করেছেন ২৫ বছর বয়সী অমিত।

    এক স্পিনার ও তিন পেসার নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে বাংলাদেশ। স্পিনার হিসেবে আছেন তাইজুল ইসলাম। পেস আক্রমণে আছেন- সৈয়দ খালেদ আহমেদ, হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেন।

    বাংলাদেশ একাদশ : নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জয়, মোমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, তাওহিদ হৃদয়, অমিত হাসান, তাইজুল ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, এবাদত হোসেন চৌধুরী ও হাসান মাহমুদ।

    জিম্বাবুয়ে একাদশ : রিচার্ড এনগারাভা (অধিনায়ক), ব্রায়ান বেনেট, বেন কারান, ক্রেইগ আরভিন, ব্রাড ইভান্স, ইনোসেন্ট কাইয়া, ওয়েসলি মাধেভেরে, ব্লেসিং মুজারাবানি, নিউম্যান ন্যামহুরি, ব্রেন্ডান টেইলর ও টাফাডজাওয়া সিগা।

  • বাগদাদের গ্রিন জোনে ইরাকি বাহিনীর অভিযান

    বাগদাদের গ্রিন জোনে ইরাকি বাহিনীর অভিযান

    ইরাকের রাজধানী বাগদাদের কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত গ্রিন জোনে রোববার ভোরে অভিযান চালিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।

    একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, ‘বেশ কয়েকজন রাজনীতিককে’ আটক করতেই এ অভিযান চালানো হয়।
    গ্রিন জোনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসসহ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশন, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তর রয়েছে। এছাড়া উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও রাজনীতিকদের অনেকেই এ এলাকায় বসবাস করেন।

    বাগদাদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামের স্থানীয় চ্যানেলগুলোতে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ট্যাংকসহ ভারী সামরিক যান নিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা গ্রিন জোনে অবস্থান করছেন। কয়েকটি ভিডিওতে তাদের একটি কম্পাউন্ডের ভেতরে ও একটি ক্ষেত্রে বাড়ির ভেতরেও দেখা যায়।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, ‘বিচার বিভাগের নির্দেশে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে বেশ কয়েকজন রাজনীতিককে লক্ষ্য করে এ অভিযান চালানো হয়েছে।’

    তিনি জানান, অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনী ও সেনাবাহিনী অংশ নেয়।

    তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

    ওই কর্মকর্তা আটক হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় বা এ বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য জানাননি।

    স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, জ্যেষ্ঠ কয়েকজন ইরাকি কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের লক্ষ্যেই ব্যাপক পরিসরে এ অভিযান চালানো হয়।

    এ ঘটনায় কয়েকজনের নামও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

    ইরাকের নতুন প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি কয়েক দশক ধরে দেশটিকে পীড়িত করে আসা দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অঙ্গীকার করেছেন।

  • আইসিই’র প্রধান পদে ওকলাহোমার সাবেক স্টেট ট্রুপারকে মনোনয়ন ট্রাম্পের

    আইসিই’র প্রধান পদে ওকলাহোমার সাবেক স্টেট ট্রুপারকে মনোনয়ন ট্রাম্পের

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই)’র পরবর্তী পরিচালক হিসেবে ওকলাহোমার সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ল্যান্স শ্রয়ারকে মনোনয়ন দিয়েছেন।

    শনিবার তিনি এ ঘোষণা দেন।

    ট্রাম্প বলেন, ল্যান্স শ্রয়ার একজন সাবেক স্টেট ট্রুপার ও যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন বাহিনীর সদস্য। তিনি ‘সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধীদের গ্রেফতারে’ কয়েক দশকের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন।

    ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    শ্রয়ার আইসিই’র ভারপ্রাপ্ত পরিচালক টড লায়ন্সের স্থলাভিষিক্ত হবেন। ২০২৫ সালের মার্চে লায়ন্স এ দায়িত্ব পান। তবে তৎকালীন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েমকে বরখাস্ত করার কয়েক সপ্তাহ পর গত মে মাসে তিনি পদ ছাড়েন।

    কয়েক মাস আগে ট্রাম্পের গণনির্বাসন অভিযান যখন সবচেয়ে দৃশ্যমান ও বিতর্কিত পর্যায়ে ছিল, তখন লায়ন্স, নোয়েম ও কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার কন্ট্রোলের সাবেক প্রধান গ্রেগরি বোভিনো ছিলেন এর প্রধান মুখ।

    নোয়েমের উত্তরসূরি মার্কওয়েন মুলিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে বলেন, আইসিই’র প্রস্তাবিত নতুন প্রধান ইতোমধ্যেই এ অভিযান পরিচালনায় ভূমিকা রেখে আসছেন।

    তিনি বলেন, ‘ল্যান্স সরাসরি মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব থেকে আসছেন। সেখানে তিনি বৃহৎ পরিসরের অভিযান পরিচালনা করেছেন এবং ওকলাহোমা থেকে অবৈধ অভিবাসীদের সরিয়ে দিতে অঙ্গরাজ্য ও ফেডারেল অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করেছেন।’

    ফেডারেল সংস্থার প্রধান হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিদের সাধারণত সিনেটের অনুমোদন পাওয়ার কথা। তবে ২০১৭ সালের পর থেকে আইসিই’র কোনো পরিচালক সিনেটের অনুমোদন পাননি। এরপর থেকে সংস্থাটির প্রধানরা ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবেই দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

    মুলিন এক্স-এ লিখেছেন, ‘হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগে সিনেটের অনুমোদন পাওয়া আইসিই পরিচালক নেই ১১ বছর ধরে। সিনেটের উচিত দ্রুত ল্যান্স শ্রয়ারকে অনুমোদন দেওয়া।’

    অনেক মার্কিন নাগরিক ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে অতিরিক্ত কঠোর বলে মনে করেন। উত্তরাঞ্চলীয় শহর মিনিয়াপোলিসে অভিযানবিরোধী বিক্ষোভের সময় ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক রেনি গুড ও অ্যালেক্স প্রেট্টি নিহত হওয়ার পর এ বিতর্ক আরও তীব্র হয়।

    অভিবাসীদের বহিষ্কার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

  • চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে : তথ্যমন্ত্রী

    চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে : তথ্যমন্ত্রী

     চীনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

    চীনের সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হিসেবে আমি চীন সরকারের সঙ্গে চারটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছি। এর মাধ্যমে দুই দেশের তথ্য ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি।’

    ‘চীনের মতো একটি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর দেশের সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে গবেষণার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আনতে পারব বলে আমরা আস্থাবান।’

    গত বৃহস্পতিবার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ১৩টি সমঝোতা স্মারকে সই হয়। এসবের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট চারটি সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং, প্রধানমন্ত্রী ও পার্লামেন্টের স্পিকারের মতো সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে যে সম্মান ও গুরুত্ব পেয়েছি এবং যে আলোচনা হয়েছে তাতে আমরা আশাবাদী যে, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আমাদের দেশের অর্থনীতি, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মর্যাদা ও সম্মানকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।’

    তিনি জানান, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দুটি চুক্তি এবং বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    চীনে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এটাই প্রথম বিদেশ সফর। চীনের আন্তরিকতা ও ভালোবাসায় আমরা মুগ্ধ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দলের প্রতি চীনের যে আন্তরিকতা, তা প্রকৃত অর্থে আমাদের দেশের জনগণের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি ও ভালোবাসারই প্রতিফলন।’

    মন্ত্রী আরও বলেন, ‘চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে উল্লেখ করেছেন যে, এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক গুণগতভাবে এক নতুন যুগে প্রবেশ করবে। যে সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে এবং যা বিকশিত হয়েছিল আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও গণতন্ত্রের মাতা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে- তা এখন আমাদের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে এক নতুন স্তর অতিক্রম করতে যাচ্ছে। এই মন্তব্য আমার নয়, স্বয়ং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের।’

    গত ১২ জুন প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমে মালয়েশিয়া এবং পরে চীন সফর করেন।

    চার দিনের চীন সফরের প্রথম দুই দিন তিনি দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশ নেন। এরপর বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে যান।

    বেইজিং সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও একান্ত বৈঠক করেন।

    এছাড়া তিনি ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এসব বৈঠকই অনুষ্ঠিত হয় দেশটির পার্লামেন্ট ভবন ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, একেএম শামসুল ইসলাম, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহাদী আমিন।

  • স্পারসোকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    স্পারসোকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পারসোকে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।

    তিনি আজ সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) কার্যালয় হঠাৎ পরিদর্শনে এসে এ নির্দেশ দেন।

    উল্লেখ্য, এটি তাঁর পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ছিল না।

    প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানান।

    প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান স্পারসোর কার্যালয় ঘুরে দেখেন। তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি বিভাগ পরিদর্শন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ।

    স্পারসোর চেয়ারম্যান মো. রাশিদুল ইসলাম প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন কার্যক্রমসহ সার্বিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। পরে স্পারসোর বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা তাদের উদ্ভাবন, গবেষণা এবং চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত জানান।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পারসোকে একটি আধুনিক, যুগোপযোগী, স্বনির্ভর এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রতিরক্ষা সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মো. মেহেদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্পারসোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

    উল্লেখ্য, স্পারসো দেশের মহাকাশ বিজ্ঞান, উপগ্রহ প্রযুক্তি এবং দূর অনুধাবন প্রযুক্তির গবেষণা, উন্নয়ন ও প্রয়োগে নিয়োজিত জাতীয় প্রতিষ্ঠান।

  • ইসরাইল-লেবাননের চুক্তির বিরুদ্ধে বৈরুতের রাস্তায় হিজবুল্লাহ সমর্থকদের বিক্ষোভ

    ইসরাইল-লেবাননের চুক্তির বিরুদ্ধে বৈরুতের রাস্তায় হিজবুল্লাহ সমর্থকদের বিক্ষোভ

    ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির প্রতিবাদে শুক্রবার গভীর রাতে হিজবুল্লাহ সমর্থকরা বৈরুতের রাস্তায় বিক্ষোভ করেছে।

    এদিকে, ইরান-সমর্থিত দলটির একজন আইনপ্রণেতা সতর্ক করে দিয়ে বলছে যে, এই চুক্তি কার্যকর করা হলে গৃহযুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, হিজবুল্লাহ সমর্থকরা মোটরসাইকেলে করে বৈরুতের বিভিন্ন এলাকায়, এমনকি শহরের কেন্দ্র এবং বিমানবন্দর যাওয়ার সড়কেও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। তারা নতুন ইসরাইল-লেবানন কাঠামো চুক্তির বিরুদ্ধেও স্লোগান দেয়।

    এএফপির এক প্রতিবেদক জানান, শহরের বিভিন্ন সড়কে মোটরসাইকেলে করে চলাচলকারী লোকজনকে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। একই সঙ্গে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে লেবাননের সেনাবাহিনী অস্থায়ী চেকপয়েন্ট বসিয়েছে।

    হিজবুল্লাহর সংসদ সদস্য হাসান ফাদাল্লাহ বলেছেন,  যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে এই চুক্তি কার্যকর করার চেষ্টা করা হলে তা গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

    তার দাবী, হিজবুল্লাহকে বাদ দিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত কার্যকর করা সম্ভব নয়। তার দল দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইল-লেবানন সরাসরি আলোচনা প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

    স্থানীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, শত শত সমর্থক বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চল থেকে শহরের কেন্দ্রের দিকে মোটরসাইকেল মিছিল করছে। কিছু বিক্ষোভকারী সরকারি ভবনের কাছে জড়ো হয়ে প্রধান সড়ক অবরোধ করে।

    অনেক জায়গায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করা হয়, পরে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করে বিমানবন্দর সংযোগ সড়ক পুনরায় খুলে দেয়।

    রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা অন্তত একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক জ্বলন্ত টায়ার দিয়ে অবরোধ কওে রেখেছে।