Category: গণমাধ্যম

  • ২৭৮ রানে অলআউট বাংলাদেশ

    ২৭৮ রানে অলআউট বাংলাদেশ

    পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। দলের হয়ে ১২৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন লিটন দাস।

    সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। ১০৬ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর ক্রিজে আসেন লিটন।

    সপ্তম উইকেটে তাইজুল ইসলামের সাথে ৬০ এবং নবম উইকেটে শরিফুল ইসলামকে নিয়ে ৬৪ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের রান আড়াইশ পার করেন লিটন।

    নবম উইকেট জুটিতে টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন লিটন। শেষ পর্যন্ত ১৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ১২৬ রানে থামেন লিটন।

    এছাড়াও বাংলাদেশের হয়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ২৯, তানজিদ হাসান ২৬ ও মুশফিকুর রহিম ২৩ রান করেন।

    পাকিস্তানের খুররম শাহজাদ ৪টি, মোহাম্মদ আব্বাস ৩টি ও হাসান আলি ২টি উইকেট নেন।

  • ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে পশ্চিম তীরে নিহত ১

    ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে পশ্চিম তীরে নিহত ১

    অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে জেনিন শরণার্থী শিবিরের উপকণ্ঠে শনিবার ইসরাইলি বাহিনী গুলি করে এক ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    রামাল্লাহর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহত ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেছে। নিহত ব্যক্তির নাম নুর আল-দিন কামাল হাসান ফায়াদ।

    তার বয়স ৩৪ বছর বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

    মন্ত্রণালয় আরও জানায়, জেনিন শিবিরে ইসরাইলি দখলদার বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন ওই ব্যক্তি।

    ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, জেনিনে তাদের দল এমন এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করেছে, যার শ্বাস-প্রশ্বাস বা হৃদস্পন্দন ছিল না। তার উরুতে গুলির আঘাত ছিল।

    ইসরাইল জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে উত্তর ফিলিস্তিনের একাধিক শরণার্থী শিবিরে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে।

    ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দাবি, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নির্মূল করাই এই অভিযানের লক্ষ্য।

    ‘আয়রন ওয়াল’ নামে পরিচিত এই অভিযান জেনিন ও তুলকারেম শিবিরকে লক্ষ্য করেছে এবং জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ’র তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৪০ হাজার ফিলিস্তিনিকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

    ইসরাইলি সেনারা জেনিন শিবিরকে ঘিরে রেখেছে, ফলে বাস্তুচ্যুত বাসিন্দারা কেবল সীমিতভাবে তাদের বাড়িঘর ও সম্পদ দেখতে যেতে পারছেন।

    শরণার্থী শিবিরগুলো ১৯৪৮ সালের প্রথম আরব-ইসরাইল যুদ্ধের পর গঠিত হয়, যখন বহু ফিলিস্তিনি তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বা বিতাড়িত হতে বাধ্য হন।

  • ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পর নিজেকে ‘স্বাধীন’ রাষ্ট্র বলে দাবি তাইওয়ানের

    ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পর নিজেকে ‘স্বাধীন’ রাষ্ট্র বলে দাবি তাইওয়ানের

    তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাইওয়ান একটি ‘সার্বভৌম ও স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশ’।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গণতান্ত্রিক দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ানকে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার বিষয়ে সতর্ক করার কয়েক ঘণ্টা পর দেশটি এ ঘোষণা দেয়।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘তাইওয়ান একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের অধীন নয়।’

    ট্রাম্প বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবছেন বলে ইঙ্গিত দেওয়ার পর, মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে যে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি তাইওয়ানের প্রতি ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতিরই একটি অংশ।

    তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তাইওয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অস্ত্র বিক্রয় শুধুমাত্র ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির অংশই নয়, বরং এটি আঞ্চলিক হুমকির বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবেও কাজ করে।

    এই বক্তব্য আসে এমন এক সময়ে, যখন ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বেইজিং সফর শেষে দেশে ফেরেন।

    ওই সফরে সি চিনপিং ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন যেন তিনি স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ানকে সমর্থন না দেন।

    তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখন্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে চীন।

  • দেশপ্রেমিক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে রাষ্ট্র মেরামত করা হবে: তথ্যমন্ত্রী

    দেশপ্রেমিক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে রাষ্ট্র মেরামত করা হবে: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্র ও সমাজকে নতুন করে মেরামত করতে চায়। আর সেই কার্যক্রমের প্রতিটি পর্বে সংশ্লিষ্ট দেশপ্রেমিকদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতেই করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এই পরিবর্তনের কথা বলছি না; রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তনের জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    আজ (শনিবার) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ’ আয়োজিত ‘জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, মাতৃভূমির ৫৫ বছরের ইতিহাসে আমরা যেমন গৌরবগাথা দেখেছি, তেমনি বিপর্যয়ও দেখেছি।

    গৌরব ও দুঃসময়ের সেসব অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত প্রজ্ঞা দিয়েই আমরা বিশেষজ্ঞদের জ্ঞানের সঙ্গে একটা সংযোগ তৈরি করতে চাই।

    তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, চলচ্চিত্রসহ সংশ্লিষ্ট সকল ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কার্যকর মতবিনিময় এবং চিন্তার সংযোগ ঘটাতে না পারলে গুণগত মানের উৎপাদন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।’

    চলচ্চিত্রকে সমাজ পরিবর্তনের এক শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করেন জহির উদ্দিন স্বপন। মন্ত্রী বলেন, যারা বিত্তবান হওয়ার স্বপ্ন বাদ দিয়ে কেবল প্যাশন, দেশপ্রেম ও মানবকল্যাণের তাগিদে চলচ্চিত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, রাষ্ট্রকে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সমাজ ও সভ্যতার বিকাশে এই ‘সফট পাওয়ার’ বা মেধার শক্তি অত্যন্ত জরুরি।

    তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও আইনের বিধি-বিধানের মধ্যে থেকে চলচ্চিত্র কর্মীদের জন্য সর্বোচ্চ সুযোগ উন্মুক্ত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে চমৎকার সব শব্দের আড়ালে চলচ্চিত্র মাধ্যমকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর প্রোপাগান্ডা মেশিন বানানোর করুণ অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। কিন্তু যারা কোনো গোষ্ঠীর বা মতবাদের দাস, তাদের পক্ষে মুক্ত চিন্তা করা সম্ভব নয়।

    তিনি চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনকে কোনো বিশেষ নেপথ্য রিমোট কন্ট্রোলের হাতিয়ার না বানিয়ে, সমাজ পরিবর্তনের প্রকৃত স্বাধীন ও মুক্ত চিন্তার আন্দোলনে রূপান্তরিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

    চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনে অসামান্য অবদানের জন্য অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট শিল্প সমালোচক ও চলচ্চিত্র বোদ্ধা মঈনুদ্দিন খালেদকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়।

    বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ-এর সভাপতি ড. জহিরুল ইসলাম কচির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবাল।

    এছাড়া দেশের বিভিন্ন চলচ্চিত্র সংসদের প্রতিনিধি, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গবেষকরাও সম্মেলনে অংশ নেন।

  • দেশের ঋণাত্মক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ২ বছর সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী

    দেশের ঋণাত্মক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ২ বছর সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী

    বিগত সরকারগুলো দেশের অর্থনীতিকে ঋণাত্মক অবস্থায় রেখে বিদায় নিয়েছে। সেই ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আরও দুই বছর সময় লাগবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বড় ধরনের বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা করতে হয়েছে। এই সংকটে শুধু জ্বালানি খাতে আগামী অর্থ বছরের ৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়ে গেছে। এছাড়া বিদ্যুৎ খাতসহ বিদেশি ঋণের কিস্তি দিতে দুই মাসে আরও ৫০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে।’

    মন্ত্রী আরও বলেন, সব মিলিয়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি ভালো অবস্থানে নেই। তবে এর মধ্যেও এবার বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হবে, যাতে হতদরিদ্র মানুষ বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পায়।

    শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মা ও শিশু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৭ তলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পতিত সরকার আমলে স্বাস্থ্যখাতের বরাদ্দের বেশির ভাগই লুটপাট হয়েছে। বর্তমান সরকার শুধু স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ দিয়েই দায় সারবে না। সেই বরাদ্দ যথাযথভাবে ব্যাবহার হচ্ছে কি না, সেটাও মনিটরিং করবে।

    অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আরও বলেন, আগের সরকারগুলোর সময়ে মেডিকেল কলেজে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    তিনি বলেন, যোগ্যতা ছাড়া কাউকে ভর্তি করানো যাবে না। রাজনৈতিকভাবে ভর্তি হলে প্রতিষ্ঠানের মান নষ্ট হয়।

    এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, এই সরকার কোন খাতে হস্তক্ষেপ করে না। কারণ এই ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারি হস্তক্ষেপ হলে প্রতিষ্ঠানগুলোর পেশাদারিত্ব নষ্ট হয়ে যায়। আমরা সেটা করবো না। কারণ এখানকার শিক্ষার মান নষ্ট হলে শুধু হাসপাতাল কিংবা সরকার ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, গোটা রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    মেডিক্যাল শিক্ষার মান রক্ষায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, পর্যাপ্ত ফ্যাকাল্টি ও অবকাঠামো নিশ্চিত না করে আসনসংখ্যা না বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া মৌলিক অধিকার। কিন্তু দীর্ঘদিন মানুষ এ অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। বর্তমান সরকার ‘ইউনিভার্সাল হেলথ কেয়ার’, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা ও প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে।
    তিনি আরও বলেন, সরকারি হাসপাতালের সীমাবদ্ধতার কারণে দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থা করা হবে। রোগীরা সেখানে চিকিৎসা নিলে বিল সরকার পরিশোধ করবে।

    শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, মাল্টিমিডিয়া সুবিধা, ডিজিটাল লাইব্রেরি, খেলাধুলা ও বিনোদনের ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করে আমির খসরু বলেন, বর্তমান বিশ্ব পুরোপুরি মাল্টিমিডিয়া ভিত্তিক হয়ে গেছে।

    তাই মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকতে হবে।

    তিনি বলেন, দেশে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের ঘাটতি রয়েছে। কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি দক্ষ জনবলের অভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তাই মেডিক্যাল টেকনোলজি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিতে হবে।

    চট্টগ্রাম মা ও শিশু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সৈয়দ মোরশেদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন— সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম আজাদ ও অধ্যক্ষ প্রফেসর অসীম বড়ুয়া প্রমুখ।

    এরপর অর্থমন্ত্রী নগরীর আগ্রাবাদ মহিলা কলেজ আয়োজিত কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, নবীন বরণ ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।

    কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি এডভোকেট মফিজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন— চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল্লাহ আল মামুন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মো. ফজলুল কাদের চৌধুরী।

  • দেশ পুনর্গঠনই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা : প্রধানমন্ত্রী

    দেশ পুনর্গঠনই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আজকে থেকে আমাদের কাজ হবে একটাই, সেটা হচ্ছে দেশ গঠন, রাষ্ট্র পুনর্গঠন। এটাই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা।’

    তিনি বলেছেন, ‘আমাদের লক্ষ্য একটাই, আমাদের উদ্দেশ্য একটাই। আমরা শুধু স্বপ্ন দেখতে চাই না। আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই। যেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের উপকার হবে।’

    আজ দুপুরে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজারের খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী যখন খোর্দ্দ খাল খননকাজের উদ্বোধন শেষে পাশেই তৈরি সমাবেশ মঞ্চে ওঠেন, সেসময় খালের দু’পাশে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী-সমর্থকরা তুমুল স্লোগান ও করতালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানায়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই। যেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই, যেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।’

    খাল খনন কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৪৮ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুরু করে দিয়ে গিয়েছিলেন, সেই খাল পুনঃখননের এই অনুষ্ঠান। আসুন আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা করি,  কী প্রতিজ্ঞা প্রতিজ্ঞা? সেটা হচ্ছে- দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা।’

    তিনি বলেন, ‘আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোরআন শরীফে বলে দিয়েছেন, যে জাতি নিজেদেরকে সাহায্য করে, আমি তাকে সাহায্য করি। এই খাল (খোর্দ্দ খাল) যদি খনন না করি কৃষক ভাইয়েরা কি পানি পাবে? পাবে না। কাজেই খাল খনন করলে কৃষক ভাইয়েরা পানি পাবে। ঠিক একইভাবে আমরা যদি কাজ করি, হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করি, বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত যদি একসাথে কাজ করে, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশকে আমরা পৃথিবীর বুকে একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত করতে সক্ষম হবো।’

    বিএনপি জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা নির্বাচনের আগে জনগণের সামনে যে সকল প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আগামীতে সকল প্রতিশ্রুতি আস্তে আস্তে বাস্তবায়ন করব।’

    বিএনপির শক্তির উৎস বাংলাদেশের জনগণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যারা বিএনপি করি, আমরা যারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল করি, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা দল করেছি, আমরা সকলে বলি- জনগণই হচ্ছে আমাদের সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। আপনাদের শক্তি হচ্ছে আমাদের শক্তি। আপনারা যতক্ষণ আমাদের পাশে থাকবেন, আপনাদের সমর্থন যতক্ষণ থাকবে, আমাদের দেশ গড়ার কাজ ইনশাআল্লাহ চলতে থাকবে।’

    দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী  বলেন, ‘আজকে এই খাল কাটা অনুষ্ঠানে আসুন আমাদের প্রতিজ্ঞা হোক, আমাদের শপথ হোক যেÑ ‘আমরা করবো কাজ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

    এ সময় তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘আপনারা আছেন নাকি আমার সঙ্গে দেশ গড়ার কাজে?’ এমন প্রশ্ন শুনে জনগণ হাত নেড়ে সমর্থন জানিয়ে বলেন, আছি আছি। এ কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আলহামদুলিল্লাহ।

    এর আগে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজারের ‘খোর্দ্দ খাল’ পুনঃখনন স্থলে পৌঁছে ফলক উন্মোচন করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

    ফলক উন্মোচনের পরে খালের তীরে নেমে কোদাল দিয়ে মাটি কাটেন প্রধানমন্ত্রী। পরে খালের তীরে বৃক্ষরোপণ করেন তিনি।

    এই সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সংসদ সদস্য মোমিনুল হক, জেলা সদস্য সচিব সলিম উল্যা সেলিম, শাহরাস্তি উপজেলা সভাপতি আয়াত আলী ভূঁইয়া, সহসভাপতি আবু ইউসুফ রুপম উপস্থিত ছিলেন।

    ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই খোর্দ্দ খাল খনন করেছিলেন। ৪৮ বছর পর  সেই খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রয়াত জিয়াউর রহমানের ছেলে তারেক রহমান।