Category: গণমাধ্যম

  • জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: পুলিশের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: পুলিশের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    দেশের জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও সক্ষমতা নিয়ে দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    তিনি বলেন, ‘দেশের জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের ভূমিকার ওপরই সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল। আপনারা জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাধ্য ও সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে কাজ করবেন; এটাই আপনাদের কাছে সরকারের প্রত্যাশা।’

    আজ রোববার সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    পুলিশ সদস্যদের নতুন শপথে অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু স্মরণের মধ্য দিয়েই আপনাদের-আমাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যেসব শহীদ পুলিশ ভাইরা আত্মত্যাগ করেছিলেন, যে কোনো মূল্যে সেই স্বাধীনতা রক্ষা করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব। এই বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদ-স্বৈরাচার যেন পুলিশ সদস্যদের দেশ ও জনগণের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে। স্বাধীনতার প্রথম প্রহরেই পুলিশের রক্তে রঞ্জিত এই মাটিতে দাঁড়িয়ে আসুন, আজ আমরা আবারও নতুন শপথে অঙ্গীকারবদ্ধ হই।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হচ্ছে জনগণের রায়ে গঠিত বর্তমান সরকার। বছরের পর বছর ধরে অসংখ্য হামলা মামলার শিকার নির্যাতিত, নিপীড়িত ও অধিকারহারা মানুষ বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ে শান্তি এবং নিরাপত্তা চায়।’

    মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সকল পুলিশ সদস্যকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘এই সেই ঐতিহাসিক রাজারবাগ পুলিশ লাইন, যেখানে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে হানাদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে বর্বর হামলা চালিয়ে শত শত ঘুমন্ত পুলিশ সদস্যকে হত্যা করেছিল। আমি আজকের অনুষ্ঠানে প্রথমেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সকল পুলিশ সদস্যকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।’

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই নির্বাচন প্রমাণ করেছে, বাংলাদেশ পুলিশ দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম। শুধু দেশেই নয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমেও বাংলাদেশ পুলিশ দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় আমাদের পুলিশ সদস্যরা পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। জাতিসংঘ শান্তি মিশনে নারী পুলিশ সদস্যদের ভূমিকাও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। সুতরাং শুধু বিদেশেই নয়, দেশের জনগণের সঙ্গেও পুলিশের মানবিক আচরণ প্রত্যাশিত।’

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘একদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে চট্টগ্রামে মেজর জিয়ার ‘উই রিভোল্ট’, অন্যদিকে ঢাকায় রাজারবাগ পুলিশের মরণপণ প্রতিরোধ; এরপর স্বাধীনতার লড়াই থেকে স্বাধীনতাকামী মানুষের পিছিয়ে থাকার আর কোনো সুযোগ ছিল না।’

    মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে এখনও কিছু প্রশ্ন রয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রজন্ম থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী প্রজন্ম আমরা যারা ইতিহাস পড়ে কিংবা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা শুনে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জেনেছি তাদের মনে মুক্তিযুদ্ধের সময়কালীন ইতিহাস নিয়ে এখনো কিছু প্রশ্ন রয়েছে।’

    ১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উত্তাল মার্চে যখন স্বাধীনতাকামী মানুষের মনে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছিল এবং তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার সৈন্য ঢাকায় আনা হচ্ছিল, তখন সকল পুলিশ সদস্যকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে একসঙ্গে জড়ো করে রাখার পেছনে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের কী কৌশল বা যুক্তি ছিল, তা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণাকারীদের জন্য এখনও একটি গবেষণার বিষয় হতে পারে।’

    বক্তব্যের শেষে প্যারেডে অংশ নেওয়া পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন তিনি।

    এর আগে সকালে ‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    বার্ষিক প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) স্টল পরিদর্শন করেন।

  • হাওরাঞ্চলের জীবনমান উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে সরকার

    হাওরাঞ্চলের জীবনমান উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে সরকার

    অনলাইন ডেস্ক:    আগামী পাঁচ বছরে হাওরাঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়নে কাজ শুরু করেছে সরকার।

    প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর সিলেট সার্কিট হাউসে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান। বিএনপি’র মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

    তিনি জানান, হাওরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পানি ব্যবস্থাপনা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং টেকসই অবকাঠামো গড়ে তুলতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছর মেয়াদি সমন্বিত কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে।

    ড. তিতুমীর বলেন, অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, নদী দখল, পলি জমে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি, জীববৈচিত্র্যের ক্ষয়, কৃষিতে কীটনাশকের অপব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হাওরাঞ্চলের সংকট আরও গভীর হয়েছে। এসব সমস্যার টেকসই সমাধানে সরকার ইতোমধ্যে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে।

    তিনি বলেন, ‘আমরা হাওরাঞ্চলের মানুষের জন্য মানবিক সহায়তার পাশাপাশি সংকটের স্থায়ী সমাধান চাই। সেই লক্ষ্যেই আগামী পাঁচ বছরে সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে কৃষি, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা হবে।’

    অতীতে হাওরাঞ্চলে বিচ্ছিন্ন ও অপরিকল্পিত প্রকল্প নেওয়া হলেও মানুষের কল্যাণে কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, পলি জমে নদী ও জলাভূমির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। অনেক স্লুইসগেট অকার্যকর হয়ে পড়েছে এবং জলাবদ্ধতা বেড়েছে।

    ড. তিতুমীর বলেন, ‘রাষ্ট্র যদি জনকল্যাণমূলক হয়, তাহলে মানুষের পাশে দ্রুত দাঁড়াতে হয়। আমরা সেই কাজটাই করছি।’

    সাম্প্রতিক অকাল বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল পরিদর্শন করেছে বলেও জানান তিনি।

    তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ইতোমধ্যে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তালিকাভুক্ত পরিবারগুলোকে তিন মাস সহায়তা দেওয়া হবে।

    হাওরাঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শুধু ত্রাণ দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা, নদী ও খাল খনন, জলমগ্ন ও ডুবন্ত সড়ক নির্মাণ, সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা, হাওর উপযোগী ধানের জাত উদ্ভাবন, কৃষিযন্ত্র সরবরাহ এবং সময়মতো শ্রমিক নিশ্চিত করার বিষয়গুলো একসঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে।

    তিনি বলেন, ‘আমরা এমন ধানের জাত চাই, যাতে অকাল বৃষ্টির আগেই কৃষক ফসল ঘরে তুলতে পারেন। একই সঙ্গে হারভেস্টার, ড্রায়ার ও অন্যান্য কৃষি সরঞ্জামের ব্যবস্থাও প্রয়োজন।’

    হাওরাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য ধ্বংস নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা।

    তিনি বলেন, অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের কারণে বহু দেশীয় মাছ বিলুপ্তির পথে। মৌমাছির সংখ্যা কমে যাওয়ায় পরাগায়নেও প্রভাব পড়ছে। একসময় টাঙ্গুয়ার হাওরে বিপুল পরিমাণ পরিযায়ী পাখি এলেও এখন সেই দৃশ্য অনেকটাই হারিয়ে গেছে।

    ড. তিতুমীর বলেন, ‘টাঙ্গুয়ার হাওর একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রামসার সাইট। কিন্তু অপরিকল্পিত কর্মকা-ের কারণে এর বাস্তুতন্ত্র হুমকির মুখে পড়েছে।’

    তিনি আরও বলেন, নতুন হাওর ও জলাশয়-সংক্রান্ত আইনের আওতায় কৃষি, মৎস্য, পানি সম্পদ, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জনগণের অংশগ্রহণ ও স্থানীয় জ্ঞানকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

    সভায় তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছরে হাওরাঞ্চলে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হলেও সেগুলোর অনেকটাই ছিল ‘লুটপাট ও পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক’। ফলে টেকসই সমাধান হয়নি, বরং সংকট আরও বেড়েছে।

    কৃষকদের জন্য সরকার কৃষক কার্ড চালু করেছে উল্লেখ করে তিতুমীর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষককে এ কার্ডের আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে কৃষকেরা বীজ, সার, কীটনাশকসহ বিভিন্ন সেবা পাবেন। পাশাপাশি কৃষি পরিকল্পনাও সহজ হবে।

    মতবিনিময় সভায় সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    অনলাইন ডেস্ক:    ‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    আজ রোববার সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে বার্ষিক প্যারেড অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে চারদিনব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

    সকাল ৮টা ৫৬ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে এসে পৌঁছালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, প্যারেড কমিটির সভাপতি অতিরিক্ত আইজিপি একেএম আওলাদ হোসেন এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির তাঁকে স্বাগত জানান।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী একটি লাল-সবুজ খোলা জিপে চড়ে পুলিশের বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট ও পতাকাবাহী দলের সুশৃঙ্খল, দৃষ্টিনন্দন ও বর্ণাঢ্য প্যারেড পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য রাখবেন।

    এ সময় পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ব্যাকগ্রাউন্ড উপস্থাপনায় তুলে ধরা হয়।

    এবারের বার্ষিক প্যারেডে অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বিএনপি সরকারের আমলে এটিই প্রথম পুলিশ সপ্তাহ।

    বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশের অতিরিক্ত আইজিগণ, বিভিন্ন মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলার পুলিশ সুপারসহ নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত রয়েছেন।

    আজ শুরু হওয়া পুলিশ সপ্তাহের বিভিন্ন কর্মসূচি আগামী ১৩ মে পর্যন্ত চলবে।

  • আমিরাত ও জাহাজে হামলা ‘অযৌক্তিক’: ইরানকে মাখোঁ

    আমিরাত ও জাহাজে হামলা ‘অযৌক্তিক’: ইরানকে মাখোঁ

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেসামরিক স্থাপনা ও হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি জাহাজে হামলাকে ‘অযৌক্তিক’ বলে মন্তব্য করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।

    বুধবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলোচনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মাখোঁ বলেন, ‘চলমান উত্তেজনা বৃদ্ধি নিয়ে আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছি এবং আমিরাতের বেসামরিক অবকাঠামো ও কয়েকটি জাহাজে অযৌক্তিক হামলার নিন্দা জানিয়েছি।’

    প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

    ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, ফোনালাপে মাখোঁ ও পেজেশকিয়ান সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি, চলমান আলোচনা ও হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন।

    ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বরাতে পেজেশকিয়ান মাখোঁকে বলেন, ‘আমরা সন্তুষ্ট যে ফ্রান্সের অবস্থান সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের ওপর ভিত্তি করে।’

    তিনি বলেন, ‘তবে হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে দেওয়ার বিষয়ে যে কোনো আলোচনা যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।’

    পেজেশকিয়ান আরও বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও বিধিমালার কাঠামোর মধ্যে থেকেই সব সমস্যা সমাধানে ইরান প্রস্তুত।

    তিনি বলেন, ‘ইরানের জনগণের বৈধ অধিকার নিশ্চিত করা ছাড়া তেহরানের আর কোনো দাবি নেই।’
    এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের ‘অবিশ্বাসের’ কারণও তুলে ধরেন তিনি।

    পেজেশকিয়ান বলেন, ‘অতিরিক্ত দাবি, হুমকিমূলক বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় কাঠামো মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতা কূটনীতির পথকে আরও জটিল করে তুলেছে।’

     

     

    https://drive.google.com/file/d/1f-x7jozWeLGpx-ou60mdahUiDrdGRx5K/view?usp=sharing

    https://drive.google.com/file/d/1_7AUfahPS9JLNYj2NW0kCTtphdE9LNOY/view?usp=sharing

  • যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে ভোট শুরু, চাপের মুখে স্টারমারের লেবার পার্টি

    যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে ভোট শুরু, চাপের মুখে স্টারমারের লেবার পার্টি

    যুক্তরাজ্যে স্থানীয় নির্বাচনে বৃহস্পতিবার ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। এসব নির্বাচন লেবার পার্টির প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এ নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থী ও বামপন্থী পপুলিস্টদের উত্থানও সামনে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    স্কটল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসজুড়ে স্থানীয় ভোটে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে ভোটকেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়।
    লন্ডন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    ২০২৪ সালের জুলাইয়ে সাধারণ নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়ে ১৪ বছরের কনজারভেটিভ শাসনের অবসান ঘটানোর পর, এটিই প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের সবচেয়ে বড় নির্বাচনী পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডসহ খাল খনন কর্মসূচি আশার সঞ্চার করেছে: মির্জা ফখরুল

    ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডসহ খাল খনন কর্মসূচি আশার সঞ্চার করেছে: মির্জা ফখরুল

    ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচি মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    রাজধানীর বনানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বুধবার ‘দ্য কম্পাস ডায়ালগ’ শীর্ষক সংলাপ শেষে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্যাকটিকস রিসার্চ (আইএসটিআর)। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেইজে এ তথ্য জানানো হয়।

    মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনি ইশতেহারে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য তিনি একটার পর একটা কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচির মতো উদ্যোগ জনগণের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।

    তিনি বলেন, দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে সরকারি সংস্থাগুলোর ধীরগতি। বিনিয়োগকারীরা যে গতিতে সমাধান চান, তা না হওয়ায় সেখানে নেতিবাচক অবস্থা তৈরি হয়। ফলে তারা হতাশ হয়ে যান। এটা অন্যতম প্রধান একটা সমস্যা। আমরা চেষ্টা করছি এ বিষয়গুলোকে ঠিক করার।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আমলাতন্ত্রে গতি এনে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা হবে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। তিনি প্রতিদিনই সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করছেন এবং সব মন্ত্রণালয়কে দ্রুত সমস্যার সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের আমলাতন্ত্রকে ঠিক করার মাধ্যমে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করা হবে।

    আমরা এটাকে ভালো করার চেষ্টা করছি, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। তিনি প্রতিদিনই এ বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন, কথা বলছেন। প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয়কে তিনি অতি দ্রুত এই সমাধান করতে বলেছেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা রয়েছে জ্বালানি খাতে। এক্ষেত্রে আমরা রিনিউয়েবল এনার্জির (নবায়নযোগ্য জ্বালানি)  দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছি। সোলার এনার্জির দিকে আমরা যাওয়ার চেষ্টা করছি। গ্যাস ও তেল উত্তোলন করার কাজগুলো আমরা ইতোমধ্যে শুরু করেছি। তিন মাসের মধ্যে আমরা টেন্ডারে যাব বলে আশা করছি।