Category: গণমাধ্যম

  • বাংলাদেশের অভিপ্রায় অনুযায়ী ফারাক্কা চুক্তি হতে হবে

    বাংলাদেশের অভিপ্রায় অনুযায়ী ফারাক্কা চুক্তি হতে হবে

    বাংলাদেশের অভিপ্রায় অনুযায়ী ফারাক্কা চুক্তি সম্পাদিত হতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষ্যে আজ দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ভারত সরকারের কাছে স্পষ্ট বার্তা জানাতে চাই, অবিলম্বে বাংলাদেশের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে, বাংলাদেশের অভিপ্রায় অনুযায়ী ফারাক্কা চুক্তি সম্পাদন করতে হবে। অন্যথায় ভারতের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপিত হবার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা নির্ভর করবে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি বা ফারাক্কা চুক্তি সম্পাদনের ওপর।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বার্থ নষ্ট করে কোনো চুক্তিই আমরা করতে দেব না। চুক্তি নবায়নে ভারতকে এগিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করেই সব করা হবে।’

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘২০২৬ সালে গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। এরই মধ্যে বর্তমান সরকারের পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। অত্যন্ত দ্রুততার সাথে জনগণের স্বার্থে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘দেশের জনগণকে সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের ওপর ভিত্তি করে চলতে হবে। মাতৃভূমির প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র করে কেউ দেশের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না। প্রতিবেশি দেশ ফারাক্কা বাঁধের নামে অন্যায় করছে। এই অন্যায় বিশাল জনগোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার।’

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তারেক রহমানের সরকার জনগণের সরকার। জনগণের দ্বারা বৈধ উপায়ে নির্বাচিত হয়েছে। এরই মধ্যে একটি গোষ্ঠী ষড়যন্ত্র চক্রান্ত করছে। এই সরকারের বিরুদ্ধে কিছু কিছু শক্তি অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমাদের সংগঠিত হতে হবে। কেউ যেন সরকারের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে না পারে। কয়েকজন নেতা এই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলছে। এই আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বলতে চাই, এ দেশের জনগণ বুকের রক্ত দিয়ে গণতন্ত্রকে অর্জন করেছে। তারা কখনোই এখানে ষড়যন্ত্রকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেবে না।’

    ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা, বিশিষ্ট পানি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশের নদী ও পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

  • কুমিল্লা নামে বিভাগ হবে : প্রধানমন্ত্রী

    কুমিল্লা নামে বিভাগ হবে : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘কুমিল্লা’ নামে বিভাগ হবে।

    তিনি বলেছেন, ‘কুমিল্লা নামে বিভাগ হওয়াটা যদি এই অঞ্চলের জনগণের দাবি হয়ে থাকে ইনশাল্লাহ সেটির বাস্তবায়ন হবে। বিএনপি সরকার জনগণের সকল দাবি পর্যায়ক্রমিক ভাবে পূরণ করবে।’

    প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের বিষয়ে শিগগীরই শিক্ষামন্ত্রীর সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও তুলে ধরেন।

    আজ দুপুর দেড়টায় কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে এক পথ সভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    সভায় কৃষিমন্ত্রী  মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ কুমিল্লাবাসীর পক্ষে ‘কুমিল্লা’ নামে কুমিল্লা বিভাগ  এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি তুলে ধরেন। কর্মীরাও তুমুল করতালি দিয়ে কৃষিমন্ত্রীকে সমর্থন জানায়।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী জনগণকে বিএনপি সরকারের শক্তি উল্লেখ করে তাদের সরকারের পাশে থাকার আহ্বান জানান।

  • প্রথম সেশন বাংলাদেশের

    প্রথম সেশন বাংলাদেশের

    পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন নিজেদের করে রাখল স্বাগতিক বাংলাদেশ।

    এই সেশনে ৪ উইকেট শিকার করেছে বাংলাদেশের বোলাররা। ফলে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৪১৩ রানের জবাবে তৃতীয় দিনের মধ্যাহ্ন-বিরতি পর্যন্ত ৫ উইকেটে ২৫১ রান তুলেছে পাকিস্তান। ৫ উইকেট হাতে নিয়ে এখনও ১৬২ রানে পিছিয়ে পাকিস্তান।

    মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ১ উইকেটে ১৭৯ রান করেছিল পাকিস্তান। আজান আওয়াইস ৮৫ ও আব্দুল্লাহ ফজল ৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।

    ১০৩ রান করে বাংলাদেশ পেসার তাসকিন আহমেদের শিকার হন আজান। পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদকে ৯ রানে শিকার করেন তাসকিন।

    এরপর সৌদ শাকিলকে শূন্য ও ফজলকে ৬০ রানে বিদায় দেন স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ।

    সালমান আঘা ১২ ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ৮ রানে অপরাজিত আছেন।

    বাংলাদেশের মিরাজ ৩টি ও তাসকিন ২টি উইকেট নেন।

  • কাতারের উপকূলের কাছে জাহাজে অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত

    কাতারের উপকূলের কাছে জাহাজে অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   কাতারের উপকূলের কাছে একটি জাহাজে অজ্ঞাত কোনো ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানা গেছে।

    রোববার ভোরে যুক্তরাজ্যের একটি সামুদ্রিক সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।

    যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সেন্টার জানিয়েছে, একটি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ কাতারের রাজধানী দোহার উত্তর-পূর্বে প্রায় ২৩ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থানকালে  ‘অজ্ঞাত কোনো ক্ষেপণাস্ত্র’ জাহাজটিকে আঘাত হানে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    সংস্থাটি আরও জানায়, অজ্ঞাত কোনো ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের ফলে জাহাজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং জাহাজের কোনো ক্ষতিরও খবর পাওয়া যায়নি।

    সংস্থাটি জানায়, ঘটনাটির পেছনে কে বা কী জড়িত তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

  • দেশকে ধ্বংসস্তুপ থেকে টেনে তোলাই বিএনপির নতুন চ্যালেঞ্জ : মির্জা ফখরুল

    দেশকে ধ্বংসস্তুপ থেকে টেনে তোলাই বিএনপির নতুন চ্যালেঞ্জ : মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশকে ধ্বংসস্তুপ থেকে টেনে তুলে পুনর্গঠন করাই এখন বিএনপি সরকারের নতুন চ্যালেঞ্জ।

    আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের জেলা নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা বড় রকমের যুদ্ধ শেষ করে এসেছেন। সেই যুদ্ধটি হচ্ছে দেশের মানুষকে রক্ষা করার, দেশকে রক্ষা করার এবং গণতন্ত্রকে রক্ষা করার। সেই যুদ্ধে আপনারা জয়ী হয়েছেন। সংসদে আপনারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছি। আমরা সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়েছি আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে।

    তিনি আরো বলেন, আজকে আমাদের সামনে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা একটি ধ্বংসস্তুপের মধ্যে থেকে সরকারে এসেছি। যেদিকে তাকাবেন সেদিকে শুনবেন নাই, নাই, নাই। আসলে অবস্থাটা তাই। এই ধ্বংসস্তুপ থেকে জেগে ওঠা, টেনে তোলা- দলকে শুধু নয়, সরকারকে এবং রাষ্ট্রকে। এটাই আমাদের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাই হচ্ছে আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী যে, আমাদের নেতা তারেক রহমান, যিনি নির্বাসনে থেকেও আমাদেরকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, দেশে সফল একটি অভ্যুত্থান ঘটিয়েছেন এবং একই সঙ্গে সফল নির্বাচন জয়ের মাধ্যমে সরকারে এসেছেন।

    তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে যে, আমরা তাঁর এই নেতৃত্ব, দলের নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগ- এসব স্মরণ করে দলকে আরো সুসংগঠিত করি। তৃণমূল পর্যায়ে সকল মানুষের কাছে আমাদের দলের যে কাজগুলো হচ্ছে, সেগুলো পৌঁছে দেই এবং একটি যোগসূত্র রক্ষা করি।

    এর আগে সকাল পৌনে ১১টায় ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

  • নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সহযোগিতায় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সহযোগিতায় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন ।

    তিনি তাদের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘দলের সমর্থন ও সমন্বয় ছাড়া সরকার সফল হতে পারবে না। তাই নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে করা সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জন্য আমাদের ‘নতুন সংগ্রামে’ নামতে হবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের একটি যুদ্ধ শেষ হয়েছে। এখন আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেটা হলো-আমরা মানুষকে যে কথা দিয়েছিলাম তার বাস্তবায়ন করা।’

    আজ সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (কেআইবি)-এর মিলনায়তনে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগানকে ধারণ করে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন।

    তিনি আরো বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আপনারা মাঠে ছিলেন। আমি বলেছিলাম নির্বাচন কিন্তু কঠিন হবে। আপনারা প্রত্যেকেই পরতে পরতে সেটা অনুভব করেছেন। মানুষ আমাদের দলের পক্ষে, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে।’

    নির্বাচনের আগে দেয়া ইশতেহার এখন জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত আমাদের দেয়া ইশতেহার ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ম্যানিফেস্টো। নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরে বিশেষ করে আমরা সরকার গঠন করার পরে এই ইশতেহারটি আমাদের সরকারের তথা বাংলাদেশের জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে।’

    তিনি বলেন ‘কারণ ভোট দেয়া দেশের ৫২ শতাংশ মানুষ মূলত আমাদের এই ম্যানিফেস্টোর পক্ষেই রায় দিয়েছেন। কাজেই এই ম্যানিফেস্টোতে যা যা বলেছিলাম আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা করতে হবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা মানুষকে বলেছিলাম যে আমরা সুশাসন দিব। আমরা এমন একটি দেশ তৈরি করতে চাই যেখানে শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে।  নারী পুরুষ শিশু সকলে নিরাপদে রাস্তায় চলতে পারবে।’

    তিনি বলেন, আমরা যখন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলাম তখন বলেছিলাম যে, আমাদের উপরে যে রকম অত্যাচার নির্যাতন হচ্ছে, গুম খুনের শিকার হতে হচ্ছে তাতে আমরা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা চাই দেশে এমন একটি রাজনৈতিক পরিস্থিতি হোক যেখানে আমরা বিতর্ক করবো, স্বাধীনভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করবো।

    তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা বলি বর্তমান সরকার বিএনপি সরকার। অর্থাৎ সরকার ঠিকই আছে। কিন্তু বিএনপি সরকার। সেজন্য বিএনপি যদি সহযোগিতা না করে অনেক ক্ষেত্রেই সরকার সফল হতে পারবে না।’

    এর আগে সকাল পৌনে ১১টায় ফার্মগেইটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট(কেআইবি) মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভা শুরু হয়।

    দিনব্যাপী রুদ্ধদ্বার এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে সভায়  স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও এজেডএম জাহিদ হোসেনও  উপস্থিত রয়েছেন।

    উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি  এয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরে দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাদের সাথে চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এটি প্রথম মতবিনিময় সভা।