Category: গণমাধ্যম

  • ফিলিপাইনে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প : ইউএসজিএস

    ফিলিপাইনে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প : ইউএসজিএস

    ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলের সামার দ্বীপে সোমবার দুপুর ২টা ৯ মিনিটে ৬ দশমিক ০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

    ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) এ তথ্য জানায়।

    ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ৭৩ দশমিক ৩ কিলোমিটার (৪৫ মাইল) গভীরে।

    এটি উপকূলীয় শহর সান জুলিয়ান থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানে।

    তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ম্যানিলা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
    একজন স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, ভূমিকম্পটি ছিল প্রবল ও আকস্মিক। তবে এখন পর্যন্ত এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    তিনি বলেন, ‘পুলিশ স্টেশনে আমাদের ছাদের সঙ্গে যুক্ত একটি বিম ভেঙে গেছে। কিছু আসবাবপত্র নড়তে দেখেছি।’

    তিনি আরও জানান, আফটারশকের আশঙ্কায় তিনি ও তার সহকর্মীরা এখন বাইরে অবস্থান করছেন।

    গত অক্টোবর মাসে পূর্ব মিন্ডানাও দ্বীপে ৭ দশমিক ৪ ও ৬ দশমিক ৭ মাত্রার দুটি ভূমিকম্পে অন্তত আট জন প্রাণ হারান।

    এর আগে কয়েকদিনের ব্যবধানে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পে ৭৬ জন নিহত হন।

    সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ওই ভূমিকম্পে মধ্য ফিলিপাইনের সেবু প্রদেশে ৭২ হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

  • এপ্রিল মাসে তুরস্কের বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে পৌঁছেছে ৩২.৩৭ শতাংশে

    এপ্রিল মাসে তুরস্কের বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে পৌঁছেছে ৩২.৩৭ শতাংশে

    তুরস্কে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি আবার বেড়ে এপ্রিল মাসে ৩২ দশমিক ৩৭ শতাংশে পৌঁছেছে, যা মার্চ মাসে ছিল ৩০ দশমিক ৯ শতাংশ।

    সোমবার প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী এ তথ্য জানা গেছে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    মাসিক ভিত্তিতেও ভোক্তা মূল্য দ্রুত হয়েছে। মার্চের ১ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে এপ্রিলে ভোক্তা মূল্য বেড়েছে ৪ দশমিক ১৮ শতাংশ।

    মূলত বাসস্থান, পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি খরচ বৃদ্ধির কারণে, এই চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানায় তুর্কি পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউট বা টিইউআইকে।

    এই পরিসংখ্যান নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছেন অর্থনীতিবিদদের সংগঠন ইনফ্লেশন রিসার্চ গ্রুপ (ইএনএজি)।
    তাদের হিসাব অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৫৫ দশমিক ৩৮ শতাংশে পৌঁছেছে।

    ইএনএজি দীর্ঘদিন ধরেই তুরস্কের সরকারি মূল্যস্ফীতি পরিসংখ্যান নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছে।

    তুরস্ক ২০১৯ সাল থেকে দুই অঙ্কের মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে লড়াই করছে। বিগত চার বছর ধরে এর বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি ৩০ শতাংশের ওপরে রয়েছে।

    গত ২০২৪ সালের মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৭৫ শতাংশের সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছেছিল।
    এরপর তা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে।

  • রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

    রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

    জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)-মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট।

    গত এপ্রিল মাসে ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। যা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৯ শতাংশের বেশি। রোববার দুপুরে বিআইএফপিসিএল’র উপ-মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম বাসস’কে এই তথ্য জানান।

    বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্রী রমানাথ পূজারী বলেন, ‘সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় কেন্দ্রটি পরিচালনা করা আমাদের আধুনিক নকশা এবং টিমের নিরলস প্রচেষ্টারই প্রতিফলন। এই সাফল্য আমাদের কঠোর পরিচালন পদ্ধতি এবং দুই দেশের মধ্যকার সফল সহযোগিতার এক অনন্য নিদর্শনও।’

    বর্তমানে কেন্দ্রটি ভারতের এনটিপিসি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একদল দক্ষ বাংলাদেশি প্রকৌশলী দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এনটিপিসি বর্তমানে উপদেষ্টা হিসেবে সহায়তা দিচ্ছে। তবে স্থানীয় মেধাবী প্রকৌশলীদের দ্বারা এই বিশালাকার কেন্দ্রের দৈনন্দিন পরিচালনা দেশের কারিগরি সক্ষমতা অর্জনের পথে একটি বড় অর্জন।

  • ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি ভারতের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ : সিআইআই

    ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি ভারতের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ : সিআইআই

    ভারতের শীর্ষ শিল্প সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই) বলেছে, বাংলাদেশের নতুন সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ কৌশল এবং ভারতের নিজস্ব উন্নয়ন অভিজ্ঞতার মধ্যে ঘনিষ্ঠ মিল রয়েছে। এতে দুই দেশের মধ্যে আরও গভীর অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

    নয়াদিল্লিতে সিআইআই সদর দপ্তরে বাংলাদেশি গণমাধ্যম প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ কথা বলেন সংগঠনটির ভারতের খ্যাতনামা শিল্প ব্যক্তিত্ব পঙ্কজ ট্যান্ডন।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান পর্যায়টি অনেকখানি গুরুত্ব বহন করছে। এটি শুধু বিদ্যমান সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য নয়, বরং ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।

    ট্যান্ডন বলেন, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির মূল লক্ষ্য হলো অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, ডিজিটাল রূপান্তর এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

    তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি কোনো অভ্যন্তরীণমুখী নীতি নয়, বরং সুপরিকল্পিত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে জাতীয় সক্ষমতা শক্তিশালী করার একটি উদ্যোগও।

    এই শিল্প ব্যক্তিত্ব জানান, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। অন্যদিকে এশিয়ায় এটি ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সহযোগিতাই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মূল ভিত্তি।

    বাজার সম্প্রসারণ, অ-শুল্ক বাধা কমানো এবং সীমান্ত অবকাঠামো উন্নত করা গেলে বাণিজ্য আরও বাড়বে।
    ট্যান্ডন আরও বলেন, বাংলাদেশের শিল্প সক্ষমতা এবং ভারতের উৎপাদন ও সেবা খাত একে অপরের পরিপূরক। এতে আঞ্চলিক সমন্বিত সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।

    তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে প্রস্তাবিত সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) পণ্য বাণিজ্যের পাশাপাশি সেবা, বিনিয়োগ সহায়তা, প্রযুক্তি সহযোগিতা, মানদণ্ড এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে পারে।

    খাতভিত্তিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে ভবিষ্যতে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে উৎপাদনশীলতা, মানদণ্ড রক্ষা, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও নকশার দক্ষতা আরও জরুরি হয়ে উঠবে।

    তিনি চিকিৎসা, পর্যটন, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, কৃষি সরবরাহ শৃঙ্খল, ডিজিটাল অর্থনীতি, স্টার্টআপ, জ্বালানি সহযোগিতা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই) খাতকে সম্ভাবনাময় সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করেন।

    ট্যান্ডন বলেন, ডিজিটাল অবকাঠামো, ফিনটেক, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, উৎপাদন দক্ষতা ও টেকসই উন্নয়নে ভারতের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে সহায়ক হতে পারে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশে অংশীদার সংগঠনগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও বাড়ানো এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করতে সিআইআই অঙ্গীকারবদ্ধ।

    এ সময়ে সিআইআইয়ের সিনিয়র পরিচালক মনীশ মোহনও বক্তব্য দেন।

  • উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও ধীরগতি আর সহ্য করা হবে না : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

    উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও ধীরগতি আর সহ্য করা হবে না : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

    পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও ধীরগতি আর সহ্য করা হবে না। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আর গতানুগতিক ধারায় চলবে না।

    তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গুণগত মান বজায় রাখা, দুর্নীতি কমানো এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার ওপর কঠোর গুরুত্বারোপ করেছে সরকার।

    আজ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

    তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফার আলোকে একটি নতুন ‘স্ট্র্যাটেজিক ফ্রেমওয়ার্ক’ বা কৌশলগত কাঠামো তৈরি করছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। মূলত উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং বৈষম্য কমিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতেই এই দুই বছর মেয়াদী ফ্রেমওয়ার্ক সাজানো হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন বাজেটের (এডিপি) অর্থ ব্যয়ে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের প্রতিটি পর্যায়ে দুর্নীতি ও অর্থের অপচয় রোধে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও জোর দিচ্ছে সরকার।

    পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের অন্যতম লক্ষ্য এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এখন থেকে প্রতিটি নতুন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে তা কতটুকু কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং পরিবেশের ওপর কী প্রভাব ফেলবে, তা প্রধান বিবেচ্য বিষয় হবে। লক্ষ্য হচ্ছে বৈষম্য কমিয়ে একটি ‘ট্রিলিয়ন ডলার ইকোনমি’ বা এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা।

    তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকরা প্রকল্প বাস্তবায়নে ভূমি অধিগ্রহণ, আর্থিক বরাদ্দের সময়সূচি, পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কাঠামোর ঘাটতি এবং দুর্নীতিসহ বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে অনেকগুলো প্রস্তাব ও সুপারিশ উপস্থাপন করেছেন। সরকার এসব সমস্যা সমাধানে একটি সুনির্দিষ্ট ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

    তিনি আরও বলেন, আইএমইডি-কে (পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ) আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে যাতে প্রতিটি প্রকল্পের ‘ভ্যালু অব মানি’ বা অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। এছাড়া রিয়েল টাইম বা তাৎক্ষণিক ও সঠিক তথ্য সংগ্রহের জন্য পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগকে (এসআইডি) নতুন করে সাজানো হচ্ছে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আর গতানুগতিক ধারায় চলবে না। ২০১৭ সালের প্রকল্প এখনো চলমান থাকা বা বারবার মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। জনকল্যাণমুখী, সাশ্রয়ী এবং সময়াবদ্ধ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমেই একটি মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মাঠ প্রশাসনকে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    সম্মেলনে প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে দ্রুত নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

  • ওয়াশিংটন ডিসিতে বিনিয়োগ সম্মেলনে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

    ওয়াশিংটন ডিসিতে বিনিয়োগ সম্মেলনে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

    দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত ২০২৬ সালের সিলেক্টইউএসএ ইনভেস্টমেন্ট সামিটে ২৫ সদস্যের একটি বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে ৩ থেকে ৬ মে পর্যন্ত চলা এই সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে জ্বালানি, প্রযুক্তি, কৃষিব্যবসা, প্রকৌশল ও ব্যবসায়িক সেবা খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতের ২৫ জন শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা অংশ নিচ্ছেন।

    আজ ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রী হাওয়ার্ড লাটনিকের আয়োজনে এই সম্মেলনকে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের (এফডিআই) প্রধান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর মাধ্যমে বিদেশি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সংযোগ স্থাপন করা হয়, যা নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

    এবারের সম্মেলনটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র তার স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছে। সম্মেলনে তুলে ধরা হবে, কীভাবে বৈদেশিক বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরবর্তী ধাপকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই উদ্যোগ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।