Category: গণমাধ্যম

  • ট্রাম্পের ‘যুদ্ধ বন্ধের’ আশ্বাসে কমেছে তেলের দাম

    ট্রাম্পের ‘যুদ্ধ বন্ধের’ আশ্বাসে কমেছে তেলের দাম

    ইরানের সঙ্গে চুক্তি হোক বা না হোক ডোনাল্ড ট্রাম্প চান এই যুদ্ধ দ্রুততম সময়ের মাঝে শেষ করতে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন আশ্বাসের পর বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম। একই সঙ্গে ইউরোপের শেয়ারবাজারও বেড়েছে।

    ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। বুধবার দিনের শুরুতে তেলের দাম ৩ শতাংশেরও বেশি কমে গিয়েছিল। সর্বশেষ তা ৯৯.৩২ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

    ইউরোপের শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। লন্ডনের এফটিএসই ১০০ সূচক ১.৭ শতাংশ বেড়েছে। জার্মানির ডিএএক্স বেড়েছে ২.৫ শতাংশ এবং ফ্রান্সের সিএসি ৪০ সূচক ২.১ শতাংশ উর্ধ্বমুখী হয়েছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, গত পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান যুদ্ধের কারণে তেলের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গেছে। বিশেষ করে যুদ্ধের শুরুতে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আংশিকভাবে বন্ধ করে দিলে সরবরাহ নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়।

    তবে সাম্প্রতিক পতন সত্ত্বেও তেলের দাম এখনো যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় অনেক বেশি। ২৮ ফেব্রুয়ারির তুলনায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এখনো প্রায় ৩৯ শতাংশ বেশি রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির অগ্রগতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার ওপর নির্ভর করেই আগামী দিনে তেলের বাজারের দিক নির্ধারিত হবে।

  • যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬১ হাজার মে. টন গম নিয়ে জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে

    যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬১ হাজার মে. টন গম নিয়ে জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আলোকে নগদ ক্রয় চুক্তি নম্বর ৩ এর অধীনে আমেরিকা থেকে ৬১ হাজার মেট্রিক টন গম নিয়ে (এমভি এম পি আলট্রা ম্যাক্স ২) জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের  বহিঃনোঙরে পৌঁছেছে।

    আজ বুধবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    ইতোপূর্বে  জি টু জি চুক্তির আওতায় প্রথম শিপমেন্টের মাধ্যমে ৫৮ হাজার ৪৫৭ মেট্রিক টন এবং দ্বিতীয় শিপমেন্টের মাধ্যমে ৬২ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন গম দেশে পৌঁছেছে।

    জাহাজে রক্ষিত গমের নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং  দ্রুত গম খালাসের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    জাহাজে রক্ষিত ৬১ হাজার মেট্রিক টন গমের মধ্যে ২৯ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন গম চট্টগ্রামে এবং অবশিষ্ট ৩১ হাজার ৫৫০ মেট্রিক টন মোংলা বন্দরে খালাস করা হবে।

    বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সরকার  টু সরকার (জি টু জি) ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি কার্যক্রম শুরু করছে। জি টু জি ০১ ও ০২ চুক্তির আওতায় আমদানিকৃত সকল গম  দেশে পৌঁছেছে।

    এখানে উল্লেখ্য, জি টু জি -০১ মোতাবেক  ২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন এবং জি টু জি -০২ মোতাবেক ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৯ মেট্রিক টন মোট— ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন গম দেশে এসেছে।

    দেশে মোট গমের চাহিদা কম বেশি ৭০ লাখ মেট্রিক টন।

    দেশে উৎপাদন হয় কম বেশি ১০ লাখ মেট্রিক টন।

    চাহিদা পূরণের জন্য সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে অবশিষ্ট গম বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।

  • বাংলাদেশের ৬টি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের অনুমোদন ইরানের

    বাংলাদেশের ৬টি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের অনুমোদন ইরানের

    হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশের পতাকাবাহী ছয়টি জাহাজকে যেতে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান।

    আজ বুধবার ঢাকাস্থ ইরানি দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি এ তথ্য জানান।

    রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা আটকে পড়া ছয়টি জাহাজের বিষয়ে তেহরানকে জানিয়েছিলাম। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল এই জাহাজগুলোকে সহায়তার বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে। তবে আগে বিস্তারিত তথ্য না থাকায় আমরা জাহাজগুলো শনাক্ত করতে পারিনি।’

    তিনি আরও জানান, ইরান সরকারের পক্ষ থেকে জাহাজগুলোর বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছিল। গত সপ্তাহে বাংলাদেশ সরকার সেসব তথ্য দিয়েছে।

    জাহাজগুলো ছাড়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং বর্তমানে বাংলাদেশি জাহাজ চলাচলে আর কোনো সমস্যা নেই উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘এই বিষয়ে আমরা সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করব।’

  • ইলিয়াস আলী গুমের কারণ জানালেন সাবেক ডিজিএফআই প্রধান

    ইলিয়াস আলী গুমের কারণ জানালেন সাবেক ডিজিএফআই প্রধান

    বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনায় মুখ খুলেছেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ। তিনি জানিয়েছেন, টিপাইমুখ বাঁধ এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনের ঘোষণা দেন ইলিয়াস আলী। এসব কারণেই তাকে গুম করা হয়।

    রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ইলিয়াস আলীকে গুম করার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে শেখ মামুন খালেদ এ তথ্য দেন।

    গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দাবি করেছেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই ইলিয়াস আলী গুমের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং এতে র্যাব অংশ নেয়। ঘটনার আগে ও পরে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।

    ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে ব্যক্তিগত গাড়িচালকসহ নিখোঁজ হন ইলিয়াস আলী। সে সময় ডিজিএফআই প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন শেখ মামুন খালেদ।

    বর্তমানে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংশ্লিষ্ট একটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে রিমান্ডে রয়েছেন তিনি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এক-এগারোর সরকার ও পরবর্তী আওয়ামী লীগ আমলের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়েও তথ্য দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

    তবে জিজ্ঞাসাবাদের শুরুতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও পরে তিনি স্বীকার করেন, গুমের অভিযানে ডিজিএফআইয়ের দুজন মেজর প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছিলেন। এছাড়া আরও কয়েকজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা আগে থেকেই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন।

    অন্যদিকে গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, তৎকালীন ডিজিএফআই প্রধান হিসেবে শেখ মামুন খালেদের নির্দেশনাতেই পুরো অভিযান পরিচালিত হয় এবং ডিজিএফআই ও র্যাবের একটি বিশেষ দল এতে অংশ নেয়।

    এছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ঢাকা সেনানিবাসের বাসা থেকে উচ্ছেদের ঘটনাসহ আরও কিছু সংবেদনশীল বিষয়ে তদন্তকারীদের কাছে তথ্য দিয়েছেন মামুন খালেদ।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রথম দফায় ৫ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে ফের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    এদিকে এক-এগারো সরকারের সময় বিতর্কিত ভূমিকার অভিযোগে ডিজিএফআইর সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. আফজাল নাছেরকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকেও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

    ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, গ্রেফতার সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের রিমান্ডে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে এবং সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

  • আইএলও মহাপরিচালকের সঙ্গে শ্রমমন্ত্রীর সাক্ষাৎ; বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহযোগিতার আশ্বাস

    আইএলও মহাপরিচালকের সঙ্গে শ্রমমন্ত্রীর সাক্ষাৎ; বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহযোগিতার আশ্বাস

    আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সংহতি রেখে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সংস্থার পক্ষ থেকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।

    ৩৫৬তম আইএলও গভর্নিং বডিতে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে জেনেভা সফররত শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে আইএলও মহাপরিচালক এ আশ্বাস দেন।

    বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও শ্রম সচিব আবদুর রহমান তরফদারও অংশগ্রহণ করেন।

    বৈঠকের শুরুতেই গিলবার্ট হোংবো একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য বর্তমান সরকারকে অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে এ গণতান্ত্রিক উত্তরণ গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি জানান, নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী আইএলও।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আইএলও মহাপরিচালককে শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হকের চৌধুরী।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক তরুণ ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সরকারের জন্য গুরত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারগুলোর একটি। এক্ষেত্রে আইএলও’র সহযোগিতা বিশেষত সংস্থার ঢাকা অফিস আরও বেশি উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    আরিফুল হকের সঙ্গে ঐকমত্য পোষন করেন জিলবার্ট হোংবো এবং এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    অন্যদিকে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চলমান আর্টিকেল ২৬ মামলা নিষ্পত্তির বিষয়ে মহাপরিচালকের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন শ্রমমন্ত্রী।

    এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কূটনৈতিক তৎপরতার ভূয়সী প্রশংসা করে মহাপরিচালক বলেন, মিশন আইএলওর বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ; সংস্থাটির গভর্নিং বডিতে সভাপতিত্ব; এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় সমন্বয়ক এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। ফলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চলমান মামলায় বিপুল সমর্থন পেয়েছে।

    এক্ষেত্রে দেশে শ্রমক্ষেত্রে উন্নয়নের পাশাপাশি বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ সুদৃঢ় করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন গিলবার্ট।

    শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম মান অনুযায়ী  অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, বহুজাতিক কোম্পানি ও বিপণন প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত করার ক্ষেত্রে আইএলও মহাপরিচালকের সহযোগিতা চান।

    এক্ষেত্রে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা যেমন-স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা, দুর্ঘটনা বীমা ইত্যাদি কার্যক্রমে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর অবদান রাখার ক্ষেত্রে গিলবার্ট হোংবো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলেও জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার ও শ্রম অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট রয়েছে। জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন ও শ্রম অধিকার সমুন্নতকরণে কাজ করে যাচ্ছি।

    শ্রমমন্ত্রী আগামী জুনে মহাপরিচালকের বাংলাদেশ সফরের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। বৈঠকে জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবদুস সামাদ আজাদও উপস্থিত ছিলেন।

  • সংবিধান সংশোধন কমিটিতে কারা থাকবেন ইঙ্গিত দিলেন চিফ হুইপ

    সংবিধান সংশোধন কমিটিতে কারা থাকবেন ইঙ্গিত দিলেন চিফ হুইপ

    সংবিধান সংশোধনের জন্য সরকার আন্তরিক বলে জানিয়েছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি।

    বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদ কমিটির তৃতীয় বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি।

    নুরুল ইসলাম মণি বলেন, সংবিধান সংশোধনে অচিরেই সবার অংশগ্রহণে একটি কমিটি গঠন করা হবে। খুব শিগগিরই করা হবে। কত সদস্যের কমিটি হবে তা চূড়ান্ত নয়, তবে সরকারি ও বিরোধী দলের আইন বিশেষজ্ঞরা কমিটিতে থাকবেন।

    তিনি আরও বলেন, সংসদকে কার্যকর করতে চাই। আমরা যা কিছুই করি তার জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আমরা তাদের (বিরোধী দল) চাই। আমাদের সদিচ্ছা আছে। তারা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে থাকবেন এমনটাই প্রত্যাশা করি।

    সরকার দলীয় চিফ হুইপ বলেন, সংবিধান সংশোধনের জন্য, দেশের কল্যাণের জন্য যা করণীয় সব আমরা করতে চাই এবং এই চাওয়ায় বিরোধী পক্ষকে সঙ্গে চাই।