Category: প্রচ্ছদ

  • নেশন্স কাপের শিরোপা ফিরে পেতে সর্বোচ্চ ক্রীড়া আদালতে আপিল সেনেগালের

    নেশন্স কাপের শিরোপা ফিরে পেতে সর্বোচ্চ ক্রীড়া আদালতে আপিল সেনেগালের

    আফ্রিকান নেশন্স কাপের (আফকন) শিরোপা কেড়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ক্রীড়া আদালত কোর্ট অব আরবিট্রেশনে (সিএএস) আপিল করেছে সেনেগাল।  সুইজারল্যান্ডভিত্তিক এই ট্রাইব্যুনাল বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন (এফএসএফ)-এর পক্ষ থেকে আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ) ও রয়্যাল মরোক্কান ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে করা আপিল গ্রহণ করেছে সিএএস।”

    সেনেগাল আশা করছে, আফ্রিকান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিএএফ যে সিদ্ধান্তে তাদের শিরোপা কেড়ে নিয়েছে, তা তারা বাতিল করতে পারবে। গত ১৮ জানুয়ারির ফাইনালে মরক্কোর পক্ষে দেওয়া একটি পেনাল্টির প্রতিবাদে সেনেগালের কয়েকজন খেলোয়াড় মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল। যদিও ম্যাচটি তারা অতিরিক্ত সময়ের গোলে ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল।

    ১৭ মার্চ সিএএফ জানায়, তারা মরক্কো ফুটবল ফেডারেশনের আপিল বহাল রেখেছে এবং সেনেগাল টুর্নামেন্টের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। ফলে সেনেগালের ১-০ ব্যবধানের জয়কে ৩-০ পরাজয়ে রূপান্তর করে স্বাগতিক মরক্কোকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়।

    কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টস জানায়, সেনেগালের আপিলের উদ্দেশ্য হলো সিএএফ’র সিদ্ধান্ত বাতিল করে তাদেরকে আফকনের বিজয়ী ঘোষণা করা।

    সিএএস’র মহাপরিচালক ম্যাথিউ রিব বলেন, “আমরা বুঝি যে দল ও সমর্থকেরা দ্রুত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে আগ্রহী। সব পক্ষের ন্যায্য শুনানির অধিকার বজায় রেখে যত দ্রুত সম্ভব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নিশ্চয়তা আমরা দিচ্ছি।”

    মরক্কো ফুটবল ফেডারেশন সিএএফ’র সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছিল, তারা কখনোই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া দলগুলোর পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি। বরং শুধু নিয়ম প্রয়োগের দাবি জানিয়েছিল।

    সিএএফ সভাপতি প্যাট্রিস মোতসেপে বলেছেন, আফ্রিকান দেশগুলোর সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করার অধিকারকে তিনি সমর্থন করেন এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়া সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো হবে।

    ফাইনালের পরপরই ম্যাচে উপস্থিত ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো কিছু সেনেগাল খেলোয়াড়ের আচরণকে অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেন।

    এই সপ্তাহে দুই দলই আসন্ন বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রীতি ম্যাচ খেলতে মাঠে নামছে।

    সেনেগাল শনিবার প্যারিসের স্তাদে ডি ফ্রান্সে পেরুর বিপক্ষে খেলবে।

    অন্যদিকে সম্প্রতি নতুন কোচ মোহাম্মদ উহাবিকে নিয়োগ দেয়া মরক্কো শুক্রবার মাদ্রিদে ইকুয়েডরের বিপক্ষে এবং ৩১ মার্চ ফ্রান্সের লেনসে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে খেলবে।

  • গণহত্যা দিবসে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ময়মনসিংহ তথ্য অফিসের আলোচনা সভা

    গণহত্যা দিবসে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ময়মনসিংহ তথ্য অফিসের আলোচনা সভা

    ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ময়মনসিংহ জেলা তথ্য অফিস।

    বুধবার বিকেলে জেলা তথ্য অফিসের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় ইতিহাসের নির্মম অধ্যায় এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।

    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) উম্মে হাবীবা মীরা।

    তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৭১ সালের গণহত্যায় শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের অসীম ত্যাগের বিনিময়েই স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছে।

    তিনি তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান এবং সরকারের এ ধরনের উদ্যোগকে অর্থবহ করে তুলতে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ও আলোচকরা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য দেন।

    হালুয়াঘাট সীমান্তের তেলিখালী রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল তার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর ভয়াবহতা বর্ণনা করেন, যা শিক্ষার্থীদেরকে গভীরভাবে আলোড়িত করে।

    আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন— সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের ময়মনসিংহ জেলা সভাপতি স্বাধীন চৌধুরী ও জেলা রোভার স্কাউটসের সহকারী কমিশনার লিয়া আফরোজ।

    তারা একাত্তরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে জান্নাতুল ফেরদৌস মিলি ও মোহাম্মদ মিনার দেশগঠনে আত্মনিয়োগের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী ও তথ্য অফিসের কর্মকর্তারা এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

    গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ ব্রিজ রোডে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি উন্মুক্ত প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

    এতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় প্রযোজিত ‘একাত্তরের গণহত্যা ও বধ্যভূমি’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়, যা দেখতে বিপুল সংখ্যক দর্শক উপস্থিত হন।

    এর আগে, দুপুরে নগরীর টাউন হলের তারেক স্মৃতি মিলনায়তনে গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক দুর্লভ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।

    ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন প্রধান অতিথি হিসেবে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

    অনুষ্ঠানে জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

  • মুন্সীগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

    মুন্সীগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

    জেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ উদযাপিত হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরাতন কাচারি চত্বরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।

    স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

    পুলিশ, বিএনসিসি এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কুচকাওয়াজ এবং ডিসপ্লে প্রদর্শন করে। পরে জেলা প্রশাসন থেকে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

    জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফীর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক এরাদত হোসেন মানু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক এ্যাডভোকেট মো. মহসিন মিয়া, সদর উপজেলা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক হাজী আবু বক্কর মাদবর।

    এছাড়া শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী, বিভিন্ন মসজিদ, মন্দিরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত এবং সরকারি হাসপাতাল ও জেলখানায় প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়েছে।

  • ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতার দুই-তৃতীয়াংশ ধ্বংস : যুক্তরাষ্ট্র

    ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতার দুই-তৃতীয়াংশ ধ্বংস : যুক্তরাষ্ট্র

    ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একইভাবে দেশটির নৌ উৎপাদন ব্যবস্থারও বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    বুধবার এক ভিডিও বার্তায় এ তথ্য জানান সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। তিনি বলেন, ইরানের নৌবাহিনীর বড় জাহাজগুলোর ৯২ শতাংশই ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ওয়াশিংটন থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

    তার ভাষায়, ‘এখন তারা কার্যকরভাবে আঞ্চলিক বা বৈশ্বিক পর্যায়ে নৌ শক্তি প্রদর্শনের সক্ষমতা হারিয়েছে।’

    যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে গড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইসরাইলকে সঙ্গে নিয়ে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্র পরিকল্পনা অনুযায়ী বা তার চেয়েও এগিয়ে রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও নৌ উৎপাদন স্থাপনার দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আমরা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করেছি। অভিযান এখনও চলছে।’

    তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত ১০ সহস্রাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে ইরান প্রায় প্রতিদিনই উপসাগরীয় বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে।

    তবে কুপার দাবি করেন, ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হার ৯০ শতাংশ কমে গেছে। তিনি বলেন, ‘পুনর্গঠনের সক্ষমতাও আমরা ভেঙে দিয়েছি।’

    এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বুধবার জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনার পরিকল্পনা নেই তাদের। লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তেই অটল রয়েছে তেহরান।

    এর আগে হোয়াইট হাউস জানায়, আলোচনা চলছে।

  • ২৫ মার্চ রাজারবাগ পুলিশ লাইনেই গণহত্যার শুরু ও স্বাধীনতার ঘোষণার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ২৫ মার্চ রাজারবাগ পুলিশ লাইনেই গণহত্যার শুরু ও স্বাধীনতার ঘোষণার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনেই প্রথম গণহত্যা শুরু হয়েছিল এবং এখান থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়।

    তিনি উল্লেখ করেন, তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান এই গণহত্যার খবর পেয়েই চট্টগ্রামে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন । পরবর্তীতে ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে বিশ্বের সমর্থন কামনা করেন।

    একেই তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার ‘প্রকৃত ইতিহাস’ বলে অভিহিত করেন।

    মন্ত্রী আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন।

    শহীদদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি আরও বলেন, রাজারবাগ পুলিশ লাইনের পুলিশ বাহিনীর রক্তদানই স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার সূচনা।

    সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে আজ তিনিও সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    এরপর স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি রাজারবাগে আসেন।

    দীর্ঘ কয়েক বছর পর পুনরায় স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ শুরু হওয়াকে তিনি আনন্দের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শহীদদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী, দেশে নতুনভাবে গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত থাকবে।

    ভারত থেকে ওসমান হাদি হত্যার আসামিদের হস্তান্তরের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী জানান, ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ্যানেলে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। বন্দি বিনিময় চুক্তি অনুযায়ী তাদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    পুলিশ সংস্কার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনীকে আরও সমৃদ্ধ ও আধুনিক করতে, বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত রাষ্ট্রের কাছ থেকে কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা চলছে।

    বিশেষ করে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে গতকাল এ বিষয়ে ফলপ্রসূ কথা হয়েছে বলে তিনি জানান।

    ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী ও  ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ারসহ বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক, সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় মির্জা ফখরুলের

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক, সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় মির্জা ফখরুলের

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক, সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি সারাদেশের মানুষ অত্যন্ত আশাবাদী, আস্থাশীল এবং এই নেতার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অবশ্যই একটা গণতান্ত্রিক সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পরিণত হবে। এই বিশ্বাস আমাদের সকলের আছে। আমরা আজকে দিনে দেশবাসীকে জনগণকে আমাদের দলের পক্ষ থেকে আমরা আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

    আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় শেরে বাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বিএনপি মহাসচিব এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে সম্পূর্ণ একটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে আমরা এই স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন করতে চলেছি। দীর্ঘ ১৫/১৬ বছর ফ্যাসিস্টের যাতাকালে বাংলাদেশে যখন গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, স্বাধীনতা বিপন্ন হয়ে পড়েছিল তখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জনগণকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই করেছে সংগ্রাম করেছে। প্রায় ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে, ২০ হাজারের মত নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন, প্রায় ১৭শ’  নেতাকর্মী গুম হয়ে গেছে।’

    তিনি বলেন, ‘সমস্ত নির্যাতন নিপীড়নকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের মানুষ লড়াই চালিয়ে গেছে এবং সবশেষে জুলাই ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আবার নতুন করে একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা তৈরি করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। আজকে আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান যিনি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নির্বাসিত থেকে আমাদেরকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। নির্বাচনের পরে সরকার গঠন করে তিনি তার সম্পূর্ণ নতুন চিন্তাভাবনা নিয়ে দেশকে গড়ে তুলবার কাজে লিপ্ত হয়েছেন। মাত্র এক মাসের মধ্যেই তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূরে এগিয়ে গেছে।’

    দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মগুরুদের মাসিক ভাতা প্রদান, খাল খনন কর্মসূচি, প্রান্তিক কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদ মওকুফ এবং পহেলা বৈশাখ ফার্মার্স কার্ড প্রদানের কথা উল্লেখ করেন বিএনপি মহাসচিব।

    বিএনপি মহাসচিব বক্তব্যে শুরুতে বলেন, আমরা স্মরণ করতে চাই আমাদের যিনি এই দিনের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সমগ্র বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিলেন এবং দীর্ঘ নয় মাস রণাঙ্গনে থেকে লড়াই করে বাংলাদেশের জনগণকে নিয়ে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে নিয়ে তিনি দেশ স্বাধীন করেছিলেন তার প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তা দলের পক্ষে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

    তিনি বলেন, ‘এই স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অগণিত মানুষ যারা কষ্টভোগ করেছেন, আহত হয়েছেন, পঙ্গু হয়েছেন জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।’

    বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আজকে সেই সূত্রে স্মরণ করতে চাই বাংলাদেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি সেই যুদ্ধ থেকে শুরু করে তার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এই দেশের মানুষের জন্য স্বাধীনতার জন্য গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন লড়াই করেছেন আমরা বাংলাদেশ জাতীয় দলের পক্ষ থেকে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি ।’

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। পরে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসুর মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ ও অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। পরে তারা মোনাজাতে অংশ নেন।