Category: প্রচ্ছদ

  • জ্বালানি তেল পাচার রোধে চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির তল্লাশি জোরদার

    জ্বালানি তেল পাচার রোধে চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির তল্লাশি জোরদার

    জ্বালানি তেল পাচার রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি তল্লাশি জোরদার করেছে। আজ থেকে দর্শনা আইসিপিসহ সীমান্তসমূহে তেল পাচার রোধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিজিবি সদস্যরা বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশি করছেন।

    চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের উর্দ্ধগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার সুযোগে কিছু অসাধু চক্র দেশে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অধিক মুনাফার আশায় জ্বালানি তেল মজুত, কিংবা পাচারের অপচেষ্টা চালাতে পারে।

    এতে বলা হয়, পাচার রোধে ৬ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় দর্শনা, আইসিপিসহ চুয়াডাঙ্গা জেলার অধীন সীমান্তসমূহে তেল পাচার রোধে বিজিবির জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে তল্লাশি করা হচ্ছে। বিশেষ করে যে-সব রুট দিয়ে অতীতে ডিজেল ও পেট্রোল পাচারের চেষ্টা হয়েছে, সেসব পয়েন্টে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

    এছাড়াও সীমান্ত পথে যাতে কোনোভাবেই জ্বালানি তেল পাচার হতে না পারে সে বিষয়ে বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি সন্দেহজনক যে-কোনো চলাচলের ওপরও কঠোর নজর রাখা হচ্ছে।

  • হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন বাহিনীর জন্য ‘অপেক্ষা’ করছে ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড

    হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন বাহিনীর জন্য ‘অপেক্ষা’ করছে ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড

    ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড শনিবার জানিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের পাহারায় থাকা মার্কিন বাহিনীর জন্য ‘অপেক্ষা’ করছে।

    বর্তমানে ওই অঞ্চলে যুদ্ধ চলায় কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে। তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

    মার্কিন জ্বালানি সচিব ঘোষণা করেছেন, পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই তাদের নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজগুলোকে পাহারা দিয়ে পার করে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    এই ঘোষণার পরই রেভোল্যুশনারি গার্ডের মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি বলেন, ‘আমরা তাদের অপেক্ষায় আছি।’

    ফার্স নিউজ এজেন্সির খবর অনুযায়ী নাইনি বলেন, ‘আমরা মার্কিনিদের পরামর্শ দিচ্ছি, কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তারা যেন ১৯৮৭ সালে মার্কিন সুপারট্যাঙ্কার ‘ব্রিজেটন’-এ লাগা আগুনের কথা এবং সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্যবস্তু হওয়া তেলবাহী জাহাজগুলোর কথা মনে রাখে।’

  • রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৬

    রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৬

    রাশিয়া রাতভর ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায়  ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার ওই হামলায়  ছয় ব্যক্তি নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। রাশিয়ার হামলার ফলে সারা দেশে বিমান সতর্কতা জারি করেছে ইউক্রেন। দেশটির কর্মকর্তারা  আজ শনিবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্ব খারকিভ অঞ্চলে একটি খারকিভ আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসনের প্রধান ওলেগ সিনেগুবভ টেলিগ্রামে বলেছেন, ‘রাশিয়ার আক্রমণের পর খারকিভের কিয়েভস্কি জেলার একটি পাঁচতলা আবাসিক ভবনের কিছু অংশ কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে এবং কাছাকাছি একটি বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

    খারকিভের মেয়র ইগর তেরেখভ বলেছেন, ওই হামলায় পাঁচজন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয় এবং ১১ বছর বয়সী দুই কিশোর এবং ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরী রয়েছে।

    ডিনিপ্রোপেত্রোভস্কে, আঞ্চলিক প্রশাসনের প্রধান ওলেকজান্ডার গাঞ্জা বলেছেন,নিকোপোল জেলায় রাশিয়ার হামলায় এক ব্যক্তি নিহত এবং এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

    গাঞ্জা বলেছেন, রাশিয়ার সেনাবাহিনী ড্রোন, কামান এবং রকেট ব্যবহার করে প্রায় ২০ বার এলাকা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

    আঞ্চলিক প্রশাসনের প্রধান ইভান ফেদোরভ বলেছেন, দক্ষিণ ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়ায়, রাশিয়ান ড্রোন হামলায় এক শিশু আহত হয়েছে।

    খারকিভ অঞ্চলের চুগুইভে, মেয়র হালিনা মিনায়েভা বলেছেন যে শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি বাড়িতে ড্রোন হামলায় দুইজন আহত হয়েছেন।

    রাশিয়ার অভিযানের কারণে রাতে সমগ্র ইউক্রেন জুড়ে বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    পোলিশ বিমান বাহিনী এক্সে-এ এক বার্তায় জানিয়েছে, তারা ইউক্রেন সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তাদের আকাশসীমা রক্ষা করার জন্য সামরিক বিমান মোতায়েন করেছে।

  • দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

    দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    বাংলাদেশ সব সময় দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আজ কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, সমৃদ্ধি গড়ে ওঠে সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে, বিচ্ছিন্নতার মাধ্যমে নয়।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে বাসসকে এসব তথ্য জানান।

    প্রধানমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও বিদেশি মিশনের প্রতিনিধিরা, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংসদ সদস্যরা ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।

    ইফতারের পূর্বে দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, আজকের এই ইফতার শুধু একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়; এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়— নানা জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের পারস্পরিক সম্মান, সহমর্মিতা ও ঐক্যের গুরুত্বের কথা। এই মূল্যবোধই একটি শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গঠনের ভিত্তি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার বিচক্ষণ নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ নীতি অনুসরণ করবে, ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ আরো সহজ করবে এবং দায়িত্বশীল বিনিয়োগ আকর্ষণে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে তুলবে।

    তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য আমাদের জনগণ ও বেসরকারি খাতের পূর্ণ সম্ভাবনাকে উন্মোচিত করা।

    তারেক রহমান বলেন, পারস্পরিক স্বার্থ, আস্থা ও সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত’¡ নীতির আলোকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হবে বাস্তববাদী ও টেকসই।

    তিনি আরো বলেন, আমরা দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় অংশীদারিত্বকে মূল্যায়ন করি এবং আগামী বছরগুলোতে উন্মুক্ত আলোচনা ও শক্তিশালী সহযোগিতার জন্য উন্মুক্ত রয়েছি।

    তিনি বলেন, সরকার আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সমাজের সব স্তরে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়নে অগ্রসর হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেবে।

    তিনি আরো বলেন, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে এমন উদার অর্থনৈতিক নীতিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জোরদার করা হবে।

    বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটি বহুমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলা, যা আমাদের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, নারীর ক্ষমতায়ন ঘটাবে, উদ্যোক্তা সৃষ্টিকে উৎসাহিত করবে এবং সবার জন্য সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।

    তিনি আরো বলেন, সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা জোরদার করা, পাঠ্যক্রমে তৃতীয় ভাষা অন্তর্ভুক্ত করা এবং গ্রামীণ এলাকায় প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে, যাতে প্রবৃদ্ধির সুফল দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে যায়।

    তিনি বলেন, আমরা স্বীকার করি যে, জনগণের আস্থা নির্ভর করে স্বচ্ছতা ও সততার ওপর এবং শাসনের সব স্তরে দুর্নীতি মোকাবিলায় আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। আমাদের কাছে গণতন্ত্র শুধু ব্যালট বাক্সে সীমাবদ্ধ নয়; এটি অন্তর্ভুক্তি, স্বচ্ছতা ও সংলাপের ধারাবাহিক অঙ্গীকার।

    তারেক রহমান বলেন, সরকারের অঙ্গীকার দৃঢ়— গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

    তিনি বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সহনশীলতা ও বহুত্ববাদের সংস্কৃতি গড়ে তুলতেও আমরা সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    তিনি বলেন, সরকারের উদ্যোগে ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু করা হবে, যাতে প্রতিটি পরিবারের নারী সদস্য এবং কৃষি সম্প্রদায়ের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করা যায়।

    পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে আমরা আমাদের বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে সমর্থনের আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বক্তব্য রাখেন।

  • কেবলমাত্র ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারে : ট্রাম্প

    কেবলমাত্র ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারে : ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শুক্রবার বলেছেন, ইরান যদি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ না করে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ থামবে না।

    এদিকে যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বেড়ে গেছে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    লেবাননে ইসরাইলের হামলা বাড়ানোর পাশাপাশি তেহরানেও বড় ধরনের আক্রমণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান এই যুদ্ধে মাত্র এক সপ্তাহেই তিন হাজারের বেশি স্থানে আঘাত হানা হয়েছে।

    এই সংঘাত কেবল ওই অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। এটি এখন অন্য দেশগুলোকেও ঝুঁকির মধ্যে টেনে এনেছে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও পরিবহন খাতকে অস্থিতিশীল করেছে এবং সাধারণত শান্তিপ্রিয় উপসাগরীয় অঞ্চলেও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে।

    জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলছেন যে, এখনই শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করতে হবে, শান্তিপূর্ণ সমাধান বের করা না গেলে, পরিস্থিতি এত খারাপ হতে পারে যে আর কেউ তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।

    ক্রেমলিন জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তিনি ওই ফোনালাপের সময় তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

    এই কথোপকথনে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও উত্তেজনা প্রশমনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে বলে জানা যায়।

    ট্রাম্প এক সপ্তাহ আগে যুদ্ধ শুরু করার জন্য বিভিন্ন কারণ দেখিয়েছেন। তিনি ইরানের সঙ্গে  যে কোনো নতুন আলোচনা বা চুক্তি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, শর্তহীন আত্মসমর্পণ ছাড়া তেহরানের সঙ্গে আর কোনো সমঝোতা হবে না।

    হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট বলেছেন, যখন প্রেসিডেন্ট সিদ্ধান্ত নেবেন যে ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আর কোনো হুমকি নয় এবং অভিযানের লক্ষ্য পূর্ণ হয়েছে, তখন ‘ইরান কার্যত নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে, তারা সেটা নিজে স্বীকার করুক বা না করুক।’

    ট্রাম্প আরও প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, ‘যদি তেহরান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্থলাভিষিক্ত হিসেবে তার কাছে ‘গ্রহণযোগ্য’ কাউকে নিয়োগ করে, তাহলে তিনি ইরানের  অর্থনীতি পুনর্গঠনে সহায়তা করবেন।

    উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অপরিশোধিত তেলের দাম আগেই বেড়েছে। গতকাল শুক্রবার সেই দাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

    মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট নর্থ সি অপরিশোধিত তেলের দাম এক দিনে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯২ দশমিক ৬৯ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।

    এই উল্লম্ফন তেলের দামে সাপ্তাহিক প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

  • আমাদের ভবিষ্যৎ সংসদ অধিবেশন দেখে জাতি অনেকটা আশ্বস্ত হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    আমাদের ভবিষ্যৎ সংসদ অধিবেশন দেখে জাতি অনেকটা আশ্বস্ত হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন,আশা করি আমাদের ভবিষ্যৎ সংসদ অধিবেশন দেখে জাতি অনেকটা আশ্বস্ত হবে। এমন একটি সংসদই তারা দেখতে চেয়েছিলেন।

    তিনি বলেন, ‘অতীতে সংসদে যেসব নেতিবাচকতা সৃষ্টি হয়েছে, সেগুলো মানুষের মন থেকে আমরা মুছে দেব।’

    আজ শনিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার শেষ দিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কর্মশালায় সংসদের রুলস অব প্রসিডিউর, পার্লামেন্টারি প্র্যাকটিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া সংসদের রীতিনীতি, রেওয়াজ ও পদ্ধতি নিয়েও কথা হয়েছে, যাতে সংসদ সদস্যরা এসব বিষয়ে ভালোভাবে অবগত হতে পারেন। বিশেষ করে সংবিধান, রুলস অব প্রসিডিউর এবং কাস্টমস কনভেনশন অব দ্য হাউস নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যেসব দেশে শক্তিশালী গণতন্ত্রের চর্চা রয়েছে, সেসব দেশের সংসদীয় কার্যক্রম নিয়েও কথা হয়েছে।

    নতুন সংসদ সদস্যদের নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যারা নতুন সংসদ সদস্য, তারা নতুন করে যাত্রা শুরু করবেন, শিখবেন ভালো। তাদের ভেতরে কোনো খারাপ সংস্কৃতি না থাকলে ভালো শিক্ষাটা পাবেন। একটা বাচ্চা যেমন জন্মগ্রহণের পর সতেজ সংস্কৃতি শিখে, ঠিক সেইভাবে নবীন সংসদ সদস্যদেরও প্রস্তুত করার চেষ্টা করছি।’

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নতুন সংসদ সদস্যদের জনপ্রত্যাশা পূরণে কাজ করার লক্ষ্যেই এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

    প্রথমবার নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্যদের জন্য সংসদীয় কার্যক্রম, বিধি-বিধান ও সংসদীয় আচরণ বিষয়ে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছে। দুদিনব্যাপী কর্মশালার আজ শেষ দিনের কার্যক্রম চলছে।

    বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনকে সামনে রেখে নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীদের জন্য এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।