Category: প্রচ্ছদ

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএপিবি’র প্রধান নির্বাহীর সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএপিবি’র প্রধান নির্বাহীর সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর দ্য প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেসের (আইএপিবি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পিটার হল্যান্ড।

    আজ সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন এ কথা জানান।

    সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, অন্ধত্ব প্রতিরোধ, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা হ্রাস এবং এ খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

    এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত উপস্থিত ছিলেন।

    পরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এবং আইএপিবি-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পিটার হল্যান্ড বৈঠকের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

  • প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ

    প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ দেশটি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

    আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ আমন্ত্রণ জানানো হয়।

    বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ. বিন আবিয়াহ সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদের পাঠানো আমন্ত্রণপত্র প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।

    এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌদি যুবরাজকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির আজ একথা জানান।

    তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর সৌদি আরব সফরের সময়সূচি দুই সরকারের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হবে।

    তিনি জানান, বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা করেছে।

    সৌদি আরবকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহী।

    বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি উপ-রাষ্ট্রদূত ইব্রাহিম আবদুল্লাহ।

  • লালমনিরহাটে ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ

    লালমনিরহাটে ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ

    জেলার সীমান্ত থেকে ২ হাজার ৫০০টি ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট, ২৭ বোতল ইস্কাপ সিরাপ এবং দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    আজ রোববার দুপুরে ১৫ বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল শনিবার দুপুরে আদিতমারী উপজেলার দিঘলটারী বিওপির আওতাধীন মাছানকুড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা কয়েকজন সন্দেহভাজনকে থামার সংকেত দিলে তারা মোটরসাইকেল ও মাদক ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ২ হাজার ৫০০টি ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট, ২৭ বোতল ইস্কাপ সিরাপ এবং দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

    বিজিবি জানায়, জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য ৯ লাখ ১০ হাজার ৮০০ টাকা। এ ঘটনায় জড়িত চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

    ১৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মেহেদী ইমাম বাসস’কে বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • ইরানে খামেনির জানাজা, শেষ শ্রদ্ধায় উপচে পড়া ভিড়

    ইরানে খামেনির জানাজা, শেষ শ্রদ্ধায় উপচে পড়া ভিড়

    ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিন সামনে রেখে  রোববার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শেষ বিদায়ের দ্বিতীয় দিনের আনুষ্ঠানিকতায় তেহরানে লাখো মানুষ তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হন।

    আলী খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিন বিমান হামলায় ৮৬ বছর বয়সে তিনি নিহত হন।
    তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

    রোববার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে জানাজার নামাজে ইমামতি করেন বিশিষ্ট শিয়া আলেম জাফর সোবহানি। ৯৭ বছর বয়সী এই আলেম পবিত্র শহর কোমের ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদান করেন।
    ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা খামেনির ছেলে ও উত্তরসূরি মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে জনসমক্ষে আসেননি। জানাজার নামাজেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।
    তবে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার অন্য তিন ছেলে মাসুদ, মোস্তফা ও মেইসাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
    রোববার ইরানজুড়ে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। দিনের শেষ দিকে গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্স থেকে খামেনির মরদেহ সরিয়ে নেওয়া হবে। সোমবার রাজধানীজুড়ে শোকযাত্রার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সেখানে তার মরদেহ রাখা হয়েছে।

    এএফপির সাংবাদিকরা জানান, রোববার সকালে বিশাল ধর্মীয় কমপ্লেক্স এবং আশপাশের সড়ক শোকার্ত মানুষের ভিড়ে পরিপূর্ণ হয়ে যায়।

    তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাওয়ার পূর্বাভাসের মধ্যে ইরানের পতাকা ও খামেনির প্রতিকৃতি বহন করে গ্র্যান্ড মোসাল্লার দিকে যাওয়া শোকাহত মানুষদের খাবার ও পানীয় দেওয়া হয়।

    রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা যায়, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তার সঙ্গে পার্লামেন্ট স্পিকার ও ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও ছিলেন।

    ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো এবং তার কালো পাগড়ি রাখা খামেনির কফিনের পাশে ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় নিহত তার পরিবারের আরও চার সদস্যের কফিন রাখা হয়। তাদের মধ্যে তার এক শিশু নাতনিও ছিল।

    কর্তৃপক্ষ জানায়, তেহরানে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে ১ কোটির বেশি মানুষ অংশ নেবে বলে তারা আশা করছেন।

    মিত্রদের উপস্থিতি-
    টানা পাঁচ সপ্তাহের তীব্র সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রাথমিক সমঝোতার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আপাতত স্থগিত রয়েছে। তবে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়ই সতর্ক করে বলেছে, যেকোনো সময় আবারও যুদ্ধ শুরু হতে পারে।

    জানুয়ারিতে যুদ্ধের আগে ইরানে সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভ হয়েছিল। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, কঠোর দমন-পীড়নে সেখানে হাজারো মানুষ নিহত হন। সেই প্রেক্ষাপটে খামেনির শেষকৃত্যকে সরকার কতটা জনসমর্থন পাচ্ছে, তারও একটি পরীক্ষা হিসেবে ইরানের বাইরে দেখা হচ্ছে।

    শনিবার দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আজ বিভিন্ন স্থানে মানুষের আবেগ, অশ্রু এবং স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ইরানি জাতি ও বিশ্বের স্বাধীনচেতা মানুষের কাছে তার অবস্থানের সবচেয়ে স্পষ্ট প্রমাণ।’

    তিনি বিশেষ করে ইসরাইলকে মধ্যপ্রাচ্যে ‘অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী শক্তি’ বলে অভিযোগ করেন।
    তিনি আরও বলেন, ‘মুসলমানরা প্রমাণ করেছে, তারা নিপীড়ন ও দাদাগিরির কাছে মাথা নত করবে না।’

    খামেনি দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থানের নীতি অনুসরণ করেছেন। তেহরান বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলবিরোধী বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সমর্থন দিয়ে আসছে। এর মধ্যে ফিলিস্তিনের হামাস ও লেবাননের হিজবুল্লাহও রয়েছে।

    রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, শনিবার হামাস ও হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিদল পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচির সঙ্গে বৈঠক করেছে। শেষকৃত্যে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী এবং হামাসের মিত্র ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

    সোমবারের শোকযাত্রা শেষে মঙ্গলবার খামেনির কফিন কোম শহরে নেওয়া হবে। এরপর বুধবার প্রতিবেশী ইরাকে নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জন্মশহর মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।

    রাজধানী তেহরানে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরকারি গণমাধ্যম অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে পদদলিত হওয়ার ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছে।

    আগামী কয়েক দিনে তেহরানে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। এ কারণে তাপপ্রবাহের প্রভাব কমাতে আয়োজকরা বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছেন। শনিবার গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে উপস্থিত জনতার ওপর পানি ছিটিয়ে তাদের শীতল রাখার ব্যবস্থা করা হয়।

  • পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত প্রধানমন্ত্রীর

    পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন ।

    তিনি আজ সকালে ‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন।

    প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিটের পাশাপাশি একটি উদ্বোধনী খাম এবং ৫ টাকা মূল্যমানের ডাটাকার্ডও প্রকাশ করা হয়েছে।

    এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, ৬ জুলাই ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ প্রতিবছর বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটাকার্ড প্রকাশ করে। এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও পল্লী উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া এবং দিবসটির গুরুত্ব জনসাধারণের কাছে তুলে ধরা।

  • কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে দেশের কার্বন ক্রেডিট বাড়ানোর সম্ভাবনা এবং এ বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

    তিনি আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বৈঠকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেন।

    প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব হাসান শিপলু এ কথা জানান।

    সভায় প্রধানমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, শিল্প খাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রয়োগ, জ্বালানি দক্ষতা উন্নয়ন, বন সংরক্ষণ এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কার্বন শোষণ বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

    এর পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিক কার্বন বাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণেরও নির্দেশ দেন।

    এ সময় তারেক রহমান কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, নির্ভরযোগ্য তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর কথাও বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী কার্বন ক্রেডিট অর্জনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।

    সভায় উপস্থিত মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, কার্বন নিঃসরণ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা গেলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কার্বন ক্রেডিট অর্জনের সুযোগ বাড়বে।

    উল্লেখ্য, কার্বন ক্রেডিট হলো পরিবেশ সুরক্ষার একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা। বায়ুমণ্ডলে এক মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড বা সমপরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো বা অপসারণের বিপরীতে একটি কার্বন ক্রেডিট দেওয়া হয়।

    অন্যদিকে, কার্বন ট্রেডিং হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে একটি বাজারভিত্তিক ব্যবস্থা। এতে সরকার বা আন্তর্জাতিক সংস্থা কোনো দেশ, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ কার্বন নিঃসরণের সীমা নির্ধারণ করে। কেউ নির্ধারিত সীমার বেশি কার্বন নিঃসরণ করলে তাকে বাজার থেকে কার্বন ক্রেডিট কিনতে হয়। আর যেসব দেশ বা প্রতিষ্ঠান বনায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি কিংবা পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমায় বা বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন শোষণ করে, তারা কার্বন ক্রেডিট অর্জন করতে পারে। পরে এসব ক্রেডিট অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণকারী দেশ বা প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা হয়।