Category: প্রচ্ছদ

  • গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

    গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বেইজিংয়ের গ্রেট হলে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।

    তিনি আজ বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘দিয়াওইউতাই’ থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে গ্রেট হলে এসে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাঁকে স্বাগত জানান।

    শুভেচ্ছা বিনিময় এবং দুই দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরিচয় পর্বের পরে প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং।

    অভিবাদন মঞ্চে তারেক রহমান ও লি কিয়াংকে সশস্ত্র সালাম দেয় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল। এ সময় দু’দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে তোপধ্বনি দেওয়া হয়। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।

    উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ২১ জুন দুই দিনের সরকারি সফরে মালয়েশিয়ায় যান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার প্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর মালয়েশিয়ায় এটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সরকারি সফর।

    প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় দুইদিনের সফর শেষে গত সোমবার রাতে প্রথমে যান চীনের দালিয়ান। সেখানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশ নেন।। তিনি দুই দিনের বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে বুধবার বিকালে দালিয়ান থেকে হাই স্পিড (বুলেট ট্রেন) ট্রেনে বেইজিং আসেন।

    প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফরসূচিতে রয়েছে গ্রেট হলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। এই বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর তারেক রহমানের এটি প্রথম চীন সফর। এরআগে তারেক রহমান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে ২০০১ সালে চীন সফর করেছিলেন। তিনি ওই সময়ে এই গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীর লালগালিচা সংবর্ধনাতেও উপস্থিত ছিলেন।

  • তারেক রহমান ও লি কিয়াং বৈঠক: ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে

    তারেক রহমান ও লি কিয়াং বৈঠক: ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে

    অনলাইন ডেস্ক:   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং আজ স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) ঐতিহাসিক গ্রেট হলে বৈঠকে মিলিত হবেন।

    বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) মুখপাত্র মাহদী আমিন আজ এখানে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা আশা করি, এসব চুক্তি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

    তিনি জানান, চীনের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের সম্মানে একটি রাষ্ট্রীয় ভোজের আয়োজন করবেন।

    এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে) ঐতিহাসিক গ্রেট হলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    মাহদী আমিন বলেন, উভয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরবেন।

    তিনি বলেন, ‘একই সঙ্গে আমরা আশা করি, এসব আলোচনা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে, যা বাংলাদেশের জনগণের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে আরও সুসংহত করবে।’

  • তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে

    তৃতীয় স্থানের দলগুলো কীভাবে নক আউটে যাবে

    চলমান বিশ্বকাপে ফিফা এমন একটি কাঠামোগত পরিবর্তন এনেছে, যার ফলে ১৯৯৪ সালের পর প্রথমবারের মতো গ্রুপের তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলোর জন্যও নকআউট পর্বে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

    টুর্নামেন্টে দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮’এ উন্নীত করা হয়েছে। এর সঙ্গে ফিফা প্রতিযোগিতার ফরম্যাটেও পরিবর্তন এনে অতিরিক্ত যোগ্যতা অর্জনের পথ তৈরি করেছে এবং নতুন করে “রাউন্ড অব ৩২” চালু করেছে।

    নতুন কাঠামো অনুযায়ী, আগের ৮টি গ্রুপের পরিবর্তে এবার আছে ১২টি গ্রুপ। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সরাসরি নকআউট পর্বে উঠে যাবে।

    তবে তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলো সাথে সাথেই বিদায় নেবে না। বরং গ্রুপ পর্ব ২৭ জুন শেষ হওয়া পর ১২টি গ্রুপের ১২টি তৃতীয় স্থান অধিকারী দলের মধ্যে সেরা ৮টি দলও নকআউট পর্বে জায়গা করে নেবে।

    ফলে রাউন্ড অব ৩২ গঠিত হবে ১২টি গ্রুপের শীর্ষ দুই দলসহ মোট ২৪টি দল এবং সেরা ৮টি তৃতীয় স্থান অধিকারী দল নিয়ে।

    মোট ৩২টি দেশ নকআউট পর্বে খেলবে, যার ফলে আরও বেশি দল টুর্নামেন্টে দীর্ঘ সময় লড়াইয়ে টিকে থাকার সুযোগ পাবে।

    তবে সব তৃতীয় স্থান অধিকারী দল পরের রাউন্ডে উঠতে পারবে না। ফিফা ১২টি তৃতীয় স্থান অধিকারী দলকে একটি আলাদা সামগ্রি টেবিলে র‌্যাঙ্ক করবে এবং সেখান থেকে সেরা ৮টি দলই নকআউট পর্বে যাবে।

    যদি একাধিক দলের পয়েন্ট সমান হয় তাহলে ক্রমান্বয়ে নিচের মানদন্ডগুলো বিবেচনা করা হবে :

    গোল ব্যবধান

    মোট গোলসংখ্যা

    ফেয়ার প্লে রেকর্ড

    ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান

    এই সম্প্রসারিত ফরম্যাটের কারণে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দলগুলো এখন শুধু নিজেদের গ্রুপে শীর্ষ দুইয়ে থাকার জন্যই নয়, বরং টুর্নামেন্টের সেরা তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলোর মধ্যে জায়গা পাওয়ার জন্যও লড়াই করছে।

    ফলে কোনো দল শুরুতে খারাপ ফল করলেও তাদের বিশ্বকাপ স্বপ্ন পুরোপুরি শেষ হয়ে যাচ্ছে না। সেরা তৃতীয় স্থান অধিকারী দল হিসেবে নকআউট পর্বে ওঠার সুযোগ এখনও থাকছে।

  • ঝালকাঠিতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠিতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

    জেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাংবাদিক অবহিতকরণ ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এবং ঝালকাঠি সিভিল সার্জন অফিসের বাস্তবায়নে আজ বুধবার দুপুর ১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন।

    সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও পৌর প্রশাসক মো. কাওছার হোসেন, ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার, জেলা তথ্য কর্মকর্তা লেলিন বালা, ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আককাস সিকদার এবং সাধারণ সম্পাদক আসম মাহমুদুর রহমান।

    সভায় বক্তারা বলেন, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের স্বাভাবিক শারীরিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই নির্ধারিত বয়সী সব শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

    সভায় জানানো হয়, ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ১০ হাজার ১১ শিশুকে এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৭২ হাজার ৪৯০ শিশুসহ মোট ৮২ হাজার ৫০১ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

    আরও জানানো হয়, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের একটি এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের একটি করে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। পাশাপাশি নবজাতককে জন্মের পরপরই শালদুধসহ মায়ের দুধ খাওয়ানো, প্রথম ৬ মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ প্রদান এবং ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    এ সময় মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করতে গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয়। এছাড়া রাতকানা, দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া, হাম ও মারাত্মক অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর বিষয়েও সচেতন করা হয়।

    সভায় জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতামত ও প্রশ্ন উত্থাপন করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তার জবাব দেন।

  • উ. কোরিয়ার সেনাকে হেফাজতে নিল সিউল

    উ. কোরিয়ার সেনাকে হেফাজতে নিল সিউল

    উত্তর কোরিয়ার এক সেনাকে আটক করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত সীমান্ত অতিক্রম করে এ সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশের পর, তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

    দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ বুধবার এ তথ্য জানায়।

    ঘটনাটি পালানোর প্রচেষ্টা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    সিউল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফস- গণমাধ্যমকে পাঠানো এক বার্তার এর উদ্ধৃতি দিয়ে ইয়োনহাপ জানায়, ‘মঙ্গলবার রাতে মধ্যাঞ্চলীয় সীমান্ত ফ্রন্টে উত্তর কোরিয়ার এক সেনাকে নিরাপত্তা বাহিনী হেফাজতে নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বর্তমানে ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করছে।’

  • ইবোলার কেন্দ্রস্থলে জীবিকার তাগিদে খনি শ্রমিকদের সংগ্রাম

    ইবোলার কেন্দ্রস্থলে জীবিকার তাগিদে খনি শ্রমিকদের সংগ্রাম

    অনলাইন ডেস্ক:   ইবোলা প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মঙ্গবোয়ালুর খনিগুলোতে জীবিকার তাগিদে ভাইরাসের ভয় উপেক্ষা করে কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যাচ্ছেন সোনার খনির শ্রমিকরা।

    হস্তচালিত খনি শ্রমিক জাস্টিন ওকাউমে বলেন, ‘ইবোলা সত্যি এবং এটি আমাদের ভয় দেখায়। কিন্তু আমি যদি ঘরে বসে থাকি, তাহলে আমার সন্তানরা কী খাবে?’

    খনিজসমৃদ্ধ, কিন্তু অস্থির ইতুরি প্রদেশের মঙ্গবোয়ালুতে কয়েকজনের অজ্ঞাত কারণে মৃত্যুর পর, গত ১৫ মে ডিআর কঙ্গোর ১৭তম ইবোলা প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করা হয়।

    মধ্য আফ্রিকার বিশাল দেশটিতে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে ১ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং ২৫০ জনের বেশি মারা গেছেন। তবে সংকটের প্রকৃত চিত্র নিরূপণ করা কঠিন।

    সরকারি হিসাব অনুযায়ী, মঙ্গবোয়ালুতেই ২০৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৮৯ জন মারা গেছেন।

    স্থানীয় হাসপাতালের প্রধান রিচার্ড লোকুদু এএফপিকে বলেন, মৃতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন খনি শ্রমিকও রয়েছেন।

    আরেক খনি শ্রমিক জাস্টিন উকেতি বলেন, ‘তারা আমাদের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে বলে। কিন্তু তা মেনে চলা কঠিন, কারণ আমাদের কাজই পরস্পরের সংস্পর্শে থাকতে বাধ্য করে।’

    যতদূর চোখ যায়, বিস্তৃত পিচ্ছিল ও কাদামাটির জমি। লালচে-হলুদ রঙের ভূদৃশ্যে অসংখ্য গর্ত। সেখানে কয়েক ডজন হস্তচালিত খনি শ্রমিক নিরলসভাবে খনন করে চলেছেন।

    কাদা মাখা নারী-পুরুষ পাথর ভাঙছেন। পরে সেগুলো গুঁড়ো করে সোনার কণা বের করা হচ্ছে।

    তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ঘামে ভিজে কঠিন পরিশ্রম করছেন। সেখানকার স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিও নাজুক।

    অনেকে পার্শ্ববর্তী প্রদেশ বা উগান্ডার মতো প্রতিবেশী দেশ থেকেও এসেছেন।

    তাদের আশা, সপ্তাহে কয়েকশ ডলার পর্যন্ত আয় করা।

    এ ধরণের বড় মানুষের চলাচল অত্যন্ত সংক্রামক এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়িয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ ও শরীরের তরলের মাধ্যমে ভাইরাসটি ছড়ায়।

    ‘কে আক্রান্ত, আমরা জানি না’ –

    খোলা খনিতে দিনমজুর হিসেবে কাজ করা সাত সন্তানের মা জেনেট আকেলো বলেন, খনি শ্রমিকদের কোনো উপায় নেই। বেঁচে থাকার জন্য তাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।
    বর্তমান প্রাদুর্ভাবটি বান্দিবুগিও স্ট্রেইনের কারণে হয়েছে। এটির কোনো টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।

    ২০১৮ ও ২০১৯ সালের মধ্যে তৈরি বিদ্যমান ইবোলা টিকাগুলো শুধু জাইরে স্ট্রেইনের বিরুদ্ধে কার্যকর। এর আগের বড় ধরণের প্রাদুর্ভাবগুলোর জন্য এ স্ট্রেইন দায়ী ছিল।

    গ্রামীণ এলাকার পাহাড়গুলোতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পূর্ণ সুরক্ষা পোশাক পরা রেডক্রসের কর্মীরা নিয়মিত কাজ করছেন। তারা লাশগুলো কাপড়ে মুড়িয়ে দিচ্ছেন এবং মৃত্যুর পর ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকানোর চেষ্টা করছেন।

    ভোরের আলো ফুটতেই খনির প্রথম শ্রমিকরা কাজ শুরু করেন। নিরক্ষীয় অঞ্চলের অসহনীয় গরম শুরু হওয়ার আগেই তারা কাজে নেমে পড়েন।

    ডিআর কঙ্গোতে সোনার বেশিরভাগ উৎপাদনই আসে হস্তচালিত খনি থেকে।

    দীর্ঘ সময় কাজ করার পর কেউ কেউ পাতা দিয়ে তৈরি ঝোলসহ এক প্লেট ভাত খেতে থামেন। আবার অনেকে সময় নষ্ট না করে কাজে লেগে থাকেন।

    তারা খনি থেকে তোলা বাদামি রঙের উপাদানের সঙ্গে খালি হাতে পারদ মেশান। এতে তৈরি হয় ছোট, ধূসর, ভারী ও চকচকে একটি দলা, যা উত্তপ্ত করলে কাঁচা সোনায় পরিণত হয়।

    জ্যঁ-বাতিস্ত লিওয়াওয়ি বলেন, ‘কে আক্রান্ত আর কে নয়, আমরা জানি না। কাজ শেষে সবাই নিজ নিজ বাড়িতে চলে যায়।’

    তিনি বলেন, সংক্রমণ ঠেকাতে তিনি আদা ও কিছু মিশ্রণ ব্যবহার করেন।

    প্রাদুর্ভাব শুরুর পর অনেক রোগী হাসপাতালে যাওয়ার পরিবর্তে সনাতন কবিরাজদের কাছে যেতে পছন্দ করছেন।