Category: প্রচ্ছদ

  • ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তৃতীয়বার বৈঠকের সিদ্ধান্ত

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তৃতীয়বার বৈঠকের সিদ্ধান্ত

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   পরমাণু ইস্যুতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় পরোক্ষ আলোচনার সময় উভয় পক্ষ থেকে তৃতীয়বার বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়। আলোচনার পরিবেশকে ‘গঠনমূলক’ বলে অভিহিত করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আগামী শনিবার ওমানে তৃতীয় দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, রোমে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ দেশ দুটির নেতৃত্ব দেন। দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরাসরি মুখোমুখি না হয়ে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মাধ্যমে বার্তা বিনিময় করেন।

    আগামী সপ্তাহে কারিগরি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে, যেটি মূল আলোচনা এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

    আরাগচি বলেন, আশাবাদী কিংবা হতাশ নই, আমরা বাস্তববাদী অবস্থানে আছি। ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মূল দ্বন্দ্ব ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচি বজায় রাখার অধিকার নিয়ে। পশ্চিমা দেশগুলো সন্দেহ করে, ইরান গোপনে পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। যদিও তেহরান বরাবরই তা অস্বীকার করে আসছে।

  • বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঘটনায় গ্রেফতারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ডিএমপির এমন অফিস আদেশ স্থগিত

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঘটনায় গ্রেফতারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ডিএমপির এমন অফিস আদেশ স্থগিত

    নিউজ ডেস্ক:   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আসামি গ্রেফতারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এমন অফিস আদেশ ৩ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

    বুধবার (২৩ এপ্রিল) বিচারপতি ফাতেমা নজীব এবং বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    এর আগে, গত ৯ এপ্রিল ঢাকা মহানগর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে দায়ের হওয়া মামলায় আসামি গ্রেফতার প্রসঙ্গে অফিস আদেশ জারি করা হয়। যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেনের পক্ষে দেয়া বৈষম‍্যবিরোধী আন্দোলন সংক্রান্তে রুজুকৃত মামলায় আসামি গ্রেফতার প্রসঙ্গে’ শীর্ষক আদেশে বলা হয়, বৈষম‍্যবিরোধী আন্দোলন সংক্রান্তে রুজুকৃত মামলায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে এজাহার নামীয় আসামির সংখ্যা অধিক।

    এসব মামলার এজাহার নামীয় কিংবা তদন্তে প্রাপ্ত আসামি গ্রেফতারের নিমিত্তে উপযুক্ত প্রমাণসহ (ভিকটিম/বাদী/প্রতক্ষ‍্যদর্শী সাক্ষী, ঘটনা সংশ্লিষ্ট ভিডিও/অডিও/ স্থির চিত্র ও সিডিআর ইত্যাদি) অবশ‍্যই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে গ্রেফতার করতে হবে।উপযুক্ত প্রমাণ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনার মামলার এজাহার নামীয় কিংবা তদন্তে প্রাপ্ত কোনো আসামি গ্রেফতার না করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’

    এর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জসিম উদ্দিন রিটটি দায়ের করেন। আবেদনে ৯ এপ্রিলের অফিস আদেশ কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি জানানো হয়। এতে স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, ডিবিপ্রধান, সিআইডিপ্রধান ও এসবিপ্রধানসহ সাতজনকে বিবাদী করা হয়।

  • রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা দিলেও আগামী সেপ্টেম্বরে আবারও তহবিল সংকটের আশঙ্কা : ড, মুহাম্মদ ইউনূস

    রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা দিলেও আগামী সেপ্টেম্বরে আবারও তহবিল সংকটের আশঙ্কা : ড, মুহাম্মদ ইউনূস

    নিউজ ডেস্ক:   অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড, মুহাম্মদ ইউনূস জানালেন, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) সাময়িক অর্থায়নের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা দিলেও আগামী সেপ্টেম্বরে আবারও তহবিল সংকটের আশঙ্কা আছে। এই প্রেক্ষাপটে কাতারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    দেশটির দোহায় আর্থনা সামিটে বুধবার (২৩ এপ্রিল) রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

    চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের আয়োজন করবে বাংলাদেশ। এতেও কাতারের সহায়তা চান প্রধান উপদেষ্টা।

    এই আলোচনায় মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত এবং রাখাইনে আরাকান আর্মির বর্তমান অবস্থান তুলে ধরেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। আর বলেছেন, সম্প্রতি রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতিতে নাটকীয় পরিবর্তন ঘটেছে।

    রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই সমাধান নিশ্চিতে ৮ দফা সুপারিশ-ও পেশ করেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। সুপারিশগুলো হলো—

    ১. মানবিক অর্থায়ন নিশ্চিত রাখা: খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, আশ্রয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অব্যাহত অর্থায়ন প্রয়োজন।
    ২. জীবিকা সহায়তা: ক্যাম্পে শিক্ষিত ও দক্ষ রোহিঙ্গাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে স্বনির্ভরতা তৈরি করা যেতে পারে।
    ৩. ভাসানচর উন্নয়নে সহায়তা: ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও পানীয়জলের সুযোগ বৃদ্ধিতে কাতার অংশ নিতে পারে।
    ৪. শিক্ষা সহায়তা: বিশেষ করে শিশু ও কিশোরীদের জন্য শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা দরকার। বাংলা ভাষাভিত্তিক কারিকুলামের পাশাপাশি ইংরেজি ও বার্মিজ ভাষার শিক্ষা চালু করা যেতে পারে।
    ৫. পরিবেশ সুরক্ষা: বৃক্ষরোপণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মসূচিতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
    ৬. অবকাঠামোগত উন্নয়ন: কক্সবাজার ও ভাসানচরের অবকাঠামো এবং যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে সহায়তা দরকার।
    ৭. আন্তর্জাতিক সংলাপ ও কূটনৈতিক সহায়তা: রোহিঙ্গা সংকটের মূল সমাধান— তাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের পক্ষে জোরালো আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।
    ৮. রোহিঙ্গা নেতৃত্বের সম্পৃক্ততা: যেকোনও উদ্যোগে রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা নিজস্ব সমস্যার সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে।

  • ঢাবি-তে চীনা শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক বছরে দ্বিগুণ

    ঢাবি-তে চীনা শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক বছরে দ্বিগুণ

    নিউজ ডেস্ক:   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) চীনা শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক বছরে দ্বিগুণ হয়েছে। গত বছর যেখানে ৯ জন চীনা শিক্ষার্থী ছিলেন, ২০২৪ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ জনে। তারা আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের বাংলা বিভাগে পড়ছেন।

    আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের উপ–পরিচালক ফররুখ মাহমুদ পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    চীনের ইউনান, ইউনান মিনজু এবং বেইজিং ফরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ঢাবির সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) রয়েছে। এসব এমওইউ এবং চীন সরকারের বৃত্তির আওতায় এবার ঢাবির ১৮ শিক্ষার্থী চীনে উচ্চশিক্ষার জন্য গেছেন, যা আগের বছর ছিল ৭ জন।

    সম্প্রতি ঢাবির প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগ চীনের ইউনান পিকিং ক্যান্সার হাসপাতাল এবং কুনমিং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একটি নতুন এমওইউ সই করেছে।

    চীনা শিক্ষার্থীদের আবাসনের সুবিধার্থে স্যার পিজে হার্টগ ইন্টারন্যাশনাল হলে ১০ কক্ষবিশিষ্ট একটি ব্লক তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি, চীন সরকারের অর্থায়নে ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল’ নির্মাণের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী আগস্টে আরও চীনা শিক্ষার্থী পড়তে আসতে আগ্রহ দেখিয়েছে। প্রফেশনাল মাস্টার্স কোর্সে তাদের আগ্রহের কারণে নতুন কিছু এমওইউ সই হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

    এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট ভাষা ও সংস্কৃতি বিনিময়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী এখানে ভাষাশিক্ষার পাশাপাশি চীনের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে।

    সম্প্রতি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান চীন সফরে গিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন এবং শিক্ষা ও গবেষণায় যৌথ উদ্যোগ প্রসারে আলোচনা করেন। গত ১৯ এপ্রিল ঢাবি সফর করে চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল। এসময় একাডেমিক বিনিময় সভার মাধ্যমে উভয় দেশের সহযোগিতা আরও দৃঢ় হয়।

  • হাইড্রোজেনভিত্তিক বোমার সফল পরীক্ষা চালিয়েছে চীন

    হাইড্রোজেনভিত্তিক বোমার সফল পরীক্ষা চালিয়েছে চীন

    আন্তর্জাতি ডেস্ক:    হাইড্রোজেনভিত্তিক বোমার সফল পরীক্ষা চালিয়েছে চীন। সম্প্রতি চালানো এই পরমাণুবিহীন বিধ্বংসী হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষার বিষয়টি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনা গবেষকরা সফলভাবে একটি পরমাণুবিহীন, হাইড্রোজেনভিত্তিক বিস্ফোরক যন্ত্রের নিয়ন্ত্রিত ক্ষেত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। এটি একটি শক্তিশালী রাসায়নিক চেইন প্রতিক্রিয়া বা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।

    সম্প্রতি চালানো এই  হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষা পরিচালনা করেছে চীনের সামরিক বাহিনী পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এবং এটি তৈরির পেছনে কাজ করেছে চীনা রাষ্ট্রীয় সংস্থা চায়না স্টেট শিপবিল্ডিং কর্পোরেশনের ৭০৫ নম্বর গবেষণা ইনস্টিটিউট।

    চীন এই বোমাকে ‘ক্লিন এনার্জি অস্ত্র’ হিসেবে তুলে ধরেছে। এটি মূলত ম্যাগনেশিয়াম হাইড্রাইড নামক একটি পদার্থ দিয়ে তৈরি। নতুন ধরনের এই বোমা পারমাণবিক নয়, তবে এটি অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রার (১০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি) আগুনের গোলা তৈরি করতে পারে যা দুই সেকেন্ড ধরে জ্বলতে থাকে।

    বোমাটি একবার বিস্ফোরিত হলে এটি নিজেই একটি চক্রাকারে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে আগুন বাড়াতে থাকে। এর ফলে বিস্ফোরণের মাত্রা ও প্রভাব একাধিক ধাপে বাড়ে।

    চীনের গবেষকরা বলছেন, এই বোমার আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি, যা অ্যালুমিনিয়ামের মতো ধাতুও গলিয়ে ফেলতে পারে। ফলে  বিশাল এলাকা জুড়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর ক্ষমতা রয়েছে এটির।

  • মাদকের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলতে হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    মাদকের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলতে হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    স্টাফ রিপোর্ট :  স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, মাদকের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলতে হবে। মাদক বন্ধে অ্যাকশন না নিলে চাকরি থাকবে না। আমরা নিরাময় কেন্দ্র খুলতে চাই না, মাদক বন্ধ করতে চাই।

    মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে যশোর জেলার সরকারি বিভিন্ন দফতর ও সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, পুলিশকে মাঠে কাজে নামতে হবে। তবে পুলিশ সিভিল ড্রেসে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে না। পুলিশে তেলবাজি ব্যবস্থা ফেরার চেষ্টা হচ্ছে। এটা বন্ধ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার উন্নয়নে কমিউনিটি পুলিশিং বাড়াতে হব।

    তিনি আরও বলেন, আমরা দায়িত্ব নেয়ার পর পুলিশে নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। বদলি বাণিজ্যও নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ওসিদের ঘুষ নেয়া বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।

    তদবির প্রথা এখনও বন্ধ হয়নি উল্লেখ করে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, অনেকেই তদবির করেন। উপদেষ্টা হওয়ার পর আমার আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের সংখ্যা বেড়ে গেছে। যাদের অনেককে আমিও চিনি না। ফলে আমার নামে কেউ তদবির করলে প্রথমে চা-নাস্তা খাওয়াবেন। তারপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেবেন।

    ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি জামিনে মুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নজরে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

    মতবিনিময় সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ, যশোর সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল জে এম ইমদাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ পুলিশের খুলনা বিভাগের ডিআইজি মো. রেজাউল হক, জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার রওনক জাহানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।