Category: প্রচ্ছদ

  • সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ

    সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ

    স্টাফ রিপোর্ট :  সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত ওয়ার্ড সুবিধা না দেয়ার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, দ্রুত সময়ের নিয়মিত ওয়ার্ড ক্লাসের (প্র‍্যাকটিকাল ক্লাস) ব্যবস্থা করা।

    রোববার (২০ এপ্রিল) দ্বিতীয় দিনের মতো সকাল ১০ টা থেকে সিলেট- সুনামগঞ্জ সড়কের মদনপুর এলাকায় ক্যাম্পাসের সামনে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করে কলেজের শিক্ষার্থীরা।

    পরে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী এসে সড়ক থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করলে শিক্ষার্থীরা না মেনে অবরোধ অব্যাহত রাখে। সাড়ে দশটার দিকে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে আসে।

    আধা ঘণ্টা আলাপ আলোচনা শেষে ১১ টার দিকে লাঠিচার্জ করে সড়ক থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিয়ে যানবাহন চলাচল সচল করা হয়।

    এর আগে, ১৫ এপ্রিল অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জন করে মানববন্ধন ও পরের দিন সড়ক অবরোধ করে টানা ৪ দিন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।

    শিক্ষার্থীরা জানান, প্রথম দফা অবরোধ তুলে নেয়ার পর ওয়ার্ড ক্লাস সুবিধা ও হাসপাতাল চালুতে কার্যকরী পদক্ষেপ না নেয়ায় ফের সড়ক অবরোধ করতে বাধ্য হন তারা। এ সময় সেনাবাহিনী আসলে তাদের কাছ থেকে ৫ মিনিট সময় চেয়ে নিলেও সেই সময় না দিয়ে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়। এ সময় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে দাবী করেছেন তারা।

    সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মেজর মেছবাহ কলেজ প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করার অনুরোধ জানান। যদি শিক্ষকদের কথা অমান্য করে সড়ক অবরোধ করে জনভোগান্তি সৃষ্টি করে শিক্ষার্থীরা, তাহলে সেনাবাহিনী আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করতে বাধ্য হবে বলে জানানো হয়।

    সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোস্তাক আহমেদ ভূইয়া জানান, শিক্ষার্থীদেরকে অনেক বুঝানো হয়েছে, তবুও তারা আন্দোলন করছে। আন্দোলনকালে আমাদের কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

  • গাজায় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু

    গাজায় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু

    গাজায় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। হামাস যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর এই ঘোষণা দিলেন তিনি। রোববার (২০ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে ইউএস সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজ এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)-কে গাজায় হামলা জোরদারেরও নির্দেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু।

    শনিবার (১৯ এপ্রিল) স্থানীয় সময় রাতে এক ভাষণে নেতানিয়াহু বলেছেন, যুদ্ধের জন্য যখন চরম মূল্য দিতে হচ্ছে তখন ইসরায়েলের জয় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।

    স্থানীয় সময় শনিবার (১৯ এপ্রিল) রাতে এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইসরায়েলের কাছে আর কোনো বিকল্প নেই এবং বিজয় অর্জন না করা পর্যন্ত আমাদের অস্তিত্বের জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে হবে’।

    সম্প্রতি, হামাস কর্তৃক ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের কথা উল্লেখ করে গাজায় বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন নেতানিয়াহু। বলেন, ‘আমরা যদি এখন হামাসের দাবি মেনে নিই, তাহলে আমাদের সৈন্যরা, শহীদরা এবং আহত বীররা যে বিশাল অর্জন করেছেন, তা একেবারে নষ্ট হয়ে যাবে’।

    তিনি যুক্তি দেন যে, হামাসকে গাজায় থাকতে দেয়া মানে ইউএস প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ ভিশন কখনোই বাস্তবায়িত হবে না। ট্রাম্প ফিলিস্তিনিদের গাজা থেকে অন্য দেশে সরিয়ে নিয়ে উপকূলীয় এই এলাকাকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের রিভিয়ারা’ হিসেবে পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।

    বিবৃতিতে নেতানিয়াহু ২০ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনির আবাসস্থল এই সংকীর্ণ ভূখণ্ডে আমেরিকার মালিকানার কথাও উল্লেখ করেছেন।

    তবে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করেছে হোস্টেজ ফ্যামিলিজ ফোরাম হেডকোয়ার্টার্স।

    ফোরামটি বলেছে, অনেক কথা ও স্লোগান দিয়ে সহজ সত্যি ঢাকার চেষ্টা করা হবে—নেতানিয়াহুর বাস্তবে কোনো পরিকল্পনা নেই। এতে আশ্চর্যের কিছু নেই যে প্রশ্ন করার সময় দেয়া হয়নি—নাহলে তাকে মৌলিক প্রশ্নের উত্তর দিতে হতো: ৫৯ জন জিম্মিকে তাৎক্ষণিকভাবে ফিরিয়ে আনার জন্য ইসরায়েল ঠিক কী করছে? মনে হয় না, এই প্রশ্নের উত্তর প্রেসিডেন্টের কাছে রয়েছে। কারণ, মানুষ মারা ছাড়া ইসরায়েল আর কিছুই দেখে না।

    এদিকে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় গতকাল শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) স্থানীয় সময় ভোর থেকে রাত পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৬৪ জন। সেই সাথে আহত হয়েছেন আরও বহুসংখ্যক ফিলিস্তিনি। হামলায় হতাহত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

    বর্তমানে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফার কাছে শাবৌর ও তেল আস সুলতান এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছে আইডিএফ। সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই দুই ঘাঁটি থেকেই পরিচালনা করা হয়েছে সর্বশেষ এই হামলা।

    জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডাব্লিউএ-এর তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে নতুন করে বাস্তুচ্যুত হয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ফিলিস্তিনি।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেড় বছরের বেশি সময় ধরে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজায় ৫১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

    গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস বলছে, অফিসিয়ালি এই সংখ্যা ৬১ হাজার ৭শ’। তবে, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে আরও অনেকে।

  • জাহিদুল ইসলাম পারভেজ হত্যার ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সদস্যকে দায়ী করেছে ছাত্রদল

    জাহিদুল ইসলাম পারভেজ হত্যার ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সদস্যকে দায়ী করেছে ছাত্রদল

    নিউজ ডেস্ক:  প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম পারভেজ হত্যার ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সদস্যকে দায়ী করেছে ছাত্রদল। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে নিন্দা জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

    রোববার (২০ এপ্রিল) ভোরে প্লাটফর্মটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এই সংক্রান্ত পোস্ট করা হয়।

    এতে বলা হয়, প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলকর্মী পারভেজ হত্যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বনানী থানার যুগ্ম আহ্বায়ক সোবহান নিয়াজ তুষার ও যুগ্ম সদস্য সচিব হৃদয় মিয়াজীকে দায়ী করেছে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসিরসহ অন্যান্যরা। তারা হত্যার সাথে কোনোভাবেই জড়িত নন। ছাত্রদলের এমন ঘৃণ্য মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

    এতে আরও বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সংগঠন পিইউএসএবি তাদের ফেসবুকে যে তিনজনের নাম উল্লেখ করেছে, সেখানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই অন্তর্ভুক্ত নন। দেশের মিডিয়াতেও আমাদের কোনো নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র অভিযোগের কথা বলা হয়নি। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া গেছে। সেখানেও তুষার এবং হৃদয় মিয়াজীর কোনও উপস্থিতি ও হত্যার সাথে সংশ্লিষ্টতা দেখা যায়নি।

    মৃত ব্যক্তিকে ছাত্রদল ব্যবহার করছে উল্লেখ করে পোস্টে বলা হয়, এর আগে ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলনে ‘দায় দিয়ে দাও’ সংস্কৃতির প্রচলন দেখেছি। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সেই সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি করছেন। প্রত্যক্ষদর্শী এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত কোনও ব্যক্তির বরাতেও তুষার এবং হৃদয়ের কথা পাওয়া যায়নি। ছাত্রদলের এমন কার্যক্রম নতুন বাংলাদেশ ও রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে কাম্য নয়।

    প্রমাণ ছাড়াই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুইজন নেতার নাম জড়িয়ে ফেসবুকে মব ট্রায়াল চালানো হচ্ছে দাবি করে এতে বলা হয়, এর ফলে ওই দুই নেতার নিরাপত্তায় ব্যাঘাত ঘটছে। একইসঙ্গে পারভেজ হত্যার মূল আসামিরা অনালোচিত থেকে যাচ্ছে। পারভেজ ছাত্রদল কর্মী হলেও ছাত্রদলেরই সাধারণ সম্পাদক হত্যাকারীদের কেনো আড়াল করতে চাইছেন, তা আমাদের বোধগম্য নয়। বিষয়টি গোয়েন্দা বাহিনীকে খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি।

    এর আগে, গতকাল রাতে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বনানী শাখার সদস্যরা জড়িত।

    প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার রাতে বনানীর প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম পারভেজকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটে। নিহত পারভেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের ২২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।

    জানা গেছে, শনিবার বিকালে পাশের ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের দুই ছাত্রীকে নিয়ে হাসাহাসির জেরে প্রাইম এশিয়ার ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাথে পারভেজের বাকবিতন্ডা হয়। পরবর্তীতে দুইপক্ষের মধ্যে মীমাংসা করা হয় বলে জানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এরপর ক্যাম্পাস থেকে বের হলে পারভেজকে ৩০ থেকে ৪০ জন ঘিরে ধরে। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে গুরুতর আহত হন পারভেজ। পরে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • ঋণের কিস্তির অর্থ ছাড়ের আগে সংস্কার পদক্ষেপ, ঢাকা সফরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রতিনিধি দল আইএমএফ

    ঋণের কিস্তির অর্থ ছাড়ের আগে সংস্কার পদক্ষেপ, ঢাকা সফরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রতিনিধি দল আইএমএফ

    অর্থনীতি ডেস্ক: ঋণের কিস্তির অর্থ ছাড়ের আগে সংস্কার পদক্ষেপ দেখতে চলতি মাসেই ঢাকায় সফর করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের একটি প্রতিনিধি দল (আইএমএফ)। সফরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), অর্থ মন্ত্রনালয়সহ কয়েকটি দফতরে গিয়ে সংস্কার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে দলটি।

    তবে অভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধিতে আশানুরুপ ফল না মেলায় এই ঋণদাতা সংস্থার মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। ঋণের শর্ত অনুযায়ী, চলতি অর্থ বছরের শেষ তিন মাসে দুই লাখ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় করতে হবে। তাছাড়া, আগামী অর্থবছরে বাড়তি ৫৭ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় করতে হবে। এতে অভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধিতে বেশি চাপ তৈরি হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আইএমএফ’র এই চাওয়া কি বাস্তবসম্মত?

    অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, কিছু ক্ষেত্রে আইএমফের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিৎ। তবে কিন্তু রাজস্ব ও জ্বালানির ভর্তুকির ক্ষেত্রে সংস্থাটির অবস্থানের পরিবর্তন দরকার। কারণ বাস্তবতার সাথে এটির মিল নেই। বিষয়টি নিয়ে সংস্থাটির সাথে আলোচনা প্রয়োজন।

    আইএমএফ বাংলাদেশের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কার্যক্রম চলমান রেখেছে। এরইমধ্যে তিনটি কিম্তির অর্থ ছাড় হয়েছে। তবে বাকি অর্থ ছাড় করতে দফায় দফায় শর্ত দেয়া হচ্ছে। শর্ত পরিপালনে ব্যর্থ হলে চতুর্থ কিস্তির অর্থ ছাড় আটকে যাবে। ফলে সংস্থাটির পরামর্শে অর্থবছরের মাঝপথে এসে ঢালাও শুল্ক বাড়ায় অন্তর্বর্তী সরকার।

    বিআইআইসিস গবেষণা পরিচালক ড. মাহফুজ কবীর বলেছেন, এই মূহুর্তে জনগণের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপানো হলে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে। এমনটা হলে অর্থনীতিতে বিশৃংখলা তৈরি হবে। এর দায়ভার তো সংস্থাটি নেবে না। বিষয়টি আইএমএফকে বোঝাতে হবে।

    বলা হচ্ছে ভর্তুকি পুরোপুরি তুলে নেয়া সম্ভব না। উন্নত দেশগুলোও জনগণের স্বার্থে ভর্তুকি চালু রেখেছে।

    ড. মাহফুজ কবীর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভর্তুকি দিয়ে থাকে। তারা কখনো ভর্তুকি প্রত্যাহার করেনি। বাংলাদেশের ওপর জোর করে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে দেখা যাচ্ছে। দেশ একটি ক্রান্তিকাল পার করছে। এমন পরিস্থিতিতে সংস্থাটির বাংলাদেশের পাশে থাকা উচিৎ। তাদের পরামর্শগুলো মানা যাবে, তবে এখন নয়।

    এদিকে, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ স্বস্তিদায়ক হওয়ায় ঋণের অর্থছাড় নিয়ে সরকার চিন্তিত নয়। তবে এই ঋণ ছাড়ের ওপর অন্য সংস্থাগুলো থেকে ঋণ প্রাপ্তি নির্ভর করছে।

     

  • দেশে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে যা এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা:ড. নিয়াজ আহমদ খান

    দেশে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে যা এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা:ড. নিয়াজ আহমদ খান

    নিউজ ডেস্ক:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেছেন, আমাদের দেশে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে। এই বিভাজন আমাদের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা। তবে পরিবেশ আন্দোলন রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে। দল-মত নির্বিশেষে সবাই এই আন্দোলনটিকে ধারণ করেন। পরিবেশকে রক্ষায় এটি একটি বড় সুযোগ। সবাই একসঙ্গে উদ্যোগ নিয়ে কাজ করলে এক্ষেত্রে আমরা দ্রুত সফল হতে পারবো।

    আজ শনিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘উন্নয়নের স্বার্থে পরিচ্ছন্ন সবুজ ক্যাম্পাস’ কর্মসূচির সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, ইউনিডো, ঢাকাস্থ নরওয়ে দূতাবাস এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    ঢাবি উপাচার্যের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

    নরওয়ে দূতাবাসের সচিব মিস ম্যারিওন রাহবি কোলাভেলরাদ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদসহ অনেকে এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    ড. নিয়াজ আহমদ খান আরও বলেন, পরিবেশ আন্দোলনে কোনো প্রতিযোগী নেই। এখানে সবাই সহযোগী। আজকের এই আয়োজনটিতে সরকার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বুয়েট, জাতিসংঘ, নরওয়ে দূতাবাস সবাই অংশগ্রহণ করেছে। আমরা এই পার্টনারশিপকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চাই। আশা করছি আমাদের মধ্যে যে যোগাযোগ তৈরি হয়েছে সেটি অক্ষুণ্ন থাকবে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়ুদূষণ রোধে পাতা পোড়ানো বন্ধ করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে জানিয়ে ঢাবি উপাচার্য বলেন, বিষয়টি নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আমরা ‘সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক মুক্ত’ ক্যাম্পাস করতে চাই। আমি এখনই এর ঘোষণা দেবো না। আগে কাজ এগিয়ে নেবো, তারপর ঘোষণা দেবো। বিশ্ববিদ্যালয়ে আতশবাজির ব্যবহারও প্রায় শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসা হয়েছে তিনি এ সময় উল্লেখ করেন।

    উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে পাটের ব্যাগ ব্যবহারে আমাদের অভ্যস্ত হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আমরা ‘সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক মুক্ত’ ঘোষণা করতে চাই। এজন্য সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা প্রয়োজন। পাশাপাশি হর্ণমুক্ত ক্যাম্পাসও গড়ে তুলতে হবে। সদিচ্ছা ও সচেতনতা থাকলে এ কাজগুলো করা সম্ভব।

  • মাদারীপুরে জেলা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড থেকে ৬ মাসের এক শিশু চুরি

    মাদারীপুরে জেলা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড থেকে ৬ মাসের এক শিশু চুরি

    স্টাফ রিপোর্ট : মাদারীপুরে জেলা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড থেকে ৬ মাসের এক শিশু চুরির অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জড়িত চক্রদের ধরতে তৎপরতা চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    শনিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ৬ তলার শিশু ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

    স্বজনরা জানায়, তিন দিন আগে অসুস্থ দুই বছরের ছোট মেয়েকে নিয়ে জেলা হাসপাতালের ৬ তলার শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। কিন্তু আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বড় মেয়েকে খাবার খাওয়াচ্ছিলেন মা সুমি আক্তার। এ সময় গোলাপি রঙের বোরকা পরা এক নারী ওই শিশুকে কোলে তুলে নেয়। আদর করার কথা বলে হাসপাতালের বারান্দায় নিয়ে যায়। মুহূর্তেই মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে শিশুটিকে নিয়ে সটকে পড়ে সে। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে খবর দেয়া হয় থানা পুলিশকে।

    হাসপাতালের বাইরে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ৬ মাসের শিশুকে কোলে নিয়ে ইজিবাইকে করে হাসপাতাল ছেড়ে যাচ্ছে এক নারী। হাসপাতালে নিরাপত্তা না থাকায় এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ স্বজনদের।

    চুরি হওয়া শিশুকে উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও তারা দাবি করেছেন।

    শিশুটির মা সুমি আক্তার বলেন, সন্তানকে কোলে নিয়ে এভাবে ওই নারী পালিয়ে যাবে বুঝতে পারিনি। চোখের পলকেই এই ঘটনা ঘটেছে। আমি সন্তান ফেরত চাই।

    মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) চাতক চাকমা বলেন, হাসপাতাল থেকে শিশু চুরির ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ হাতে এসেছে। এরই মধ্যে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এই চক্রে যারা জড়িত, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    তবে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।