Category: প্রচ্ছদ

  • দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

    দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

    আজ সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য ১ (এক) নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    আবহাওয়ার বিশেষ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘন্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ (এক) নম্বর (পুনঃ) ১ (এক) নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।’

  • এনপিটি সম্মেলনে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে জোরালো পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ

    এনপিটি সম্মেলনে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে জোরালো পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ

    পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ও পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে বৈশ্বিক অঙ্গীকার নবায়ন এবং সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

    মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি)-এর ১১তম পর্যালোচনা সম্মেলনের সাধারণ বিতর্কে দেওয়া বক্তব্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ আহ্বান জানান।

    রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার আট দশক অতিক্রান্ত হলেও পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। অব্যাহত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করছে এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

    নিরস্ত্রীকরণের প্রতি বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের পক্ষে রয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্রধারী অঞ্চলে অবস্থান করেও স্বেচ্ছায় অ-পরমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে।

    তিনি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলোকে এনপিটি-এর অনুচ্ছেদ-৬ অনুযায়ী তাদের আইনগত বাধ্যবাধকতা পূরণের আহ্বান জানান এবং নিরস্ত্রীকরণসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির সার্বজনীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, গঠনমূলক সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগের মাধ্যমে পারমাণবিক হুমকি থেকে মুক্ত একটি নিরাপদ বিশ্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ অব্যাহত রাখবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল ও নিরাপদ বিশ্ব নিশ্চিত করা যায়।

  • ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন সিটি’ করতে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

    ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন সিটি’ করতে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রাজধানী ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন সিটি’ করতে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।

    আজ বুধবার সকালে সংসদে প্রশ্নোত্তরপর্বে ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাজধানী ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন’ সিটি রূপে গড়ে তুলতে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে নানাবিধ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। নাগরিক সচেতনতা ও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের পাশাপাশি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।’

    তিনি বলেন, ‘সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনসমূহ (বর্জ্য ফেলার স্থান) আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ল্যান্ডস্কেপিং, সবুজায়ন সচেতনতামূলক গ্রাফিতি কাজ অন্তর্ভুক্ত করে পরিবেশসম্মতভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক কোরিয়া ভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলকে সমন্বিত সার্কুলার ইকোনমি ভিত্তিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জ্বালানি উৎপাদন কেন্দ্রে রূপান্তর করার মাধ্যমে সকল বর্জ্যকে জিরো বর্জ্যতে রূপান্তর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করি, এ সকল কার্যক্রম ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ধীরে ধীরে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা শহর গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

    সকাল ১১ টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরপর্বের জন্যে ৪০ মিনিট নির্ধারিত ছিলো।  প্রধানমন্ত্রীর জন্য বুধবার ৮টি প্রশ্ন ছিলো। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদদের ২টি প্রশ্ন ও সম্পুরক প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।

    ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং  গ্রীন সিটি’ করতে যেসব উদ্যোগ ও পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে-

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার রোড মিডিয়ান, সড়ক দ্বীপ ও উন্মুক্ত স্থানসমূহ সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

    ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরশনের আওতাভুক্ত বিভিন্ন এলাকায় নগর বনায়ন (মিয়াওয়াকি ফরেস্ট) উন্মুক্ত মিডিয়ান জিরো সয়েল/সবুজে আবৃত করা হচ্ছে।

    ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকায় আগামী পাঁচ বছরে পাঁচ লাখ বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া মেট্রোরেলের নিচের খালি অংশে (মিরপুর-১২ হতে মিরপুর ডিওএইচএস পর্যন্ত) এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (আব্দুল্লাহপুর হতে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের) নীচে খালি জায়গায় বৃক্ষরোপণ করা হবে।

    প্রধানমন্ত্রী তার লিখিত বক্তব্যে জানান, ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রিন সিটি’ রূপে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক ঢাকা শহরের পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।
    এ লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সেগুলো হচ্ছে:

    ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তর ও ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) সমন্বিতভাবে আধুনিক বাস সার্ভিস ও ২৫০টি ইলেকট্রিক বাস চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে।

    বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় ঢাকার বায়ুদূষণের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ চিহ্নিত করা হয়েছে। সে অনুযায়ী পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে। কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন, কনস্ট্রাকশন কার্যক্রম ও নির্মাণ সামগ্রী দ্বারা বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

    ঢাকা শহরের বায়ুদূষণ রোধে ঢাকার চারদিকে অবস্থিত অবৈধ দূষণকারী ইটভাটাসমূহ বন্ধে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

    ঢাকা মহানগরীর বায়ুদূষণ হ্রাস করার লক্ষ্যে ঢাকার সাভার উপজেলাকে ডিগ্রেডেড এয়ারশেড ঘোষণা করা হয়েছে এবং উক্ত এলাকায় ইটভাটার কার্যক্রম পরিচালনা, খোলা জায়গায় বর্জ্য পোড়ানো ইত্যাদি কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    ঢাকা ও আশেপাশের নদী, খাল ও জলাশয় দূষণরোধে তরল বর্জ্য নির্গমনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহে ইটিপি স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অদ্যাবধি ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানে ইটিপি স্থাপন করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানসমূহের তরল বর্জ্য পরিশোধনের জন্য স্থাপিত ইটিপির রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণের জন্য ক্যামেরা স্থাপন চলমান রয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক ইতোমধ্যে বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু, তুরাগ নদীর দূষণের উৎস এবং প্রকৃতি নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সাথে ঢাকা মহানগরে প্রবাহিত ১৯টি প্রধান খালের দূষণের উৎস এবং প্রকৃতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

    ঢাকা শহরকে সবুজে আচ্ছাদিত করা, পরিবেশ দূষণ কমানো এবং নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে বন অধিদপ্তর কর্তৃক ঢাকা উত্তর/দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ বিভাগ এর সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে যৌথভাবে রাস্তার মিডিয়ান, ইউলুপ, পন্ডিং এরিয়া এবং খালের পাড়সমূহে বৃক্ষরোপণ এবং জিরো সয়েল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন প্রজাতির ৪১ হাজার ৫ শত ৬৫টি ফলদ, বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়েছে।

    ঢাকা শহরের দূষণ কমানোর জন্য বিভিন্ন প্রজাতির লতা, গুল্ম ও ঘাস দ্বারা মাটি আবৃত করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকাকে ক্লিন এবং গ্রীন সিটি রূপে গড়ে তুলতে বনায়নযোগ্য খালি জায়গায় বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

  • ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

    ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ভারী বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আগামী তিন মাস সরকার সহায়তা দেবে।

    আজ সকালে সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    কলিম উদ্দিন জরুরি জন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, টানা ভারী বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জসহ হাওরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কৃষকরা মাঠে নেমে কষ্ট করে ধান কাটছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।

    উত্তরে কলিম উদ্দিনকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত তিনদিন আগে আবহাওয়া রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে আমি সুনামগঞ্জসহ হাওড় অঞ্চলের তিনটি জেলার স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়েছিলাম, আবহাওয়ার পূর্বাভাসের ভিত্তিতে বৃষ্টিপাত হলে তারা যেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।’

    হাওড় অঞ্চলের কৃষকদের দুর্দশা ও ক্ষতিকে খুবই বেদনাদায়ক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ সকালে এই সংসদ অধিবেশন শুরুর আগেও আমি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এসেছি। তাকে নির্দেশনা দিয়ে এসেছি যে হাওড়ের এই তিনটি জেলাসহ ময়মনসিংহের কিছু অঞ্চল প্রবল বর্ষণে নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে।  এই এলাকাগুলোতে যে সকল কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের খুঁজে বের করে আগামী তিন মাস সহায়তা দেয়া হবে।

  • সন্ধ্যার মধ্যে ২০ জেলায় কালবৈশাখীর আভাস

    সন্ধ্যার মধ্যে ২০ জেলায় কালবৈশাখীর আভাস

    দেশের ২০ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সম্ভাব্য ঝড়ের কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা এ তথ্য জানান।

    সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    এ সময় বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, কালবৈশাখীর সময় হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া, বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে হবে এবং নৌযানগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • সিরিজ জয়ের ম্যাচে যেমন হতে পারে বাংলাদেশ একাদশ

    সিরিজ জয়ের ম্যাচে যেমন হতে পারে বাংলাদেশ একাদশ

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। ভালো ছন্দে থাকা বাংলাদেশ আজকের ম্যাচ জিতে আগেভাগেই সিরিজ নিশ্চিত করতে চাইবে। অন্যদিকে সিরিজে টিকে থাকতে আজকের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ কিউইরা।

    তিন ম্যাচের এই সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ (বুধবার) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায়। আগের ম্যাচে জয় পাওয়া দলটিই অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে শক্তির বিচারে নিউজিল্যান্ড এগিয়ে। আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে তারা চতুর্থ স্থানে, তাদের রেটিং পয়েন্ট ২৪৮। অন্যদিকে ২২৪ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ রয়েছে নিচের অবস্থানে। দুই দলের মুখোমুখি ২১ ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছে ৫টিতে, হেরেছে ১৫টিতে, আর একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে।

    তবে পরিসংখ্যান বাংলাদেশের বিপক্ষে গেলেও অভিজ্ঞতার দিক থেকে স্বাগতিকরা কিছুটা এগিয়ে। কারণ তুলনামূলকভাবে কম অভিজ্ঞ দল নিয়েই নিউজিল্যান্ড এই সফরে এসেছে।

    একনজরে দুই দলের সম্ভাব্য একাদশ

    বাংলাদেশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, তানজিম হাসান সাকিব, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, শরিফুল ইসলাম, রিপন মণ্ডল।

    নিউজিল্যান্ড: নিক কেলি (অধিনায়ক), টিম রবিনসন, কাটেনে ক্লার্ক, ড্যান ক্লেভার, বেভন জ্যাকবস, ডিন ফক্সক্রফট, জশ ক্লার্কসন, নাথান স্মিথ, ইশ সোধি/জেডন লেনক্স, বেন লিস্টার, ম্যাট ফিশার।