Category: রাজনীতি

  • সংবিধান সংশোধন কমিটিতে কারা থাকবেন ইঙ্গিত দিলেন চিফ হুইপ

    সংবিধান সংশোধন কমিটিতে কারা থাকবেন ইঙ্গিত দিলেন চিফ হুইপ

    সংবিধান সংশোধনের জন্য সরকার আন্তরিক বলে জানিয়েছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি।

    বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদ কমিটির তৃতীয় বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি।

    নুরুল ইসলাম মণি বলেন, সংবিধান সংশোধনে অচিরেই সবার অংশগ্রহণে একটি কমিটি গঠন করা হবে। খুব শিগগিরই করা হবে। কত সদস্যের কমিটি হবে তা চূড়ান্ত নয়, তবে সরকারি ও বিরোধী দলের আইন বিশেষজ্ঞরা কমিটিতে থাকবেন।

    তিনি আরও বলেন, সংসদকে কার্যকর করতে চাই। আমরা যা কিছুই করি তার জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আমরা তাদের (বিরোধী দল) চাই। আমাদের সদিচ্ছা আছে। তারা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে থাকবেন এমনটাই প্রত্যাশা করি।

    সরকার দলীয় চিফ হুইপ বলেন, সংবিধান সংশোধনের জন্য, দেশের কল্যাণের জন্য যা করণীয় সব আমরা করতে চাই এবং এই চাওয়ায় বিরোধী পক্ষকে সঙ্গে চাই।

  • ২৫ মার্চ রাজারবাগ পুলিশ লাইনেই গণহত্যার শুরু ও স্বাধীনতার ঘোষণার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ২৫ মার্চ রাজারবাগ পুলিশ লাইনেই গণহত্যার শুরু ও স্বাধীনতার ঘোষণার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনেই প্রথম গণহত্যা শুরু হয়েছিল এবং এখান থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়।

    তিনি উল্লেখ করেন, তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান এই গণহত্যার খবর পেয়েই চট্টগ্রামে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন । পরবর্তীতে ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে বিশ্বের সমর্থন কামনা করেন।

    একেই তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার ‘প্রকৃত ইতিহাস’ বলে অভিহিত করেন।

    মন্ত্রী আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন।

    শহীদদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি আরও বলেন, রাজারবাগ পুলিশ লাইনের পুলিশ বাহিনীর রক্তদানই স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার সূচনা।

    সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে আজ তিনিও সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    এরপর স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি রাজারবাগে আসেন।

    দীর্ঘ কয়েক বছর পর পুনরায় স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ শুরু হওয়াকে তিনি আনন্দের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শহীদদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী, দেশে নতুনভাবে গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত থাকবে।

    ভারত থেকে ওসমান হাদি হত্যার আসামিদের হস্তান্তরের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী জানান, ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ্যানেলে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। বন্দি বিনিময় চুক্তি অনুযায়ী তাদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    পুলিশ সংস্কার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনীকে আরও সমৃদ্ধ ও আধুনিক করতে, বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত রাষ্ট্রের কাছ থেকে কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা চলছে।

    বিশেষ করে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে গতকাল এ বিষয়ে ফলপ্রসূ কথা হয়েছে বলে তিনি জানান।

    ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী ও  ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ারসহ বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক, বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না: সড়কমন্ত্রী

    ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক, বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না: সড়কমন্ত্রী

    সার্বিকভাবে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক রয়েছে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সব বাস কাউন্টার থেকে নির্ধারিত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের যাত্রীদের ভোগান্তি বা অভিযোগ আমরা পাইনি। রাস্তায় কোনো ধরনের যানজট নেই। বুধবার (১৮ মার্চ) গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, সবাই এখানে নির্ধারিত ভাড়া নিচ্ছে। কয়েকটি পরিবহন ২০-৩০ টাকা কমও নিচ্ছে। এখানে পুলিশ বুথ আছে, কেউ বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ দিলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাসগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে, কোনো ভোগান্তি এখন পর্যন্ত নেই।

    তিনি আরও বলেন, সার্বিকভাবে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক রয়েছে। যাত্রীরা শৃঙ্খলার সঙ্গে ঢাকার বাইরে যাতায়াত করতে পারছেন এবং কোথাও বড় ধরনের বিঘ্নের খবর পাওয়া যায়নি।

    জ্বালানি তেল নিয়ে তিনি বলেন, ১৫ তারিখ রাত ১১টা থেকে পর্যাপ্ত তেল দেওয়া হচ্ছে। যমুনা সেতু দিয়ে গতকাল ৩২ হাজার গাড়ি বেশি গিয়েছে। তারা তেল পেয়েছে বলেই তো যেতে পারছে। কেউ না পেলে অভিযোগ করতে পারবে। গণপরিবহনে ফুয়েল ঘাটতি নেই।

  • নিজামউদ্দীন কায়সারকে দলে ফেরানোর দাবি কুমিল্লা বিএনপি নেতাকর্মীদের

    নিজামউদ্দীন কায়সারকে দলে ফেরানোর দাবি কুমিল্লা বিএনপি নেতাকর্মীদের

    কুমিল্লার রাজপথের ‘দাবানল’ খ্যাত নেতা নিজামউদ্দীন কায়সারকে আবারও মূল দলে ফিরিয়ে নেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন তৃণমূলের বিপুল সংখ্যক বিএনপি নেতা-কর্মী। কুমিল্লার রাজনীতিতে তার অবদানের কথা বিবেচনা করে এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি তুলেছেন তারা।

    তৃণমূলের প্রাণশক্তি ও রাজনৈতিক পরিচয়
    কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে রাজনীতির সূচনা করা নিজামউদ্দীন কায়সার বিএনপির আদর্শে এক নিবেদিত প্রাণ নেতা। তিনি কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বহুবার কারানির্যাতনের শিকার হয়েছেন। রাজপথের আন্দোলনে তার সাহসী ভূমিকার কারণে তিনি তৃণমূলের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

    বহিষ্কারের প্রেক্ষাপট
    কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপির শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে পরিচিত এই নেতা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে দুইবার কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে পরবর্তীতে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

    অবিচল আনুগত্য ও সক্রিয়তা
    বহিষ্কৃত থাকা সত্ত্বেও গত কয়েক বছরের কোনো দলীয় কর্মসূচি বা রাজপথের আন্দোলনে তার অনুপস্থিতি দেখা যায়নি। দলের চরম দুঃসময়েও তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। নেতাকর্মীদের মতে, কায়সার সবসময়ই বিএনপির আদর্শের ওপর অবিচল থেকেছেন।

    নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা
    তৃণমূলের দাবি, নিজামউদ্দীন কায়সারের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাকে দলে ফিরিয়ে নেওয়া হলে কুমিল্লা বিএনপি আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত রূপে আত্মপ্রকাশ করবে। আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে তার মতো ত্যাগী নেতার উপস্থিতি দলের জন্য অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

  • মির্জা আব্বাসকে দেখতে এভারকেয়ারে গেলেন মির্জা ফখরুল

    মির্জা আব্বাসকে দেখতে এভারকেয়ারে গেলেন মির্জা ফখরুল

    হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদকে দেখতে গেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    মির্জা আব্বাস গত বুধবার সন্ধ্যায় ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    শুক্রবার রাতে মির্জা আব্বাসকে দেখার পর তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন মির্জা ফখরুল।

    চিকিৎসকরা জানান, মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দুটি সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে তাঁকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

    মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সবার দোয়ায় মির্জা আব্বাসের দুটি অপারেশনই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘তিনি এখন চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। আমরা তাঁর পূর্ণ সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইছি।’

    এর আগে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা দেশেই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।

    শুক্রবার বিকাল ৩টার পর তাঁকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয় এবং সন্ধ্যার আগেই প্রথম অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। পরবর্তী সময়ে চিকিৎসকরা প্রয়োজন মনে করায় ওই রাতেই দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার করা হয়।

  • প্রথমদিনই ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ৯ কর্মসূচী

    প্রথমদিনই ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ৯ কর্মসূচী

    অনলাইন ডেস্ক:    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে গতকাল শপথ নিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক। আজ সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে প্রথমবারের মত অফিস করতে এসে প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রণালয় থেকে নয়টি কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কোন প্রতিষ্ঠান কোনটা বাস্তবায়ন করবে সেই তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।

    খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা, জাতীয় শিক্ষাক্রমে বাধ্যতামূলক ক্রীড়া শিক্ষা এবং ৬৪ জেলায় ইনডোর সুবিধাসম্পন্ন স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণসহ মোট ৯টি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় এসব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

    ফুটবল, ক্রিকেটের বাইরে দেশের অন্য সকল খেলোয়াড়রা তেমন সুযোগ-সুবিধা পান না। এজন্য তিনি জাতীয় দলে সকল খেলোয়াড়কে বেতনের আওতায় আনতে চান এবং খেলাকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের চেষ্টা করছেন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া অনুবিভাগ-১ ও ২ , জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বিকেএসপি। চতুর্থ শ্রেনী থেকে খেলাধূলা বাধ্যতামূলক করার বিষয়টিও এই তিন প্রতিষ্ঠান মিলে তদারকি করবে।

    প্রতিভা বিকাশে ‘নতুন ক্রীড়া স্পোর্টস’ কর্মসূচির আওতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী সম্ভাবনাময় ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো জোরদারে উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অফিস স্থাপন ও কর্মকর্তা নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ ক্রীড়া পরিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত হবে।

    অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে দেশের ৬৪ জেলায় ইনডোর সুবিধাসম্পন্ন স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বিকেএসপি।

    সকল মহানগরসহ দেশের গ্রামীণ জনপদে খেলার মাঠ স্থাপন ও উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই প্রকল্প থাকবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের আওতায়।

    দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও সুবিধা বঞ্চিতদের খেলার সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। বিকেএসপি ও ক্রীড়া পরিদপ্তর যৌথভাবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

    দেশে ক্রীড়া সরঞ্জাম ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া পরিদপ্তরের উপর।

    বিভিন্ন ব্যাংক ও কর্পোরেট সংস্থাকে খেলাধুলায় পৃষ্ঠপোষকতার জন্য সম্পৃক্তকরন করা হবে। যার দেখভাল করবে মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া পরিদপ্তর।