Category: রাজনীতি

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

    অনলাইন ডেস্ক:    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর দায়িত্ব গ্রহণের একদিনের মাথায় মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

    আজ সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর অদূরে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এককভাবে স্মৃতিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। পরে নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুনরায় পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় তাঁরা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে মহান স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানান।

    এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদর্শন করে। বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

    শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর এবং স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি ‘পারিজাত’ গাছের চারা রোপণ করেন।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে তার জোট গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে ২১২টি আসনে জয়লাভের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

    নির্বাচনে বিজয়ের পাঁচ দিন পর গতকাল তিনি দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

    মঙ্গলবার রাজধানীতে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

    নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

  • এ বিজয় বাংলাদেশের, এ বিজয় গণতন্ত্রের : তারেক রহমান

    এ বিজয় বাংলাদেশের, এ বিজয় গণতন্ত্রের : তারেক রহমান

    অনলাইন ডেস্ক:     বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণ আবারো বিএনপি-কে বিজয়ী করেছে। আলহামদু লিল্লাহ। এ বিজয় বাংলাদেশের, এ বিজয় গণতন্ত্রের।’

    তিনি বলেছেন, ‘জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশে জনগণের সরাসরি ভোটে জবাবদিহিমূলক সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।’

    আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

    বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘জনগণের দেওয়া ম্যান্ডেট অনুযায়ী দল নির্বাচনী অঙ্গীকার ও ৩১ দফা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।’

    রাষ্ট্র মেরামতের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং অকার্যকর সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ পুনর্গঠনের মধ্য দিয়েই নতুন যাত্রা শুরু হবে। জনগণের রায় পেলে রাষ্ট্র মেরামতের যে রূপরেখা বিএনপি উপস্থাপন করেছিল, তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।’

    তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দলের সঙ্গে মতবিনিময়ের ভিত্তিতে প্রণীত ৩১ দফা এবং দলীয় ইশতেহারের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিএনপি কাজ করবে। একই সঙ্গে ‘জুলাই সনদে’ দেওয়া নোট অব ডিসেন্টসহ সংস্কার প্রক্রিয়ায় দল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।

    জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও গণঅধিকার পরিষদসহ ৫১টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলকে অভিনন্দন। আমাদের পথ ও মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে আমরা সবাই এক। জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা। সরকার ও বিরোধী দল দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে দেশে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে।’

    নির্বাচনোত্তর পরিস্থিতিতে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘যে কোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। কোনো রকম অন্যায় বা বেআইনি কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না।’

    তিনি বলেন, সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিজয় মিছিল না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শত উসকানির মুখেও নেতাকর্মীদের শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। দলমত, ধর্ম বা ভিন্নমত নির্বিশেষে দুর্বলের ওপর সবলের আক্রমণ মেনে নেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তারেক রহমান।

    অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগ, প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান। দেশি-বিদেশি গণমাধ্যম ও পর্যবেক্ষকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা শহীদ ও হতাহত হয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। যাদের রক্তের বিনিময়ে আজকের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ, তাদের অবদান জাতি চিরকাল স্মরণ রাখবে।’

    এ সময় তিনি প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে বলেন, ‘দেশের এমন এক আনন্দঘন সময়ে তাঁর অনুপস্থিতি দলকে ভারাক্রান্ত করেছে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান জাতি কখনো ভুলবে না।’

    দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, ‘এখন দেশ গড়ার পালা। দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের প্রতি জবাবদিহিতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।’

    সবশেষে বিশ্বের গণতান্ত্রিক শক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণকে আবারো অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান।

    সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  এছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ চৌধুরী, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

  • আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো কম্প্রোমাইজ করবে না বিএনপি: তারেক রহমান

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো কম্প্রোমাইজ করবে না বিএনপি: তারেক রহমান

    অনলাইন ডেস্ক:   বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের ভোটে রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো কম্প্রোমাইজ করবে না বিএনপি।

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার গঠন করতে পারলে আমাদের সর্বপ্রথম কাজ হবে আইনশৃঙ্খলা কঠোর হস্তে নিয়ন্ত্রণ করা। আমরা এমন একটি দেশ গড়তে চাই— যেখানে মা-বোনেরা নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবেন। মানুষ নিরাপত্তার সঙ্গে চাকরি ও ব্যবসা করবে এবং রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবে।’

    আজ সোমবার রাজধানীর মতিঝিলের পীরজঙ্গি মাজার রোডে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাসের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

    দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘২০০১ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেভাবে দুর্নীতি থেকে দেশকে বের করে নিয়ে এসেছিলেন, ভবিষ্যতেও সেভাবেই দুর্নীতি দমনে কাজ করবে বিএনপি। এই ব্যাপারে আইন নিজের গতিতে চলবে, কারো সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না।’

    একটি দলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, দেশ পরিচালনা করতে হলে দেশের মানুষের জন্য তাদের পরিকল্পনা নেই, কিন্তু বড় বড় কথা আছে।

    বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘মঞ্চে দাঁড়িয়ে অনেকেই বড় বড় কথা বলতে পারেন, হাততালি পাওয়ার জন্য অনেকেই সুন্দর কথা বলেন। কিন্তু দেশ চালানো এত সহজ কোনো কাজ নয়।’

    তিনি আরো বলেন, ‘দেশ চালাতে হলে দেশের মানুষের জন্য পরিকল্পনা দরকার, কোথায় তাদের পরিকল্পনা? শুধু বড় বড় কথা আছে। দেশ চালানোর জন্য দরকার কর্মসূচি, কোথায় তাদের কর্মসূচি? দেশ চালানোর জন্য অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। তাদেরই বন্ধু-বান্ধব গত এক দেড় বছর যাবৎ দেখেছি সরকারের অংশ ছিল, তাহলে আজকে এই দুর্গতি কেন?’

    তারেক রহমান বলেন, ‘এটি আজ প্রমাণিত— যদি বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের কেউ পরিবর্তন করতে পারে, দেশে যদি দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হয়, তাহলে কে পারবে? পারবে ধানের শীষ।’

    দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘নারীদের উন্নয়নযাত্রার সঙ্গে সম্পৃক্ত না করলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ কারণে বিএনপি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় সারাদেশের খেটে খাওয়া পরিবারের গৃহিণীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে এবং এর মাধ্যমে সরকার প্রতি মাসে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে, যাতে পরিবারগুলো ধীরে ধীরে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে।’

    কৃষকদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কৃষক ভালো থাকলে দেশ ভালো থাকবে। অতীতে বিএনপি সরকারের সময় কৃষকদের জন্য সুদ মওকুফ ও কৃষি জমির খাজনা মওকুফের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে।’

    দেশের তরুণ যুবক সমাজের সদস্য যারা— ছেলে হোক মেয়ে হোক, কীভাবে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব, আইসিটিসহ ভোকেশনাল বিভিন্ন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশন গঠনের মাধ্যমে করব। দল-মত নির্বিশেষে, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ যাতে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে, সেই পরিকল্পনা আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি।

    তারেক রহমান বলেন, উন্নয়নের নামে যে লুটপাট হয়েছে, তা দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। জনগণের করের টাকা ব্যবহার করে বড় বড় প্রকল্প করা হলেও সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার মতো মৌলিক চাহিদা উপেক্ষিত থেকেছে। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে উন্নয়নের নামে লুটপাট নয়, জনগণের বাস্তব প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হবে।

    ঢাকা-৮ আসনের ভোটারদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে আপনাদের সঠিক মানুষ বেছে নিতে হবে। যে মানুষটি এই এলাকার, তাকেই বাছাই করতে হবে। কারণ, এলাকার সমস্যা সমাধানে বাইরের কেউ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে না। মনে রাখবেন, বাইরের মানুষ কখনো ঘরের মানুষকে চিনতে পারে না।’

    জনসভায় ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাসের হাতে ধানের শীষ তুলে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘যে মানুষটির বেড়ে ওঠা এই এলাকায়, তিনি হচ্ছেন মির্জা আব্বাস। আগামী ১২ তারিখ পর্যন্ত আপনারা তাকে দেখে রাখুন। তার পাশে থাকুন। এরপর থেকে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত মির্জা আব্বাস বিপদে আপদে আপনাদের পাশে থাকবে।’

    বক্তব্যের শেষে উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, আমি আমার পরিকল্পনার কথা আপনাদের বললাম, এবার আপমারা বলুন— ১২ তারিখে আপনাদের পরিকল্পনা কী? উত্তরে উপস্থিত জনতা একসঙ্গে উচ্চস্বরে বলে ওঠেন— ১২ তারিখ সারাদিন, ধানের শীষ ভোট দিন; ১২ তারিখ সারাদিন, ভোটকেন্দ্র পাহারা দিন।

  • সুপরিকল্পিত শহর হিসেবে উপহার দিতে চান কুমিল্লা ৬ আসনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী

    সুপরিকল্পিত শহর হিসেবে উপহার দিতে চান কুমিল্লা ৬ আসনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী

    মোঃ ইমরান হোসেন: কুমিল্লা ৬ আসনের ২ নং উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড শাসনগাছা বাস টার্মিনালে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণায় এক বিশাল জনসভার আয়োজন করেন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপি উপজেলা সভাপতি জনাব রেজাউল কাইয়ুম। জনসভায় দলে দলে ২ নং দুর্গাপুর ইউনিয়নের নারী পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। উক্ত জনসভায় অংশগ্রহণ করেন ৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী।
    জনাব মনিরুল হক চৌধুরী জনসভায় বক্তব্য দেখেছেন কুমিল্লার উন্নয়নমূলক কর্মসূচির পরিকল্পনা নিয়ে, এ সময় উনি কুমিল্লায় পরিকল্পিতভাবে কিভাবে একটি আধুনিক কুমিল্লা শহর তৈরি করা সম্ভব তা ব্যাখ্যা করেন। উক্ত জনসভায় বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা সদর উপজেলা বিএনপির উপজেলা সভাপতি জনাব রেজাউল কাইয়ুম, তিনি বক্তব্যের এক পর্যায়ে জামাত ইসলামকে দাজ্জাল নমরুদের সাথে তুলনা করে নারীদেরকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা ৬ আসনের ২ নং উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড শাসনগাছা বাস টার্মিনালে ধানের শীষের প্রার্থী জনাব মনিরুল হক চৌধুরীর পক্ষে, নির্বাচনী প্রচারনায় ভোট চাইতে উপস্থিত ছিলেন, মরহুম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা জনাব ইয়াসিন, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাইতুল বারি আবু,উপজেলা বিএনপি সহ-সভাপতি জনাব ফারুক, এবং উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সকল নেতৃবৃন্দ,আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপি ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক আজিম কাফি, উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপি’র যুবদলের যুগ্ন আহব্বায়ক মাহবুল আলী রাশেদ ও যুগ্ন আহব্বায়ক ইকরাম হোসেন সুমন সহ বিএনপির ছাত্রদল,যুবদল, শ্রমিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা।

  • প্রধানমন্ত্রী অপরাধ করলে ও ছাড় পাবেন না: জামায়াত আমির

    প্রধানমন্ত্রী অপরাধ করলে ও ছাড় পাবেন না: জামায়াত আমির

    অনলাইন ডেস্ক: একজন সাধারণ নাগরিক অপরাধ করলে যে শাস্তি ভোগ করতে হয়, দেশের প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধে জড়ালে তার ক্ষেত্রেও সমান শাস্তি কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আজ (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে তিনি এ কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে যে শাস্তি দেওয়া হয়, দেশের প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধে জড়ালেও তার ক্ষেত্রে কোনো ব্যতিক্রম থাকবে না। আমরা চাই, এই ন্যায্য বিচার ব্যবস্থা পুরো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হোক। এই বিচার সবার জন্য প্রযোজ্য হবে-মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টানসহ দেশের সব ধর্মের মানুষের জন্য।’

    তিনি বলেন, ‘যখন এমন ন্যায্য বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে, তখন আর কাউকে চাঁদাবাজির শিকার হতে দেওয়া হবে না। চাঁদাবাজির সব পথ বন্ধ হয়ে যাবে। যারা চাঁদাবাজ, তাদের ধরিয়ে এনে কাজে নিয়োজিত করা হবে। তারা সেইদিন দেশ গড়ার কাজে অংশ নেবেন। বর্তমানে যারা দুর্নীতিতে জড়িত, তাদেরও আর দুর্নীতি করার সুযোগ থাকবে না।’

    জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘দেশের র‌্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন, তবে সবাই এক রকম নয়। এখনই নিয়ত করে ফেলুন-প্রয়োজনে নিজের জীবন দেবো কিন্তু দেশের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে দেবো না।’

  • শুক্রবার ইশতেহার, রোববার নয়াপল্টনে বিএনপির শেষ জনসভা

    শুক্রবার ইশতেহার, রোববার নয়াপল্টনে বিএনপির শেষ জনসভা

    অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় নির্বাচনের আগে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান ও অঙ্গীকার তুলে ধরতে শুক্রবার ইশতেহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। একই সঙ্গে ঢাকায় রোববার শেষ নির্বাচনি জনসভা আয়োজনের মাধ্যমে ভোটের মাঠে সর্বশেষ প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে চায় দলটি।

    দলের ঘোষণায় জানানো হয়েছে, শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। এর দুই দিন পর রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত হবে শেষ নির্বাচনি জনসভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    এই কর্মসূচির কথা জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ইশতেহার ও জনসভা ঘিরে দলের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা ও আশপাশের আসনের প্রার্থীরা জনসভায় উপস্থিত থাকবেন বলে জানান তিনি।

    নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে রিজভী বলেন, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটিই তাদের প্রত্যাশা। বিএনপি সব সময় জনগণের সমর্থন নিয়েই ক্ষমতায় এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এতো নিপীড়নও বিএনপিকে দমন করতে পারেনি। দেশের মানুষ ধানের শীষকে শুধু একটি প্রতীক নয়, আবেগ হিসেবে দেখে।”

    আসন্ন ভোট প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, “শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না। যা কিছু দেখছি, তা শাক দিয়ে মাছ ঢাকারই নামান্তর।” তার বক্তব্যে নির্বাচন ঘিরে বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে দলের উদ্বেগও স্পষ্টভাবে উঠে আসে।

    বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইশতেহার ঘোষণার মধ্য দিয়ে দলটি অর্থনীতি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও রাষ্ট্র পরিচালনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জনগণের সামনে তুলে ধরবে। আর রোববারের জনসভাকে সামনে রেখে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি ও সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে।