Category: রাজনীতি

  • জলঢাকার ধর্মপাল ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

    জলঢাকার ধর্মপাল ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

    মোঃ এহছান এলাহী : নীলফামারীর জলঢাকায় ০৫ নং ধর্মপাল ইউনিয়ন বিএনপি’র নামধারী সভাপতি মোকসেদ আলীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে ভুক্তভুগী বিএনপি ও ধর্মপাল ইউনিয়নের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ।
    ১০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ ঘটিকায় এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা খেরকাটি বাজারে অনুষ্ঠিত হয়।
    মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন, ধর্মপাল ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক, আবু সুফিয়ান, ধর্মপাল ইউনিয়ন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন শাহ্, ধর্মপাল ইউনিয়নের সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক আবুল খায়ের ও রবিউল ইসলাম প্রমূখ সহ ধর্মপাল ইউনিয়ন বিএনপি’র অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী।
    মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মিথ্যা মামলা প্রদানকারী , মামলা বানিজ্যকারী ও ধর্মপাল ইউনিয়ন বিএনপির নামধারী সভাপতি মোকসেদ আলী। তিনি বিএনপির নেতা হয়ে বিএনপির সক্রিয় ত্যাগী ও নির্যাতিত নিপিড়ীত নেতাকর্মীদের নামে মামলা দিয়ে হেনেস্তা করার অপচেষ্টায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ধর্মপাল ইউনিয়নে বিএনপির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করছেন।
    আমরা অনতিবিলম্ব এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করিয়ে নেয়াসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির উর্ধ্বতন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আহবান জানাচ্ছি যে, এই ভুয়া সভাপতিকে প্রত্যাহার করতে হবে।

  • সরকারে ছাত্রদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে মনে করে বিএনপি

    সরকারে ছাত্রদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে মনে করে বিএনপি

    নিউজ ডেস্ক:  জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে যোগ দেন তিন ছাত্রপ্রতিনিধি। রাজনীতিতে ছাত্রদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি যখন স্পষ্ট হচ্ছিল, তখন পুরনো দলগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিল। ছাত্রদের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আত্মপ্রকাশের আগে পদত্যাগ করে দলটির দায়িত্ব নেন উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। এখনও সরকারে আছে দুই ছাত্রপ্রতিনিধি।

    এমন অবস্থায় সরকারে ছাত্রদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে মনে করে বিএনপি।

    দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা আশা করি সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন কোয়ার্টারে। আমি আশা করি, সরকার সেখানে নিবিড় দৃষ্টি রাখবে। এটা দুর্ভাগ্যজনক হবে। আবার এটা হলে অন্য ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে।

    নতুন দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নেই কি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করছে না সরকার, এমন প্রশ্নও করছেন নেতারা।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধান উপদেষ্টা নতুন রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে তাদেরকে সময় দিতে চান, এমন প্রশ্ন উঠছে। আমরা প্রশ্ন করছি না, জনগণের পক্ষ থেকে এ রকম কিছু কিছু প্রশ্ন উঠেছে। তা না হলে উনি রোডম্যাপ দিতে বিলম্ব করছে কেন? উনার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করা হচ্ছে না।

    আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনের কথা বললে তাদের মধ্যে একটা শঙ্কা-সংশয় কাজ করে, তাহলে তারাই তো দেশে অনৈক্য সৃষ্টির কাজ করছে। তারাই কিন্তু ফ্যাসিস্টের জন্য পথ উন্মুক্ত করে দিচ্ছে। যে প্রশ্নগুলো উঠছে, সেগুলো যাতে না উঠে। বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে যে পরিবর্তন হয়েছে, যে আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি হয়েছে, তা আমাদের সকলকে ধারণ করতে হবে।

    অন্তর্বর্তী সরকারকে নিরপেক্ষতার প্রমাণ দেয়ার কথা বলছেন রাজনৈতিক নেতারা। সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকারের অংশ থেকে যারা একটি রাজনৈতিক দলকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছেন তা দৃশ্যমান। মানুষ এগুলো বুঝে তো। এই জায়গা থেকে সরকারকে বেরিয়ে আসতে হবে, তাদেরকে যেন জনগণ মনে করে, এই সরকার সত্যিকার একটি নিরপেক্ষ সরকার। কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য কার্যক্রম করছে না অন্তর্বর্তী সরকার, তা পরিষ্কার করতে হবে।

    বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) ছাত্রদের পক্ষ নিলে এ দেশের সমস্ত রাজনৈতিক শক্তি এটাকে ভিন্নভাবে দেখবে। যা ইতোমধ্যে আমরা লক্ষ্য করেছি। ছাত্ররা যদি ক্ষমতায় থাকে, তাহলে তারাই যদি রাজনৈতিক দল করে, সেই দলটি আলাদা একটি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে এবং পাবে এটাই বাস্তবতা। আমি মনে করি, ছাত্রদেরই উচিত নিজেদের থেকে সরে যাওয়া।

    নিরপেক্ষতা রক্ষায় বিভিন্ন দফতর ও মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত ছাত্র প্রতিনিধিদেরও অপসারণ করা উচিত বলে মনে করে দলগুলো।

  • দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকেও বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে: মির্জা ফখরুল ইসলাম

    দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকেও বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে: মির্জা ফখরুল ইসলাম

    নিজস্ব প্রতিনিধি : বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “যারা ১০০ গাড়ি নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালায়, তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য আমরা ভালোভাবেই বুঝি।” মঙ্গলবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

    মির্জা ফখরুলের এই বক্তব্য এসেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের সফরকে কেন্দ্র করে। গত সোমবার সারজিস আলম ঢাকা থেকে উড়োজাহাজে সৈয়দপুর গমন করেন এবং সেখান থেকে শতাধিক গাড়ির বহর নিয়ে পঞ্চগড়ের বোদা, সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী উপজেলা পরিদর্শন করেন। এনসিপি নেতার এই বিলাসবহুল সফরকে রাজনৈতিক অঙ্গনে “প্রদর্শনীবাজি” হিসেবে সমালোচনা করা হচ্ছে, যা মির্জা ফখরুলের বক্তব্যেও ইঙ্গিতপূর্ণভাবে উঠে এসেছে।

    আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, “বিএনপি সর্বদা জনগণের পাশে আছে, থাকবে। আমাদের লক্ষ্য হলো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের আস্থা অর্জন।” তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে এবং সৎভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন।

    বিএনপির মহাসচিব দেশের চলমান সংকটের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “আজকে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকেও বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে, যা আমরা কখনো মেনে নেব না। যারা জাতীয় সংকটে জনগণের পাশে দাঁড়ায়, তাদের সম্মান রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

    মির্জা ফখরুল সংস্কার প্রক্রিয়াকে “অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব” আখ্যা দিয়ে বলেন, “নির্বাচনের মাধ্যমেই গণতন্ত্র ফিরে আসবে। কিন্তু কিছু গোষ্ঠী এই প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র করছে।” তিনি সরকারের প্রতি অবিলম্বে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার দাবি জানান।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “জনগণই সরকার পরিবর্তনের মালিক। ইতিহাস প্রমাণ করে, যারা গণতন্ত্র হত্যা করে, তাদের জনগণই বিদায় করে।” তিনি নির্বাচন পেছানোর চেষ্টাকে “অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে উল্লেখ করেন।

    আলোচনা সভায় বিএনপির শীর্ষ নেতারা ছাড়াও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য মামুন আহমেদসহ বিভিন্ন শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বক্তব্য রাখেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন দলের প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

  • নির্বাচনকে আপনাদের ভয় কেন প্রশ্ন মির্জা আব্বাসের

    নির্বাচনকে আপনাদের ভয় কেন প্রশ্ন মির্জা আব্বাসের

    অনলাইন ডেস্ক : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বুধবার দুপুরে রাজধানীর শাহজানপুরে দলের এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় যোগ দিয়ে বললেন, আওয়ামী লীগ তো দেশটাকে বাপের তালুকদারি ভেবেছিল। যার কারণে যা খুশি তা-ই হয়েছে। আপনারাও কি তা-ই ভাবেন? এই বাংলাদেশ কারও তালুকদারি নয়। এই বাংলাদেশ জনগণের। সুতরাং কথাবার্তা বলার সময় হিসাব করে বলবেন। আমাদের যেন বে-হিসাবি কথা বলতে না হয়।
    নির্বাচন বিলম্ব নিয়ে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আমরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছি গণতন্ত্রের জন্য, কথা বলার জন্য, ভোটের অধিকারের জন্য। আজকে যখন ভোটের সময় আসছে এখন বলেন, এটা না করলে ভোট হবে না, ওটা না করলে ভোট হবে না কেন রে ভাই, কেন?
    তিনি আরও যোগ করে বলেন, অনেকের ভেতরে কিছু লোভী রাজনীতিবিদ আছেন, কিছু লোভী রাজনৈতিক দল আছে, যারা শুধু বিরোধিতার কারণে বিরোধিতা করে, কার্যকর কোনো বিরোধিতা নয়। এই দলগুলো পাকিস্তানের সৃষ্টিলগ্নে ভারত বিভক্তি থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত শুধু বিরোধিতাই করে গেলো। দেশপ্রেমের লেশমাত্র তাদের ভেতরে নেই। তারা দেশকে ভালোবাসে না, দেশের মানুষকে ভালোবাসে না।
    মির্জা আব্বাস বলেন, যেভাবে হোক ক্ষমতায় থাকতে হবে, যেভাবেই হোক ক্ষমতায় যেতে হবে- এটিই তাদের ভালোবাসা। আমাদের তো তাতে আপত্তি নেই, দেশের জনগণ যদি আপনাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় নেয় আপত্তির কী আছে? ভোটে আসেন। ভোটকে ভয় পান কেন? নির্বাচনকে ভয় পান কেন?
    নির্বাচনের বিরোধিতাকারী রাজনৈতিক দলগুলোর নাম উল্লেখ না করে বিএনপির এ জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, যারা লম্বা লম্বা কথা বলেন আজকে নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না, করতে দেওয়া যাবে না, তারা বুকে হাত দিয়ে বলেন জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে আপনাদের কয়জন নেতাকর্মী শাহাদতবরণ করেছেন? এক মাসে বিএনপির ৪২২ জন নেতাকর্মী শাহাদতবরণ করেছেন, শহীদ হয়েছেন। আপনাদের কয়জন শহীদ হয়েছেন?
    তিনি বলেন, আমাদের সাংবাদিক ভাইয়েরা আজকাল অনেক দলের কথা পত্র-পত্রিকায় লেখেন না, অনেক দলের খারাপ কথা লেখেন না, ভালো কথা হয়তো লেখেন দু-একটা। আর বিএনপির ভালো কথা লেখেন না। খারাপ দু-একটা লিখে দেন।

  • জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: আপিল শুনানির তারিখ নির্ধারণ

    জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: আপিল শুনানির তারিখ নির্ধারণ

    অনলাইন ডেস্ক : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের আপিলের শুনানি সোমবার (৩ মার্চ) ধার্য করেছে আদালত।
    রোববার সকালে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চে এটি শুনানির জন্য ছিল। তবে দুদকের আইনজীবী জানিয়েছেন, আরেক আসামি জিয়াউল ইসলামের বিরুদ্ধে তারা আপিল করেছেন তাই শুনানিতে তারা সময় চান। পরে আপিল বিভাগ শুনানির জন্য সোমবার দিন ধার্য করেন।
    উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ নভেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
    এর আগে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের দণ্ড দিয়েছিলেন আদালত। সেই সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল মঞ্জুর করলে খালাস দেয় হাইকোর্ট।
    প্রসঙ্গত, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর রায় দেন বিচারিক আদালত। রায়ে খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে একই বছরের ১৮ নভেম্বর হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। শুনানি নিয়ে ২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে বিচারিক আদালতের দেওয়া অর্থদণ্ডের আদেশ স্থগিত করেন।
    ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। গত ৬ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দণ্ড মওকুফ করে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে করা আপিল শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে পেপারবুক তৈরির জন্য অনুমতি চেয়ে খালেদা জিয়া আবেদন করেন।

  • এনসিপি ২১৭ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি আংশিক অনুমোদিত

    এনসিপি ২১৭ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি আংশিক অনুমোদিত

    নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ২১৭ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি (আংশিক) অনুমোদিত হয়েছে। গতকাল শনিবার (১ মার্চ) মধ্যরাতে দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে জনগণ মুক্ত হয়েছে। তবে শহীদ মিনারে ঘোষিত অভ্যুত্থানের এক দফা তথা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। একটি রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে এই জনপদের মানুষ ইতিহাসের নানান সময়ে নিজেদের হাজির করেছে। প্রায় ২০০ বছরের উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের অংশ হিসেবে পাকিস্তান আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ১৯৪৭ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র অর্জিত হয়। কিন্তু পাকিস্তান রাষ্ট্র এই জনপদের মানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ ও বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে।

    এতে আরও বলা হয়, মুক্তির আকাঙ্ক্ষা থেকে এই জনপদের মানুষ ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ১৯৭২ সালে প্রণীত মুজিববাদী সংবিধানের মধ্য দিয়ে নির্মিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠার পথ খুলে দেয়। ফলে এ দেশের নাগরিকরা ইতিহাসের বিভিন্ন পরিক্রমায় বাকশাল, স্বৈরতন্ত্র এবং সর্বশেষ ফ্যাসিবাদের শিকার হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো থেকে ফ্যাসিবাদের সকল উপাদান ও কাঠামোকে বিলোপ এবং জনগণের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে। এজন্য একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বাস্তবায়নে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’ নামে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করেছি।

    কমিটি প্রসঙ্গে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই আহ্বায়ক কমিটি (আংশিক) আগামী ১ বছরের মধ্যে এই রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্র ও ইশতেহার প্রণয়ন, কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও সাংগঠনিক বিস্তার কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

    কমিটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম, মনিরা শারমিন, মাহবুব আলম, সারোয়ার তুষার, অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন, তাজনূভা জাবীন, সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, ড. আতিক মুজাহিদ, আশরাফ উদ্দীন মাহাদী, অর্পিতা শ্যামা দেব, তানজিল মাহমুদ, অনিক রায়, খালেদ সাইফুল্লাহ, জাবেদ রাসিন, এহতেশাম হক ও হাসান আলী।

    সদস্যসচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা ও নাহিদা সারওয়ার নিভা, যুগ্ম সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরিফ সোহেল, মো. রশিদুল ইসলাম (রিফাত রশিদ), মো. মাহিন সরকার, মো. নিজাম উদ্দিন, আকরাম হুসেইন, এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, সালেহ উদ্দিন সিফাত (দপ্তর), আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, ফরিদুল হক, মো: ফারহাদ আলম ভূঁইয়া, মোহাম্মদ মিরাজ মিয়া, লুৎফর রহমান, মো. মঈনুল ইসলাম (তুহিন), মুশফিক উস সালেহীন, ডা. জাহেদুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম মুসা, অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, মোশফিকুর রহমান জোহান, মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান, সাগুফতা বুশরা মিশমা, আফসানা ছপা, আহনাফ সাইদ খান, আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন, মীর আরশাদুল হক, ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, তারেকুল ইসলাম (তারেক রেজা), মশিউর রহমান, জয়নাল আবেদীন শিশির, গাজী সালাউদ্দীন তানভীর, তামিম আহমেদ, তাহসীন রিয়াজ ও প্রীতম দাশ।

    এছাড়াও কমিটিতে রয়েছেন, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম (উত্তরাঞ্চল), যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার, আলী নাছের খান, সাকিব মাহদী, মেজর (অব.) আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, সাদিয়া ফারজানা দিনা, অলিক মৃ, আসাদুল্লাহ আল গালিব, হানিফ খান সজীব, আবু সাঈদ লিয়ন।

    সংগঠক হিসেবে রয়েছেন, রাসেল আহমেদ, ইমরান ইমন, ফরহাদ সোহেল, রফিকুল ইসলাম আইনী, মোস্তাক আহমেদ শিশির, আজাদ খান ভাসানী, প্রীতম সোহাগ, দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী, এম এম শোয়াইব, নাহিদ উদ্দিন তারেক, আব্দুল্লাহ আল মনসুর, মিয়াজ মেহরাব তালুকদার, অ্যাডভোকেট শিরীন আক্তার শেলী, আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ আল মুহিম, নাজমুল হাসান সোহাগ, খায়রুল কবির ও সাঈদ উজ্জ্বল।

    মুখ্য সংগঠক পদে হাসনাত আবদুল্লাহ (দক্ষিণাঞ্চল), যুগ্ম মুখ্য সংগঠক পদে মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, মোল্যা রহমাতুল্লাহ্, এস এম শাহরিয়ার, মেজবাহ কামাল মুন্না, জোবাইরুল হাসান আরিফ ও ইমন সৈয়দ রয়েছেন।

    সংগঠক পদে রয়েছেন, আকরাম হোসাইন রাজ, হামযা ইবনে মাহবুব, ওয়াহিদুজ্জামান, আসাদ বিন রনি, মোহাম্মাদ রাকিব, আরমান হোসাইন, মো. রাসেল আহমেদ, অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা, শওকত আলী, ডা. আশরাফুল ইসলাম  সুমন, মুনতাসির মাহমুদ, ডা. মিনহাজুল আবেদীন, সাকিব শাহরিয়ার, আজিজুর রহমান রিজভী, আব্দুর রহমান, ফয়সাল আহমেদ, নয়ন আহমেদ, কাউছার হাবিব, আব্দুল্লাহ আল মামুন ফয়সাল, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জিহান, মাও. সানাউল্লাহ খান, আরিফুল ইসলাম, নফিউল ইসলাম ও মো. রাকিব হোসেন।

    মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট মো. তারিকুল ইসলাম (যুব), ডা. মো. আব্দুল আহাদ (চিকিৎসা), মাজহারুল ইসলাম ফকির (শ্রমিক), দিলশানা পারুল, আবু হানিফ, আব্দুজ জাহের, কৃষিবিদ গোলাম মোর্তজা সেলিম, মেহেরাব সিফাত, অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদ, আশেকীন আলম, ডা. জাহিদুল বারী, কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস, ভীম্পাল্লী ডেভিড রাজু,  শেখ মোহাম্মদ শাহ মঈনুদ্দিন, খান মুহাম্মদ মুরসালীন, সাদ্দাম হোসেন, আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, নাভিদ নওরোজ শাহ, তুহিন মাহমুদ, মো. আরিফুর রহমান (তুহিন), সাগর বড়ুয়া, রাফিদ এম ভূঁইয়া ও মাহবুব আলম।

    সদস্য হিসেবে রয়েছেন, সানজিদা খান দীপ্তি (নিহত আনাসের মা), খোকন চন্দ্র বর্মন (আহত), মো. ফাহিম রহমান খান পাঠান, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের (সন্দ্বীপ), ঋআজ মোরশেদ, ইমরান নাঈম, মশিউর আমিন শুভ, আল আমিন শুভ, প্লাবন তারিক, ওমর ফারুক, আসাদুল ইসলাম মুকুল, ফিহাদুর রহমান দিবস, মো. তৌহিদ আহমেদ আশিক, মো. আব্দুল মুনঈম, রকিব মাসুদ ইনজামুল হক রামিম, সৈয়দা নীলিমা দোলা, এস আই শাহীন, আসাদুজ্জামান হৃদয়, তানহা শান্তা, ডা. মশিউর রহমান, ইমরান শাহরিয়ার, এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, আব্দুল্লাহিল মামুন নিলয়, আজাদ আহমেদ পাটওয়ারী, জাহিদুল ইসলাম সৈকত, আরজু নায়েম, ডা. মনিরুজ্জামান, তাওহিদ তানজিম, মোহাম্মদ উসামা, মাহবুব-ই-খোদা, তারিক আদনান মুন, নাহিদা বুশরা, তৌহিদ হোসেন মজুমদার, মারজুক আহমেদ, নীলা আফরোজ, নূরতাজ আরা ঐশী, সাইয়েদ জামিল, শেখ খায়রুল কবির আহমেদ, রফিকুল ইসলাম কনক, মীর হাবীব আল মানজুর, মো. ইমরান হোসেন, মো. আরিফুল দাড়িয়া, মো. ইনজামুল হক, আবু সাঈদ মুসা, ডা. আতাউর রহমান রাজিব, সালমান জাভেদ, ইমামুর রশিদ, সাইফুল ইসলাম, ডা. সাবরিনা মনসুর, অ্যাডভোকেট মো. মনিরুজ্জামান, অ্যাডভোকেট ছেফায়েত উল্লাহ, আহমেদুর রহমান তনু, দিদার শাহ, রাদিথ বিন জামান, ফারিবা হায়দার, সাইফুল ইসলাম, ইয়াহিয়া জিসান, সোহেল রানা, রিদওয়ান হাসান, হাসিব আর রহমান, ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ, জাওয়াদুল করিম, আল আমিন টুটুল, ইসমাইল হোসেন সিরাজি, ইফতেখারুল ইসলাম, হাফসা জাহান, জায়েদ বিন নাসের, মামুন তুষার, ওমর ফারুক, সালাহউদ্দিন জামিল সৌরভ, মো. হিফজুর রহমান বকুল, আসিফ মোস্তফা জামাল, জোবায়ের আলম, মেজর (অব.) মো. সালাউদ্দিন ও খালেদ সাইফুল্লাহ জুয়েল।