Category: রাজনীতি

  • খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে জনগণ চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে: রিজভী

    খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে জনগণ চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে: রিজভী

    বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় একটি বিক্ষোভ মিছিল কলাবাগান বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে ল্যাব এইড হাসপাতালের নিকট গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

    মিছিল শেষে এক পথসভায় রিজভী বলেন, বিনা অপরাধে কারাবন্দী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা ক্রমান্বয়ে চরম অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাকে চিকিৎসা দেওয়ার নামে নানা টালবাহানা ও জনগণকে ধোকা দেয়ার চেষ্টা করছে সরকার। জনগণের দাবি উপেক্ষা করে বেগম জিয়াকে কোন বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ দেয়া হয়নি। তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটা সত্বেও সরকারের লোকেরা বেগম জিয়া সুস্থ আছেন বলে তোতা পাখির মতো সরকারের শেখানো বুলি আউড়িয়ে যাচ্ছে।

    তিনি সরকার প্রধানের উদ্দেশ্যে বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দী করে বিনা চিকিৎসায় আপনি অমানবিক কষ্ট দিচ্ছেন, বেগম জিয়ার প্রতি এই নিষ্ঠুরতা বিশ্বের স্বৈরশাসকরা যে আচরণ করে সেই আচরণেরই সমতুল্য। বেগম জিয়াকে আর কষ্ট না দিয়ে তাকে নি:শর্ত মুক্তি দিন। আপনি জনগণের পুঞ্জিভূত ক্রোধ আঁচ করতে পারছেন না বলেই বিএনপি চেয়ারপার্সনকে মুক্তি না দিয়ে তাকে তিলে তিলে নি:শেষ করার চেষ্টায় উঠেপড়ে লেগেছেন। ফ্যাসিবাদী সরকারের লোহার খাঁচা ভেঙ্গে বেগম জিয়াকে মুক্ত করার জন্য জনগণ এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। দেশে ভয়াবহ দু:শাসনসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনগণের এখন নাভিশ্বাস উঠেছে। দেশ পরিচালনায় আপনারা এখন চারিদিক দিয়েই ব্যর্থ। বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর ভয়াবহ দু:শাসনকে প্রতিরোধ করার জন্য মানুষ এখন পথে পথে প্রস্তুত হয়ে রয়েছে।

  • প্রধানমন্ত্রীর জবাব মেলেনি, চুক্তি জানতে তথ্য অধিকারের আশ্রয় নেবে বিএনপি

    প্রধানমন্ত্রীর জবাব মেলেনি, চুক্তি জানতে তথ্য অধিকারের আশ্রয় নেবে বিএনপি

    ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিষয় জনগণের কাছে খোলাসা করার জন্য বিএনপি’র পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দেয়া হয়েছিল। এ চিঠির এখন পর্যন্ত কোনো জবাব না পাওয়ায় তথ্য অধিকার আইনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেবে দলটি। আগামী দুই এক দিনের মধ্যে এটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

    গতকাল শনিবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, দেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয়, রোহিঙ্গা ইস্যুসহ সমসাময়িক রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

    বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা জানেন সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে যে সকল চুক্তি হয়েছে এসব বিষয়ে জানতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা একটি চিঠি দিয়েছিলাম। আমরা সাত দিনের বেশি সময় অপেক্ষা করেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কোন রেসপন্স পাইনি। সে কারণে আমাদের পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা তথ্য অধিকার আইনে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে এসব বিষয়ে জানতে চেয়ে একটি চিঠি দেব। আগামী দুই একদিনের মধ্যেই আমরা চিঠি দেব।

    আগামী ৫ ডিসেম্বর শুনানিতে বেগম খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করে ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য যে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে তারা ইতোমধ্যে উনার শারীরিক অবস্থা অনেকটা ক্রিটিকাল মোমেন্টে আছে বলে জানিয়েছেন। তিনি দিন দিন পঙ্গুত্বের দিকে যাচ্ছেন। তারা আরো বলেছেন, বেগম জিয়ার আরো ভালো চিকিৎসা দরকার। আপনার জানেন আমরা ইতিমধ্যে উনার জামিনের জন্য কোর্টে আবেদন করেছি। কোট ইতিমধ্যে মেডিকেল বোর্ডের কাছে ওনার মেডিকেল রিপোর্ট জমা দেয়ার কথা বলেছে। আমরা আশা করি ম্যাডামের চিকিৎসার জন্য যে বোর্ড গঠন করা হয়েছে তারা কোনো চাপে না পড়ে বেগম খালেদা জিয়ার শরীরের চিকিৎসার সঠিক রিপোর্ট কোর্টে জমা দিবেন। আমরা আশা করি তিনি ন্যায়বিচার পাবেন।

  • ঢাকা মহানগর আ’লীগের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    ঢাকা মহানগর আ’লীগের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুরু হয়েছে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন। শনিবার সকাল ১১টায় প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    উদ্বোধনী অধিবেশন শেষে বিকেলে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্ব কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের দুই অংশের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন এবং নাম ঘোষণা করা হবে। মহানগরীর সব থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটি মিলিয়ে প্রায় দুই হাজার কাউন্সিলর এবং প্রায় তিন হাজার ডেলিগেট সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন।

    প্রায় সাত বছর পর অনুষ্ঠেয় সম্মেলনকে ঘিরে নগরীর নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নৌকাকৃতির সুবিশাল মঞ্চ তৈরি ছাড়াও সম্মেলনস্থল সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও এর আশপাশের এলাকাকে মনোরম সাজে সাজানো হয়েছে।

    এবারের সম্মেলনের মাধ্যমে উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বে আমূল পরিবর্তন আনার কথা শোনা যাচ্ছে। নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ত্যাগী ও দক্ষ এবং বিতর্কমুক্ত, স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের নেতাদেরই প্রাধান্য দেওয়া হবে বলে দলে আলোচনা রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণের দুই অংশের নেতাদের অনেকের বিরুদ্ধেই চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে সম্পৃক্ততাসহ নানা অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

    কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থের বিনিময়ে থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটিগুলোতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও ফ্রিডম পার্টির ক্যাডারসহ মাদক ব্যবসায়ী ও বিতর্কিতদের ঢোকানোর অসংখ্য লিখিত অভিযোগও কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা আছে। এসব বিতর্কিত নেতাকে বাদ দেওয়া হতে পারে।

    এই অবস্থায় মহানগর উত্তরের শীর্ষ পদে বর্তমান সভাপতি একেএম রহমতুল্লাহ এমপি ছাড়াও অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, নগর উত্তরের বর্তমান সহসভাপতি শেখ বজলুর রহমান, আসলামুল হক আসলাম এমপি, আজিজুর রহমান বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমএ কাদের খান, যুবলীগের সদ্য সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আবুল বাশার প্রমুখের নাম আলোচনায় রয়েছে।

    উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান এমপি স্বপদে বহাল থাকার চেষ্টা করছেন। এ ছাড়া উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিব হাসান এবং দপ্তর সম্পাদক এম সাইফুল্লাহ সাইফুল সাধারণ সম্পাদক পদে আসতে চাচ্ছেন।

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি হাজী আবুল হাসনাত ছাড়াও আলোচনায় রয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, নগর দক্ষিণের বর্তমান সহসভাপতি নূরুল আমিন রুহুল এমপি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফী, আওলাদ হোসেন, ২৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির এবং কেএল জুবিলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সমরেন্দ্র নাথ রায় সমর।

    মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ স্বপদে থাকতে আগ্রহী। তিনি ছাড়াও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী হিসেবে তৎপর রয়েছেন বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দিলীপ রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, গোলাম আশরাফ তালুকদার, অ্যাডভোকেট কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোহাম্মদ আকতার হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওমর বিন আবদুল আজিজ তামিম, কার্যনির্বাহী সদস্য ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিএম সিরাজুল ইসলাম, ওয়ারী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী আশিকুর রহমান লাভলু, সূত্রাপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী আবু সাঈদ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহসম্পাদক গিয়াস উদ্দিন সরকার পলাশ, গোলাম সারোয়ার কবির প্রমুখ।

    আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী মহানগর পর্যায়ে প্রতি তিন বছর পর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও এবার ঢাকা মহানগরের দুই অংশের সম্মেলন হচ্ছে সাত বছর পর। ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

  • মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সাইফুর, সাধারণ সম্পাদক আজগর

    মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সাইফুর, সাধারণ সম্পাদক আজগর

    আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো. সাইফুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন শেখ আজগর নস্কর।

    শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে মৎসজীবী লীগের সম্মেলনে নবনির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    এর আ‌গে বেলা ১১টার দিকে জাতীয় সংগীত এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করেন তি‌নি।

    মৎস্যজীবীদের অধিকার আদায় এবং মৎস্যসম্পদ বিকাশের লক্ষ্য নিয়ে ২০০৪ সালের ২২ মে মৎস্যজীবী লীগ প্রতিষ্ঠা হয়। ২০১৬ সালের ৯ মার্চ সংগঠনের সর্বশেষ ও চতুর্থ জাতীয় সম্মেলনে সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ সভাপতি, আবুল বাশার সাধারণ সম্পাদক ও শেখ আজগর নস্কর কার্যকরী সভাপতি হন।

    নতুন আঙ্গিকে সংগঠন গড়ে তুলতে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ২০১৭ সালের ১৩ মে মৎস্যজীবী লীগের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়। এই কমিটিতে নারায়ণ চন্দ্র চন্দকে আহ্বায়ক ও শেখ আজগর নস্করকে সদস্য সচিব করা হয়।

  • যুবলীগে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা প্রধান কাজ : পরশ

    যুবলীগে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা প্রধান কাজ : পরশ

    যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ আমার বাবার হাতে গড়া সংগঠন। আপনারা দীর্ঘদিন যাবত্ এই সংগঠনকে লালন পালন করে আসছেন। এই সংগঠনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা আমার প্রধান কাজ। আপনাদের ভালোবাসা পেয়ে আমি বিস্মিত, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি যুবলীগের চেয়ারম্যান নয়, আমি যুবলীগের কর্মী হিসেবে কাজ করতে চাই।

    গতকাল বুধবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। যুবলীগের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত যুবলীগ চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক পুষ্পবৃষ্টিতে সিক্ত হন। এ সময় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশীদ। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশ্ব শান্তির দর্শন জনগণের ক্ষমতায়নকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এবং বাংলাদেশের যুব সমাজের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে যুবলীগ নেতৃবৃন্দকে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদককে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

  • বিমানবন্দর থেকে মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক গ্রেফতার

    বিমানবন্দর থেকে মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক গ্রেফতার

    বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে হাইকোর্টের সামনে গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বুধবার ভোর রাতে তাকে গ্রেফতারের পর শাহবাগ থানায় নেয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান।

    সাজ্জাদুর রহমান জানান, গতকাল মঙ্গলবার হাইকোর্ট এলাকায় পুলিশের ওপর হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা এক মামলায় রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে শাহবাগ থানায় নেয়া হয়।

    বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতের একটি ফ্লাইটে তিনি মালয়েশিয়া যাচ্ছিলেন। সেখান থেকে আমেরিকা যাওয়ার কথা ছিল উলফাতের।

    মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বিএনপির নেতাকর্মীরা হাইকোর্টের সামনে অবস্থান নেন। দুপুর ২টার দিকে পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে লাঠিচার্জ ও বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে।

    পুলিশের ধাওয়ায় নেতাকর্মীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় গাড়ি ভাঙচুর করে। এ সময় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। গাড়ি ভাঙচুর করতে করতে বিক্ষুব্ধ কর্মীরা সটকে পড়ে।