Category: রাজনীতি

  • সুনামগঞ্জে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হবে: পরিকল্পনামন্ত্রী

    সুনামগঞ্জে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হবে: পরিকল্পনামন্ত্রী

    পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেছেন, ‘সুনামগঞ্জে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।’ বুধবার বিকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাছন রাজা মিলনায়তনে জেলা যুবলীগ আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।

    এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‌‘হাওড়ের ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খুবই আন্তরিক। তিনি সবসময় হাওড়ের মানুষের খোঁজ খবর নেন। শুধু হাওর নয়; চরাঞ্চল, পাহাড়ি অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন পিছিয়ে পড়া এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান প্রধানমন্ত্রী। নেত্রী আমাদের সততার সঙ্গে পরিশ্রম করার পরামর্শ দিয়েছেন।’

    জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক খাইরুল হুদা চপলের সভাপতিত্বে এ সময় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ্ উদ্দিন সিরাজ, সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল হুদা মুকুট, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেলাল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক আতিক, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আবুল কালাম, ঢাকাস্থ সুনামগঞ্জ সমিতির সভাপতি আকবর হোসেন মঞ্জু প্রমুখ।

    এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজের সহ-সভাপতি সজীব রঞ্জন দাস, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নূরুল ইসলাম বজলু, রনজিৎ চৌধুরী রাজন সহ যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

    অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান সেন্টু ও খন্দকার মঞ্জুর আহমদ।

  • ড. কামাল চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেছেন

    ড. কামাল চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেছেন

    জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেছেন। গতকাল শনিবার রাতে তিনি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হন। গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ইত্তেফাককে জানান, সপ্তাহ খানেক পরে ড. কামালের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

    জানা গেছে, হাঁটুর ব্যথার কারণে হাঁটাচলায় ও উঠতে-বসতে সমস্যা হচ্ছে ড. কামালের। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি হাঁটুর সমস্যায় ভুগলেও সম্প্রতি ব্যথা বেড়ে গেছে। তবে অক্টোবরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন এবং পরবর্তীতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যস্ততার কারণে এতদিন তিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারেননি।

    এদিকে, ড. কামাল দেশে ফেরার পর একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় সংলাপ’ আয়োজন করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। সংলাপে জামায়াত ছাড়া নির্বাচনে অংশ নেওয়া ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, বিরোধী দল জাতীয় পার্টি (জাপা) ও বাম গণতান্ত্রিক জোটসহ অন্য সকল রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদেরও সংলাপে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটি।

  • সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু

    সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু

    একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে ফরম বিক্রি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ধানমণ্ডিস্থ দলের সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ জানান, মহিলা আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার আগ পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিক্রি চলবে। প্রতিটি ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ হাজার টাকা।

    জাতীয় সংসদের ৩৫০ আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসন। ৩০০ আসনে সরাসরি ভোট হলেও সংরক্ষিত আসন বণ্টন করা হয় জয়ী দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে। এবার একাদশ সংসদে আওয়ামী লীগ ৪৩টি, জাতীয় পার্টি চারটি, বিএনপি একটি, ওয়ার্কার্স পার্টি একটি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জোটভুক্ত হয়ে ১টি সংরক্ষিত আসন পেতে পারেন বলে জানা গেছে।

  • ‘শপথ না নিলে জনগণের কল্যাণে কাজ করা যাবে না এমন তো নয়’

    ‘শপথ না নিলে জনগণের কল্যাণে কাজ করা যাবে না এমন তো নয়’

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বিএনপি থেকে বিজয়ী প্রার্থী উকিল আব্দুস সাত্তার ভুইয়া বলেছেন ‘গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের স্বার্থেই ঐক্যফ্রন্টের বিজয়ী প্রার্থীরা শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সুতরাং দলীয় সিদ্ধান্তই আমার কাছে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত।আমি বিশ্বাস করি আমাকে যারা ভোট দিয়েছে তারা জাতির বৃহত্তর স্বার্থের বিষয়টি অবশ্যই বুঝবে। তাছাড়া শপথ না নিলে জনগণের কল্যাণে কাজ করা যাবে না এমনটাতো নয়।’

    তিনি শুক্রবার বিকালে দৈনিক ইত্তেফাকের সঙ্গে একান্ত স্বাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল পরমনান্দপুর গ্রামে ১৯৩৯ সালে জন্মগ্রহন করা এই প্রবীণ রাজনীতিবীদ পেশায় একজন আইনজীবী। জেলা আইনজীবী সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক উকিল আব্দুস সাত্তার ভুঁইয়া ১৯৭৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রথম এমপি নির্বাচিত হন। পরে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আহবানে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে ১৯৯১, ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি বিতর্কিত নির্বাচনসহ ২বার অর্থাৎ এ নিয়ে মোট ৫বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০১ সালে নির্বাচনে জোটের স্বার্থে মনোনয়ন না পেলেও টেকনোক্রেট কোটায় পুরো ৫ বছর আইন প্রতিমন্ত্রী, ভূমি প্রতিমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত বিএনপি প্রার্থী হিসাবে উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া ধানের শীষ প্রতীকে ৮৩ হাজার ৯৯৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মঈনউদ্দিন মঈন কলার ছড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪১৯ ভোট।

    বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা উকিল আব্দুস সাত্তার ভুঁইয়া দীর্ঘ ২৬ বছর জেলা বিএনপির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেমন হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এরকম কারচুপির নির্বাচন আগে দেখেনি। ভোট তো ৩০ ডিসেম্বর নয় ২৯ ডিসেম্বর রাতেই প্রশাসনের সহযোগিতায় সম্পন্ন করা হয়েছে। আমার আসনে মহাজোটের সুনির্দিষ্ট কোন প্রার্থী না থাকায় একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় রাতে ব্যালটে সিল দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে আমার নির্বাচনী এলাকার আশুগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা সকাল ১০টার পর থেকে কেন্দ্র দখল তাদের পক্ষে ব্যালটে সিল দিয়েছে। আমার প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন থাকায় আমার বিজয় ছিনিয়ে নিতে পারেনি। আমার আসনটির মতো মোটামুটি সুষ্ঠ নির্বাচন হলেও ঐক্যফ্রন্ট সরকার গঠন করার মতো আসনে বিজয়ী হতো।’

    তিনি বলেন, ‘আমার অসংখ্য নেতাকর্মী প্রশাসনের হাতে ব্যাপক নির্যাতিত হয়েও আমাকে বিজয়ী করেছে। আমি জনগণের কল্যাণে, সুখে-দুখে পাশে থেকে জীবন উৎসর্গ করে দেবো।’

    তিনি এ ব্যাপারে কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদেরকে ধৈর্য্য ধরার আহবান জানান।

  • মামলা, সংলাপ ও জেলা সফর করবে ঐক্যফ্রন্ট

    মামলা, সংলাপ ও জেলা সফর করবে ঐক্যফ্রন্ট

    দ্রুত নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি ও ভোটে অনিয়মের অভিযোগে তিন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এর মধ্যে রয়েছে নির্বাচনের অনিয়ম তুলে ধরে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের, জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠান ও নির্বাচনের সময় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পর্যায়ক্রমে সফর। এজন্য আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সিলেট সফরে যাবেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। সিলেটের বালাগঞ্জে যাবেন তারা, যেখানে ঐক্যফ্রন্টের একজন কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনতিবিলম্বে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলের সঠিক অনুলিপি প্রদানের ব্যবস্থা করতে নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, যাতে তা আদালতে উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রমাণ করতে পারে যে, ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হয়নি।

    গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে ফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। কামালের বেইলী রোডের বাসভবনে দেড় ঘণ্টা বৈঠক করেন নেতারা।

    ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন দেশের মালিক জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে। সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যবহার করে, নীলনকশা অনুযায়ী ভোটের আগের রাতে নৌকা ও লাঙ্গল মার্কায় সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে এবং সেনাবাহিনীকে নিষ্ক্রিয় করে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা বাংলাদেশের সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী গুরুতর অপরাধ করেছেন। এই নির্বাচন গোটা জাতি প্রত্যাখ্যান করেছে। আমরা পুনর্নির্বাচন দাবি করছি। ফখরুল বলেন, পরবর্তী পর্যায়ক্রমে আরো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    ড. কামাল হোসেন বলেন, গণতন্ত্রের মূল কথা হচ্ছে, জনগণের জন্য জনগণের শাসন; অর্থাৎ জনগণ নিজেদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে রাষ্ট্রের শাসনকার্য পরিচালনা করবে। সংবিধান অনুযায়ী নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সকল ক্ষমতা ও দায়দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কিন্তু ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন দেশের মালিক জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অপব্যবহার করে এবং সেনাবাহিনীর কার্যকর ভূমিকাকে নিষ্ক্রিয় করে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে। ইউএন কনভেনশন অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস-এর মতে, শুধু সাংবিধানিক অধিকার নয়; বরং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের মানবাধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

    বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, প্রেসিডিয়াম মেম্বার জগলুল হায়দার আফ্রিক, নাগরিক ঐক্যের সমন্বয়ক শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ।

  • শেখ হাসিনা শুধু আওয়ামী লীগ নেত্রী নন, স্বাধীনতার চেতনার প্রতীক :নাসিম

    শেখ হাসিনা শুধু আওয়ামী লীগ নেত্রী নন, স্বাধীনতার চেতনার প্রতীক :নাসিম

    আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা শুধু আওয়ামী লীগ নেত্রী নন, তিনি এখন দেশের অভিভাবক, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ও স্বাধীনতার চেতনার প্রতীক। তাঁর নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে দেশবাসী এবার বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করেছে।

    গতকাল মঙ্গলবার বিকালে অফিসার্স ক্লাবে আওয়ামী লীগ নেতা প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত নতুন মন্ত্রিসভাকে আবারো স্বাগত ও অভিনন্দন জানিয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘সদ্য অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অবিস্মরণীয় বিজয়ের পেছনে ১৪ দলের অকুণ্ঠ সমর্থন ও সক্রিয় ভূমিকাও কাজ করেছে। শেখ হাসিনা সব সময় বলেছেন, দুঃসময়ে যারা তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁদের নিয়ে চলতে চান। ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনগুলোতে বিজয়ী হওয়ার পর প্রতিটিতে ১৪ দলীয় জোট শরিকদের একজন হলেও মন্ত্রিসভায় ছিলেন। এবারো জোট শরিকদের মন্ত্রিসভায় রাখা হবে এবং মূল্যায়ন করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে ১৪ দলীয় জোট একটি আদর্শিক জোট। মন্ত্রিসভায় স্থান না পেলেও শেখ হাসিনার পাশে শরিকরা আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। দেশকে এগিয়ে নিতে ১৪ দলীয় জোটের সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

    এদিকে গতকাল রাতে জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর সঙ্গে দেখা করে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম।