আজ শনিবার সন্ধ্যায় স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন।
Category: রাজনীতি
-

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও দুই মেয়রের অবহেলা অমার্জনীয়: ড. কামাল
গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, সরকার ডেঙ্গুর ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে পারেনি। ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ঢাকার দুই মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর অবহেলা অমার্জনীয়।
বুধবার দলের দফতর সম্পাদক মোহাম্মদ আজাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. কামাল হোসেন বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও ঢাকার দুই মেয়রের এ সময়ের ভূমিকা নিন্দনীয়। ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারণে জনগণ অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ও আতঙ্কগ্রস্ত।
তিনি আরো বলেন, সরকারের নির্লিপ্ততা ও উদাসীনতায় ডেঙ্গুর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও ওষুধ আমদানির ব্যাপারে হাইকোর্ট নির্দেশনা দিচ্ছেন, তা কারও কাম্য ছিল না। অবিলম্বে সরকারকে ডেঙ্গুর ব্যাপারে জরুরিভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান ড. কামাল হোসেন।
-

যুদ্ধকালীন অবস্থা বিবেচনায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করুন : মোহাম্মদ নাসিম
আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র ও খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম এমপি বলেছেন, যুদ্ধকালীন অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। অ্যাডিস মশার উত্সগুলো ধ্বংস করতে সেনাবাহিনীসহ সব বাহিনীকে কাজে লাগান। যে কোনো মূল্যে মশা মারার কার্যকর ওষুধ ছিটাতে হবে।
গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাম্যবাদী দল আয়োজিত ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সামাজিক অবক্ষয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বর ছড়িয়ে পড়েছে। ডেঙ্গুর বিস্তারে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা এখন উদ্বিগ্ন। স্কুলের ছেলেমেয়েরা ভয় পাচ্ছে। পবিত্র ঈদুল আজহাও কাছাকাছি চলে এসেছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদের আগাম ছুটি দিয়ে দিতে মোহাম্মদ নাসিম শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জঙ্গি দমন করেছি। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সব ক্ষেত্রে সফল হয়েছি। পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে। এখন আমরা ডেঙ্গু সমস্যার সম্মুখীন। জনগণ কষ্ট পাচ্ছে। জনগণের দুঃখ-কষ্টে আমরা সব সময়ই পাশে থাকি। কিছু দায়িত্বহীন ব্যক্তির কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বারবার আগাম সতর্কবার্তা দেওয়ার পরও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি? অনেকে বলেছেন, সময়মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে এমন অবস্থার সৃষ্টি হতো না। আমরা ম্যালেরিয়া, ধনুষ্টংকার ও পোলিওমুক্ত করেছি। শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমিয়েছি। ডেঙ্গুর কাছে পরাজিত হতে পারি না।’ আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণ-আজাদী লীগের সভাপতি এস কে শিকদার, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য এজাজ আহমেদ মুক্তা, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের রেজাউর রশীদ খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।
-

সরকারের ত্রাণ পর্যাপ্ত নয়: জিএম কাদের
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, মানুষ নদী ভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কাছে অসহায়। সরকার যা ত্রাণ দিচ্ছে তা পর্যাপ্ত নয়। চারদিকে বন্যার্তদের হাহাকার। সরকারের উচিত বন্যার্তদের আরও সহযোগিতা করা।
আজ শনিবার দুপুরে গাইবান্ধা শহরের এনএইচ মডার্ন স্কুল মাঠে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয় জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জিএম কাদের।
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, জাতীয় পার্টি দুর্দিনে মানুষের পাশে থাকে। মানুষের কষ্ট ভাগাভাগি করতে জানে। সব জায়গাতে মানুষ এইচ এম এরশাদের জন্য চোখের পানি ফেলছেন। তাঁর জন্য মানুষের অপরিসীম ভালোবাসা রয়েছে। এই জনপ্রিয় নেতার আদর্শ নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। ভবিষ্যতে সরকার গঠন করতে পারলে জাতীয় পার্টি সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশার সময় পাশে থাকবে।
জিএম কাদের বলেন, এরশাদ আজীবন দুর্গত মানুষের সেবা করে গেছেন। তাঁর মতো করেই জাতীয় পার্টি মানুষের সেবা করে যেতে চায়।
অনুষ্ঠানে পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রশিদ সরকার, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, মেজর (অব.) সোহেল মোহাম্মদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে জিএম কাদের সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের বাদামেরচর এলাকায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর হাইস্কুল মাঠে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জিএম কাদের। জাতীয় পার্টির নেতারা গাইবান্ধা শহরের জেলখানা মোড়েও এক পথসভায় বক্তব্য রাখেন। সেখানেও কিছু ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ওই সব সভায় বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নেতা রেজাউল করিম সরকার, শাহজাহান খান প্রমুখ। -
স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শনিবার
বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও রজতজয়ন্তী আগামীকাল শনিবার।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে ১৯৯৪ সালের এই দিনে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
এ উপলক্ষে সংগঠনটি দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। কর্মসূচির মধ্য রয়েছে আগামীকাল সকাল ৬টায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ জেলা, মহানগর, উপজেলা, ওয়ার্ডসহ সকল শাখার দলীয় কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন।
সকাল ১০টায় ধানমন্ডি ৩২ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ এবং বেলা ১১ টায় বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে থেকে শোভাযাত্রা বের করা হবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এই শোভাযাত্রার উদ্বোধন করবেন। এছাড়াও সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ রাজধানীর প্রতিটি ওয়ার্ড ও থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কার্যালয় আলোকসজ্জা করা হবে। বাসস
-

বেগম জিয়াকে মুক্তি না দিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ফখরুলের
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তি না দিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
বেগম জিয়াসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তি না দিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আজকে এখানে শপথ নিয়েছি, দেশনেত্রীর মুক্তির জন্য সব রকমের আন্দোলন বেগবান করবো এবং দেশনেত্রীসহ আটক নেতা-কর্মীদের মুক্ত করার জন্য ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার জন্য আমরা অবশ্যই আন্দোলন গড়ে তুলতে সক্ষম হবো।’
এ সময় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কারাবন্দি বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় বেআইনিভাবে তাকে ১৮ মাস ধরে আটক রাখা হয়েছে। এখন তিনি অত্যন্ত অসুস্থ। এ অসুস্থ অবস্থায় তিনি সঠিক চিকিৎসা পর্যন্ত পাচ্ছেন না।’
সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘এখনো সময় আছে, আপনারা রাজবন্দিদের মুক্তি দিন, দেশনেত্রীকে মুক্তি দিন, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করুন। সংসদ ভেঙে দিয়ে অবিলম্বে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচনের ব্যবস্থা করুণ। অন্যথায় দেশের জনগণ কোনোদিনও আপনাদের ক্ষমা করবে না।’
এর আগে সদ্য কারামুক্ত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী সোহেলকে নিয়ে বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা। এ সময় অন্যদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসানুল্লাহ হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েলসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
