Category: রাজনীতি

  • একুশে আগস্টের মাস্টার মাইন্ড, আর ১৫ আগস্টের মাস্টার মাইন্ড একই পরিবারের : ওবায়দুল কাদের

    একুশে আগস্টের মাস্টার মাইন্ড, আর ১৫ আগস্টের মাস্টার মাইন্ড একই পরিবারের : ওবায়দুল কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একুশে আগস্টের মাস্টার মাইন্ড আর ১৫ আগস্টের মাস্টার মাইন্ড একই পরিবারের। তারা পিতা আর পুত্র। আর দুই হত্যাকাণ্ডের প্রাইম টার্গেট হলো পিতা ও কন্যা।

    তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের মাস্টার মাইন্ড জেনারেল জিয়াউর রহমান। ষড়যন্ত্রের পুনরাবৃত্তি একই সূত্রে গাথা। আগস্টেরই ২১ তারিখে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যাকেও নিশ্চিহ্ন করতে প্রকাশ্যে গ্রেনেড হামলা করা হয়েছিল।

    ওবায়দুল কাদের জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গতকাল সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

    সচিবালয়ে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, স্থানীয় সরকার সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ, ভূমি সচিব মো. মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী।

    কাদের বলেন, একুশে আগস্ট হত্যাকাণ্ডের যারা কারিগর, এর মধ্যে মুফতি হান্নান জবানবন্দিতে বলেছেন, হাওয়া ভবন থেকে তারেকের নির্দেশে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে। যদি তিনি জড়িত না থাকতেন, তাহলে জজ মিয়া নাটক কেন?

    এফবিআইকে কেন তদন্ত করতে দিলেন না প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, একজন বিচারপতি দিয়ে তদন্তের নামে ৪০ দিন পর প্রতিবেদন করে জানানো হয় এই হত্যাকান্ডের সঙ্গে বিদেশি কোনো দেশ জড়িত। তারা যদি জড়িত না থাকতেন, তাহলে সূর্য ওঠার আগে সিটি করপোরেশনকে দিয়ে হত্যাকাণ্ডের আলামত পরিষ্কার করালেন কেন?

    জনাব কাদের বলেন ,‘তারা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার করেননি বরং এই বিচার কার্য বন্ধ করার জন্য যা যা করার দরকার করেছেন। সবাই জানে কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।’

    মন্ত্রী বলেন, যে বুলেট শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে এতিম করেছে, সেই বুলেটই খালেদা জিয়াকে বিধবা করেছে, খুন খুনকে ডেকে আনে। হত্যা হত্যাকে ডেকে আনে। এই সত্য পাশ কাটিয়ে যাওয়ার কোনো উপায় নেই।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ইতিহাসের অবাঞ্চিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি বার বার ঘটেছে।“ আমি তো বলি জিয়াউর রহমান যদি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনিদের পুরস্কৃত না করতেন, নিরাপদে বিদেশে পাঠিয়ে না দিতেন, তাদের বিদেশি দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত না করতেন, এমনকি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার বন্ধ করতে ইনডিমিনিটি অধ্যাদেশ জারি না করতেন ও খুনিদের বিচার বন্ধ করতে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী না করতেন, তাহলে দেশে আর একটি খুনি চক্র জিয়াউর রহমানকে খুন করতে সাহস পেত না।”

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্য চোখের জল ফেললেই হবে না। বঙ্গবন্ধু যে শিক্ষা আমাদের দিয়ে গেছেন, যে বাংলাদেশের স্বপ্ন তিনি দেখেছেন, সেই বাংলাদেশটা যেন আমরা নির্মাণ করতে পারি। বঙ্গবন্ধুই বলেছিলেন, গ্রেট জব যদি তুমি করতে চাও, গ্রেট সেক্রিফাইস তোমাকেই করতে হবে।’

    সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু ছবি প্রদর্শন করে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন নয়। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করলে, তার নৈতিকতা থেকে শিক্ষা নিলে, সেটাই হবে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের শ্রেষ্ঠ উপায়।’ বাসস

  • আইভী রহমানের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

    আইভী রহমানের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

    আওয়ামী লীগের সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী বেগম আইভী রহমানের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার।

    ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সন্ত্রাসবিরোধী মিছিলপূর্ব এক শান্তিপূর্ণ সমাবেশে ঘাতকের দল বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা চালায় ও গুলিবর্ষণ করে। এই ন্যাক্কারজনক গ্রেনেড হামলায় বেগম আইভী রহমান গুরুতরভাবে আহত হন। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ৪দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে ২৪ আগস্ট শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    এ উপলক্ষে আগামীকালে সকালে মিনিটে বনানী কবরস্থানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ মরহুমার কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করবেন।

    এছাড়া বাদ আছর পরিবারের পক্ষ থেকে আইভী কনকর্ড টাওয়ারে (বাড়ি-২২, সড়ক-১০৮, গুলশান-২, ঢাকা) মিলাদ ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে। মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং মরহুমার শুভার্থীদের শরিক হওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে আপিল করা হবে’

    ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে আপিল করা হবে’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে আদালতে আপিল করা হবে।

    শনিবার সকালে ২১ আগস্ট বর্বর গ্রেনেড হামলায় নিহত আওয়ামী লীগের সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী বেগম আইভী রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

    আইভী রহমান প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীদের মধ্যে একজন নক্ষত্র।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ইনাম আহমেদ চৌধুরী, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ মাহমুদ হুমায়ুন এমপি, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠানসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরের নেতারা।

    ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সন্ত্রাসবিরোধী মিছিলপূর্ব এক শান্তিপূর্ণ সমাবেশে ঘাতকের দল বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা চালায় ও গুলিবর্ষণ করে। এই ন্যাক্কারজনক গ্রেনেড হামলায় বেগম আইভী রহমান গুরুতরভাবে আহত হন। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ৪দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে ২৪ আগস্ট শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

  • বাংলাদেশের রাজনীতিতে শূন্যতা বিরাজ করছে: ন্যাপ মহাসচিব

    বাংলাদেশের রাজনীতিতে শূন্যতা বিরাজ করছে: ন্যাপ মহাসচিব

    বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, ‘অনেক দিন ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক ধরনের শূন্যতা বিরাজ করছে।’ শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনের যাদু মিয়া মিলনায়তনে বাংলাদেশ ন্যাপের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী শফিকুল গানি স্বপনের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ‘জনগণের দাবি ও ভাষা বোঝে এমন একটি রাজনৈতিক শক্তি খুঁজছে দেশের সাধারণ জনগণ। বর্তমান শাসকগোষ্ঠী ও যারা দেশ শাসন করতে চায়, তারা জনগণের ভাষা বুঝতে পারছে না। সবাই ব্যস্ত হয় ক্ষমতায় টিকে থাকতে নাহয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে। এর ফলে আজ জনগণের নেতা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে।’

    তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে শূন্যতাকে পুঁজি করে চারদিকে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সতর্ক থাকতে হবে, যেন ষড়যন্ত্রকারীরা কোনও সুযোগ না পায়। যেন রাজনীতিবীদদের ভুলের কারণে দেশ বিরোধী কোনও অপশক্তি জাতির কাঁধে চেপে বসতে না পারে। গণতন্ত্র, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের ভিত্তিতে দেশে জাতীয় এজেন্ডা নির্ধারণ ও জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। রাজনীতিতে মতবিরোধ থাকবে, প্রতিযোগিতা থাকবে, তার মানে এই নয় যে প্রতিহিংসা ও ধ্বংসাত্মক রাজনীতিকে সমর্থন করতে হবে। দেশ-জাতির স্বার্থে এক সুরে কথা বলতে হবে। তাহলেই ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিরোধ করা সম্ভব।’

    বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বাংলাদেশ জনতা লীগ চেয়ারম্যান শেখ ওসমান গনি বেলাল, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির অতিরিক্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ জয়, বাংলাদেশ ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান কাজী ফারুক হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব মো. আতিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, ঢাকা মহানগর যুগ্ম সম্পাদক মো. শামিম ভুইয়া, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

  • রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকার ব্যর্থ: রিজভী

    রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকার ব্যর্থ: রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকার কিচ্ছু করতে পারেনি, কিছুই পারেনি। এদের বিষয়ে এতদিন হয়ে গেল, আপনারা একজনকেও ফেরত পাঠাতে পারলেন না!’

    শুক্রবার রাজধানীর নয়া পল্টনে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারকে উদ্দেশ্য করে রিজভী বলেন, এই ব্যর্থতা তো চরম ব্যর্থতা। আপনারা কূটনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়েছেন।

    রিজভী বলেন, এই সরকারের পতন তরান্বিত করতে হবে, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে। গণতন্ত্রের প্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মধ্য দিয়েই এই দেশের মানুষ মুক্তভাবে কথা বলার সুযোগ পাবে।

  • বঙ্গমাতা পর্দার অন্তরালে থাকা সাহসী এক নারী : ওবায়দুল কাদের

    বঙ্গমাতা পর্দার অন্তরালে থাকা সাহসী এক নারী : ওবায়দুল কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মীনি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পর্দার অন্তরালে থাকা সাহসী এক নারী।

    আজ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর বনানীতে তার কবরস্থানে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু দীর্ঘ ১২ বছরের জেল জীবনে তিনি একদিকে ঘর অন্যদিকে দল সামলেছেন। কিন্তু সামনে না এসে থেকেছেন সবসময় পর্দার অন্তরালে। আজ আমরা বাংলার ইতিহাসের বীর এই নারীর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে এসেছি।’

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসের অসীম সাহসী এক নারী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের আজ জন্মদিন। আগস্টে তার জন্ম আগস্টেই তার রক্তাক্ত বিদায়। আনন্দ-বেদনা হাসি-কান্নার মিশেলে আজ আমরা তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সমাধিস্থলে এসেছি।’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘তিনি শুধু বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী না, ছিলেন সহকর্মী, বন্ধু। শেখ মুজিবুর রহমানের দীর্ঘ এক যুগের জেল জীবনে একদিকে যেমন পরিবারকে সামলেছেন ঠিক তেমনি সে সময়ে দলকে সামলানোর দায়িত্বও ছিল তার কাঁধে। তিনি কখনো সামনে আসেননি, পর্দার আড়ালে থেকেই তার কাজ সম্পাদন করে গেছেন।

    এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও এনামুল হক শামীম, তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ ও কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মারুফা আক্তার পপি উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে বঙ্গমাতার আত্মার শান্তি এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।