নবজাতকের জন্ম যে কোন পরিবারে আনন্দের বন্যা বইয়ে দেয়। আর একইসঙ্গে দুটো শিশুর জন্ম এর মাত্রাটা আরও দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়। বিষয়টা আনন্দের হলেও আজকের দিনে একই সময়ে দুটো বাচ্চার যত্ন নেওয়া কিন্তু সহজ কাজ নয়। এ সময় আপনাকে সাহায্য করার কেউ থাকলে তো ভালো নতুবা নানা সমস্যা পরতে হয়। তবে কিছু টিপস মেনে চললে কঠিন এ সময়েও জমজ শিশুদের যত্নে আপনাকে কোন অসুবিধায় পরতে হয় না। শিশুদের যত্নবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘টুইনইভারসিটি’ অবলম্বনে জেনে নিন জমজ শিশুর পরিচর্যায় কিছু টিপস-
Category: লাইফস্টাইল
-

একা হাতে জমজ শিশুর পরিচর্যা
একই সময়সূচি: একই সময়ে জমজ সন্তানদের যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করুন। এজন্য বাচ্চারা কখন ঘুমোচ্ছে, খাচ্ছে, কখন জামা-কাপড় বদলাতে হচ্ছে-এগুলো ডায়েরিতে লিখে রাখুন। এতে দুটি বাচ্চাই সমানভাবে যত্ন-আত্তি পাবে। একইসঙ্গে আপনিও নিজেকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারবেন। তবে প্রথম প্রথম এই কাজগুলো করতে সমস্যা হলেও সময়ে সব ঠিক হয়ে যাবে। আরামদায়ক জায়গা নির্ধারণ: কোন কোন জায়গায় শোয়ালে বাচ্চারা চটজলদি ঘুমিয়ে পরে তার একটা লিস্ট তৈরি করে নিন। সে অনুযায়ী তাদের ঘুমাতে দিন। এতে আপনি নিজের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাবেন। ডাবল স্টোলার (দুই আসনের বাহন) :প্রত্যেকদিন সময় করে শিশুদের নিয়ে বাইরে বের হোন। অভ্যাসটি আপনাকে ও শিশুদের মানসিকভাবে ভালো রাখবে। তাজা বাতাস যে কোনো ধরনের শারীরিক অসুবিধা থেকে দূরে রাখে। সেইসঙ্গে মনও সুন্দর এবং সতেজ থাকে। এক্ষেত্রে জমজদের যত্নে ডাবল স্টোলারের কোন বিকল্প নেই। একই সময়ে ঘুম পাড়ান : বাচ্চাদের একই সময়ে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করুন। তাদের কাপড় পাল্টানো, গোসল, খাওয়ানো প্রভৃতি কাজগুলোও একই সময়ে করার চেষ্টা করুন। কাজগুলো প্রতিদিন একই নিয়মে করলে দেখবেন, বাচ্চারা প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ওই একই কাজটি করবে। এতে সংসারের অন্য কাজগুলো করা আপনার জন্য সহজ হবে। তবে কাজের ফাঁকে ফাঁকে বাচ্চাদের এসে দেখে যেতে ভুলবেন না যেন। মেঝেতে বসান :দিন দিন বাচ্চারাও বড় হতে থাকে। তাই মেঝেতে কোন পাটি কিংবা বিছানা বিছিয়ে তাদের বসানোর চেষ্টা করুন। প্রথমে একটি ধরে রেখে অন্যটিকে বসান। এভাবে করলে দেখবেন বাচ্চারা স্বাধীনভাবে খেলাধুলা করার চেষ্টা করবে। আরও : বাচ্চাদের খেয়াল রাখতে গিয়ে অনেক বাবা-মা নিজেদের খেয়াল রাখতে ভুলে যান। এজন্য নিজেতের যত্নে রাতে ভালো ঘুমোনোর চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে শিশুরা যখন ঘুমোচ্ছে, তাদের সঙ্গে আপনিও একটু ঘুমিয়ে নিন। অনেক সময় দুই শিশুর পরিচর্যা করতে গিয়ে বাবা-মা মানসিকভাবে কিছুটা খারাপ পরিস্থিতিতে ভুগতে পারেন। এমন হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। -

দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে আয়ুর্বেদীয় সহজ টিপস
আয়ুর্বেদ হোল ভারতবর্ষের প্রাচীন চিকিত্সাশাস্ত্রের এক অঙ্গ। ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিটি প্রায় ৫০০বছর পূর্বে উৎপত্তি হয়। এটি এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যাতে রোগ নিরাময়ের চেয়ে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার প্রতি বেশী জোর দেওয়া হয়। রোগ নিরাময় ব্যবস্থা করাই এর মূল লক্ষ্য। একটা সময় ছিল যখন শুধু আয়ুর্বেদ চিকিৎসার দ্বারাই সমস্ত রোগের এমন কি শল্য চিকিৎসা পর্যন্ত করা হতো। চিকিৎসা বর্তমানে ‘হারবাল চিকিৎসা’ তথা ‘অলটারনেটিভ ট্রিটমেন্ট’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানে এই চিকিৎসা বেশি প্রচলিত। পাশাপাশি উন্নত বিশ্বেও এই চিকিৎসা ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কোথাও কোথাও স্বীকৃতিও দেওয়া হচ্ছে আধুনিক চিকিৎসার মতোই। আয়ুর্বেদ পদ্ধতিতে সাধারণ কয়েকটি রুটিন মনে সুস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে ভালো ফল পেতে পারেন। এটি আপনার ইমিউন সিস্টেমকেও উন্নত করবে। নিচে সুস্থ রাখার জন্য সহজ কয়েকটি আয়ুর্বেদিক টিপস দেওয়া হল-
নিয়মিত ব্যায়ামশারীরিক কর্মকাণ্ড আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নিয়মিত হাঁটাহাটি করুন। প্রয়োজনে বাসা অথবা জিমে গিয়ে নিয়মিত ব্যায়াম করুন। সকালে পানি পান করুন
নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য ঘুম থেকে উঠার পর প্রতিদিন সকালে কুসুম গরম পানি পান করুন। স্বাস্থ্যকর খাদ্য খাওয়া
আপনার শরীরের উচ্চতা ও মাপ অনুযায়ী খাবার বাছাই করুন। একটি সঠিক খাদ্য অভ্যাস আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্য সমর্থন করবে। ঠান্ডা পানি পান না
ঠান্ডা পানি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপযুক্ত নয়, তাই এটি পান থেকে বিরত থাকুন। মাঝারি পরিমাণ খাবার খান
যদি আপনি যথোপযুক্ত হজম করতে চান, তাহলে নিশ্চিত করুন যে আপনার পেটে অর্ধেকটি শক্ত খাবার দিয়ে ভরা। আপনার পেট এক চতুর্থাংশ সর্বদা ফাঁকা রাখা উচিত। খাবারের মধ্যে বিরতি নিন
খাবারের মাঝে বিরতি অনুকূল পাচনের জন্য প্রয়োজন। ৪-৫ ঘন্টা ব্যবধানে আপনার প্রধান খাবার গ্রহণ করুন। শান্তভাবে খাওয়া
যখন আপনি খেতে বসবেন তখন আপনার স্মার্টফোন লক এবং টিভি বন্ধ রাখা নিশ্চিত করুন। তেলযুক্ত ম্যাসেজ
তেলযুক্ত একটি আয়ুর্বেদিক ম্যাসেজ যা অন্তত সপ্তাহে একবার করা উচিত। রুটিন অনুসরণ করুন
একটি দৈনিক বা সাপ্তাহিক রুটিন অনুসরণ করুন, যে লক্ষ্য থেকে সরে আসবেন না। আপনার শরীরের কথা শুনুন
আপনি যদি সুস্থ থাকতে চান তাহলে আপনার শরীরটি আপনাকে যা বলছে তা শুনতে হবে এবং সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে।
সূত্র: অর্গানিক হেলথ সেল্যুয়েশন। -

ভুয়া সংবাদ ধরার চেষ্টায় ব্যর্থ ফেসবুক
ভুয়া/ভিত্তিহীন সংবাদ ধরার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছে ফেসবুক। নিজেদের প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা কোনো সংবাদ ভুয়া মনে হলে ফেসবুক লাল সতর্কতা সংকেত ‘বিতর্কিত’ দেখাত। কিন্তু এখন থেকে আর দেখাবে না। ফেসবুক জানিয়েছে, গত এক বছর ধরে চলা এই প্রক্রিয়ায় তেমন একটা সুফল পাওয়া যায়নি।
২০১৬ সালের ডিসেম্বরে ফেসবুক প্রথমবারের মতো ওই ‘বিতর্কিত’ আইকনটি দেখানো শুরু করে। এখন থেকে ফেসবুকে শেয়ার করা সংবাদের পাশে এই আইকন দেখবেন না ব্যবহারকারীরা। তার বদলে শেয়ার করা সংবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ (রিলেটেড আর্টিকেলস) দেখানো হবে।
-

বহনযোগ্য ইলেকট্রিক স্কুটার বাজারে আসছে
জিওমি চীনের বাজারে নিয়ে আসছে মি ইলেকট্রিক নামে একটি স্কুটার। ভাঁজ করে বহন করা যায় এমন ডিজাইনের স্কুটারটি সাদা এবং কালো রঙের। স্কুটারটি ইতোমধ্যে চিনের বাজারে চলে এসেছে। মি ইলেকট্রিক স্কুটারটি ২৯০ মার্কিন ডলারে বিক্রি হবে। জিওমির এই স্কুটারটি তৈরি করা হয়েছে বিমান গ্রেডের অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে।
স্কুটারটির ওজন ১২.৫ কেজি। ইলেক্ট্রিক স্কুটারটি প্রতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫ কিলোমিটার চলে। এতে এলজি ১৮৫০ ইভি-লিথিয়াম আয়ন সেলসহ ২৮০ ওয়াট আওয়ার সাপোর্টেড ব্যাটারি আছে। এটি সর্বোচ্চ ৫০০ ওয়াট পর্যন্ত ক্ষমতা প্রদানে সক্ষম।
মজার বিষয় হলো মি ইলেক্ট্রিক স্কুটারটি একটি মাত্র বাটন চাপ দিয়েই ভাঁজ করা যায়। জিওমি সংস্থা জানিয়েছে, মাত্র তিন সেকেন্ডে এই স্কুটারটি ভাঁজ করা যাবে। সেক্ষেত্রে খুব সহজেই স্কুটারটি বহন করা যাবে।
-

কোমর ব্যথায় যে ৫ কাজ করবেন না
দৈনন্দিন জীবনে আমরা সকলেই কোনো না কোনো কাজে ব্যস্ত থাকি। আর যারা চাকরি করেন, তাদের অফিসে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়। এরকম নানা কারণে অনেকেই কোমর ব্যথায় ভুগে থাকেন। কোমরে ব্যথা থাকলে কিছু কাজ এড়িয়ে যাওয়া উচিত। জেনে নিন কি কি করবেন না :
১. ভারী জিনিস বহন করলে কোমর ব্যথা বাড়তে পারে। তাই একবারে বেশি ওজন বহন না করবেন না।
২. কোমর ব্যথায় আক্রান্তরা সাধারণত ব্যায়াম করা থেকে নিজেদের বিরত রাখেন। কিন্তু এটা ভুল ধারণা। ব্যায়াম পেশিকে শক্ত করে এবং শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। তাই ব্যায়াম করুন। তবে কোন ধরনের ব্যায়াম আপনার জন্য সঠিক সেটি জেনে নিতে হবে।
৩. বসার সময় হাত ও পায়ের অবস্থান ঠিকমতো না থাকলে কোমর ব্যথা বাড়তে পারে। সামনের দিকে ঝুঁকে না বসে মেরুদণ্ড সোজা রেখে বসুন। আর অন্তত এক ঘণ্টা অন্তর একটু হাঁটুন, বসার প্যাটার্ন পরিবর্তন করুন। এ ক্ষেত্রে চেয়ার পরিবর্তন করেও দেখতে পারেন।
৪. কোমর ব্যথা হলে অনেকেই গরম বা ঠাণ্ডা পানির সেঁক দিয়ে থাকেন। এতে অল্প সময়ের জন্য আরাম হলেও দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা কমানো সম্ভব হয় না। তাই বাড়িতে চিকিৎসা না করে চিকিৎসক ও ফিজিওথেরাপিস্টের সাহায্য নিন। আর এক সপ্তাহের বেশি ব্যথা থাকলে দেরি করবেন না। অবশ্যই চিকিৎসক অথবা ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নিন।
৫. ব্যথা হলে নিজেই ডাক্তারি করবেন না। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খাবেন।
-

যেসব খাবার ব্যায়ামের পর খাবেন
সুস্বাস্থ্যের জন্য অনেকেই নিয়মিত ব্যায়াম করেন। আর ব্যায়ামের ফলে শরীর ক্লান্ত হয়, তখন প্রয়োজন হয় খাবার ও পানি। সেসময় কেউ যদি ঠিকভাবে খাওয়াদাওয়া না করেন তাহলে কখনই ভালো ফল আসে না। ব্যায়ামের পুরাপুরি উপকার পেতে হলে সে অনুযায়ী সাজিয়ে নিতে হবে খাদ্যভ্যাস।
১. যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করুন
আপনার যদি খুব বেশি ঘাম হয়ে থাকে কিংবা ৬০ মিনিটের বেশি সময় ধরে ভারী ব্যায়াম করেন, তবে শুধু পানি নয়, কোনো একটি ভালো মানের স্পোর্টস ড্রিঙ্ক পান করা আপনার জন্য জরুরি। আর কম কষ্টের ব্যায়াম করলে আপনার জন্য পানি পান করাই যথেষ্ট।২. প্রোটিন ছাড়াও অন্যান্য খাবার খান
পেশি তৈরির মুল উপাদান হলো প্রোটিন, তাই ব্যায়ামের পর প্রোটিন খাওয়া জরুরী। এ ছাড়াও ভিটামিনযুক্ত খাবার এবং স্টার্চ জাতীয় শর্করা যেমন মিষ্টি আলু অথবা শিম।৩. ব্যায়ামের আধাঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টার মধ্যেই খাওয়াদাওয়া করুন
খুব ভারী ব্যায়াম করে ফেললে যত জলদি সম্ভব ক্ষতিপূরণ করতে কিছু খেয়ে নিন। ব্যায়ামের সময়ে অনেক পুষ্টি উপাদান ক্ষয় হয় তাই আবার তা পূরণ করে নেয়া জরুরী।৪. অতিরিক্ত খেয়ে ফেলবেন না
ব্যায়ামের পর অতিরিক্ত খেয়ে ফেলবেন না। একটু বেশি খেতে খেতেই অনেক বেশি ক্যালোরি খাওয়া হয়ে যায় ফলে ওজন আর নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে না। মোটামুটি কত ক্যালোরি ক্ষয় করলেন এবং কত ক্যালোরির খাবার খাবেন তার ব্যাপারে লক্ষ্য রাখুন।৫. খাওয়া শুরু করুন ‘আসল’ খাবার
খাবার থেকেই আসে আপনার জীবনীশক্তি। এ কারণে প্রাকৃতিক, টাটকা খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন।