Category: লাইফস্টাইল

  • স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর চমৎকার কিছু উপায়!

    স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর চমৎকার কিছু উপায়!

    প্রযুক্তি ও গতিশীলতার এই যুগে কাজ ও জীবনের চাপে পড়ে অনেকেই স্মৃতিশক্তি হারাতে বসেছেন। চারপাশে এখন অনেকের কাছেই স্মৃতিশক্তি হারাচ্ছেন বলে আক্ষেপ শোনা যায়। তবে কর্মব্যস্ত জীবনে স্মৃতিশক্তি ধরে রাখাটা একটা চ্যালেঞ্জ বটে। এজন্য দরকার সঠিক পন্থা অবলম্বন। নিচে স্মৃতিশক্তি ধরে রাখার তেমনই কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো :

    ১. রুটিন করে চলুন:

    স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর একটা সহজ উপায় হল নিজের মত করে কাজের রুটিন তৈরি করা, আর সেটা পালন করা। রুটিন পালন করে কোনও কাজ করলে আমাদের মস্তিষ্ক অনেক বেশি মনে রাখতে পারে। আমরা যে কাজটা করেছি বা করব সে সবই যদি লিখে রাখি। কোন কাজটা করব আর কোন কাজটা করব না। বা কোন কাজটা করা হল বা করা হল না। সে সবই লিখে রাখলে সহজেই তা মনে থাকে।

    ২. ‘ব্রেন গেম’ খেলুন :

    ভিডিও গেম নয় খেলুন ব্রেন গেম। ইন্টারনেটে ব্রেন গেমের নানা রকম ভিডিও দেখুন। দাবা খেলুন। তবে ভাল না লাগলে শুধু স্মৃতিশক্তি বাড়াতে হবে বলেই ব্রেন গেম খেলব, দাবা খেলব এমনটা করতে যাবেন না।

    ৩. মস্তিষ্ককে ব্যস্ত রাখুন :

    রুটিন করে মস্তিষ্ককে দিনের একটা বিশেষ সময়ে ব্যস্ত রাখুন। যেমন ধরুন প্রতিদিন সকালে শব্দছকের খেলা অভ্যাস করুন। কিংবা ছেলে মেয়েদের পড়ানোর ফাঁকে নিজে একবার নামতটা মুখস্থ করুন

    ৪. প্রচুর পানি গ্রহণ করুন :

    খাদ্যাভাসের সঙ্গে স্মৃতিশক্তির দারুণ একটা সম্পর্ক রয়েছে। ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। গরুর দুধ, জল বেশি করে খান।

    ৫. ভিন্ন পথ অনুসরণ করুন :

    একই পথে রোজ বাড়ি না ফিরে একটু অন্য পথে ফিরুন। একঘেঁয়েমি কোনও কাজ মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি কমিয়ে দেয়। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে অফিস কিংবা কাজ থেকে বাড়ি ফিরতে অন্য কোনও পথে বাড়ি ফিরলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে।

    ৬.  নতুন কিছু শিখুন :

    নতুন কোনো কাজ শেখার চেষ্টা করলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। এই যেমন ধরুন আপনি হয়তো কাগজের প্লেন তৈরি করতে জানেন না। সেটা শিখে নিয়ে তৈরি করুন। কিংবা নতুন কোনো কাজ করতে শুরু করুন। স্মৃতিশক্তি এতে বাড়বে। মানসিক চাপ থেকে এড়িয়ে চলুন। মানসিক চাপ বাড়লে স্মৃতিশক্তি কমতে শুরু করে। বন্ধু ও পরিচিতজনের সংখ্যা বাড়ান এবং তাদের সঙ্গে গড়ে তুলুন গঠনমূলক সুন্দর সামাজিক সম্পর্ক।

    ৭. কৌশলী হোন :

    যখন কোনো জিনিস মনে করবেন তখন বাঁ হাতের আঙুলগুলো মুঠো করে রাখুন। গবেষণায় দেখা গেছে, বাঁ হাতে মুঠো করলে মস্তিষ্কে এমন একটা বার্তা যায় যা আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। ফোন নম্বর মনে রাখার এটা একটা দারুণ অস্ত্র। বাঁ হাত মুষ্টিবদ্ধ।

    ৮. ঘুমানোর আগে করণীয় :

    রাতে শোওয়ার আগে নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন। মনে করার চেষ্টা করুন সারাদিন কী করলেন। তবে হ্যাঁ, স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। নির্ঘুম শরীর অনেকাংশেই মনের ক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলে। তাই ঘুম হতে হবে ঠিকঠাক।

  • পাঁচ মিনিট খালি পায়ে হাঁটলে যেসব পরিবর্তন আসে শরীরে!

    পাঁচ মিনিট খালি পায়ে হাঁটলে যেসব পরিবর্তন আসে শরীরে!

    সকালে প্রাতঃ ভ্রমণে বেরিয়ে ব্যায়াম করার সময় কিছুক্ষণ ঘাসের উপর দিয়ে হাঁটতে বা দৌড়ানোর চেষ্টা করুন। বিশেষত ঘাসের ওপর দিয়ে খালি পায়ে কিছুক্ষণ হেঁটে নিন। কারণ খালি পায়ে ঘাসের উপর দিয়ে হাঁটলে দেহের উপকার হয় এবং শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকে। তাছাড়া ওজন কমাতে ও সুস্থ থাকতে হাঁটা সবচাইতে ভালো শরীরচর্চা। ঘাসের উপর হাঁটার সুফলগুলো জেনে নিন এক নজরে-

    ১. পা সুস্থ রাখে:

    খালি পায়ে হাঁটতে পারলে পায়ের জন্য খুব ভালো ব্যায়াম হয়। এরফলে পায়ে শক্তি বৃদ্ধি পায়, পেশী মজবুত হয়, পায়ের রগ ও লিগামেন্টস, পায়ের গোড়ালি এবং পায়ের পাতা শক্তি বৃদ্ধি পায়। খালি পায়ে ঘাসে হাঁটলে কোনো কোনো আঘাত নিরাময় হয়, হাঁটুর সমস্যা ভালো হয়, পিঠের সমস্যাও ভালো হয়ে যায়।

    ২. শরীরের ভারসাম্য রক্ষা পায়:

    জুতা পায়ে সবসময় হাঁটলে দেহের ভারসাম্য নষ্ট হয়। যদি খালি পায়ে হাঁটা হয় তবে পায়ের পেশি ভালোমতো কাজ করে এবং দেহের ভারসাম্য রক্ষা হয়।এটি দেহের অঙ্গ বিন্যাসকে সঠিক রাখতেও সাহায্য করে।

    ৩. অন্যান্য অঙ্গ পতঙ্গ ভালো রাখে

    বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত খালি পায়ে হাঁটলে পায়ের পাতা, শিরা-উপশিরা, গোড়ালি ইত্যাদি অঙ্গের শক্তি বৃদ্ধি পায়। ক্রনিক পেশির ব্যথা এবং জয়েন্টে ব্যথা কমে। হাঁটুর ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে খালি পায়ে হাঁটা।

    ৪.  পেশির শক্তি বাড়ায়

    নিয়মিত খালি পায়ে হাঁটলে পেশির শক্তি বৃদ্ধি পায়। প্রথমে হাঁটতে গিয়ে একটু অস্বস্তি অনুভব হলেও কয়েকদিন এভাবে হাঁটলে পেশিগুলো ভালোভাবে কাজ করে এবং পেশির শক্তি বাড়তে থাকে।

    ৫. মানসিক চাপ দূর হয়

    অনেকেই মনে করেন পৃথিবীর মাটি- যেখানে ঘাস, লতাগুল্ম ইত্যাদি থাকে সেগুলোর স্পর্শ যদি পায়ের পাতা পায় তাহলে মন চনমনে হয়। তবে আমরা জুতা পায়ে হেঁটে এই অনুভূতি থেকে নিজেদের বিছিন্ন করে ফেলি। খালি পায়ে হাঁটলে প্রকৃতির অফুরান প্রাণশক্তি আপনাকেও স্পর্শ করতে পারে এবং এতে আপনার মানসিক চাপ কিছুটা হলেও দূর হবে। তবে এসব উপকার পেতে অনেকক্ষণ খালি পায়ে হাঁটার দরকার নেই, কেবল নিয়মিত পাঁচ মিনিট হাঁটলেই হবে। তাই যদি সম্ভব হয়, নিয়ম করে খালি পায়ে হাঁটুন, মাত্র পাঁচ মিনিট।

     

  • ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায় কাঁচা টমেটো

    ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায় কাঁচা টমেটো

    প্রতিদিন দুটো করে কাঁচা টমেটো খেলে বায়ু দূষণ যতই বাড়ুক না কেন ফুসফুসের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনও চিন্তাই করতে হবে। কারণ ফুসফুস-এর দেখাশোনার দায়িত্ব সেক্ষেত্রে নিয়ে নেবে এই রক্তিম সবজিটি। কিন্তু টমেটো কিভাবে ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়াবে? ব্লমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেল্থের গবেষকদের করা একটি স্টাডিতে দেখা গেছে টমেটোর ভেতরে এমন অনেক শক্তিশালী উপাদান রয়েছে, যা ধূমপান এবং বায়ু দূষণের কোনও প্রভাব যাতে ফুসফুসের উপর না পরে, সেদিকে খেয়াল রাখে।

    সেই সঙ্গে ফুসফুসের কর্মক্ষমতাও মারাত্মক বৃদ্ধি করে। প্রসঙ্গত, জার্মানি, ইংল্যান্ড এবং নরওয়ের প্রায় ৬৮০ জন বাসিন্দার উপর প্রায় ১০ বছর ধরে এই গবেষণাটি চালানোর পর টমেটোর এইসব গুণাগুণ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। এই পরীক্ষাটি চলাকালীন গবেষকরা লক্ষ করেছিলেন যে নিয়মিত টমেটো খাওয়ার অভ্যাস করলে একদিকে যেমন ফুসফুসের ফাংশনের উন্নতি ঘটে, তেমনি ভঙ্গুর শরীরও বল ফিরে পায়। সেই সঙ্গে আরও সব শারীরিক উপকারিতা মিলতে শুরু করে, যে সম্পর্কে এই প্রবন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

    রান্নায় এই সবজিটির ব্যবহার বাঙালিরা প্রায়শই করেই থাকেন। কিন্তু কাঁচা টমাটো খাওয়ার অভ্যাস সচরাচর খুব একটা চোখে পরে না। একথা বলতে দ্বিধা নেই যে রান্নার পরিবর্তে যদি কাঁচা অবস্থায় নিয়মিত ২-৩ টা করে টমাটো খাওয়া যায় তাহলে দারুন উপকার মেলে। এক্ষেত্রে শরীরের যে যে উপাকার হয়…

    ১. ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি দূর করে:
    নিয়মিত যদি একটা করেও টমেটো খেতে পারেন তাহলে দেহের অন্দরে দিনের চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ ভিটামিন সি-এর ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে ভিটামিন এ, পটাশিয়াম এবং আয়রনের চাহিদাও পূরণ হয়। এবার ভাবুন তো যদি একটার জয়গায় দুটো করে টমাটো খেতে পারেন, তাহলে কতটাই না উপকার মেলে। প্রসঙ্গত, নার্ভের কর্মক্ষমতা বাড়াতে পটাশিয়াম বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। অন্যদিকে আয়রন, রক্তাল্পতা দূর করতে সাহায্য করে।

    ২. হাড় শক্তপোক্ত হয়:
    ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন-কে সমৃদ্ধি হওয়ার কারণে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে টমাটোর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই তো বুড়ো বয়সে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগের হাত থেকে বাঁচতে এখন থেকেই টমাটো খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন।

    ৩. ক্যান্সার বিরোধী:
    একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে টমাটোয় উপস্থিত লাইকোপেন প্রস্টেট, কলোরেকটাল এবং স্টমাক ক্যান্সার রোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে লাইকোপেন হল একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা কোষের বিভাজন ঠিক মতো হতে সাহায্য করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা কমে। আর যদি একবার ক্যান্সার কোষ জন্ম নিয়েও নেয়, তাহলেও যাতে তার বৃদ্ধি দ্রুত গতিতে না হয়, সেদিকে টমাটো খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই মারণ রোগ শরীরকে ক্ষয় করার সুযোগ পায় না।

    ৪. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:
    টমাটোয় উপস্থিত লাইকোপেন নামে একটি উপাদান ত্বকের সৌন্দর্যতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে আরেকভাবেও এই সবজিটিকে কাজে লাগাতে পারেন। কীভাবে? ১০-১২ টা টমাটো নিয়ে ভেতরটা পরিষ্কার করে নিন। তারপর টমনাটোর স্কিনটা ভুল করে সারা মুখে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখুন। ১০ মিনিট পরে ভাল করে মুখটা ধুয়ে নিন। সপ্তাহে কয়েকবার এমনভাবে ত্বকের পরিচর্যা করলে দেখবেন বলিরেখা কমতে শুর করবে। সেই সঙ্গে স্কিনের ঔজ্জ্বল্যও বৃদ্ধি পাবে।

    ৫. ধূমপানের কুপ্রভাব থেকে বাঁচায়:
    টমাটোয় রয়েছে কিউমেরিক এবং ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড, যা কার্সিনোজের প্রভাব থেকে শরীরকে রক্ষা করে। ফলে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়। তাই যারা একান্তই ধূমপান ছাড়তে পারছেন না, তারা দয়া করে দিনে ২-৩ টে কাঁচা টমাটো খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন।

    ৬. চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:
    চুলের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধিতে ভিটামিন-এ-এর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আর এই উপাদানটি প্রচুর মাত্রায় রয়েছে টমেটোতে। তাই দীর্ঘদিন যদি চুলকে সুন্দর রাখতে চান, তাহলে কী করণীয়, তা নিশ্চয় আর আলাদা করে বলে দিতে হবে না। প্রসঙ্গত, দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতেও ভিটামিন-এ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    ৭. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতি দূর হয়:
    কখনও খাবারের সঙ্গে তো কখনও অন্যভাবে আমাদের শরীরে টক্সিক উপাদানের প্রবেশ ঘটে। এই ক্ষতিকারক উপাদানগুলি যাতে শরীরের কোনও ক্ষতি করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সেই সঙ্গে একাধিক রোগের হাত থেকেও রক্ষা করে। টমাটো যেহেতু অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, তাই তো শরীরকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত কাঁচা টমাটো খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

    ৮. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়:
    টমেটোতে উপস্থিত ভিটামিন এ, ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের আশঙ্কা তো কমায়ই, সেই সঙ্গে রাত-কানার মতো রোগ দূর করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি কমে যাক, এমনটা যদি না চান, তাহলে নিয়মিত টমাটো খেতে ভুলবেন না যেন!

    ৯. হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায়:
    টমাটোয় উপস্থিত ভিটামিন বি এবং পটাশিয়াম, শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। সেই সঙ্গে রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, যাদের পরিবারে হাই কোলেস্টেরল এবং ব্লাড প্রেসার রোগের ইতিহাস রয়েছে তারা আজ থেকেই কাঁচা টমাটো খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন আয়ু বাড়বেই বাড়বে।

    ১০. কিডনি স্টোনের আশঙ্কা কমায়:
    একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বীজ সমেত টমাটো খেলে কিডনিতে স্টোন হওয়ার আশঙ্কা একেবারে শূন্যে এসে দাঁড়ায়।

  • মায়ের স্বামী যিনি, মেয়ের স্বামীও তিনি!

    মায়ের স্বামী যিনি, মেয়ের স্বামীও তিনি!

    মা ও মেয়ের একজনই স্বামী! অবিশ্বাস্য হলেও এটাই রীতি মাণ্ডী সম্প্রদায়ের। প্রাচীন এই জনগোষ্ঠীর বাস ভারত এবং বাংলাদেশ সীমান্তের পাহাড়ি অঞ্চলে। মা ও মেয়ে দুজনেই তার সঙ্গে ভাগ করে নেয় শয্যা।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে দুই মাণ্ডী নারী এবং তাদের স্বামীর কথা। মা’র নাম মিত্তামোনি। বয়স ৫১ বছর। মেয়ে ওরোলা ডালবোট (৩০)। মা ও মেয়ের স্বামীর নাম নোতেন। এই পরিবারটির বাস মধুপুরের জঙ্গল ঘেরা গ্রামে। ঢাকা থেকে মধুপুর যেতে সময় লাগে গাড়িতে ৬ ঘণ্টা।

    ওই সংবাদ মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়, মধুপুরের এক প্রত্যন্ত মাণ্ডী গ্রামে বাস ওরোলা দাবোতের। কিশোরীবেলায় যেই সে স্বাদ পেল নারীত্বের‚ অমনি তার সামনে প্রকাশিত হল এক ভয়ঙ্কর সত্য। ওরোলার মা মিত্তামোনি তাকে জানালেন‚ যাকে এতদিন ওরোলা সৎ বাবা বলে জেনে এসেছে‚ সে আসলে তার স্বামী।

    মাতৃতান্ত্রিক হলেও মাণ্ডী সমাজে প্রচলিত আছে এক অদ্ভূত রীতি। যদি কোনো বিধবা তরুণী বিয়ে করতে চান‚ তাহলে তাকে বিয়ে করতে হবে শ্বশুরবাড়ির গোষ্ঠী থেকেই। যেরকম হয়েছে মিত্তামোনির সঙ্গে। মাত্র ২০ বছর বয়সে স্বামীকে হারান তিনি। এদিকে শ্বশুরবাড়ির বংশে তখন বিয়ের যোগ্য পাত্র ছিল একজনই। ১৭ বছর বয়সী নোতেন। তাকে বিয়ে করলেন মিত্তামোনি। কিন্তু মানতে হল শর্ত। যে‚ মিত্তামোনির মেয়ে যখন পূর্ণ নারী হবে‚ তখন সে হবে নোতেনের দ্বিতীয় স্ত্রী। এটাই প্রচলিত রীতি। নইলে‚ বেশি বয়সী নারীদের বিয়ে করতে রাজি হয় না অল্পবয়সী পুরুষ।

    ওরোলা যেমন জেনেছেন‚ মাত্র তিন বছর বয়সে নাকি তার বিয়ে হয় নোতেনের সঙ্গে। এখন মা-মেয়ে দুই বৌয়ের সঙ্গে দিব্যি আছেন নোতেন। সংসারে বড় হচ্ছে মা মিত্তামোনি এবং মেয়ে ওরোলার সন্তানরা। সবার বাবা‚ নোতেন।

    রীতির চাপে দীর্ঘশ্বাস ফেলেন ওরোলা। মাণ্ডী সমাজে মেয়েরাই বেছে নেয় জীবনসঙ্গী। প্রোপোজও তারাই করে। বিয়ের পরে শ্বশুরঘর করতে আসে স্বামী। এমনকী সম্পত্তির মালকিনও হয় মেয়েরাই। কিন্তু এসবের থেকে বঞ্চিত ওরোলা।

    মাঝখান থেকে নষ্ট হয়ে গেছে মা-মেয়ের সম্পর্ক। মিত্তামোনি এখন মা নন‚ ওরোলার সতীন। পানি‚ বিদ্যুৎহীন গ্রামে থেকে সংসার করে যান সতীন মা-মেয়ে। কলা‚ আনারস বেচে যোগাড় করেন অন্ন।

    আসলে উপজাতিদের মাতৃতান্ত্রিক সমাজ শাঁখের করাত। এখানে মেয়েদের উপার্জনও করতে হয়। আবার সংসারের ঊনকোটি তেষট্টিও সামলাতে হয়। পুরুষ তাদের পরজীবী মাত্র।

  • । দল বেঁধে গান করুন, ফলাফল অবিশ্বাস্য!

    । দল বেঁধে গান করুন, ফলাফল অবিশ্বাস্য!

    ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ ইস্ট অ্যাংগিলার গবেষকরা জানিয়েছেন, যারা প্রায়ই একসঙ্গে অনেকে মিলে গান করেন, তারা সহজে ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এই গবেষণার রিপোর্টটি বিএমজে জার্নাল মেডিক্যাল হিউম্যানিটিজ-এ প্রকাশিত হয়।

    গবেষকরা জানিয়েছেন, এক সঙ্গে গান গাইলে পরষ্পরের সঙ্গে সুসম্পর্কও বজায় থাকে। সামাজিক সম্পর্কগুলো ভাল থাকলে মানুষের মনও ভাল থাকে।

    গবেষণাটির আগে বেশ কয়েকজনের উপরে সমীক্ষা চালান গবেষকরা। সমীক্ষাটির নাম ছিল, ‘সিঙ্গ ইয়োর হার্ট আউট’। যার অর্থ মন খুলে গান করুন। সমাজের বিভিন্ন মানুষ ছাড়াও যাঁরা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত, তাদেরকেও এই সমীক্ষার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

    প্রতি সপ্তাহে এদের জন্য একটি করে গানের ওয়ার্কশপের ব্যবস্থা করা হয়। যাঁরা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত, তাদের মধ্যে ধীরে ধীরে পরিবর্তন লক্ষ্য করতে থাকেন গবেষকরা।

  • ১২টি মডেলের ইলেকট্রিক গাড়ি আনছে BMW

    ১২টি মডেলের ইলেকট্রিক গাড়ি আনছে BMW

    গাড়ির স্বাদ বদলাচ্ছে বিএমডাব্লিউ। আগামী ২০১৯ সালের মধ্যে বৈদ্যুতিক এবং হাইব্রিড গাড়ির বিক্রি বাড়াচ্ছে বিশ্বের অন্যতম বড় গাড়ি-নির্মাণ সংস্থা। সংস্থার দাবি, ২০১৮ সাল থেকেই বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রির উপর জোর দেওয়া হবে। আর ২০১৯ সাল থেকে সেটিকে অন্য-মাত্রায় নিয়ে যাওয়া হবে।

    রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএমডাব্লিউ ২০১৩ সালে তাদের আই-৩ বৈদ্যুতিক গাড়ি আনলেও এর বিক্রি অপেক্ষাকৃত কম ছিল। এর ফলে পুরোপুরি বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরির উপর জোর দেওয়া হবে কিনা তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছিল সংস্থাটি। কিন্তু এই সিদ্ধান্তহীনতার অবস্থা শেষ হয় চলতি বছর সেপ্টেম্বরে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা বড় পরিসরে বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদনে যাবে। ২০২৫ সালের মধ্যে ১২টি পুরোপুরি বৈদ্যুতিক গাড়ির মডেল আনার লক্ষ্য নেয় তারা।

    বিএমডাব্লিউ’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা এই বছর বিশ্বব্যাপী এক লাখ পুরোপুরি বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রির লক্ষ্য পূরণ করতে পেরেছে। ক্রুগার বলেন, পুরোপুরি বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাণ খাতে যেতে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার জন্য দহন ইঞ্জিনচালিত গাড়ি তৈরি ও বিক্রিও অব্যাহত থাকবে। এক্ষেত্রে ফোকসভাগেন-এর দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “ডিজেল কেনা গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে চলা একদম অযৌক্তিক।” সময় বদলাচ্ছে। আর তাই বিএমডাব্লিউ প্রধানের মতে, বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরির উপরেই জোর দেওয়া উচিৎ।