Category: লাইফস্টাইল

  • কনকনে শীতের সকালে গরম গরম ভাপা পুলি

    কনকনে শীতের সকালে গরম গরম ভাপা পুলি

    শীত মানেই বাঙালির পিঠা খাওয়ার ধুম। ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, সেমাই পিঠা ইত্যাদি কত শত রকমের পিঠার সমাহার। শীতের সকালে উঠানে রোদ্দুরে বসে পিঠা খাওয়ার মজাই আলাদা। বাড়ির উঠানের সেই রোদ্দুর এখন সবাই উপভোগ করতে না পারলেও পিঠা খাওয়ার মজা নিতেই পারেন। কারণ গরম গরম ধোঁয়া ওঠা পিঠা-পুলির যে স্বাদ সেটা অন্য সময় পাওয়া যায় না। চলুন নারিকেল দিয়ে ভাপা পুলি পিঠার তৈরির একটি রেসিপি দেখে নেয়া যাক। মিষ্টি খেতে না চাইলে ভেতরে মাংস বা সবজির পুর দিয়েও তৈরি করতে পারেন-

    উপকরণ : আতপ চালের গুঁড়া আধা কেজি, ময়দা ৩ টেবিল চামচ, পানি পরিমাণ মতো, লবণ সামান্য, নারিকেল কোরানো দেড় কাপ, খেঁজুরের গুড় অথবা চিনি দেড় কাপ, সাদা তিল ভেজে গুঁড়া করা আধা কাপ, ঘি ২ টেবিল চামচ।

    প্রণালি :
    *নারিকেল, গুড় ও তিল একসাথে জ্বাল দিয়ে পুর তৈরি করে নিন। পুর ঠাণ্ডা হতে দিন।
    *এবার চুলায় পরিমাণমতো পানি দিন। লবণ দিন।
    *ফুটে উঠলে ২ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে চালের গুঁড়া ও ময়দা দিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন অল্প আঁচে। সিদ্ধ হলে নামিয়ে ভালো করে মথে নিন।
    *এবার কাই থেকে লুচির মতো বেলে ভিতরে পুর দিয়ে কোনাগুলো ভালো করে চেপে মুড়ে দিন। চাইলে সুন্দর নকশাও করে দিতে পারেন।
    *এবার হাঁড়িতে পানি দিয়ে ফুটে উঠলে বাঁশের চালনি বসিয়ে দিন। এই চালনিতে পিঠা দিয়ে ঢেকে ভাপ দিয়ে নিন। স্টিমারেও স্টিম দিতে পারেন। স্টিম করতে পারেন রাইস কুকারেও।
    *পিঠা সিদ্ধ হয়ে গেলে গরম গরম পরিবেশন করুন।

  • আদা-চায়ের উপকারিতা

    আদা-চায়ের উপকারিতা

    ক কাপ চায়ে যদি কয়েক কুচি আদা থাকে, তা হলে স্বাদ যেমন বাড়ে, সঙ্গে বাড়ে তার গুণও। এক কাপ খেলেই বহু সমস্যার সমাধান হতে পারে।

    গাড়িতে চড়লে অনেকের বমি বমি ভাব হয়। সেক্ষেত্রে আগে থেকে এক কাপ আদা চা খেয়ে নিন। বমি বমি ভাব কেটে যাবে।

    পেট খারাপ বা পেট ব্যথা হলে কী খাবেন বুঝতে পারেন না। এক কাপ আদা-চা খেয়ে নিন। পেট ভাল থাকবে।

    গায়ে, হাত ও পায়ে ব্যথা বা মাথার যন্ত্রণা থাকলে আদা-চা খান।

    অ্যালার্জি, সর্দির সমস্যা বা হার্টের সমস্যা থাকলেও এক কাপ চা সমাধান হিসেবে কাজ করবে।

    দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকঠাক হলে শরীর সুস্থ থাকে। তাই নিয়মিত আদা-চা খান।

    হাই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকার ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোগ করার ক্ষমতা বেড়ে যায়।

    স্ট্রেস কমানোর জন্যও এক কাপ আদা-চার জুড়ি মেলা ভার।

  • খুশকি দূর করার সহজ উপায়

    খুশকি দূর করার সহজ উপায়

    খুশকি সমস্যায় কখনোই ভোগেননি, এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়াই যাবে না! কারণ এটা অতি সাধারণ একটা সমস্যা। আর শীতকালে বাতাস শুষ্ক থাকে বলে এর প্রভাব বেশি দেখা যায়। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক খুশকি দূর করার উপায়।

    ১. জবা ফুল, আমলকি ও জলপাই একসঙ্গে বেটে পেস্ট করে চুলে লাগিয়ে, আধ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করলে খুশকি কমে যায়।

    ২. দুর্বা ঘাস ও নিমপাতা বাটা, ভিনেগার ও শসার রস মিশিয়ে পেস্ট করে মাথার তালুতে লাগিয়ে আধঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। খুশকি চলে যাবে।

    ৩. কাঁচা আমলকি ছেঁচে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে চুলায় গরম করে অথবা রোদে ২-৩ দিন শুকিয়ে বোতলে ভরে রেখে দিন। সপ্তাহে ২ দিন সেই তেল মাথায় লাগালেও খুশকি থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

    ৪. মেথি বাটা, আমলকির রস, ডিমের সাদা অংশ ও টকদই পানিতে পেস্ট করে মাথায় দিয়ে আধ ঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন তাতেও খুশকি চলে যাবে।

    ৫. আমলকি ও শিকাকাই গুঁড়া, নারকেল তেলের সঙ্গে পেস্ট করে চুলে দিন। শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করলে খুশকি চলে যাবে।

    ৬. পেঁয়াজের রস মাথার তালুতে দিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

    ৭. লেবু খুশকি দূর করে। এজন্য শ্যাম্পু করার পর এক মগ পানিতে লেবু মিশিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

    ৮. এক চা চামচ লেবুর রসের সাথে ৫ চা চামচ নারকেলের তেল ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর মাথার তালুতে লাগিয়ে ৩০-৩৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটিও খুশকি দূর করতে কাজ করবে।

  • শীতের সকালে অলসতা দূর করার উপায়

    শীতের সকালে বিছানা ছেড়ে উঠা অনেক কষ্টের কাজ। তারপরও কর্মব্যস্ত জীবনে বিছানা ছাড়তেই হয়। প্রস্তুতি নিতে হয় কর্মস্থলে যাওয়ার। সেক্ষেত্রে ঘুম কাটিয়ে শরীর ও মনে ফুরফুরে ভাব আনতে প্রথমেই এক গ্লাস পানি পান করে গোসল সেরে ফেলতে হবে। এছাড়া আরও কিছু উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো : ব্যায়াম : স্লিম হওয়ার জন্য বা স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্যই শুধু ব্যায়াম নয়। বরং এটি আপনার শরীরে রক্ত চলাচলের মাত্রা ঠিক রেখে আপনাকে কাজে মনোযোগী করে তোলে। এর পাশাপাশি আপনি শীতের সকালে যে জড়তা অনুভব করেন তা নিমিষেই কেটে যাবে এই ব্যায়ামের মাধ্যমে। তাই শীতের সকালকে উপভোগ করতে আর জড়তা কাটাতে ব্যায়াম করুন। গরম পানি দিয়ে গোসল : কর্মব্যস্ত জীবনে শীতের সকালে আরামের ঘুম হারাম করে বিছানা ছাড়তেই হয়। তবে কষ্ট ঘুম থেকে উঠলেও অনেকেরই সেই ঘুমঘুম ভাবটা থেকে যায়। ফলে দেখা যায় ঠিকমতো কাজে মন দিতে পারছেন না যেমন ঠিক তেমনই মেজাজ ও খারাপ হয়ে আছে। তাছাড়া শীতের সকালে জড়তা একটা ভাব থেকে যায় যা কাটতে চায় না। তাই এই জড়তা কাটাতে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করে নিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই। দেখবেন আপনি যেমন ফ্রেশ অনুভব করছেন ঠিক তেমনি আপনার ভেতর প্রাণবন্ত ভাব লাগছে। যা আপনাকে এই জড়তাভাব কাটিয়ে কাজে মনোযোগ দিতে সাহায্য করবে। কফি বা চা : শীতের সকাল মানেই আলসেমিতে ভরপুর। এই আলসেমি আর জড়তা ভরা সকালকে চাঙ্গা করতে আপনার সঙ্গী হতে পারে এক মগ গরম কফি কিংবা এক কাপ গরম চা। যা আপনাকে সারা দিনের ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করবে। এবং আপনি জড়তা কাটিয়ে পুনরায় কাজে ফিরে যাওয়ার প্রাণশক্তি পাবেন। স্বাস্থ্যকর নাস্তা : সকালের নাস্তায় গরম দুধ, মধু, মাখন এই সব রাখার চেষ্টা করুন। এই সমস্ত খাবার আপনাকে এই শীতের জড়তা কাটাতে সাহায্য করবে। সাথে সাথে মৌসুমী ফল রাখতে পারেন যা আপনার এনার্জি লেভেল বৃদ্ধি করে আপনাকে শীতের সকালের জড়তা এড়াতে সাহায্য করবে।

  • শীতে চুলের যত্নে উপকারী ৪ খাবার

    শীতে চুলের যত্নে উপকারী ৪ খাবার

    শীত কড়া নাড়ছে দরজায়। চুলও রুক্ষ হতে শুরু করেছে। জানেন কি এই ঋতুতে কোন কোন খাবার আপনার চুলকে রাখবে সুন্দর? চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখবে জেনে নিন এমন চারটি খাবারের নাম।

    পালং শাক

    ১) পালং শাকে রয়েছে প্রচুর আয়রন। যা চুলকে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে।

    ২) পালং শাক খেলে চুলে অক্সিজেন পৌঁছয় খুব তাড়াতাড়ি।

    ডিম

    ১) ভিটামিনে ভরপুর ডিম চুলের স্বাস্থের জন্য খুবই ভালো।

    ২) খাওয়ার পাশাপাশি ডিম মাথাতে লাগাতেও পারেন। এতে চুলের গোড়া মজবুত হবে এবং চুল পড়া বন্ধ হবে।

    ক্যাপসিকাম

    ১) ক্যাপসিকামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি থাকে। যা চুলের ভালো স্বাস্থ্যের অন্যতম উপাদান।

    ২) ভিটামিন-সি এর ঘাটতি হলে চুল রুক্ষ হয়ে যায় ও চুল তাড়াতাড়ি পড়ে যায়।

    ডাল

    ১) যে কোন ধরনের ডাল আয়রন ও প্রেটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

    ২) চুল ভাল রাখতে প্রতিদিন মেনুতে ডাল রাখুন।

  • হোয়াটসঅ্যাপ’র আপত্তিজনক কিছু লুকিয়ে রাখবেন যেভাবে

    হোয়াটসঅ্যাপ’র আপত্তিজনক কিছু লুকিয়ে রাখবেন যেভাবে

    হোয়াটসঅ্যাপে আসা আপত্তিজনক ফটো বা ভিডিও লুকিয়ে রাখা সম্ভব। আপনার বান্ধবীর সঙ্গে কাটানো কোনও দুষ্টু-মিষ্টি মুহূর্তের ছবি আপনি চাইলে লুকিয়ে রাখতেই পারেন। এর ফলে আপনার স্মার্টফোন অন্য কারও হাতে চলে গেলেও আপনার হোয়াটসঅ্যাপে আসা গুরুত্বপূর্ণ ছবি বা আপত্তিজনক ভিডিও আপনি ছাড়া আর অন্য কেউ দেখতে পাবেন না।

    মনে রাখতে হবে হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজ মারফত যত ছবি বা ভিডিও সারাদিন আপনার স্মার্টফোনে ঢোকে, সেগুলি জমা হয় ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজে। এবার এর মধ্যে অনেকেই এমন কিছু ছবি বা ভিডিও পাঠান, যেগুলি বাড়ির অন্যদের চোখে পড়ে গেলে আপনাকে অযথা হয়রানির মুখে পড়তে হবে। এই ঝামেলার হাত থেকে বাঁচার উপায় আজ এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে-

    ১। প্রথমেই চলে যান গুগল প্লে স্টোরে। আপনার স্মার্টফোনের জন্য কোনও একটি ফাইল এক্সপ্লোরার অ্যাপ নামান। যদি আপনার ফোনে ফাইল ম্যানেজার থাকে, তাহলে অবশ্য কোনও থার্ড পার্টি অ্যাপ ডাউনলোড করার দরকার নেই।

    ২। ফাইল ম্যানেজারে গিয়ে দেখুন ‘হোয়াটসঅ্যাপ’ বলে একটি ফোল্ডার রয়েছে। তার ভিতরে রয়েছে ‘মিডিয়া’ বলে আরেকটি ফোল্ডার।

    ৩। ‘মিডিয়া’ ফোল্ডারের ভিতর রয়েছে ‘WhatsApp Images’ নামের একটি ফোল্ডার।

    ৪। এবার সেই ফোল্ডারটির উপর আপনার আঙুলটি কিছুক্ষণ চেপে ধরে রাখুন। তাহলেই দেখতে পাবেন, ফোল্ডারটি ‘rename’ করার অপশন দেখাবে।

    ৫। এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। খুব মন দিয়ে পড়বেন। WhatsApp Images নামের ফোল্ডারটির নাম বদলে করুন ‘.WhatsApp Images’। লক্ষ্য করুন, ফোল্ডারের আসল নামের আগে একটি ‘ডট’ বসানো হয়েছে।

    ৬। ফোল্ডারটির নাম বদলে দিলেই সেটি ‘হিডেন ফোল্ডার’ হয়ে যাবে।

    ৭। এবার ফোনের ফাইল ম্যানেজার বা ফটো গ্যালারিতে গিয়ে ‘show hidden files’ অপশনটি বন্ধ করুন। এবার আর কেউ আপনার ফোনে হোয়াটসঅ্যাপে আসা কোনও ছবি দেখতে পাবে না। আপনি যখন চাইবেন, ‘শো হিডন ফাইলস’ অপশনটি ‘অন’ করে নিলেই দেখতে পাবেন কী কী ছবি আপনার মেসেজ এসেছে।

    ৮। একইভাবে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ ভিডিও, অডিও ফাইলও আপনি লুকিয়ে রাখতে পারেন।