Category: লাইফস্টাইল

  • হৃদরোগের ঝুঁকি কমাবে নারকেল তেল

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমাবে নারকেল তেল

    নারকেল তেল সাধারণত চুল পরিচর্চায় ব্যবহার করি আমরা। রান্নায় নারকেল তেলের ব্যবহার খুব কম বললেই চলে। তবে গবেষকরা বলছেন অন্যান্য তেলের থেকে নারকেল তেল খেলে হার্ট ভাল থাকে।
    কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক কে-টি খয়ো এবং অধ্যাপক নীতা ফরৌহি একটি সমীক্ষা করেন। যেখানে ৫০ থেকে ৭৫ বছর বয়সী ৯৪ জন মানুষকে নিয়ে ওই সমীক্ষা করা হয়। হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিস হয়নি এমন ব্যক্তিদের নিয়ে গবেষণায় তাদের বলা হয় প্রত্যেকদিন ৫০ গ্রাম কিংবা ৩ চামচ নারকেল তেল, নাহলে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল কিংবা আনসল্টেড বাটার টানা ৪ সপ্তাহ ধরে খান। গবেষকরা এই সমীক্ষার মাধ্যমে দেখতে চেয়েছিলেন, এই ধরনের ফ্যাট প্রত্যেকদিন শরীরে গেলে তাদের কোলেস্টেরলের মাত্রায় কী তফাৎ দেখা দেয়।

    ৪ সপ্তাহ পর দেখা যায়, যারা বাটার খেয়েছিলেন তাদের মধ্যে LDL কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা ১০ শতাংশ বেড়ে গেছে। যারা অলিভ অয়েল খেয়েছিলেন, তাদের মধ্যে LDL কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে গিয়ে HDL বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা ৫ শতাংশ বেড়েছে। সব থেকে চমকদার বিষয়, যারা ৪ সপ্তাহ ধরে রান্নায় নারকেল তেল খেয়েছিলেন, তাদের মধ্যে HDL বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা ১৫ শতাংশ বেড়েছে।

    তাই সমীক্ষা শেষে গবেষকদের মন্তব্য, হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নারকেল তেল খাওয়া খুবই জরুরি।

  • নিয়মিত পপকর্ন খেলে বাড়তে পারে আয়ু

    নিয়মিত পপকর্ন খেলে বাড়তে পারে আয়ু

    পপকর্ন খেতে আমরা অনেকেই ভালবাসি। আর সেই হাতে গরম পপকর্ন যদি পাওয়া যায় সিনেমা হলের মধ্যে তবে তো আর কথাই নেই। কারণ সিনেমা হলের অন্ধকার ঘরই আমাদের মতো পপকর্ন প্রেমীদের কাছে পপকর্ন খাওয়ার আদর্শ জায়গা।

    যদিও আমরা প্রায় প্রত্যেকেই কখনও না কখনও শুনেছি এসব জাঙ্ক ফুড খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক এবং এগুলো নাকি বিভিন্ন ভাবে আমাদের শরীরের যন্ত্রগুলোকে বিকল করে দেয়। কিন্ত তাও সব কথা অমান্য করে আমরা আমাদের মতো পপকর্ন খেয়ে যাই।

    এবার আমাদের বার্তা সেইসব পপকর্ন প্রেমীদেরই জন্য, এবার থেকে পপকর্ন যখন খাবেন চেষ্টা করবেন চিজ মেশানো মাইক্রোওয়েভড পপকর্ন না খেয়ে, নর্মাল মসলা ছাড়া পপকর্ন খেতে। এমনকি যারা পপকর্ন খান না তাদেরও বলব, আজ থেকে আপনার খাদ্য তালিকায় অবশ্যই পপকর্ন রাখুন। দেখবেন এই মসলা ছাড়া পপকর্ন আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে ম্যাজিকের মতো কাজ করবে। ভাবছেন কীভাবে?

    পপকর্নের মধ্যে আছে ১০০% দানা শস্য, যা আপনার শরীরে ফাইবারের যোগান দেয় আর এই ফাইবার আন্ত্রিক গোলয়োগ দূরে রাখে। এমনকি যারা কোষ্টকাঠিন্য বা গ্যাসট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্যও পপকর্ন অত্যন্ত উপকারী। এছাড়াও পপকর্নের মধ্যে যে ফাইবার থাকে তা আমাদের রক্তের বাড়তি কোলেস্টেরলকে সরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে, যা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাকে অনেক অংশে কমিয়ে দেয়।

    তাছাড়াও পপকর্নের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পলিফেনস নামক অ্যান্টিঅক্সিড্যন্ট থাকে। যা আমাদের শরীরে প্রবেশ করে ক্যান্সারের জীবাণুকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে এবং পপকর্নের মধ্যে থাকা অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টগুলো চুল পড়া, বয়সকালে চামড়ায় ভাজ পড়ার মতো সমস্যাগুলো রুখতে সাহায্য করে।

    আর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো এরমধ্যে কোনও রকম ফ্যাটযুক্ত জিনিস না থাকায় এটি কোনওভাবেই আপনার ওজন বাড়াতে সাহায্য করবে না বরং আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে পপকর্ন রাখলে সেটা আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে। তাই আজই চিপস বা অন্যান্য জাঙ্ক ফুড খাওয়া ছাড়ুন আর আপনার খাদ্য তালিকায় পপকর্নের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাবারকে অবশ্যই রাখুন। এতে আপনি সুস্থ এবং ঝরঝরেভাবে বাঁচবেন বহুকাল।

  • ক্যান্সার কোনো রোগ নয়, শব্দটি ‘মিথ্যা’

    ক্যান্সার কোনো রোগ নয়, শব্দটি ‘মিথ্যা’

    ক্যান্সার শব্দটি ‘মিথ্যা’ ছাড়া আর কিছু হতে পারে না। আধুনিক বিশ্বের ক্যান্সার শব্দটা এত বেশি ছড়িয়ে পড়েছে যে এটি বৃদ্ধ, তরুণ, শিশুসহ সবাইকে প্রভাবিত করেছে। কিছু শ্রেণি ‘ক্যান্সার’ শব্দটি ব্যবহার করে প্রচুর পরিমাণ অর্থ কামিয়ে নেন। কিন্তু প্রাকৃতিক উপায়েও ক্যান্সার সারিয়ে তোলা সম্ভব।

    ‘ক্যান্সার মুক্ত পৃথিবী; ভিটামিন ১৭ এর গল্প’ নামের একটি বই লেখা হয়েছিল। আলোচিত এই বইটি যাতে বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ না হয় সে ব্যাপারে বাধা দেয়া হয়েছে।

    আসলে ক্যান্সার কোনো রোগের নাম নয়, শরীরে ‘ভিটামিন ১৭’ এর অভাব। তাই ক্যান্সার হলেই সার্জারি, ক্যামোথেরাপি কিংবা এমন কোনো ওষুধ খাওয়ার দরকার নেই যা শরীরে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ক্যান্সার কোনো রোগ নয় যে তার চিকিৎসা করতে হবে এটা শুধুই শরীরের একটা ঘাটতি।

    চলুন মানব সভ্যতার পূর্বের সময়ে ফিরে যাই যখন ‘স্কার্ভি’ নামক রোগে ভুগে সমুদ্রে পাড়ি দেয়া বহু মানুষ মারা যেত। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেক মানুষই মারা গেছে। পরে আবিস্কার হয় যে স্কার্ভি শুধুই শরীরে ভিটামিন সি’এর ঘাটতি এবং এটা কোনো রোগ নয়। ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।

    বিশ্বকে একটা উপনিবেশ করে রাখতে ক্যান্সার শিল্প স্থাপন করা হয়েছে। এটিকে ব্যবসায় পরিণত করেছে যা থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা আয় করা যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ক্যান্সার শিল্প বিকশিত হয়।

    ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করতে এত বেশি সময় অপচয়, এ নিয়ে বিস্তারিত জানা কিংবা কাড়ি কাড়ি টাকা খরচের কোনো দরকার নেই। বহু আগেই ক্যান্সার নিরাময়ের উপায় আবিস্কৃত হয়েছে। ক্যান্সারের ব্যয়বহুল চিকিৎসার পথে না হেঁটে কোন বিকল্প পথে আমরা যেতে পারি।

    ক্যান্সার প্রতিরোধ ও নিরাময় যেভাবে সম্ভব
    যার ক্যান্সার হয়েছে তার জানা ক্যান্সারটা আসলেই কী?
    আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, তার পরিবর্তে আসল অবস্থা জানার চেষ্টা করুন।
    বর্তমানে কী কেউ স্কার্ভির কারণে মারা যায়? না। কারণ এটির নিরাময় করা হয়েছে।
    যেহেতু ক্যান্সার ভিটামিন ১৭ এর ঘাটতি তাই এপ্রিকোট (খুবানি-কমলা রঙের গোলাকার ফল) কিংবা অন্য কোনো ফলের ১৫/২০টি বীজ প্রতিদিন খেলেই যথেষ্ট।
    গমের কুড়ি কিংবা এর অঙ্কুর অবিশ্বাস্যভাবে ক্যান্সাররোধী মেডিসিন হিসেবে কাজ করে। এটি লিকুইড অক্সিজের সমৃদ্ধ উৎস যা ‘লেট্রিল’ নামেও পরিচিত। আপেলের বীজ ভিটামিন ১৭ এর বড় একটি উৎস যা ‘এমিজডালিন’ নামে পরিচিত।

    আমেরিকার মেডিসিনাল ইন্ড্রাস্ট্রি একটি আইন বাস্তবায়ন শুরু করেছে যাতে লেট্রিলের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এটি মেক্সিকোতে উৎপাদিত হয় এবং পাচার হয়ে আমেরিকাতে আসে।

    ডা. হ্যারল্ড ডব্লিউ. ম্যানার তার ‘ডেথ অব ক্যান্সার’ বইতে লেট্রিল দিয়ে ক্যান্সার নিরাময়ের বিষয়টি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে সফলতার হার ৯০ শতাংশের বেশি।

    ভিটামিন ১৭ এর আরও কয়েকটি উৎস
    ১.ফলের বীজ : আপেল, এপ্রিকেট, পীচ ফল (জাম জাতীয় ফল এবং জামের মতোই রসালো), নাশপাতি, আলুবোখারা, শুকনো বরই।
    ২.সীম জাতীয় খাবার: ডালের অঙ্কুর, সীম ও মটরশুটি
    ২.বাতাম: টকজাতীয় কাজুবাদাম ও ভারতীয় কাজুবাদাম,
    ৩. সবধরনের মালবেরিস(mulberries)
    ৪.বাতামি চাল, ধান, খামির, ছাঁটা ছাড়া চাল, কুমড়া

  • ব্লাড প্রেসারের জটিলতা

    ব্লাড প্রেসারের জটিলতা

    হৃৎপিন্ড সংকোচনের মাধ্যমে রক্ত পাম্প করে রক্তনালীর মাধ্যমে সারাদেহে রক্ত সরবরাহ করে থাকে। হৃৎপিন্ডের মাংসপেশী সংকোচন করে তার সাথে সংযুক্ত বড় বড় রক্তনালীতে রক্তের চাপ বৃদ্ধি করে। এই চাপের প্রভাবে রক্ত বড় বড় রক্তনালী থেকে শরীরের দূরবর্তী অংশে ছোট ছোট রক্তনালীতে প্রবাহিত হয়। আমরা জানি, তরল পর্দাথ অধিক চাপযুক্ত স্থান থেকে কমচাপ যুক্ত স্থানের দিকে প্রবাহিত হয়। ঠিক এভাবেই হৃৎপিন্ড থেকে চাপের প্রভাবে রক্ত প্রতি-মূহুর্তে সারাদেহে প্রবাহিত হয়ে থাকে। এ প্রক্রিয়া মাতৃগর্ভ থেকে মানুষের মৃত্যু অবধি বিরামহীনভাবে চলতে থাকে। অন্যভাবে বলতে গেলে হৃদস্পন্দন (হৃৎপিন্ডের সংকোচন) ও রক্ত প্রবাহই জীবন, যা থেমে গেলে জীবনের অবসান ঘটে বা মৃত্যু হয়।

    রক্তনালী মানবদেহে এমনভাবে বিস্তৃত যা শরীরের প্রতিটি অংশে রক্ত সরবরাহ করতে সক্ষম মানে দেহের প্রতিটি কোষের পাশে কোন না কোন রক্তনালী বিদ্যমান থাকে, যার মাধমে প্রতিটি কোষ প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি আহরণ করে থাকে এবং কোষে উৎপাদিত বর্জ্য পদার্থ ও কার্বনডাই-অক্সাইড আবার রক্তনালীতে ফেরত দিয়ে থাকে, এভাবেই রক্ত সরবরাহের মাধ্যমে একটি প্রাণীর প্রতিটি অঙ্গ বেঁচে থাকে এবং তার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করে থাকে।

    প্রতিটি রক্তনালী এমনভাবে তৈরী যাতে করে তার ভিতর রক্ত প্রবাহ (পরিমান) বৃদ্ধি পেলে রক্তনালী ইলাষ্টিকের মত প্রসারিত হয়ে অধিক পরিমান রক্তধারণ করতে পারে এর ফলে রক্তনালীতে চাপ বৃদ্ধি পায়। এভাবেই চাপের ফলে রক্তনালীর মধ্যে প্রতিনিয়ত রক্ত প্রবাহ সৃষ্টি হয়।

    উচ্চ রক্তচাপ এক ধরনের রক্তনালীর অসুস্থ্যতা যার ফলে রক্তনালী তার ইলাষ্টিসিটি বা সংকোচন ও প্রসারণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ইলাষ্টিসিটির মাধ্যমে চাপ প্রয়োগ করে রক্তনালী রক্ত পাম্প প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রক্তনালীর ইলাষ্টিসিটি নষ্ট হলে রক্ত প্রবাহের জন্য হৃৎপিন্ডকে আরও অধিক চাপ প্রয়োগ করতে হয়। যার ফলে বড় বড় রক্তনালীতে রক্তচাপ বৃদ্ধিপায়।

    চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এ অবস্থাকে উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে রক্তচাপের মাত্রা বেশি থাকার ফলে হৃৎপিন্ড অধিক চাপের বিপরীতে বেশি বেশি কাজ করতে করতে প্ররিশ্রান্ত হয়ে যায়। ফলশ্রুতিতে হার্ট ফেইলুর বা হৃৎপিন্ডের অকার্যকারিতা নামক অসুস্থ্যতার সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে হৃৎপিন্ড দেহের প্রয়োজন মাফিক রক্ত সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয় এর প্রাথমিক অবস্থায় ব্যক্তির শারীরিক দুর্বলতা দেখা দেয় ব্যক্তির পরিশ্রম করা বা কর্মসম্পাদন করার যোগ্যতা কমতে থাকে। জোর দিয়ে কাজ করতে চাইলে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়, শরীর অত্যাধিক ঘেঁমে যায়, বুকে চাপ অনুভূত হয়। অসুস্থতা আরও বেশী হলে হাত-পা-মুখ ফোলে যায়, পেট ফেঁপে যায়, পেটে অত্যাধিক গ্যাস উৎপন্ন হয়ে থাকে, রোগী স্বাভাবিক চলাফেরায় অসামর্থ হয়ে পরে। কারও কারও পরিশ্রমে বুক ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও বুক ধড়ফড়ের মত লক্ষন পরিলক্ষিত হয়।

    উচ্চ রক্তচাপকে নীরব ঘাতক বলা হয়, কারণ উচ্চ রক্তচাপের ফলে রোগীর শরীরে কোন উপসর্গ পরিলক্ষিত হয় না বললেই চলে। তবে দীর্ঘদিন যাবৎ রক্তচাপ বেশী থাকার ফলে হৃৎপিন্ডের প্রভূত ক্ষতি সাধিত হয়। হৃৎপিন্ডের ক্ষতি সাধিত হওয়ার পরই তার উপসর্গ রোগী বুঝতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ হার্টকে ধংস করার পরই রোগীর শরীরে তার উপসর্গ দেখা দেয় এর পূর্ব পর্যন্ত যেহেতু কোন উপসর্গ দেখা দেয় না তাই রোগী উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে দীর্ঘ সময় স্বাভাবিক জীবনধারণ করতে থাকে। ঠিক এ কারণেই রক্ত চাপকে নীরব ঘাতক বলা হয়।

    উচ্চ রক্তচাপ অনুরূপভাবে কিডনি ও ব্রেইনকেও ধংস করে থাকে। তাই উচ্চরক্তচাপের জটিলতা হিসাবে হার্ট, ব্রেইন ও কিডনি সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গহানী থেকে বাঁচতে হলে প্রাথমিক অবস্থা থেকেই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন, দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসমূহকে এই ঘাতকের হাত থেকে রক্ষা করুন।

  • মদ্যপান ছাড়লে শরীরে আসবে যেসব পরিবর্তন

    মদ্যপান ছাড়লে শরীরে আসবে যেসব পরিবর্তন

    নতুন বছর শুরুতেই কেউ কেউ মদ্যপান ছেড়ে দেওয়ার শপথ নিয়েছেন। মদ্যপান পুরাপুরি বন্ধ না করে কেউ বা মদ্যপানের পরিমাণ কমিয়েছেন। একটু একটু করে মদ্যপান থেকে দূরে গেলেই দেখবেন চেহারায় বড় রকমের পরিবর্তন আসছে। যদি নতুন বছরে মদ্যপান ছেড়ে দেওয়ার শপথ নিয়ে থাকেন তাহলে আপনার সঙ্গে এই শারীরবৃত্তীয় ঘটনাগুলি ঘটবে।

    ১। ঘুমে ভাল হবে-

    মদ্যপান যে ঘুমের বারোটা বাজিয়ে দেয় তা আজ আর গোপন কোন কথা নয়। মাঝরাতের দিকেই নিদ্রাহীনতা গ্রাস করে। নিয়মিত মদ্যপায়ীরা এর শিকার। সেই কারণে যারা মদ ছুঁয়ে দেখেন না, তারা রাতে অনেক ভাল ঘুমোন।

    ২। ত্বকে যৌবনের ছোঁয়া আসবে-

    ওয়াইনে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। তাই ওয়াইন পান করলে আপনার চেহারায় একটা আলগা জেল্লা আসবে। তবে এই জেল্লা ততক্ষণই স্থায়ী হবে যতক্ষণ আপনি পানিপানের জায়গায় ওয়াইনকে বসাবেন না। যে কোনও হার্ড ড্রিংক্স আপনার ত্বকে প্রতিকূল প্রভাব ফেলবে। মদ সাধারণত শরীরের স্বাভাবিক পানির মাত্রাকে কমিয়ে দেয়। যে কারণে নিয়মিত মদ্যপায়ীদের ত্বকের যৌবনদীপ্ত জেল্লা ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

    ৩। কমবে ওজন-

    প্রতিদিন কতটা ক্যালোরি আপনি জমা করছেন তার সবটাই নির্ভর করবে মদ্যপানের পরিমাণের ওপরে। রাতের মদ্যপানের জের, হ্যাংওভার কাটাতে সকালে একটা ভালো ব্রেকফাস্ট হবেই। সঙ্গে সঙ্গেই আরও কিছুটা ক্যালোরি যুক্ত হল আপনার সযত্নে লালিত স্বাস্থ্যে। যা দিনে দিনে নজর এড়িয়ে ওজন বেড়েই চলেছে।

    ৪। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে-

    একরাতের মদ্যপান আপনার শরীরের মধ্যে থাকা রোগ প্রতিরোধকারী সাইটোকিনস বা রাসায়নিককে মেরে ফেলতে পারে। এই রাসায়নিকই বিভিন্ন জিবাণু থেকে আপনার শরীরকে বাঁচায়। একবার ভাবুন তো নিয়মিত মদ্যপান করলে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কি হাল হবে।

  • এক সপ্তাহে ১০ কিলোগ্রাম ওজন ঝরাবে সেদ্ধ ডিম!

    এক সপ্তাহে ১০ কিলোগ্রাম ওজন ঝরাবে সেদ্ধ ডিম!

    মেদ কমানোর জন্য অনেক কিছু করি আমরা। কখনও কঠিন ডায়েট, তো কখনও সকাল হলেই দৌড়, জিমে গিয়ে নানা ব্যায়াম। তবুও ফলাফল শূন্য। কোনও এক্সারসাইজ, কোনও ডায়েটই কাজে সমস্যার সমাধান করতে পারছে না।

    তবে আপনার এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে মাত্র সেদ্ধ ডিম। চিকিৎসকরা বলছেন, এক সপ্তাহে ১০ কিলোগ্রাম ওজন কমাতে সাহায্য করবে সেদ্ধ ডিম। তবে শুধু এই ডিম সেদ্ধ খেলেই হবে না। রয়েছে এর আরও নানা নিয়ম কানুন।

    আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে রইলো আপনাকে যেসঅব নির্দেশিকা মেনে চলতে সেই সম্পর্কিত একটি নির্দেশিকা-

    সোমবার-

    ব্রেকফাস্টঃ একটা ফল, ২ টো ডিম সেদ্ধ

    লাঞ্চঃ ফল, পাউরুটি,

    ডিনারঃ স্যালাড, গ্রিলড চিকেন

    মঙ্গলবার-

    ব্রেকফাস্টঃ একটা ফল, ২ টো ডিম সেদ্ধ

    লাঞ্চঃ গ্রিন স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন,

    ডিনারঃ দুটো সেদ্ধ ডিম, স্যালাড ও কমলালেবু

    বুধবার-

    ব্রেকফাস্টঃ একটা ফল, ২ টো ডিম সেদ্ধ

    লাঞ্চঃ চিজ, টমাটো, পাউরুটি

    ডিনারঃ স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন

    বৃহস্পতিবার-

    ব্রেকফাস্টঃ ফল ও দুটো সেদ্ধ ডিম

    লাঞ্চঃ ফল

    ডিনারঃ স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন

    শুক্রবার-

    ব্রেকফাস্টঃ ফল ও দুটো সেদ্ধ ডিম

    লাঞ্চঃ ফল

    ডিনারঃ স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন

    শনিবার-

    ব্রেকফাস্টঃ ফল

    লাঞ্চঃ এক কাপ ভাত, দুটো ডিম সেদ্ধ, একটু মাখন

    ডিনারঃ স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন

    রবিবার-

    ব্রেকফাস্টঃ ফল ও দুটো সেদ্ধ ডিম

    লাঞ্চঃ ফল

    ডিনারঃ স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন