Category: লাইফস্টাইল

  • রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল রোধ করবে যেসব খাবার

    রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল রোধ করবে যেসব খাবার

    উচ্চরক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা সবার মধ্যেই বেড়েছে। তবে বেশ কিছু খাবার নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে রক্তে এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যাবে। ফলে বাড়বে আয়ু, কমে রোগভোগের আশঙ্কা।

    আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশ প্রতিদিনের পাঠকদের জন্য রইলো, যেসব খাবারগুলি নিয়মিত খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে সেগুলির একটি তালিকা-

     

    ১। আমলকি-
    এক গ্লাস গরম পানিতে এক চামচ আমলকি পাউডার মিশিয়ে প্রতিদিন খালি পেটে পান করা শুরু করুন। কয়েক সপ্তাহ এই ঘরোয়া টোটকাকে কাজে লাগালেই দেখবেন কোলেস্টেরল একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

    ২। মধু ও পেঁয়াজের রস-

    এক চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে দিনে একবার করে এই মিশ্রন খান। টানা কয়েক মাস খেলেই সুফল মিলতে শুরু করবে।

    ৩। কমলা লেবুর রস-

    এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি এবং ফ্লেবোনয়েড, যা বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। তাই এই শীতে প্রতিদিন কম করে ২-৩ বার কমলা লেবুর রস খেতে ভুলবেন না যেন!

    ৪। মাছ-

    একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত মাছ খাওয়া শুরু করলে শরীরে উপকারি ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    ৫। সয়াবিন-

    বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন ২৫ গ্রাম করে সয়া প্রোটিন শরীরে প্রবেশ করলে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা প্রায় ৫-৬ শতাংশ হারে কমতে শুরু করে। আর যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে এল ডি এল কোলেস্টেরলের মাত্রা যত কমে, তত হার্টের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে

  • মন ভালো রাখার সহজ কিছু উপায়

    মন ভালো রাখার সহজ কিছু উপায়

    মন খারাপ করে রাখতে কেউই চায় না। সবাই চায় মনটাকে ফুরফুরে রাখতে। কিন্তু যান্ত্রিক এই জীবনে প্রাণ খুলে হাসার সময়টাও আমাদের নেই। তার ওপর আবার কাজের চাপ। ফলে বড়ছে স্ট্রেস, মানসিক অবসাদ। কিন্তু ভালো তো থাকতেই হবে। এক্ষেত্রে মন ভালো করার কিছু সহজ উপায় আছে ।

    ১. মন ভাল রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার ও পর্যাপ্ত ঘুম একান্ত দরকার। খাবারের সময় বদল করবেন না। আর প্রতিদন অন্তত আট ঘণ্টা ঘুম খুবই জরুরি। ঘুম আর খাওয়া ঠিক থাকলে আপনার মন এমনিই ভাল থাকবে।

    ২. নিজের মনে ইচ্ছেকে কখনও মনে চেপে রাখবেন না। মন যা চায় তাই করুন, দেখবেন তাতে আপনার আত্মবিশ্বাস অনেকটা বাড়বে।

    ৩. নিজের জীবদ্দশায় ঠিক কি কি করতে চান তার একটা লিস্ট তৈরি করুন। এতে আপনার লক্ষ্য স্থির হবে। মনসংযোগ বাড়বে এবং আপনি নিজেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী বলে মনে করবেন।

    ৪. মন ভাল রাখতে চাইলে হাসি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উপায়। তাই প্রাণ খুলে হাসুন। হাসি মস্তিষ্কে এন্ডরফিনের মাত্রা বাড়ায় যা মানসিক শান্তি প্রদান করে।

    ৫. সপ্তাহে একদিন এমন জায়গায় ঘুরে আসুন যেখানে শান্তি আছে, বা মানুষের ভিড় অনেক কম। এতে মনে প্রশান্তির সৃষ্টি হয়। তবে তাই বলে একেবারে শহর ছেড়ে অন্য কোথাও পাড়ি দিতে হবে তা নয়, নিজের শহরেই একটা শান্ত পরিবেশ খুঁজে নিতেই পারেন।

    ৬. নিজের ভাবনা চিন্তাকে আগে আপনাকে নিজেকেই সম্মান জানাতে হবে। দু নৌকায় পা রেখে চলা যায় না। তাই যা করবেন মনে মনে স্থির করে নিন।

  • শীতে জলপাই খাওয়ার উপকারিতা

    শীতে জলপাই খাওয়ার উপকারিতা

    শীতকালের জনপ্রিয় ফল জলপাই। শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়। নিয়মিত জলপাই খেলে পেতে পারেন এমন সব উপকারিতা যেগুলো প্রতিটি স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ চায়। নিচে জলপাইয়ের কয়েকটি উপকারি গুণ নিয়ে আলোচনা করা হলো :

    ত্বক ও চুলের যত্নে : কালো জলপাইয়ের তেল আছে ফ্যাটি এসিড ও এ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা কিনা ত্বক ও চুলের যত্নে কাজ করে। জলপাইয়ের ভিটামিন ই ত্বকে মসৃনতা আনে। চুলের গঠনকে আরও মজবুত করে। ত্বকের ক্যানসারের হাত থেকেও বাঁচায় জলপাই। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির কারণে ত্বকের যে ক্ষতি হয় তা রোধ করে জলপাই।

    ক্যান্সার প্রতিরোধে : কালো জলপাই ভিটামিনেরই ভালো উৎস। জলপাইতে আছে মনোস্যাটুরেটেড ফ্যাট। জলপাইয়ের ভিটামিন-ই কোষের অস্বাভাবিক গঠনে বাধা দেয়। ফলে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমে।

    হৃদযন্ত্রের উপকারিতা : যখন মানুষের হৃদপিণ্ডের রক্তনালীতে চর্বি জমে, তখন হার্টএ্যটাক করার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। জলপাইয়ের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হার্ট ব্লক হতে বাধা দেয়। জলপাইয়ে রয়েছে মোনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা আমাদের হার্টের জন্য খুবই উপকারী।

    ওজন কমাতে : যখন জলপাইয়ের মোনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাট অন্য খাবারে বিদ্যমান স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বদলে গ্রহণ করা হয় তখন তা দেহের ভেতরের ফ্যাট সেলকে ভাঙতে সাহায্য করে। জলপাইয়ের তেলেও রয়েছে লো কোলেস্টেরল যা ওজন এবং ব্লাডপ্রেশার কমাতে সহায়ক।

    আয়রনের উৎস : জলপাই বিশেষ করে কালো জলপাই আয়রনের উৎস, আয়রন আমাদের দেহে রক্ত চলাচল করাতে সহায়তা করে, আর প্রাকৃতিক আয়রনের উৎসের জন্য জলপাই-ই সেরা।

    কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে : জল পাইয়ে যে খাদ্যআঁশ আছে তা মানুষের দেহের পরিপাক ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং হজমে সহায়তা করে।

    চোখের যত্নে : জলপাইয়ে ভিটামিন এ পাওয়া যায়। ভিটামিন এ চোখের জন্য ভালো। যাদের চোখ আলো ও অন্ধকারে সংবেদনশীল তাদের জন্য ওষুধের কাজ করে জলপাই।

    অ্যালার্জি প্রতিরোধে : গবেষণায় দেখা গেছে, জলপাই অ্যালার্জি প্রতিরোধে সহায়তা করে। জলপাইয়ে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা ত্বকের ইনফেকশন ও অন্যান্য ক্ষত সারাতে কার্যকরী ভুমিকা রাখে।

  • মাত্র ৪ দিনের ‘গাজর’ ডায়েটে কমবে ওজন

    মাত্র ৪ দিনের ‘গাজর’ ডায়েটে কমবে ওজন

    ওজন কমানোর জন্য আমরা অনেক কিছুই করি। কিন্তু এতকিছুর পরেও ওজন বেড়েই যাচ্ছে। কিন্তু আপনার এমন একটা জিনিস রয়েছে, যা নিয়মিত খেলে ওজন কমতে বাধ্য। আর তা হল গাজর।

    একটি বড়মাপের গাজর থেকে ২২ ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের মতে, ১০০ গ্রাম গাজরে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট-১০.৬ গ্রাম, প্রোটিন ০.৯ গ্রাম, ফ্যাট ০.২ গ্রাম, আঁশ ১.২ গ্রাম, নিকোটিনিক অ্যাসিড ০. ৬ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ৩১৫০ আইইউ, ক্যালসিয়াম ৮০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১০৮ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, লোহা ১.৫ মিলিগ্রাম।

    গাজর সিদ্ধ করে, কাঁচা কিংবা স্যালাড করে যেভাবে খুশি খেতে পারেন আপনি। তবে স্যালাড বানিয়ে খাওয়ার সময় অবশ্যই মেয়োনিজ, তেল অথবা পানির ব্যবহার করবেন না। শুধুমাত্র গাজর, লেবুর রস, ধনে পাতা, কাঁচামরিচ বা গোল মরিচের গুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন।

    এই ডায়েট চলাকালীন সময়ে গাজর, গ্রিন টি আর পানি ছাড়া কিছুই খেতে পারবেন না আপনি। খুব বেশি স্বাদ পরিবর্তন করতে ইচ্ছে করলে এক বেলা গাজরের সাথে আপেল মিশিয়ে স্যালাড করে খেতে পারেন।

    গাজরের ডায়েট চলাকালীন সময়ে সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩ লিটার করে পানি খেতে হবে। পানি কম খেলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেবে এবং শরীরে সতেজতা থাকবে না। তাই ডায়েটের পাশাপাশি প্রচুর পানি পান করুন।

    ডায়েট চলাকালীন সময়ে চা খেতে হলে গ্রীন টি খান। গাজর খাওয়ার আগে অবশ্যই ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে। গাজরের খোসা ছাড়িয়ে নিন সম্ভব হলে। কারণ ইদানিং সবজিতে নানান রকম ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়। ডায়েট চলাকালীন সময়ে পানি খাওয়া কমাবেন না।

    কোনও অসুখ থাকলে বা ওষুধ সেবন করতে হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ডায়েট করবেন না। আর এই ডায়েট ৪ দিন বা খুব বেশি হলে ৫ দিন পর্যন্ত করুন। এক মাসে একবারই করতে পারবেন এই ডায়েট। ডায়েট চলাকালীন সময়ে জিম কিংবা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করবেন না।

  • যে কারণে শুভ কাজে যাওয়ার আগে ডিম খেতে নেই

    যে কারণে শুভ কাজে যাওয়ার আগে ডিম খেতে নেই

    ডিম পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই রয়েছেন। কারও আবার প্রতিদিন একটা করে ডিম না খেলে হয়ই না।ডিমের রয়েছে কত রকমের লোভনীয় পদ। কিন্তু এই ডিম নিয়েও এক ধরনের বিভ্রান্তিমূলক প্রবাদ চালু রয়েছে।

    তবে এই সমস্যা আজকের নয়, চলে আসছে বছরের পর বছর ধরে। আর তা হল, কোনও শুভ কাজে যাওয়ার আগে নাকি ডিম খেতে নেই। আর এই কথা বহু আগে থেকেই প্রচলিত। কিন্তু এর পেছনে ঠিক কি কারণ রয়েছে সেটি কিন্তু অজানা।

    আসলে ডিম আমাদের শরীরে খুব দ্রুত গরম করে তোলে। এতে রয়েছে প্রোটিন-ফ্যাট। শুভ কাজে যাওয়ার সময় শরীর-মাথা-মন ঠাণ্ডা রাখতে দই-এর ব্যবহার যেমন অনস্বীকার্য, তেমনই ডিম যেন পরিত্যাজ্য একটি খাবার। এসময় ডিম খেলে উত্তেজনা বা প্রেসার বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বলে শুভ কাজ পণ্ড হওয়ারও আশঙ্কা থাকে। তাই শুভ কাজে যাওয়ার আগে ডিম খেতে নিষেধ করা হয়।

  • নিয়মিত রাত জেগে কাজ করলে কী হয়?

    নিয়মিত রাত জেগে কাজ করলে কী হয়?

    কেন এমন কথা বলছি তাই ভাবছেন তো? আসলে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্রে এমনটা দাবি করা হয়েছে যে দিনের পর দিন যদি মেয়েরা রাত জেগে কাজ করেন, তাহলে তাদের ব্রেস্ট, স্কিন এবং স্টামাক ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। ফলে মৃত্যু বিষ জীবনকে গ্রাস করতে একেবারেই সময় নেয় না! কিন্তু রাত জেগে কাজ করার সঙ্গে ক্যান্সারে সম্পর্কে কোথায়?

    চীনের সিচুয়ান ইউনির্ভাসিটির গবেষকদের করা এই মেটা-অ্যানালিসিস অনুসারে দিনের পর দিন রাত জেগে কাজ করলে দেহের অন্দরে কোষের বিভাজন ঠিক মতো হতে পারে না। ফলে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা প্রায় ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। তবে এখানেই শেষ নয়, গবেষকরা দক্ষিণ আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া এবং এশিয়ার একাধিক দেশ থেকে সংগ্রহ করা প্রায় ১১৪,৬২৮টি ক্যান্সার স্টাডি বিশ্লেষণ করেন জানতে পারেন নাইট শিফট করতে থাকলে স্কিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে ৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পায় ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা।

    আসলে আমাদের শরীরের ভিতরে একটি বায়োলজিকাল ক্লক রয়েছে। এই ঘড়িটি ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে শুতে যাওয়া পর্যন্ত সব কাজের সময় নথিভুক্ত করে থাকে। অর্থাৎ শরীরকে কখন কোন কাজটা করতে হবে, তা মূলত এই বায়োলজিকাল ক্লকই নির্দেশ দিয়ে থাকে। এখন যদি কেউ রাতে ঘুমানোর জায়গায় জেগে থেকে কাজ করা শুরু করেন, তাহলে বায়োলিজকাল ক্লক বুঝে উঠতে পারে না যে এমন পরিস্থিতিতে কী করা উচিত। ফলে শরীর নিজ নিয়মের বাইরে গিয়ে কাজ করা শুরু করে, যে কারণে বিরূপ প্রভাব পরতে শুরু করে শরীরের উপর। আর এমনটা দিনের দিন হওয়ার কারণে প্রথমেই অনিদ্রা রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে ধীরে ধীরে আরও সব জটিল রোগ শরীরে এসে বাসা বাঁধে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই হঠাৎ মৃত্যু হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

    সম্প্রতি বায়োলিজকাল ক্লকের উপর গবেষণা চালিয়ে তিন মার্কিন গবেষক নবেল প্রাইজে ভূষিত হয়েছেন। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, বায়োলজিকাল ক্লককে মন মতো চালালে মারাত্মক বিপদ হয়! এক্ষেত্রে যে যে ঘটনাগুলি ঘটার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়, সেগুলি হল…

    ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়
    একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে- দীর্ঘ সময় ধরে রাত জেগে কাজ করে গেলে দেহের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে তার প্রভাবে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে বাড়ে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা।

    ওজন বাড়তে থাকে
    দিনের পর দিন রাতে জেগে থাকলে খাবার ঠিক মতো হজম হতে পারে না। ফলে একদিকে যেমন গ্যাস-অম্বলের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়, তেমনি ওজনও বাড়তে শুরু করে। আর যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে ওজন বাড়লে ধীরে ধীরে সুগার, প্রেসার এবং কোলেস্টেরলের মতো মারণ রোগ এসে শরীরে বাসা বাঁধে। ফলে আয়ু চোখে পরার মতো কমে যায়।

    স্মৃতি শক্তি কমে যায়
    রাতের বেলা মস্তিষ্কের আরাম নেওয়ার সময়। তাই তো এই সময় দিনের পর দিন কাজ করলে ধীরে ধীরে স্মৃতি শক্তি কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ডিপ্রেশন, হাইপোলার ডিজঅর্ডার, স্লো কগনিটিভ ফাংশন, স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া সহ আরও সব সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে।

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়
    গবেষণায় দেখা গেছে- রাত জেগে কাজ করলে কর্টিজল হরমোনের মতো স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ মারাত্মক বেড়ে যায়। ফলে সারা রাত কাজ করার ক্ষমতা জন্মালেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষণতা একেবারে কমে যায়। ফলে নানাবিধ রোগ ঘাড়ে চেপে বসতে সময়ই লাগে না। প্রসঙ্গত, স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধি পেলে মানসিক চাপও বাড়তে শুরু করে, যা শরীরের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক।