Category: লাইফস্টাইল

  • ওজন কমতেও পারে পাস্তা খেলে

    ওজন কমতেও পারে পাস্তা খেলে

    লাইফস্টাইল: ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে পাস্তা খাচ্ছেন না! এখন এই চিন্তা বাদ দিতে পারেন।
    কারণ এক গবেষণায় দেখা গেছে পাস্তা যদি স্বাস্থ্যকর মাত্রায় খাওয়া হয় তবে ওজন বাড়ে না।
    পাস্তা একটি কার্বোহাইড্রেইট-জাতীয় খাবার। অতিরিক্ত ওজনের পেছনে কার্বোহাইড্রেইট খাবারের বদনাম থাকলেও পাস্তা সম্ভবত ব্যতিক্রম।
    কানাডার ওন্টারিও’র সেন্ট মাইকেলস হাসপাতালের গবেষকরা বলেন, “অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত কার্বোহাইড্রেইট, যা আমরা হরহামেশাই গ্রহণ করি, তাদের মধ্যে পাস্তার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের মাত্রা অল্প। অর্থাৎ এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াবে তুলনামুলক কম।”
    গবেষণার প্রধান গবেষক জন সিভেনপিপার বলেন, “আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, পাস্তা খাওয়ার কারণে ওজন বাড়ে না, বরং পরিমাণ মতো খেলে সামান্য ওজন কমে। তাই পাস্তা হতে পারে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের একটি অংশ।”
    ‘বিএমজে ওপেন’ জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণার জন্য গবেষকরা বিভিন্ন নিয়ন্ত্রিত গবেষণার সকল তথ্য পর্যালোচনা করেন। ২ হাজার ৫শ’ মানুষ নিয়ে ৩০টি নিয়ন্ত্রিত গবেষণাতে অংশগ্রহণকারীরা অন্যান্য কার্বোহাইড্রেইটের বদলে পাস্তা খায়।”
    এই গবেষণায় অংশগ্রহণকারীরা অন্যান্য কার্বোহাইড্রেইটের পরিবর্তে এক সপ্তাহের মধ্যে গড়ে ৩.৩ বাটি পাস্তা খান। প্রতি বাটিতে ছিল দেড় কাপ রান্না করা পাস্তা। ১২ সপ্তাহে তাদের ওজন কমেছে এক থেকে আধা কেজি।
    গবেষকরা জানান, অন্যান্য নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাত্রার খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে পাস্তা খাওয়া হলেও এই গবেষণায় একই ফল পাওয়া যাবে।
    সিভেনপিপার বলেন, “গবেষণার ভিত্তিতে আমরা বলতে পারি, যদি খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে পরিমাণ মতো খাওয়া হয় তবে শরীরের ওজনের ওপর পাস্তা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না।”
    ছবি: রয়টার্স।

     

  • অফিসে সুস্থ থাকতে কিছু অভ্যাস গড়ে তুলুন

    অফিসে সুস্থ থাকতে কিছু অভ্যাস গড়ে তুলুন

    লাইফস্টাইল ডেস্ক: কর্মস্থানে একনাগাড়ে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই পিঠে-কোমরে ব্যথার মতো কিছু সমস্যা সহ একটু অস্বস্তিতে ভোগেন। বেশিরভাগ মানুষ কাজের চাপকেই এরজন্য দায়ী করেন। এই পিঠ ব্যথার সমস্যা হয়তো দীর্ঘ সময়ব্যাপী হতে পারে এবং মাংসপেশী, অস্থিসন্ধি, লিগামেন্টসহ যেকোনও স্থানে করে বসতে পারে বড় কোনও ক্ষতি। এধরনের সমস্যা নতুন চাকরিতে ঢোকা মানুষদেরই বেশি হয়, বিশেষ করে হঠাৎ করে যখন তারা একটানা ৪-৫ ঘণ্টা নিজ চেয়ারে বসে কাজ করেন। কিন্তু আপনার কিছু সাবধানতা এবং অভ্যাসই এধরনের সমস্যা থেকে খুব সহজেই রেহাই দিতে পারে আপনাকে। জেনে নিন এমনই কিছু মহামূল্যবান টিপস, যা আপনার শারীরিক ও মানসিক অবস্থাকে রাখবে চনমনে এবং অনাকাক্সিক্ষত অস্বস্তি থেকে পুরোপুরি রেহাই দেবে আপনাকে।

    সোজা হয়ে বসার অভ্যাস করুন
    কিছু মানুষ আছেন যারা নিজের ডেস্কে কাজ করার সময় একটু কুঁজো হয়ে বা বেঁকে বসেন। এটা খুবই খারাপ অভ্যাস। কারণ দীর্ঘসময় এভাবে থাকলে পিঠ ব্যথাসহ যেকোনো অস্বস্তির সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া অসাড়তা, মাংসপেশী শক্ত হয়ে যাওয়াসহ আরও কিছু সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। কাজেই কাজ করার সময় এমনভাবে বসুন, যেন আপনার উর্ধ্বাঙ্গ, কোমর থেকে হাঁটু পর্যন্ত এবং হাঁটু থেকে পায়ের বাকি অংশ পরস্পরের সঙ্গে ৯০ ডিগ্রি কোণ করে থাকে। বসার জন্য এমন একটা চেয়ার নির্বাচন করুন, যেখানে বসলে আপনার থাই মেঝের সমান্তরাল থাকে এবং সেই চেয়ারটার পিছন দিকটা এমনভাবে থাকে যেন সেখানে হেলান দিলে আপনি একটু আরাম অনুভব করেন।

    ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ মনিটরটি ঠিক করে নিন
    অনেকেই ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ মনিটর কী অবস্থায় আছে সে বিষয়ে বিশেষ খেয়াল করেন না। ডেস্কে বসেই কাজ শুরু দেন। কিন্তু একটু খেয়াল করলেই বুঝবেন, এই মনিটরের অবস্থানটাও আপনার পিঠ ব্যথাসহ বিভিন্ন অস্বস্তির জন্য দায়ী। কাজেই মনিটরটি আপনার চোখের সঙ্গে এমন একটা কোণে রাখুন, যাতে তা আপনার অস্বস্তির কারণ না হয়। এছাড়া যারা ল্যাপটপ ব্যবহার করেন, তারা ল্যাপটপের কি-বোর্ড না ব্যবহার করে আলাদা কি-বোর্ড ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনার নিজেরই সুবিধা হবে।

    মাঝে মধ্যে একটু হাঁটাচলা করুন
    অনেকে রোবটের মতো একটানা কোনো নড়াচড়া না করে কাজের মধ্যেই ডুবে থাকেন। কিন্তু এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা কাজের মধ্যে একটু হাঁটাচলা করেন, কর্মবিরতিতে বাইরে যান, তাদের কাজ করার হার রোবটের মতো একটানা কাজ করা মানুষের চেয়ে অনেক বেশি এবং এরা কাজের চাপজনিত শারীরিক কোনও সমস্যাতেও পড়েন না বললেই চলে।

  • রাতের খাবারের উপকারিতা জানেন?

    রাতের খাবারের উপকারিতা জানেন?

    রাতে মানুষের শরীর কম সক্রিয় থাকে। এ কারণে ক্যালরিও কম খরচ হয়। তাই ওজন বাড়ানোর ভয়ে অনেকেই রাতের খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলেন। অনেকে আবার সাঁতপাঁচ না ভেবেই প্রয়োজনের তুলনায় রাতে বেশি ক্যালরি গ্রহণ করে থাকেন। এটিও ঠিক নয়। রাতের খাবার ওজন বাড়ানো নয়, বরং কমাতে ভূমিকা রাখে –এমনটিই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, এমন কিছু নির্দিষ্ট খাবার আছে যা রাতে খেলে তা কাঙ্ক্ষিত ফিটনেস অর্জনে সহায়তা করে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সঠিক পরিস্থিতিতে রাতে খাবার খাওয়া খারাপ নয়। তবে অবশ্যই রাতে জাঙ্ক ফুড খাওয়া থেকে নিজেদের বিরত রাখুন। রাতে খাবার খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ, তবে কম ক্যালরি গ্রহণ করুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ওয়েবসাইট লাইফস্ট্রং ডটকমে রাতের খাবার খাওয়ার চার বিস্ময়কর উপকারিতার কথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

    শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে রাতে ভালো ঘুম না হলে পরের দিনের শুরুটা ভালো হয় না। আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, আপনি রাতের খাবারে কী খাবেন তা পরের দিন সকালে খাওয়া পর্যন্ত আপনার শরীরে প্রভাব ফেলে। যেসব লোক রাতে কম গ্লাইসেমিক খাবার খান পরের দিন সকাল পর্যন্ত তাদের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এটা শুধু তাদের ওজন কমাতেই ভূমিকা রাখে না, একইসঙ্গে তাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে কম গ্লাইসেমিক যুক্ত খাবার হলো—ডাল, মটরশুঁটি, মিষ্টি আলু বা সবুজ শাকসবজি। সঙ্গে রাখতে পারেন সামান্য প্রোটিন, যেমন—মুরগির মাংস কিংবা স্যামন মাছ।

    শক্তি পুনরুদ্ধারে সাহায্য করে সুস্বাস্থ্য রক্ষায় এবং শরীরের হজমপ্রক্রিয়া ঠিক রাখতে ব্যায়ামের বিকল্প নেই। ব্যায়াম করার পর আপনার মাংসপেশী আরও বেশি করে কার্বহাউড্রেট শোষণ করে। একটানা ৪৫ মিনিট ব্যায়াম করার পর আপনার শরীরের যে শক্তি ক্ষয় হয় তা পুনরুদ্ধারে পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। কাজেই ব্যায়ামের পর কখনোই কার্বহাউড্রেট ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। এ জন্য খেতে পারেন মিষ্টি আলু এবং কলা। এগুলো আপনার মাংসপেশীতে শক্তির যোগান দেবে। ফলে পরের দিনের ব্যায়ামের জন্য আপনার শরীর আবারও প্রস্তুত হবে।

    ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে রাতে ক্রাবজাতীয় খাবার খেলে তা আপনার ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ২০১১ সালে ৬৩ জন স্থুলকায় নারী এবং পুরুষ পুলিশ কর্মকর্তার ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব কর্মকর্তা দিনে কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করেছেন তাদের চেয়ে যারা রাতের খাবারে কার্বহাইড্রেটকে প্রাধান্য দিয়েছেন তাদের হরমোনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। একই সঙ্গে তাদের ক্ষুধাও কমে গেছে। এর ফলে ওজন কমাতেও তারা সফল হয়েছেন। এ ছাড়া ওজন কমানোর দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া নিয়ে নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনের এক গবেষণায়ও এর প্রমাণ মিলেছে। কাজেই ওজন কমাতে চাইলে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যালোরি খাওয়ার প্রতি জোর দিন। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই সন্ধ্যার খাবারের দিকে নজর দেওয়া বেশি জরুরি বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা।

    মাংসপেশী গঠনে সাহায্য করে একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে যে, শোয়ার আগে খেলে ঘুমানোর সময় সেই খাবার হজম হতে চায় না। আসলে এই কথার কোনো সত্যতা নেই। আপনি ঘুমাতে গেলেও কিন্তু আপনার শরীর কাজ বন্ধ করে না। শোয়ার আগে রাতের খাবার আপনার মাংসপেশী গঠনে সাহায্য করে। এ জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাতের খাবারে রাখতে পারেন প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার, যেমন—দুধ, পনির, দই প্রভৃতি।

  • সম্পর্কে এড়িয়ে যাবেন না যেসব বিষয়

    সম্পর্কে এড়িয়ে যাবেন না যেসব বিষয়

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় জগতের অনেক কিছু।  পাল্টে যায় মানুষের মনও।  যে কোনো সম্পর্কের শুরুর দিকটা যতটা মধুর হয়, শেষের দিকে তা নাও থাকতে পারে।  তখন হয়তো সম্পর্কের গভীরতা কিছুটা কমে যায়। এই পরিবর্তনের কারণে একে অপরের জন্য আগের মতো সেই টান আর অনুভব হয় না।  ফলে অনেক পুরনো সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। তবে শুধু মাত্র একটি কারণে সম্পর্ক ভাঙে না।  এর পেছনে আরও নানা কারণ থাকতে পারে। তাই ক্ষতি এড়াতে সম্পর্কে এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলো কখনোই এড়িয়ে চলা উচিত নয়। সম্পর্ক ঠিক রাখতে সাতটি বিষয় একেবারেই এড়িয়ে না যাওয়ার কথা বলেছে লাইফ স্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট মেনসএক্সপি ডট কম।

    দূরত্ব সবসময় কাছে টানে না সম্পর্কে একে অপরকে কিছুটা সময় দেওয়া ভালো।  এতে তারা নিজে কিছুটা সময় উপভোগ করতে পারে।  আপনি কখনোই মনে করবেন না যে তাকে কিছুটা সময় দিলেই সে খারাপ হয়ে যাবে।  তবে, হ্যাঁ যদি এমনটা হয় যে তাকে কিছু সময়ের জন্য ছেড়ে দেওয়ায় দূরত্ব বেড়ে যাচ্ছে তাহলে সচেতন হোন।  কারণ ভালোবাসা শুধু কাছেই টানে না, দূরেও ঠেলে দেয়।

    সে কি সত্যিই আপনার? যে কোনো সম্পর্কে দুজন পরস্পরের প্রতি সৎ থাকুন।  ঘরে কিংবা বাইরে সব জায়গায় সঙ্গীকে স্মরণ রাখুন। দুজনের কারো ক্ষেত্রেই যদি এর ব্যতিক্রম ঘটে তবে সতর্ক হোন।

    বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে না দেওয়া   সঙ্গী যদি সবসময় আপনার বন্ধু এবং পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অভিযোগ করে, আপনাকে কারো সঙ্গে বাইরে বের হতে না দেয়- এমনটি করলেও অবহেলা করবেন না।  এই পরিস্থিতিতে সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে আরও পরীক্ষা-নীরিক্ষা চালান।  তা না হলে ফাঁদে ফেলে কেউ আবার মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। মূল্যবোধে পার্থক্য ব্যক্তি বিশেষে মানুষের মূল্যবোধ এবং লক্ষ্যগুলো আলাদা আলাদা হয়।  সম্পর্কে এই বিষয়গুলোর প্রতি একে অপরের শ্রদ্ধা জানাতে হবে।  তবেই আপনাদের সম্পর্কে পূর্ণতা আসবে।  নতুবা সম্পর্ক টিকবে না।

    কষ্ট দেয় সঙ্গী সবসময় আপনাকে কষ্ট দিয়ে কথা বলে? সবার সামনে অপমান করে? এই চিহ্নগুলোও কিন্তু অবহেলা করার নয়।  সঙ্গী এমন করলে তার কাছ থেকে দূরে আসাই ভালো।  এতে ভবিষ্যতে জীবনটাকে আরও সুন্দর করে সাজাতে পারবেন।

    ভবিষ্যত নিয়ে ভাবতে চায় না যদি আপনি কাউকে সত্যিকার অর্থেই ভালোবাসেন তাহলে তার সঙ্গে ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলুন।  কারণ জীবনে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য আপনাদের এই সিদ্ধান্ত অনেক জরুরি।  এতে পরবর্তীতে বড় যে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবেন।  যদি দেখেন আপনার সঙ্গী ভবিষ্যতের এসব পরিকল্পনার ব্যাপারে একেবারেই আগ্রহী নয়, তাহলেও তার কাছ থেকে সরে আসুন।

    যৌনতায় আগ্রহী বিয়ের আগে পর্যন্ত শরীরিক সম্পর্কের বিষয়টি একেবারেই এড়িয়ে চলুন।  যদি দেখেন আপনার সঙ্গী সবসময় এই একটি বিষয়ে বেশি আগ্রহ দেখায় তাহলে তার কাছ থেকে সরে আসুন।  নতুবা ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা এড়াতে পারবেন না।  মনে রাখবেন, সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষ কখনোই আপনার দিকে খারাপ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে তাকাবে না।

  • মাথা যন্ত্রণা দূর করার ঘরোয়া উপায়!

    মাথা যন্ত্রণা দূর করার ঘরোয়া উপায়!

    নানা করণে মাথায় যন্ত্রণা হতে পারে। আর সেই কারণগুলির পিছনে যেমন আমাদের জীবনযাত্রা দায়ি থাকে, তেমনি নানা রোগের ভূমিকাকেও অস্বীকার করা যায় না। তবে আজকাল স্ট্রেস একটা বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাথা ব্যথার ক্ষেত্রে। তাই তো আরও বেশি করে এইসব ঘরোয়া ওষুধগুলিকে সঙ্গে রাখতে হবে। পরিসংখ্যান বলছে যত দিন যাচ্ছে স্ট্রেস আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    ১) দারচিনিঃ আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা এই মশলাটিকে “মিরাকেল স্পাইস” নাম দিয়েছেন। কারন দারচিনি আমাদের শরীরকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, মাথার যন্ত্রণা কমাতেও দারচিনি দারুন কাজে আসে। অল্প পরিমাণ দারচিনি পাউডার নিয়ে পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে একটা পেস্ট বানাতে হবে। তারপর সেই পেস্টটা কপালে কম করে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রাখলেই দেখবেন মাথার যন্ত্রণা দূর হয়ে যাবে।

    ২) ল্যাভেন্ডারঃ এতে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লমেটরি এবং অ্যান্টি-সেপটিক প্রপাটিজ, যা যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। পরিমাণ মতো গরম জলে কয়েকটি ল্যাভেন্ডার পাতা ফেলে ভাপ নিন। দেখবেন অনেক আরাম অনুভব করবেন।

    ৩) তুলসি পাতাঃ কয়েকটি তুলসি পাতা নিয়ে হাতে ঘোষে কপালে লাগিয়ে ফেলুন। আরাম পাবেন। কারণ এই পাতাটির ভিতর রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা এই ধরনের ব্যথা কমাতে দারুন কাজে আসে।

    ৪) আদাঃ মাথা যন্ত্রণা কমাতে এই প্রকৃতিক উপাদানটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ আদার ভিতর থাকা অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান কপালের অন্দরে থাকা ব্লাড ভেসেলের প্রদাহ কমানোর মধ্যে দিয়ে নিমেষে মাথা যান্ত্রণা কমাতে দারুন উপযোগি ভূমিকা পালন করে থাকে।

    ৫) অ্যালোভেরাঃ এতে রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিজ এবং বেশ কিছু কার্যকরি এনজাইম, যা মাথার যন্ত্রণা এবং একাধিক স্কিনের সমস্যা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    ৬) পার্সলেঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি মাথার যন্ত্রণা কামতে এটি দারুন কাজে আসে। তাই মাথা যন্ত্রণা হলেই অল্প করে পার্সলে পাতা খেয়ে নেবেন। নিমেষে কমে যাবে ব্যথা।

  • চকোলেট প্রেমীদের সাবধান করছেন প্রখ্যাত চকোলেট বিশেষজ্ঞ

    চকোলেট প্রেমীদের সাবধান করছেন প্রখ্যাত চকোলেট বিশেষজ্ঞ

    ফ্রিজের ভেতর বলতে আমাদের চোখের সামনে যা যা ভেসে ওঠে, তার মধ্যে পানি, ফ্রুট জুস, শাক-সবজি, মাছ-মাংস, মাখন থাকবেই। আর একটা জিনিসও অবধারিত ভাবে থাকবে। সেটি হল চকোলেট।

    চকোলেট ঠান্ডা করে, মানে একেবারে চিলড করে খাওয়ার অভ্যাস বিপুল সংখ্যক মানুষের। অনেকে তো আবার এমন ধারণা পোষণ করেন যে, ফ্রিজে না রেখে চকোলেট খাওয়াই যায় না। আর এই জন্যই কিন্তু চকোলেট প্রেমীদের সাবধান করছেন নিউ জিল্যান্ডের প্রখ্যাত চকোলেট বিশেষজ্ঞ লিউক আওয়েন স্মিথ।

    তার মতে, চকোলেট ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য মিরর’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্মিথের বক্তব্য, ফ্রিজে রাখা চকোলেটের স্বাদ একেবারই বিনষ্ট হয়ে যায়। চকোলেট এমনিতেই অত্যন্ত নাজুক পদার্থ। তার স্বাদ-গন্ধকে অক্ষুণ্ন রাখতে হলে থাকে রাখতে হবে স্বাভাবিক তাপমাত্রাতেই।

    প্রবল গরমে চকোলেটকে অবিকৃত রাখার উপায় বাতলে দিয়েছেন স্মিথ। তিনি জানাচ্ছেন, ১০ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার একটি কাবার্ডই চকোলেটের সব থেকে ভাল আস্তানা। কিন্তু বাইরের তাপমান যদি ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়, তা হেল ফ্রিজে রাখা ছাড়া কোনও উপায় থাকে না। তখন ‘বিস্বাদ’ চকোলেটই খেতে হবে।