Category: লাইফস্টাইল

  • ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল কেন করবেন?

    ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল কেন করবেন?

    ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করা মানে শুধু ফ্রেশ হওয়া নয়। এর রয়েছে নানা উপকারি দিকও। ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করা শরীরের জন্য কী কী সুফল বয়ে নিয়ে আসে তা জানিয়েছে কানাডাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল নিউজ।

    ১. পেশীর ক্ষমতা বাড়ায়

    একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করলে পেশীর ক্ষমতা তো বাড়েই, সেই সঙ্গে যে শরীরের ব্যথাও কমে। এই কারণেই তো শরীরচর্চার পর এবং আঘাত পেতে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসলের পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

    ২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

    প্রতিদিন পুকুরে গোসল করলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা খুব শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ফলে নানাবিধ সংক্রমণের মাত্রা কমে যায়।

    ৩. ওজন কমে

    আমাদের শরীরে দুই ধরনের ফ্যাট থাকে। একটি হলো ব্রাউন ফ্যাট, যা শরীরকে গরম রাখতে সাহায্য করে। আর আরেকটি হলো হোয়াইট ফ্যাট, যা শরীরের জন্য একেবারেই ভালো নয়। এই দ্বিতীয় ধরনের চর্বি গলানোর কথাই চিকিৎসকেরা সব সময় বলে থাকেন।

    ৪. প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়ে

    শরীর, ঠান্ডা পানির সংস্পর্শে আসা মাত্রই লিম্প ভেসেলগুলি সংকুচিত হতে শুরু করে। ফলে পুরো শরীরে রক্ত প্রবাহ বেড়ে যায়। এমনটা যখনই হয়, তখনই প্রতিটি অঙ্গে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে যাওয়ার কারণে সার্বিকভাবে দেহের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে।

    ৫. শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যায়

    ঠান্ডা পানি দিয়ে সকাল সকাল গোসল করলে শরীর থেকে বেশ কিছু ক্ষতিকর অ্যাসিড বেরিয়ে যায়। ফলে পেশিতে কোনো আঘাত থাকলে তা দ্রুত সেরে উঠতে শুরু করে।

    ৬. শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়ে

    ঠান্ডা পানি দিয়ে করার সময় আমাদের শরীর থেকে এন্ডোরফিন এবং নোরাড্রেনালিন নামে দুটি ক্যামিকেলের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এই দুটি কেমিকেল শরীর থেকে যত বেরিয়ে যেতে থাকে, তত আমাদের ক্লান্তি দূর হয়। সেই সঙ্গে শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে

    ৭. চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়

    সকাল সকাল ঠান্ডা পানিতে করলে ত্বক এবং চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। আসলে ত্বক এবং চুলের ভেতরে থাকা প্রকৃতিক তেল যাতে বেশি মাত্রায় ক্ষরণ না হয়, তা খেয়াল রাখে ঠান্ডা পানি। ফলে ত্বক কিংবা চুল শুষ্ক হয় না।

    ৮. মানসিক বিষণ্নতা দূর করে

    সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে ভোরে ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে আমাদের শরীরে বেশ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যা মানসিক অবসাদ এবং স্ট্রেসকে নিমেষে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে চলে আসে।

  • সবার আগে দর্জিবাড়ি

    সবার আগে দর্জিবাড়ি

    আমাদের অন্যতম উৎসব ঈদ। আর যে কোনো উৎসবেই পোশাক প্রিয় অনুষঙ্গ। সেই প্রিয় পোশাকের কাপড়টি পছন্দের কাট-ছাঁটে তৈরির ইচ্ছা সবারই। কিন্তু নকশা কিংবা জামার মাপ গরমিল হলেই সব আনন্দের গুড়েবালি। তাই দক্ষ দর্জির প্রয়োজন। কিন্তু বেশির ভাগ দর্জিই ১০-১৫ রোজার পর থেকেই সব অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দেয়। তাই এখনই শুরু হোক দর্জিবাড়ির খোঁজ।

    ঈদের পোশাক তৈরি করে নেওয়ার বিষয়ে জেন্টল পার্কের ফ্যাশন ডিজাইনার জাহিদ হোসেন আকাশ  বলেন ‘এখন রেডিমেট পোশাকের ট্রেন্ড। কিন্তু ফ্যাশন-সচেতনরা নকশা, প্যাটার্ন আর ফিটিংস মিলিয়ে নিখুঁত পোশাক পেতে পছন্দ করে। তাছাড়া রেডিমেট পোশাক কখনোই যেমন পুরোপুরি ফিট হয় না, তেমনি নকশার ধরনও একই রকম হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে নকশাটা একটু নান্দনিক ও ব্যতিক্রম করতে তারা গজ কাপড় কিনতে পারে। তবে ব্যস্ত মানুষরা গর্জিয়াস লুক পেতে রেডিমেট পোশাক কিনলেই ভালো। রেডিমেট কিংবা গজ কাপড় যাই হোক না কেন দর্জিবাড়ির বিকল্প নেই।’

    মেয়েদের জন্য…
    হাল ফ্যাশনের তরুণীদের ফিউশনধর্মী পোশাকের প্রতি আগ্রহ আছে। নিজেরাই রুচি আর সৃজনশীলতা দিয়ে নকশা ও প্যাটার্ন নির্ধারণ করে। সেই বৈচিত্র্যময় ও ব্যতিক্রমী নকশার পোশাকটির বাস্তবরূপ দিতে একজন দক্ষ দর্জির প্রয়োজন। পোশাক বানানোর আগে প্রস্তুতি দরকার। ফ্যাশন ট্রেন্ডের সঙ্গে মিলিয়ে পোশাক কিনতে হবে। পোশাকে কোন ধরনের কাট-ছাঁট ও নকশার ব্যবহার চলছে সে সম্পর্কে ভালো ধারণা নিতে হবে। তাহলেই পোশাকে নতুনত্ব থাকবে। তবে ঈদের পোশাকটিকে জাঁকজমক রূপ দিতে লেস, অ্যামব্রয়ডারি, পুঁতি, স্টোনসহ আরো উপাদান দিয়ে তৈরি করতে পারেন। এখন আর্টিফিশিয়াল মুক্তা এবং পুঁতির মালার তৈরি ইয়োক বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এছাড়া অ্যামব্রয়ডারি কিংবা হ্যান্ডপেইন্টও করিয়ে নিতে পারেন।

    ছেলেদের দর্জি
    ঈদ কিংবা যেকোনো উৎসবে ছেলেদের নজর পাঞ্জাবির দিকেই থাকে। আবার শার্ট, প্যান্ট, স্যুট, ব্লেজারের মতো ফরমাল ড্রেসেরও কদর রয়েছে। চাকরিজীবী অথবা ব্যবসায়ীদের মতো কর্মব্যস্ত পুরুষরা শার্ট-প্যান্টের জন্য বেছে নিতে পারেন এমন টেইলার্স, যেখান থেকে কাপড়ও কিনতে পারবেন। পোশাকে কী ধরনের ফিটিং, হাতা, কলার, কাটিংয়ে কেমন পরিবর্তন দরকার দর্জিকে বুঝিয়ে বলুন। কুচি-ছাড়া প্যান্ট এখন ট্রেন্ড। তবে বৈচিত্র্য আনতে এক কুচি দিতেও পারেন। ঈদের দিনগুলোতে গরম থাকবে। পাঞ্জাবির জন্য কাপড় সুতি, হালকা খাদির হলে ভালো হয়। এছাড়া বাটিক অথবা টাইডাইয়ের মধ্যে পোশাক কেনাও ভালো। পাঞ্জাবি কখনোই টাইট ফিটিং মানায় না। আবার কুর্তা বানাতে চাইলেও টাইট ফিটিং এড়িয়ে যাওয়া ভালো।

    খলিফার খোঁজ
    সেলাই কারিগরদের কেউ কেউ খলিফা বলে থাকে। এই খলিফারা রাজধানী ঢাকার যেসব এলাকায় আছে, সেই তালিকা দিব এবার। এর মধ্যে ছেলেদের পোশাকের জন্য বিখ্যাত এলিফ্যান্ট রোড, রমনা ভবন, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটিসহ বেশকিছু মার্কেট। এছাড়া স্টার টেইলার্স, ফিট এলিগেন্স, দ্য রেমন্ড শপ, টপটেন, আইকন টেইলর অ্যান্ড ফেব্রিকস, আইডিয়াল টেইলর অ্যান্ড ফেব্রিকস, আজিজ টেইলার্স অ্যান্ড ফেব্রিকস, বসুন্ধরা শপিংমল, সোনারগাঁও রোড, ধানমন্ডি আনাম র‌্যাঙ্গস প্লাজা, মগবাজার বিশাল সেন্টার, বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ, গুলশানের ইউনিকর্ণ প্লাজা অন্যতম। আর মেয়েদের জন্য চাঁদনী চক, নিউমার্কেট, মৌচাক ও আনারকলি মার্কেটে বেশকিছু ভালোমানের টেইলার্স রয়েছে। তার মধ্যে চাঁদনী চকের লেডিস ফ্যাশন, ওমেন্স টেইলার্স বেশ ভালো মানের। গাউছিয়ায় রয়েছে লেসি বিউটি ফ্যাশন, ইউনিকসহ বেশকিছু টেইলার্স। নকশার ভিন্নতা এবং মার্কেট অনুযায়ী রয়েছে মজুরি ভিন্নতাও।

    সেলাইয়ের খরচ
    ঈদের আগমনে সেলাইকারিগররা কাপড়, নকশা ও কাট-ছাঁটের উপর ভিত্তি করে দাম নির্ধারণ করেন। একেক এলাকায় একেক রকম মজুরি। সালোয়ার-কামিজ ৪০০-৮০০ টাকা, সুতি ব্লাউজ ৩৫০ টাকা, লাইনিং ব্লাউজ ৬০০ টাকা, লেডিস ফতুয়া ২৫০ টাকা, লেহেঙ্গা ৬০০-১০০০ টাকা, শাড়ির ফলস ২০০ টাকা, শাড়ি পিকু ৫০ টাকা, ওড়না পিকু ৫০ টাকা, ফ্রক নরমাল ৪০০-৮০০ টাকা, শাড়ি নেট গজপ্রতি ২৫০ টাকা, ছেলেদের শার্ট ৪০০ টাকা, প্যান্ট ৫০০ টাকা, পাঞ্জাবি ৬০০ টাকা, জেন্টস ফতুয়া ৩৫০ টাকা।

  • বহু প্রেমের কারণ একাকীত্ব!

    বহু প্রেমের কারণ একাকীত্ব!

    প্রেম! মানুষের জীবনে এই শব্দটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মানব প্রেম বৈচিত্রময়। কখনও কখনও সে প্রেম হয় দীর্ঘস্থায়ী, কখনও ক্ষণস্থায়ী। আবার অনেকে পড়েন বহু প্রেমের ডোরে।  মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন মানুষের বহু প্রেমে পড়ার কারণ হল একাকীত্ব। কেননা মানুষ একা হয়ে পড়লে সে তার জীবনে সবচেয়ে ভালো কিছুটাই খোঁজে। ভালো সঙ্গী খুঁজে নিতে বহুপ্রেমে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা আবেগ প্রবণ কিংবা কল্পনার জগতে থাকতে পছন্দ করেন তারা ঘন ঘন প্রেমে পড়েন। এরাই পরকীয়া বা টেলিভিশনে বিভিন্ন প্রকার প্রেম দেখে প্রেমে পড়েন। এই প্রেম অনেকটা যুদ্ধ। কেননা অন্যের ভালো কিছু দেখলে নিজের জীবনেও সেই ভালোটাকে চায় তারা। তাই বার বার ভালো খুঁজতে গিয়ে বার বার প্রেমে পড়া।

    কিন্তু বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে, অাধুনিক তরুণ-তরুণীরা একজনের সঙ্গে জীবনভর ভালবাসার সম্পর্কে জড়িয়ে থাকতে পছন্দ করেন না। বৈচিত্রময় ভালোবাসা খুঁজতে পছন্দ করেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা যত বেশি নিজের ক্যারিয়ারের পেছনে হন্যে হয়ে ঘুরছেন, ভালো জীবন যাপনের জন্য বেশি বেশি প্রতিযেগীতা করছেন তারা তত বেশি একা হয়ে পড়ছেন। এটিকে শরীরের একটি চাওয়াও বলছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, অনেকেই শরীরের উত্তাপ পাওয়ার আশায় প্রেম করেন। চাহিদা পূরণ না হলে নতুন করে প্রেমে পড়েন। সোজা কথায়, ব্যস্ত জীবনে বদলে যাচ্ছে প্রেমও।
  • ডাবের পানির সঙ্গে মধু খেলে কী হয়?

    ডাবের পানির সঙ্গে মধু খেলে কী হয়?

    ডাবের পানি অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর একটি পানীয়। সুস্থতার জন্য জরুরি আরেকটি প্রাকৃতিক উপাদান মধু। ডাবের পানির সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিয়মিত পান করলে বিভিন্ন রোগের হাত থেকে দূরে থাকা যায়। এক গ্লাস ডাবের পানিতে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে নাস্তার আগে পান করুন। এর ফলে কী কী উপকারিতা পাবেন তা জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

    ১. হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ে : ডাবের পানির সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে হার্টের পেশির কর্মক্ষমতা বাড়তে থাকে। ফলে কোনো ধরনের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। সেই সঙ্গে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

    ২. এনার্জির ঘাটতি দূর হয় : একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এই পানীয়টি খেলে শরীরে বিশেষ কিছু খনিজের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে সহজে শরীর ক্লান্ত হয় না।

    ৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে :  এই পানীয়টিতে উপস্থিত ভিটামিন এবং মিনারেল কোষকে উজ্জীবিত করে। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে।

    ৪. শরীর এবং ত্বকের বয়স কমায় : ডাবের পানি এবং মধু মিশিয়ে বানানো পানীয়টিতে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন- এ রয়েছে, যা শরীরকে নানা রকমের ক্ষতিকর উপাদানের প্রভাব থেকে বাঁচায়। ফলে শরীর ভেতর থেকে চাঙ্গা হয়ে ওঠে।  এ কারণে শরীর ও ত্বকের বয়স কম মনে হয়।

    ৫. কনস্টিপেশন থেকে দূরে রাখে : বাওয়েল মুভমেন্টকে স্বাভাবিক করার মধ্যে দিয়ে এই পানীয়টি কনস্টিপেশন থেকে দূরে রাখে।

    ৬. হজমশক্তি বাড়ায় : প্রতিদিন ডাবের পানির সঙ্গে মধু খেলে অ্যাসিড উৎপাদনের পরিমাণ কমতে শুরু করে। ফলে বদহজম, অ্যাসিডিটি এবং কনস্টিপেশনের মতো সমস্যা দূরে থাকে।

    ৭. খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় : যারা হাই কোলেস্টরলের সমস্যায় কাবু তাদের জন্য ডাবের পানি আর মধু বেশ কার্যকর। দেখবেন অল্প দিনেই কোলেস্টেরল লেভেল একেবারে স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এছাড়া এই পানীয়টি খেলে রক্তনালীতে জমতে থাকা কোলেস্টরল কিংবা ময়লাও ধুয়ে যায়। ফলে হার্ট অ্যাটাকসহ একাধিক জটিল রোগ হওয়ার আশঙ্কা কমে।

    ৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় : শরীরে বিভিন্ন ব্যথা কমানোর পাশাপাশি যেকোনো ধরনের সংক্রমণ থেকে দূরে রাখতে ডাবের পানি এবং মধুর অনেক উপকারি। কারণ এই দুটিতেই রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক প্রপাটিজ, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত লড়াই করে।

    ৯. কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ায় : শরীর থেকে ময়লা এবং ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয় কিডনি। কিন্তু কিডনিকেও তো পরিষ্কার রাখার বিষয়টিও মনে রাখা প্রয়োজন। তাই প্রতিদিন পান করতে হবে ডাবের পানি আর মধু। কারণ এই পানীয়টি কিডনিকে পরিষ্কার রাখে। ফলে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন তো বেরিয়েই যায়, সেই সঙ্গে কিডনিও চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

  • ১ মাসেই সিগারেট ছাড়ার উপায়

    ১ মাসেই সিগারেট ছাড়ার উপায়

    নুষ অভ্যাসের দাস। আর অভ্যাসটা যদি হয় ধূমপান তাহলে তো কথাই নেই। যেকোনো অভ্যাস ত্যাগ করতে প্রথম কয়েকটা দিন সবচেয়ে কঠিন। ধূমপান ত্যাগ করার ক্ষেত্রে এই কঠিন সময়টি পার করার কয়েকটি সহজ উপায় জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক  ওয়েবসাইট রিডার্স ডাইজেস্ট।

    ১. গোলমরিচ

    ধূমপানের নেশা দূর করতে গোলমোরিচের কোনো বিকল্প নেই। গোলমরিচ খেলে শরীরের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যার প্রভাবে একদিকে যেমন ধূমপানের ইচ্ছে কমে, তেমনি ধূমপানের ফলে শরীরের যা যা ক্ষতি হয়েছে, তার প্রভাবও কমতে শুরু করে। ফলে কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।

    ২. এলাচ

    সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা কমাতে এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। যখন ধূমপান করতে ইচ্ছে হবে, তখন দুই থেকে তিনটি এলাচ মুখে নেবেন। দেখবেন নিমেষে ধূমপানের ইচ্ছে চলে যাবে, সেই সঙ্গে শরীরও চাঙ্গা হয়ে উঠবে।

    ৩. পানি

    দীর্ঘদিন ধরে সিগারেট খেলে আমাদের শরীরের ভেতর পর্যন্ত মিশে যায় নিকোটিন। যে কারণে ধূমপান ছাড়তে এতটা কষ্ট হয়। এক্ষেত্রে পানি অনেক কাজে আসে। শরীরে টক্সিন হিসেবে জমতে থাকা নিকোটিনকে ধুয়ে বার করে দিতে পানির কোনো বিকল্প নেই বললেই চলে। শুধু তাই নয়, তামাক এবং নিকোটিনের নানা ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীরকে বাঁচাতেও পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    ৪. মধু

    এতে উপস্থিত বেশ কিছু ভিটামিন, এনজাইম এবং প্রোটিন শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দেওয়ার পাশাপাশি সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছাকেও নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে ধূমপান ছাড়তে কোনো অসুবিধাই হয় না।

    ৫. আদা

    আপনি কি ধূমপান ছাড়তে চান? তাহলে আজ থেকেই আদার সাহায্য নিন। আসলে এতে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান নানাভাবে সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা কমায়। সেই সঙ্গে ধূমপান ছাড়ার কারণে যেসব উইথড্রল সিম্পটন দেখা দেয়, সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে সিগারেট খাওয়ার প্রবণতা কমে। এক্ষেত্রে আদা চা বা কাঁচা আদা খেতে হবে। তবেই মিলবে উপকার।

    ৬. ওটস

    সিগারেটের নেশা ছাড়াতে ওটস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দুই কাপ ফোটানো পানির সঙ্গে এক চামচ ওটস মিশিয়ে সারা রাত রেখে দিন। পরদিন সকালে পানিটি পুনরায় ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিয়ে প্রতিটি খাবারের পর অল্প করে খেতে থাকুন। এমনটা করলে দেখবেন শরীর থেকে নিকোটিন বেরিয়ে যাবে। সেই সঙ্গে কমে যাবে সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছাও।

    ৭. ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট

    প্রতিদিন ভিটামিন- এ, সি এবং ই সমৃদ্ধ ক্যাপসুল অথবা খাবার খেলে সিগারেটের নেশা একেবারে চলে য়ায়। সেই সঙ্গে আরও বিভিন্ন রোগের প্রকোপ কমে।

    ৮. মুলা

    এক গ্লাস মুলার রসের সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মিশিয়ে দিনে দুবার করে খেলে ধূমপানের ইচ্ছা একেবারে কমে যায়।

  • অন্যের মনের কথা জানতে চান?

    অন্যের মনের কথা জানতে চান?

    ‘চোখ যে মনের কথা বলে’-এই গানের লাইনটির সঙ্গে অনেকেই পরিচিত। কিন্তু সত্যি কি চোখ মনের কথা বলে? কারও মনের ভেতরে কী চলছে, তা যদি বুঝতে হয়, তাহলে চোখের দিকে তাকানো জরুরি। আর একবার যদি চোখের ভাষা পড়তে শিখে যান, তাহলে কার মনে কী চলছে, তা বুঝে নিতে কোনো সমস্যা হবে না।

    চোখের ভাষা পড়বেন কীভাবে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আমেরিকাভিত্তিক নারী বিষয়ক ম্যাগাজিন রিয়ালসিমপাল ওয়েবসাইটের এই ফিচারে চোখ বুলিয়ে নিন।

    ১. চোখের বাঁ দিকের মনি

    কথা বলার সময় যদি খেয়াল করেন কারও চোখের মনি একেবারে বাঁ দিকে উপরের দিকে চলে যাচ্ছে, তাহলে বুঝবেন তিনি কিছু মনে করার চেষ্টা করছেন অথবা আপনার কথা মনের ভেতরে গেঁথে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাই এমন পরিস্থিতিতে সেই কথাগুলিই বলা উচিত, যা সামনের মানুষটির মন জয় করতে পারে।

    ২. চোখের ডান দিকের কোণ

    যদি দেখেন কথা বলার সময় কারও চোখের মনি বার বার ডানদিকে, একেবারে উপরের দিকে চলে যাচ্ছে, তাহলে বুঝবেন মানুষটি মিথ্যা বলছে। একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত যে মিথ্যা বলার সময় বেশিরভাগ মানুষ সেই মিথ্যা ঘটনার একটা ছবি মনে ভেতর তৈরি করার চেষ্টা করে। ফলে অজান্তেই চোখের মনি ডান দিকে ঘেঁষতে শুরু করে।

    ৩. কিছু মনে করার চেষ্টা করলে

    কিছু মনে করার চেষ্টা করছেন, এদিকে কিছুতেই তা মনে পরছে না! এমন পরিস্থিতিতে চোখের মনি বাঁদিকে চলে যায়। আর এমনটা যখন ঘটে তখন আমরা বুঝে উঠতেই পারি না যে চোখের ভাষা বদলে গেছে।

    ৪. মনের ভেতর দ্বন্দ্ব চললে

    অনেক সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাদের মনের ভেতরে দ্বন্দ্ব চলতে থাকে। সে সময় বুঝে উঠা সম্ভব হয় না কোন কাজ করলে ভালো হবে। এই সময় আমাদের অজান্তেই চোখের মনি বাঁ দিকে বেঁকে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে চোখের ভাষা এমন হলে বুঝতে হবে সেই মানুষটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দ্বন্দ্বে রয়েছেন।

    ৫. মাথা নিচু কিন্তু চোখের মনি উপরে

    আপনার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা কেউ যখন আপনার সঙ্গে কথা বলার সময় মাথা নিচু করে থাকে, কিন্তু চোখের মনি থাকে উপর দিকে, তাহলে বুঝতে হবে সেই মানুষ লজ্জা পাচ্ছে।

    ৬. নিচের দিকে তাকিয়ে থাকলে

    কথা বলার সময় যদি কেউ যদি চোখের দিকে না তাকিয়ে মাটির দিকে তাকিয়ে থাকে, তাহলে বুঝবেন সেই মানুষটি আপনার সামনে হার মেনে ফেলেছে।

    ৭. নিজের সঙ্গে কথা বলছে

    কেউ একা একা দাঁড়িয়ে থাকার সময় যদি তার মাথা বাঁ কাঁধের দিকে ঘেঁষে নিচের দিকে ঝুঁকে থাকে, তাহলে বুঝবেন সেই মানুষটি নিজের সঙ্গে কথা বলছেন। তাই তো তার চোখের এবং শরীরের ভাষা এমন বদলে গেছে।

    ৮. ষড়যন্ত্রীদের চোখ

    কেউ যখন কারও ক্ষতি করার বিষয়ে ভাবতে থাকে, তখন চোখের মনি বারবার ডান দিক থেকে বাঁ দিকে এবং বাঁ দিক থেকে ডান দিকে যেতে থাকে। তাই কথা বলার সময় যদি কারও চোখের ভাষা এমন হয়, তাহলে সাবধান হতে হবে! কেননা সেই মানুষটি মনে মনে আপনার ক্ষতি করার কথা ভেবে চলেছে।