Category: লাইফস্টাইল

  • বিবাহবিচ্ছেদ ঠেকাতে স্বামী-স্ত্রীর করণীয়

    বিবাহবিচ্ছেদ ঠেকাতে স্বামী-স্ত্রীর করণীয়

    প্রেম-ভালোবাসা ও সংসার স্বর্গ থেকে আসে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যখন বোঝাপড়া ভালো হয়, তখন সংসার সুখের হয়। তখন পৃথিবীতে পাওয়া যায় স্বর্গের সুখ। কিন্তু সেই সঙ্গীর সঙ্গে যখন দূরত্ব সৃষ্টি হয়, কাছে থেকেও আপন মানুষটি দূরের হয়ে যায় এবং অমানুষের মতো আচরণ করে, তখন পৃথিবীটাই যেন নরক হয়ে ওঠে।

    বিয়ে একটি সামাজিক, ধর্মীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত সম্পর্ক। বিবাহিত নারী-পুরুষ একসঙ্গে থাকার যে প্রতিজ্ঞা করে, আন্তরিকভাবে চাইলে কখনোই সে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার কারণ নেই।

    নারী-পুরুষের শারীরিক, মানসিক, আত্মিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক আস্থার যে নির্ভরশীলতা বিয়ের মাধ্যমে তৈরি হয়, এটা খুব ঠুনকো নয়, যে একটু ঝড়ো বাতাসেই তা ভেঙে যাবে।

    আসুন জেনে নেই বিবাহবিচ্ছেদ ঠেকাতে স্বামী-স্ত্রীর করণীয়।

    ধর্মীয় প্রথা মানুন

    প্রতিটি পরিবার, এলাকা-বা নিজের ধর্মের কিছু নিজস্ব সংস্কৃতি বা প্রথা থাকে। এগুলোর প্রতি সম্মান দেখান। এতে দুই পরিবারের সবাই আপনাদের খুব সহজেই আপন করে নেবেন।

    এক প্লেটে খান

    কাজের ব্যস্ততায় দিনে তিন বেলা তো দু’জন একসঙ্গে খাবার খাওয়ার সময় পাওয়া যায় না। কিন্তু দিনের যেকোনো একটা বেলা অবশ্যই একসঙ্গে খাবার খান। সুযোগ থাকলে এক প্লেটে খান।

    মিষ্টি হাসিতে বরণ

    সারাদিনের জন্য আলাদা হয়ে কাজে যাচ্ছেন। প্রিয়জনকে এমনভাবে বিদায় জানান, যেন তিনি দ্রুত আপনার কাছেই ফিরতে চান। আবার যখন দিনের শেষে দেখা হয় তাকে অবশ্যই মিষ্টি হাসিতেই বরণ করুন।

    খাবার-পোশাক

    পোশাক বা অন্য প্রয়োজনীয় কিছু কেনার সময়ও সঙ্গীকে সঙ্গে নিন। তার পছন্দ জানতে চান, কোনটিতে আপনাকে বেশি ভালো মানাবে, এতে তিনি নিজেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করবেন আপনার জীবনে। খাবারের বিষয়েও মাঝে মাঝে তার পছন্দেই নিজের মেন্যু ঠিক করে নিন।

    ছাড় দেয়ার মানসিকতা

    সুখের সংসার করতে হলে অবশ্যই ছাড় দেয়ার মানসিকা থাকতে হবে। ধরুন আপনার সব কিছুই একদম পারফেক্ট চাই। কিন্তু সঙ্গী ব্যস্ত থাকেন বা তার হয়তো শরীর বা মন খারাপ। কিছু কাজ ঠিকমতো হচ্ছে না, দিন না একটু ছাড়, নিজেরাই ভালো থাকবেন।

    সঙ্গীসহ ছবি দেন

    যুগটা ডিজিটাল, আমরা পুরো বিশ্বের সঙ্গে যোগযোযোগ রক্ষা করছি। বন্ধুরা কোথায় ঘুরতে যাচ্ছে, তাদের পরিবারে কী অনুষ্ঠান হচ্ছে, কাছে না গিয়েও আমরা সেই আনন্দের সঙ্গী হচ্ছি। কিন্তু সামাজিক যোগযোগের মাধ্যমগুলোতে নিজের সঙ্গীসহ ছবি দেন তো? নিজের সম্পর্কের প্রতি আপনি কতটা সিরিয়াস এটা দেখার জন্য কিন্তু ছোট ছোট এবিষয়গুলোও জরুরি।

    শারীরিক সম্পর্ক

    বিয়ের পরে একটা সময় পর্যন্ত শারীরিক সম্পর্ক যদিও বেশ গুরুত্ব পায়। তবে এটাই একমাত্র চাওয়া নয়, দিনে দিনে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক অনেক রক্তের সম্পর্ককেও ছাড়িয়ে যায়।

  • কপাল ও চোখের ভাঁজে করণীয়

    কপাল ও চোখের ভাঁজে করণীয়

    সবাই তরুণ বা যৌবনদীপ্ত থাকতে চায় এবং সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে মুখমণ্ডলের চারপাশে কুঞ্চন বা বলিরেখার সৃষ্টি হয়, যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় কপাল ও চোখের চারপাশে। একে বলা হয় ক্রোফিট বলিরেখা বা চোখের কোণে ভাঁজ।
    বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বকের ভেতরে ডার্মিস স্তর পাতলা হতে থাকে এবং কোলাজেন ও অন্যান্য ফাইরের পরিমাণ কমতে থাকে। এতে ত্বক ঢিলে হয়ে যায়, ভাঁজ পড়তে শুরু করে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের শুষ্কতা বাড়ে যা ভাঁজের জন্য কিছুটা দায়ী। তাছাড়া অতিরিক্ত রোদে বা সূর্যালোকে কাজ করা, ধূমপান, পরিবেশ দূষণ, পারিবারিক ইতিহাস, মানসিক চাপ, অত্যধিক ভেজাল খাবার ত্বকে ভাঁজ সৃষ্টি করে।
    মুখমণ্ডলে বয়সের ভাঁজ বিশেষ করে চোখের কোণের কুঞ্চন রেখা দূর করতে প্রথমেই মানসিক চিন্তা মুক্ত থাকতে হবে। ত্বকের ক্ষয়রোধ করতে প্রচুর পরিমাণে পানি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার ও ফলমূল খেতে হবে। এর জন্য খাদ্য তালিকায় প্রচুর ভিটামিন এ, সি, ই, বি-৩ সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে।
    প্রতিদিন নিয়ম করে শাক-সবজি, দুধ ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। কারণে- অকারণে কপাল কুঁচকানো বাদ দিতে হবে এবং সর্বদা প্রফুল্ল থাকতে হবে। বর্তমানে ত্বকের ভাঁজের চিকিৎসায় রেটিনয়েড ক্রিম, বটুলিনাম টক্সিন, লেজার, কেমিক্যাল পিলিং, ফিলারসহ নানা পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনটাই গ্রহণ করা যাবে না।
    লেখক: ত্বক, লেজার এন্ড এসথেটিক বিশেষজ্ঞ

  • যেসব খাবার শিশুর জন্য ক্ষতিকর

    যেসব খাবার শিশুর জন্য ক্ষতিকর

    ঘরের তৈরি খাবার শিশুদের জন্য সবচেয়ে ভালো। বাইরের কিনে আনা খাবার শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্নক ক্ষতির কারণ হতে পারে।জানেন কী, বাইরের খাবার খেয়ে আপনার শিশুর বৃদ্ধি যেমন ব্যাহত হয় তেমনি সার্বিকভাবে আপনার শিশুর স্বাস্থ্যকেও প্রভাবিত করে। তাই শিশুতে বাইরের খাবার খাওয়াবেন না।

    আসুন জেনে নেই যেসব খাবার শিশুদের খাওয়াবেন না।

    প্রিজারভেটিভযুক্ত খাবার

    সব ধরণের বেকড খাবার, ভাজাপোড়া, চিপস ও প্যাস্ট্রির মধ্যে রাসায়নিক থাকে এবং শিশুরা এইসব খাবার খেতে ভালোবাসে। এই ধরনের খাবারে নানা রকম প্রিজারভেটিভ থাকে, যেমন: সালফাইট, সোডিয়াম বেনজয়েট, নাইট্রেট ও পটাশিয়াম সরবেট ইত্যাদি। এইসব প্রিজারভেটিভ শিশুর কিডনি ও লিভারের ক্ষতি করা ছাড়াও এলার্জি এবং বমির জন্য দায়ী।

    কৃত্রিম সুইটেনার

    কৃত্রিম সুইটেনারযুক্ত খাবারও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকর। সাধারণভাবে মনে করা হয়ে থাকে যে এইসব প্রাকৃতিক সুইটেনার খেলে ওজন কমবে ও এগুলো শর্করার স্বাস্থ্যসম্মত বিকল্প। কিন্তু আদতে এইসব খাবার খেলে মাথাঘোরা, মাথাব্যথা, অন্ধত্ব, স্মৃতি লোপ পাওয়া ও ক্লান্তিতে ভোগার মতো লক্ষণগুলো দেখা যায়।

    সোডিয়াম নাইট্রেট

    এই রাসায়নিক উপাদানটি হ্যাম, বেকন ও হট ডগের সাথে যোগ করা হয়, যা খাবারে লালচে আভা দেয়। এইসব খাবার নিয়মিত খেলে মাথা যন্ত্রণা হবার পাশাপাশ মাথা ঝিমঝিম করে, বমি হয় এবং গা গোলায়।

    রঙচঙে খাবার

    রঙচঙে খাবার সবসময়ে শিশুদের প্রলুব্ধ করে, কিন্তু এটা তাদের ক্ষেত্রে মারাত্মক ক্ষতিকারক। বেকড জিনিস, সফট পানীয় ও ক্যান্ডির মধ্যে নীল রঙ ও সাইট্রাস লাল পাওয়া যায়, যা থেকে ক্যানসার হতে পারে।

    শিশুর স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য যতটা সম্ভব তরতাজা খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন।

  • ওজন কমাবে স্যুপ

    ওজন কমাবে স্যুপ

    স্যুপকে অনেকে রোগীর খাবার মনে করেন। এ জন্য অসুস্থ হলে শরীরে শক্তি পেতে অনেকে স্যুপ খেয়ে থাকেন। জেনে রাখা ভালো স্যুপ খেলে শরীরে একটা তরতাজা ভাব আসে। ঠাণ্ডা লেগে গেলে, সর্দি কাশি এবং জ্বরে স্যুপ খুবই উপকারী।তবে আপনি জেনে খুশি হবেন যে, ওজন কমাতেও ভীষণ সাহায্য করে বিভিন্ন স্যুপ।আসুন জেনে নেই এমনি কিছু স্যুপ সম্পর্কে।

    শশার স্যুপ

    পুদিনা, ধনে পাতা, রসুন আর সামান্য লেবুর রস দিয়ে বানানো শশার এই স্যুপ স্বাদে সবার থেকে এগিয়ে। ঠাণ্ডা করে এই স্যুপ খেলে আপনার মধ্যে তাজা ভাব আসবে, ভালো থাকবে পেটও।

    শাক আর চিজ দিয়ে স্যুপ

    মেথি পাতা, ধনে পাতা এবং সরষে শাক দিয়ে বানাতে পারেন এই স্যুপ। সাথে চাট মশলার স্বাদযুক্ত চিজ দিতে পারলে আরও ভালো লাগবে খেতে। বিভিন্ন শাকের মধ্যে ফাইবার রয়েছে প্রচুর, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে।

    বিন এবং চিকেন স্যুপ রেসিপি

    চিকেনের স্যুপ ভালোবাসেন না এমন মানুষ কমই আছে। স্বাদে অসামান্য তো বটেই পুষ্টিগুণেও অনন্য। চিকেন স্যুপ পেটও ভরা রাখে, আবার এর ক্ষতিকর দিকও কম। আরও ভালো স্বাদ পেতে বিন দিয়ে পাতলা করে চিকেন সেদ্ধ স্যুপ বানান বাড়িতেই।

    গাজর এবং টমেটো স্যুপ

    গাজর ও টমেটো উভয়ই ওজন কমানোর আদর্শ উপাদান। আর তা যদি স্যুপ করে খাওয়া যায় তাহলে তো কথাই নেই। ওজন কমাতে হলে উচ্চগুণ সম্পন্ন ফাইবার সমৃদ্ধ এই দুই সবজিই স্যুপ করে খান, স্বাদ বাড়াতে সামান্য ক্রিম যোগ করতে পারেন আপনার স্যুপে।

    মুগ ডালের স্যুপ

    স্বাদে তো মুগডাল অসাধারণই। তবে প্রোটিন আর ফাইবারে ভরপুর এই ডাল ওজন কমাতেও সাহায্য করে। হালকা ঝাল দিয়ে এই ডালের স্যুপ করে খান।

  • শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যার সমাধান

    শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যার সমাধান

    শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হলে তারা কান্নাকাটি করে ও খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে দেয়। শিশুদের এই অস্বস্তি মায়েদের উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দেয়। এই ক্ষেত্রে অনেকেই ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করেন যা সাময়িক আরাম দিলেও পরে ফল হতে পারে মারাত্মক।
    স্বাভাবিক পায়খানা দুই-তিন দিন পর পর হলেও তা চিকিৎসা বিজ্ঞানে কোষ্ঠকাঠিন্য বলে না। পরপর তিন দিন শক্ত পায়খানা হলে তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা হয়। বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়ালে কোষ্ঠকাঠিন্য হয় না। তাই দুই বছর বয়স পর্যন্ত শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। শিশু যদি ফর্মুলা দুধ খায় তবে পাতলা করে অথবা নির্দেশনা অনুযায়ী খাওয়াতে হবে।
    এছাড়া ছয় মাস বয়সের পর থেকে বাড়তি খাবারে আঁশযুক্ত খাবার যেমন-শাক-সবজি, ফল (কলা, আম, পেঁপে) খাওয়ালে উপকার হয়। পাশাপাশি ছোট-বড় সব শিশুকে নিয়মিত মলত্যাগের অভ্যাস করাতে হবে। তবে শিশু মলত্যাগের সময় ব্যথা পেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
    লেখক : ত্বক, লেজার এন্ড এসথেটিক বিশেষজ্ঞ
  • অতিরিক্ত ঘামে করণীয়

    অতিরিক্ত ঘামে করণীয়

    শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের একটি পদ্ধতি হলো ঘাম। গরমে শরীরের তাপমাত্রা আবহাওয়ার তাপমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে ঘাম হয়। অতিরিক্ত গরমে ঘেমে যাওয়া একটি সাধারণ ব্যাপার। তবে অতিরিক্ত ঘাম অনেকসময় কিছু রোগেরও লক্ষণ হয়ে থাকে। মানুষের শরীরে ‘অ্যাক্রাইন ও অ্যাপোক্রাইন’ নামক দুই ধরনের ঘর্মগ্রন্থি আছে। আবহাওয়ার অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়।
    এই তাপমাত্রা স্বাভাবিক করাই ঘর্মগ্রন্থির কাজ। এর পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান সমূহ ঘামের মাধ্যমে বের হয়ে যায়, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী ও প্রয়োজনীয়। উচ্চ তাপমাত্রা ছাড়াও শারীরিক পরিশ্রম, উত্তেজনা, রাগ, ভয়, দুশ্চিন্তা ইত্যাদি স্বাভাবিক কারণেও ঘাম হয়ে থাকে। তবে অতিরিক্ত ঘাম অনেক সময় কিছু রোগের লক্ষণ হতে পারে। অনেকেই শীতকাল অথবা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ায় সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে হাত ও পায়ের তালু ও বগল ইত্যাদি স্থানে অতিরিক্ত ঘাম হয়।
    এইসব ক্ষেত্রে থাইরয়েড হরমোন জনিত সমস্যা থাকতে পারে। এছাড়া ডায়াবেটিস, নিউরোলজিক্যাল ডিজিজ, কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ ইত্যাদি অতিরিক্ত ঘামের কারণ হতে পারে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই উত্তম।
    এছাড়া অতিরিক্ত ঘামের কারণে কিছু চর্মজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন: ঘামাচি, ব্রণ, ব্যাকটেরিয়াল ও ফাংগাল ইনফেকশন ইত্যাদি। এছাড়া শরীরে পানিশূন্যতার সৃষ্টি হতে পারে। তাই অতিরিক্ত ঘাম হলে প্রচুর তরলজাতীয় খাবার যেমন: পানি, ফলের রস, স্যালাইন গ্রহণ করতে হবে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। গরমের দিনে হালকা রঙের সুতি পোশাক পরিধান করাই উত্তম।
    লেখক: ত্বক, লেজার এন্ড এসথেটিক বিশেষজ্ঞ