Category: লাইফস্টাইল

  • ডিম খেয়ে ওজন কমান!

    ওজন একটু বাড়তির দিকে গেলেই চিন্তায় পড়ে যান আপনি! অনেকে সময় দেখা যায় সেই কাঙ্ক্ষিত ওজন কমছে না। শরীরচর্চা, ডায়েট, ঘরোয়া পদ্ধতিসহ নানা চিকিৎসকের পরামর্শ। কিছুই হয়তো বাদ রাখেননি। ওজন কমানোর জন্য খাবারের তালিকা ছোট করতে থাকি আমরা। পারলে সবার আগে বাদ দেই ডিমকে! কিন্তু গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা, ডিম খেয়েই কমানো যাবে ওজন।

    সম্প্রতি ভারতের এক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এগ হোয়াইট প্রোটিন শেক ওজন কমানোর অন্যতম মন্ত্র। ওজন বাড়লে অনেকে খাওয়াই বন্ধ করে দেন।

    কিন্তু হিতে বিপরীত হয়। যে পরিমাণ প্রোটিন দরকার তা থেকে শরীরকে বঞ্চিত করলে উল্টো ক্ষতি হয়। এরই সমাধান হল প্রোটিন শেক। আর এগ প্রোটিন শেক-এর জুড়ি মেলা ভার।

    অনেকেই রয়েছেন যারা দুধ জাতীয় প্রোটিন শেক খেতে পছন্দ করেন না। তাদের জন্য এগ হোয়াইট প্রোটিন শেক যথাযথ। এছাড়াও ওজন কমানোর জন্য রয়েছে সয়া প্রোটিন শেক, পি (কড়াইশুটি) প্রোটিন শেক ইত্যাদি।

  • কিডনি ভালো রাখতে করণীয়

    কিডনি ভালো রাখতে করণীয়

    কিডনি শরীরের অন্যতম একটি অঙ্গ। কিডনি শরীরে অনেক কাজ করে। তবে মূল যে কাজগুলো করে তা হলো গোটা শরীরের পিএইচ। অর্থাৎ অম্ল ও ক্ষারের মাত্রার একটা ভারসাম্য রক্ষা করে। ফলে শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারে। শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য বের করে দেয়।

    প্রতিদিনের বেশকিছু সাধারণ ভুলে এই অঙ্গের ক্ষতি হয় নানাভাবে। অনেক সময়ই আমরা যেসব ভুল করি, তা পরবর্তীকালে কঠিন রোগের আকার নেয়। ফলে প্রথম থেকেই নিয়ম মেনে চলা খুব দরকার।

    মদ্যপান লিভারের ক্ষতি করে— এ কথা আমরা সবাই জানি। তাই মদ্যপান এড়িয়ে চলা আবশ্যিক। কিন্তু তার বাইরেও আমাদের বেশকিছু অভ্যাস লিভারকে অসুস্থ করে তোলে।

    আসুন জেনে নেই কিডনি ভালো রাখতে করণীয়।

    পানি

    কিডনিকে ভালো রাখতে খুব প্রয়োজন পানির। শরীর অনুযায়ী পানি কতটা প্রয়োজন, তার পরামর্শ নিন চিকিৎসকের কাছে। সেই অনুযায়ী পানি খান প্রতিদিন। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি না খেলে কিডনির ওপর চাপ পড়ে এবং কিডনি তার সাধারণ কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এছাড়া শীতকালেও পানি খাওয়ার পরিমাণ কমাবেন না। তৃষ্ণা না পেলেও সময় ধরে পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

    পেইন কিলার

    সামান্য ব্যথা হলেই পেইন কিলার খাওয়ার অভ্যাস থাকলে আজই তা ত্যাগ করুন। কিডনির কোষের অতিরিক্ত ক্ষতি করে পেইন কিলার। ব্যথা একান্ত অসহ্য হলে তবেই তা খান।

    লবণ

    খাওয়ার পাতে লবণ খান খুব? এ অভ্যাসে রাশ টানুন আজই। কিডনি অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীর থেকে বের করতে পারে না। ফলে বাড়তি লবণের সোডিয়ামটুকু রয়ে যায় কিডনিতেই। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কিডনি।

    প্রস্রাব আটকে রাখা

    সুলভ শৌচালয় ব্যবহার করতে চান না, তাই বাইরে বেরোলে আটকে রাখেন প্রস্রাব? এমন অভ্যাস কিন্তু শরীরের জন্য খুব ক্ষতিকর। অনেকক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখলে তা কিডনিতে চাপ তো ফেলেই, এমনকি, চিকিৎসকদের মতে, এমন অভ্যাস দীর্ঘদিন ধরে বজায় রাখলে অচিরেই নষ্ট হতে পারে কিডনি।

    মাংস না খেয়ে মাছ-শাকসব্জির খান। চর্বি কিডনির জন্য খুব ক্ষতিকারক। মাংসের ফাইবারও পরিমাণে বেশি হলে তা কিডনির ওপর চাপ ফেলে। তাই ঘন ঘন মাংস খাওয়ার প্রবণতা থাকলে তা কমান, খেলেও খুব পরিমাণ মেপে খান।

  • রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর ঘরোয়া উপায়

    রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর ঘরোয়া উপায়

    একইভাবে টানা বসে থাকলে হাত অথবা কোমর অথবা পায়ে শক্ত ভাব আসতে পারে। রক্ত সঞ্চালন কমে যাওয়ার কারণে এই সমস্যা হয়। হালকা নড়াচড়া করলে সমস্যার সমাধান করা যায়।

    রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা একটি স্বাস্থ্যগত সমস্যার লক্ষণ। এ ধরনের সমস্যা হলে সমাধানের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

    তবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে, যেগুলো রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর ৫ ঘরোয়া উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট।

    গোলমরিচ

    রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে চাইলে খাদ্যতালিকায় গোলমরিচ রাখতে পারেন। গুঁড়া করে অথবা সালাদের সঙ্গেও খেতে পারেন এই মরিচ।

    নড়াচড়া করুন

    ব্যায়াম বা নড়াচড়া রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে কাজ করে। এমনকি ১০ মিনিটের হাঁটাও বেশ কাজে দেয় রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে। তাই প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করুন।

    তরমুজ

    রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে আরেকটি চমৎকার খাবার হলো তরমুজ। তরমুজের মধ্যে রয়েছে লাইকোপেন। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। দৈনিক এক বাটি তরমুজ খাওয়া রক্ত পরিবহন সহজ করে, এমনটাই পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

    খাবার

    কফি, সিগারেট, চা, এমনকি এনার্জি ডিংক রক্তে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখতে এই ধরনের খাবার সীমিত গ্রহণই ভালো।

    ওটস

    ওটসের মধ্য রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে কাজ করে। দুধ ও ফলের সঙ্গে ওটস মিশিয়ে খেতে পারেন।

  • ঘরোয়া উপায়ে মশা তাড়ান

    ঘরোয়া উপায়ে মশা তাড়ান

    একটু বৃষ্টি আবার গরম, বছরের এই সময়ে গরমটা অতিরিক্তই বাড়িয়ে দিয়ে থাকে। আর গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি বিরক্তিকর উপদ্রবও বাড়তে থাকে। আর এই বিরক্তিকর উপদ্রবটি হচ্ছে মশা। মশার কামড় থেকে কী না হয়! ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়াসহ আরো অনেক জটিল রোগ।

    তাই একটাও মশা যাতে না কামড়ায়, সব সময় সতর্ক থাকতে হয়। অতিরিক্ত গরম লাগলেও এই মশার উপদ্রবের কারণে মশারির ভেতরে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। মশার ধূপ, মশা মারার স্প্রে কোনও কিছু দিয়েই মশা দুর করা যায় না। তবে খুব সহজেই এই মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

    আসুন জেনে নেই কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে মশা তাড়াবেন।

    লেবু ও লবঙ্গ

    একটি গোটা লেবু দুই টুকরো করে কেটে নিন। এর পর কাটা লেবুর ভেতরের অংশে বেশ কয়েকটা করে লবঙ্গ গেঁথে দিন। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা গেঁথে শুধুমাত্র মাথার দিকের অংশ বাইরে রেখে লবঙ্গ গেঁথে দিন। এর পর লেবুর টুকরোগুলো একটি প্লেটে রেখে ঘরের কোণায় রেখে দিন।

    ব্যস, এতেই বেশ কয়েকটা দিন মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এই পদ্ধতিতে মশা ঘরের ধারেকাছে ঘেঁসবে না একেবারেই। আপনি চাইলে লেবুতে লবঙ্গ গেঁথে জানালার গ্রিলেও রাখতে পারেন। এতেও মশার ঘরে ঢোকার পথ বন্ধ হবে।

    কর্পূর

    কর্পূরের গন্ধ মশা একেবারেই সহ্য করতে পারে না। আপনি যে কোনও অষুধের দোকানে বা মুদির দোকান থেকেও কর্পূরের ট্যাবলেট কিনে আনতে পারেন। একটি কর্পূরের টুকরো একটি ছোটো পাত্রতে রেখে সেটি জল দিয়ে পূর্ণ করুন। এরপর এটি ঘরের কোণে রেখে দিন। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘর থেকে মশা গায়েব হয়ে যাবে।

    রসুন

    রসুনের গন্ধ মশারা সহ্য করতে পারে না। তাই কয়েক কোয়া রসুন পানিতে ফুটিয়ে নিন। সেই ফোটানো পানিকে ঠাণ্ডা করে একটা বোতলে ভরে নিন। ঘরের কোণায়, পর্দার পিছনে, ছাদে, বারান্দায় ছড়িয়ে দিন। এমনকী, দরকার পড়লে গায়েও মেখে নিতে পারেন। এতে মশা দুরে থাকবে।

    নিমপাতা

    নিমপাতা রোদে শুকিয়ে নিন। তারপরে ধুনুচিতে শুকনো নিমপাতা নিয়ে জ্বালিয়ে দিন। ঘরের মধ্যে ধুনুচি রেখে জানলা দরজা বন্ধ করে দিন। কিছুক্ষণ পরে দরজা জানলা খুলে দিন। দেখবেন মশা গায়েব।

    পুদিনা পাতা

    বাটিতে পানির মধ্যে পুদিনা পাতা রেখে ফুটিয়ে নিন। সেই ধোয়া ভালে করে ঘরের মধ্যে ছড়িয়ে দিন। পানি ছিটিয়ে দিন ঘরের কোণায়। দেখবেন মশা চলে গিয়েছে।

    তুলসি গাছ

    ঘরের মধ্যে টবে তুলসি গাছ রাখলে মশা আসে না। ঘর মোছার পানিতে কিছুটা লবণ মিশিয়ে দিন। এতে মশা, মাছি ঘরে আসবে না।

    নিম তেল

    ঘর মোছার জলে মিশিয়ে নিন কয়েক ফোটা। ঘরের কোণেও দু–এক ফোটা ফেলে রাখতে পারেন। গন্ধে মশা পালাবে। এক বোতল নারকেল তেলের সঙ্গে কয়েক ফোটা নিম তেল মিশিয়ে রাখুন। গায়ে মেখে নিন। মশা কামড়াবে না।

    মশা তাড়ানোর গাছ

    ঘরের কোণে ল্যাভেন্ডার, ক্যাটনিপ, ফিভারফিউয়ের মতো গাছ রাখুন। গন্ধে মশা পালাবে।

    ল্যাভেন্ডার তেল

    পানির সঙ্গে পরিমাণমতো ল্যাভেন্ডার আর ইউক্যালিপ্টাস তেল মিশিয়ে ঘরে স্প্রে করুন। তবে এই মিশ্রণের বেশিক্ষণ মশা রুখে দেয়ার ক্ষমতা নেই। তাই এক ঘণ্টা অন্তর স্প্রে করুন।

  • ডেঙ্গু প্রতিরোধে পেঁপে পাতা

    ডেঙ্গু প্রতিরোধে পেঁপে পাতা

    হঠাৎ বেড়েছে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ। তবে জ্বর হলেই যে ডেঙ্গু হবে তা কিন্তু নয়। তবে জ্বরের প্রকোপ আপনার কাছে বেশি মনে হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

    তবে আপনি চাইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ঘরোয়া নিরাময়ের মাধ্যম করতে পারেন। আপনি জেনে খুশি হবেন যে, পেঁপের পাতা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাহায্য করে।

    আসলে পেঁপে যেমন সুস্বাদু তেমনি গুণের একটি ফল। আমাদের শরীর-ত্বক সুস্থ সুন্দর রাখতে পেঁপের তুলনা হয় না। পেঁপে পাতারও রয়েছে অনেক গুণ। পেঁপের পাতা কীভাবে ডেঙ্গু সারাবে, তাইতো ভাবছেন?

    পেঁপে পাতার রসে কাইমোপ্যাপিন ও প্যাপাইন রয়েছে৷ যা রক্তের প্লেটলেটের সংখ্যা ও রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে৷ ফলে ডেঙ্গুর সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বেড়ে যায়৷

    পেঁপের পাতার রস পান করলে হজমশক্তি বাড়ে, শরীর দ্রুত প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করে নেয়। এছাড়া সব ধরনের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে৷

    ডেঙ্গু প্রতিরোধে যেভাবে খাবেন পেঁপে পাতা

    পেঁপের পাতার রস করতে প্রথমে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে, পরিষ্কার পাটা বা হাম্বলদিস্তায় থেঁতো করে নিন। এবার রস ছেঁকে নিয়ে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন।

    তৈরি হয়ে গেল পেঁপে পাতার জুস, ডেঙ্গু রোগীকে প্রতিদিন তিন বেলা তিন কাপ পরিমাণ পান করতে দিন।

    জ্বর যদি কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে না আসে তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

  • গরমে ঘামাচি হলে কী করবেন?

    গরমে ঘামাচি হলে কী করবেন?

    গরমের বিব্রতকর সমস্যা ঘামাচি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই রোগটির নাম মিলিয়ারিয়া। এটি ঘর্মগ্রন্থির রোগ। কোনো ব্যক্তি যদি ঘরে, অফিসে এবং গাড়িতে এয়ারকুলার ব্যবহার করেন তবে বলা যায়, তার এ রোগ হওয়ার আশংকা গরমকালেও নেই।

    ঘামাচি কী?

    চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ঘামাচির নাম মিলিয়ারিয়া। এটি ঘর্মগ্রন্থির রোগ। ঘামাচি তিন ধরনের হয়। প্রথমে আসা যায় মিলিয়ারিয়া কৃস্টালিনা। এ ক্ষেত্রে ত্বক দেখতে প্রায় স্বাভাবিক বলেই মনে হয়। সাধারণত কোনো উপসর্গ থাকে না।

    দ্বিতীয়টি অর্থাৎ মিলিয়ারিয়া রুবরার ক্ষেত্রে ঘর্মনালীতে বদ্ধতা দেখা দেয় এবং এ ক্ষেত্রে ত্বকের ওপরে ছোট ছোট অসংখ্য গোটা হতে দেখা যায়। গোটার মাথায় পানির দানা থাকতেও পারে, আবার নাও থাকতে পারে এবং ত্বক স্বাভাবিকের চেয়ে আপেক্ষিকভাবে লালচে রঙের দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে প্রচণ্ড চুলকানি থাকে, যা শরীরের মূল অংশ অর্থাৎ বুক, পিঠ ও ঘাড়ে বেশি হতে দেখা যায়।

    তবে অতিরিক্ত ঘাম শরীরের দুর্গন্ধ ও অস্বস্তির কারণ হয়। ঘাম এবং ঘামাচি থেকে গরমে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন সমস্যা হয়। এর মধ্যে ঘামাচি অন্যতম। তবে কিছু পদক্ষেপ নিলে ঘামাচি কমানো সহজ হয়।

    আসুন জেনে নেই ঘামাচি হলে কী করবেন?

    গোসল

    ঠান্ডা পরিবেশে থাকতে হবে। এয়ারকন্ডিশন রুমে থাকা ভালো, তবে ফ্যানের বাতাসেও থাকতে পারেন। এছাড়া দিনে দুই থেকে তিনবার পানি দিয়ে গোসল করা যেতে পারে।

    বেবি ট্যালকম পাউডার

    বেবি ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। গরমে সব সময় ঢিলেঢালা সুতি জামাকাপড় পরবেন। এতে করে স্বস্তিবোধ করবেন।

    ক্যালামিলন লোশন

    ক্যালামিলন লোশন (ক্যালামিলন) ঝাঁকিয়ে আক্রান্ত ত্বকে লাগিয়ে ঘণ্টাখানেক পর ধুয়ে ফেলতে হবে। এভাবে তিন থেকে চার দিন করবেন, তার বেশি নয়। এছাড়া খুব বেশি লাল ভাব বা একজিমার মতো হলে কিছুদিন কিউরল অয়েন্টমেন্ট দিনে দুবার করে ব্যবহারে উপকার পাওয়া যায়।

    অ্যান্টিবায়োটিক

    ফোঁড়া হলে অ্যান্টিবায়োটিক, যেমন—ফ্লক্সাসিলিন অথবা ইক্লরাইথ্রোমাইসিস পাঁচ থেকে সাত দিন যথাযথ মাত্রায় পুরো কোর্স খেতে হবে। তবে যেকোনো ওষুধ খাওয়া বা লাগানোর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

    চুলকাবেন না

    ঘামাচি চুলকাবেন না। কারণ ঘামাচি চুলকালে আপনার নখের দ্বারা জীবাণু সংক্রামণ হতে পারে।আর সব সময় অপরিচ্ছন্ন থাকুন। নোংরা থাকবেন না।