Category: লাইফস্টাইল

  • যে কারণে পুরুষ-নারীদের শার্টের বোতাম ভিন্ন দিকে থাকে!

    যে কারণে পুরুষ-নারীদের শার্টের বোতাম ভিন্ন দিকে থাকে!

    শার্ট আমাদের অতি পরিচিত একটি পোশাক। পুরুষ ও নারী উভয়ই এখন শার্ট পড়ে। তবে পুরুষদের শার্টের ডান দিকে আর মহিলাদের বাঁ দিকে বোতাম থাকে। কিন্তু কখনই ছেলেদের ও মেয়েদের শার্টের বোতাম এক দিকে হয় না কেন, সে বিষয়ে ভেবে হয়ে ওঠা ওঠেনি।

    আজ তাহলে এর পেছনের রহস্যটা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। এর অনেকগুলো কারণ সামনে এসেছে। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নেওয়া যাক সেই কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত-

    ১। প্রাচীন কালে যখন পোশাকের চল শুরু হয় তখন থেকেই পুরুষরা নাকি নিজেরা নিজেদের জামা পড়ত, সেই থেকেই ডান দিকে বোতামের চল শুরু। আবার মহিলাদের নাকি তখন অন্য কেউ পরিয়ে দিত। তাই যাঁরা জামা পরিয়ে দিতেন তাদের সুবিধার্থেই বাঁ দিকে বোতাম রাখা চালু হয়।

    ২। পুরুষরা যেহেতু ডান হাতে তলোয়ার রাখতেন তাই বাঁ হাতে পোশাক খুলতে সুবিধা হতো। অন্য দিকে, মহিলারা বাঁ দিকে সন্তানদের রাখতেন বলেই পোশাক খোলার জন্য ডান হাত ব্যবহার করতে হতো।

    ৩। ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট নাকি মহিলাদের পোশাকের বাঁ দিকে বোতাম লাগানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। কারণ নেপোলিয়ন তাঁর একটি হাত সব সময় শার্টের ভিতরে রাখতেন, আর তাঁকে ব্যঙ্গ করে নকল করতেন মহিলারা। যখন নেপোলিয়ন এই খবর জানতে পারেন তা বন্ধ করার জন্য মহিলাদের শার্টের বাঁ দিকে বোতাম লাগানোর নির্দেশ দেন।

     

  • রিভ অ্যান্টিভাইরাসের সেমিনার ‘ইন্টারনেট সেফটি ফর কিডস,

    রিভ অ্যান্টিভাইরাসের সেমিনার ‘ইন্টারনেট সেফটি ফর কিডস,

    শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিতকরন এবং অনলাইনে তাদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে রাখার কৌশল নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে ‘ইন্টারনেট সেফটি ফর কিডস’ শীর্ষক একটি সেমিনার।

    আগামী ২২ ডিসেম্বর বিকাল ৪টায় রাজধানীর কুড়িল ৩০০ ফিট সংলগ্ন বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ‘মাদার বেবি এন্ড কিডস শো ২০১৭’তে অনুষ্ঠিত হবে সেমিনারটি।

    সেমিনারে অংশ নিতে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করার ঠিকানা: http://mbkshow.com/ticket/index.php

    সেমিনারে রিভ অ্যান্টিভাইরাসের সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞগণ কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের প্রাথমিক নিরাপত্তা, শিশুদের নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিত করা এবং তা ঘরে/বাইরে যেকোনো জায়গা থেকে সার্বক্ষণিক নজরে রাখা ও নিয়ন্ত্রণ করার উপায় নিয়ে আলোচনা করবেন।

    এ প্রসঙ্গে রিভ অ্যান্টিভাইরাসের সিইও সঞ্জিত চ্যাটার্জি জানান, সন্তান ইন্টারনেটে কী করছে – এটা এখন সব অভিভাবকেরই চিন্তা। সচেতন বাবা-মায়েদের অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চান ঘরে ব্যবহৃত কম্পিউটারে সেন্সরশিপ আরোপের কোনো ব্যবস্থা আছে কি না? আর বাইরে থাকাকালীন কীভাবে জানবেন সন্তান চোখের আড়ালে কী করছে? এসব জিজ্ঞাসার সমাধান নিয়েই আমাদের সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্টরা সেমিনারে আলোচনা করবেন।

    কিডস প্যারাডাইসের টাইটেল স্পন্সরে, সুপারমমের পরিচালনায় এবং বসুন্ধরা ডায়াপ্যান্ট সহযোগিতায় আগামী ২১ থেকে ২৩ ডিসেম্বর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে মাদার বেবি এন্ড কিডস শো ২০১৭।

    আই-স্টেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনায় মা ও শিশুদের জন্য দেশের সবচাইতে বড় এই মেলায় মা ও শিশুর খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিচর্যা, আসবাবপত্র, বিনোদন এবং অন্যান্য পণ্য ও সেবাসমূহ প্রর্দশন করা হবে।

    এছাড়া মেলায় থাকছে দেশের স্বনামধন্য শিশু বিশেষজ্ঞ, মনোরোগবিদ ও পুষ্টিবিদগণের উপস্থিতে মা ও শিশু বিষয়ক বিভিন্ন সেমিনার, স্পেশাল চাইল্ড জোন এবং বিনোদনের জন্য অ্যামুইজমেন্ট পার্ক, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা, ম্যাজিক শো, পাপেট শো, পুতুল নাচ সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান।

  • জেনে নিন কোন বয়সে কতটা ঘুম প্রয়োজন

    জেনে নিন কোন বয়সে কতটা ঘুম প্রয়োজন

    শরীর সুস্থ রাখতে সুষম খাবারের সঙ্গে পর্যাপ্ত ঘুমটাও কিন্তু সমান জরুরি। ব্যস্ততার কারণেই আজকাল অনেকের সেই ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। আবার ছোটদের ক্ষেত্রে পড়াশোনার চাপেও অনেকসময় পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। ফলে শরীরে দেখা দেয় নানা সমস্যা। আর দীর্ঘদিন এ ভাবে চলতে থাকলে, শরীরে বাসা বাধতে পারে নানাবিধ জটিল অসুখও।

    সম্প্রতি মার্কিন স্লিপ ফাউন্ডেশন এক গবেষণা রিপোর্টে বয়স ধরে ধরে পর্যাপ্ত ঘুমের একটি চার্ট প্রকাশ করেছে।

    বয়স: ০ থেকে ৩ মাস
    কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ১৪ থেকে ১৭ ঘণ্টা

    বয়স: ৪ থেকে ১১ মাস
    কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা

    বয়স: ১ থেকে ২ বছর
    কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ১১ থেকে ১৪ ঘণ্টা

    বয়স: ৩ থেকে ৫ বছর
    কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা

    বয়স: ৬ থেকে ১৩ বছর
    কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা

    বয়স: ১৪ থেকে ১৭ বছর
    কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা

    বয়স: ১৮ থেকে ৬৪ বছর
    কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা

    বয়স ৬৫+
    কতক্ষণ ঘুমোনো প্রয়োজন: ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা

  • রোগ প্রতিরোধে কালিজিরা

    রোগ প্রতিরোধে কালিজিরা

    জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা কিংবা ডায়াবেটিস, সকল ক্ষেত্রেই উপকারী বন্ধু কালিজিরা। প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ খাবারের সঙ্গে ‘কালিজিরা’ গ্রহণ করে আসছে। কালিজিরার তেলও আমাদের শরীরের জন্য নানাভাবে উপকারি। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।

    ১. কালিজিরায় থাকা অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল এজেন্ট শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংস করে। এই উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ হতে বাধা দেয়।

    ২. চুল পড়া কমাতে ও ত্বকের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে কালিজিরার তেলের তুলনা হয় না।

    ৩. এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়। যারা মোটা হতে চান, তাদের জন্য কালিজিরা উপকারী পথ্য।

    ৪. কালিজিরার তেলের উপকার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

    ৫. জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা দূর করার জন্য কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু।

    ৬. দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে। জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে।

    ৭. কালিজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে। তারুণ্য ধরে রাখে দীর্ঘকাল।

  • বাড়িতে বসেই বানিয়ে ফেলুন ৫ রকমের বার্গার

    বাড়িতে বসেই বানিয়ে ফেলুন ৫ রকমের বার্গার

    আপনি কি বার্গার খেতে ভালোবাসেন? সুযোগ পেলেই রেস্টুরেন্টে ঢুঁ মারেন? আপনার জন্যেই বার্গারের ৫টি রেসিপি দেওয়া হলো যেগুলো আপনি খুব সহজেই বাড়িতে বানিয়ে ফেলতে পারেন। দেখে নিন কোন বার্গারটি আজকে আপনি বাড়িতেই বানাচ্ছেন।

    ডিম ও মুরগির মাংসের বার্গার
    => কড়াইয়ে তেল ঢেলে মাঝারি তাপে গরম করে নিন ও মুরগির মাংসের চাপ বাদামি রঙ হওয়া পর্যন্ত ভাজতে থাকুন।
    => ১ টেবিল চামচ মেয়োনিজ বার্গার রুটির দুই টুকরোতে ভালোভাবে মেখে নিন।
    => নিচের রুটির টুকরাটিতে লেটুস পাতা, পেঁয়াজ কুচি, মাংসের চাপ, টমেটো স্লাইস ও ভাজা ডিম সাজিয়ে রাখুন।
    => ডিমের ওপর মেয়োনিজের স্তর দিন। এবার রুটির বাকি টুকরোটি উপরে দিয়ে দিন। ব্যস, এবার বাসায় তৈরি চিকেন এগ বার্গার পরিবেশন করুন।

    আলু টিক্কি বার্গার
    => প্রথমেই আলুর পুলি বানিয়ে নিন।
    => বার্গার রুটির দুই টুকরোতেই ১ টেবিল চামচ মেয়োনিজ ভালোভাবে ছড়িয়ে দিন।
    => নিচের রুটির টুকরোটিতে আলুর পুলি, টমেটোর স্লাইস, পেঁয়াজ কুচি বসিয়ে নিন।
    => মেয়োনিজের স্তর ঢেলে রুটির ওপরের টুকরোটি জুড়ে দিলেই তৈরি হয়ে গেলো আলুর টিক্কি বার্গার।

    মেয়োনিজ ও ভাজা আলুর বার্গার
    => একটি নন-স্টিক প্যানে ১ টেবিল চামচ তেল মঝারি তাপে গরম করে নিন। => সরিষা বীজ, কারি পাতা, ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়া, আলু ও লবণ যোগ করুন।
    => ১-২মিনিট ভালোভাবে নাড়তে থাকুন ও বেসন, লাল মরিচের গুঁড়া ও পানি যোগ করে আস্তে আস্তে পিষুণ।
    => আলুর মাঝারি আকারের বল বানিয়ে নিন। বেসন মেখে একটি কড়াইয়ে গরম তেলে মচমচে করে ভাজতে থাকুন সোনালি রঙ না আসা পর্যন্ত।
    => রসুনের চাটনি বানাতে ৮ কোয়া ভাজা রসুন, কোড়ানো নারিকেল, বাদাম, মরিচ ও জিরার গুঁড়া দিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন।
    => রুটির টুকরোয় মেয়োনিজ মেখে তার ওপর চাটনি ছড়িয়ে দিন। ভাজা আলু যোগ করে মেয়োনিজ

     

  • সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত হাঁটুন

    সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত হাঁটুন

    শরীর ভালো রাখতে হলে নিয়মিত হাঁটার বিকল্প নেই। নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস আপনাকে রাখতে পারে সুস্থ, সতেজ এবং প্রফুল্ল এবং দূরে থাকতে পারেন নানা রোগ ব্যাধি থেকে। সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং পরিকল্পিত জীবন যাত্রার পাশাপাশি নিয়মিত হেঁটে আপনি থাকতে পারেন নিরোগ। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট হাঁটতে হবে। যদি হাঁটতে ভালো লাগে তাহলে সময়টা ১ ঘণ্টা পর্যন্ত বাড়িয়ে নিতে পারেন। বেশীক্ষণ হাঁটলে ৩০ মিনিট পর ১০ মিনিট বিরতি দিতে পারেন। প্রতিদিন সম্ভব না হলেও সপ্তাহে অন্তত: পাঁচ দিন হাঁটতে চেষ্টা করুন।

     

    হাঁটার জন্য বেছে নিতে পারেন সকাল কিংবা বিকেল। প্রতিদিনের কাজের চাপে পিষ্ট শরীর ও মনকে শান্ত করে তোলে সকালের হাঁটা। সারাদিনের কাজের জন্য শক্তি জোগায়। গবেষকগণ বলছেন, দ্রুত হাঁটার সময় মস্তিষ্কে এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয় যা মনকে ইতিবাচক রাখে। তাই সকালে অন্তত: ২০ মিনিট হাঁটতে চেষ্টা করুন। তবে হার্টের রোগীরা সকালে না হেঁটে বিকেলে হাঁটার অভ্যাস করুন। কারণ সকালে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেশি থাকে।

     

    ঘুম থেকে উঠেই হাঁটতে যাওয়া উচিত নয়। অন্তত ২০ মিনিট পর হাঁটতে বের হওয়া উচিত। হাঁটার জন্য বেছে নিতে পারেন সবুজ ও নির্মল হাওয়ার পরিবেশ। যা আপনাকে প্রফুল্লতা দেবে। যারা নিয়ম করে সকাল-বিকেল হাঁটার সময় পান না তারা প্রতিবেলা খাওয়ার পর অন্তত: ১০ মিনিট হেঁটে নিতে পারেন। এতে খাবার হজম হতেও সহজ হবে। সুগার ও ব্লাডপ্রেসারও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। যেকোনো শারীরিক অসুস্থতায় জোর করে হাঁটার চেষ্টা করবেন না। তবে দীর্ঘমেয়াদি অসুখে ভুগলে আপনার হাঁটার ধরন কেমন হবে সে ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    লেখক: চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ,