Category: সারাদেশ

  • লালমনিরহাটে ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ

    লালমনিরহাটে ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ

    জেলার সীমান্ত থেকে ২ হাজার ৫০০টি ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট, ২৭ বোতল ইস্কাপ সিরাপ এবং দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    আজ রোববার দুপুরে ১৫ বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল শনিবার দুপুরে আদিতমারী উপজেলার দিঘলটারী বিওপির আওতাধীন মাছানকুড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা কয়েকজন সন্দেহভাজনকে থামার সংকেত দিলে তারা মোটরসাইকেল ও মাদক ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ২ হাজার ৫০০টি ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট, ২৭ বোতল ইস্কাপ সিরাপ এবং দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

    বিজিবি জানায়, জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য ৯ লাখ ১০ হাজার ৮০০ টাকা। এ ঘটনায় জড়িত চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

    ১৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মেহেদী ইমাম বাসস’কে বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • কৃষিকে সমৃদ্ধ করছে সরকার:  সফিকুর রহমান কিরণ এমপি

    কৃষিকে সমৃদ্ধ করছে সরকার: সফিকুর রহমান কিরণ এমপি

    শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. সফিকুর রহমান কিরণ বলেছেন, কৃষিকে সমৃদ্ধশালী করতে দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার খাল উদ্ধার ও খনন করে কৃষির অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যার অংশ হিসেবে শরীয়তপুরে ১ হাজার কিলোমিটার খাল খননের মাধ্যমে সেচ ব্যবস্থা তরান্বিত করে কৃষির অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

    জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে আজ শনিবার বেলা ১১টায় উপজেলায় অর্থ বছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এর আওতায় সেলাই মেশিন ও কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষি উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    এ সময় তিনি কৃষি কাজ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করতে দেশের ১৮ কোটি মানুষের ৩৬ কোটি হাতকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার, ওসি আবুল বাশার, সখিপুর থানার ওসি মো. মোফাজ্জল হোসাইনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ ও স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার জানান, আজ ১২০০ জন কৃষককে ৩০০ গ্রাম করে শাকসবজির বীজ, ৬৩০ জন কৃষককে ১০ গ্রাম করে মরিচ বীজ প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০ জন কৃষকের মাঝে পিয়াজ বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। এর ফলে শীতকালীন পিয়াজ বীজ উৎপাদনে চাষের আওতায় আসবে ৪ একর জমি।

    অনুষ্ঠানে জনপ্রতি ডিএপি ১০ কেজি ও এমওপি ১০ কেজি সহ ৫ কেজি করে ১১৪৫ জন কৃষককে রোপা আমন ধানের বীজ দেয়া হয়েছে। এর ফলে রোপা আমন চাষের আওতায় ৬৪ হেক্টর জমি বাড়বে।

    এ ছাড়া ৭ শ ১৬ জনকে ৫ টি করে মোট ৩ হাজার ৫শ ৮০টি ফলের চারা বিতরণ করা হয়।

    নারীদের স্বাবলম্বী করতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ১৮ জন দুস্থ নারীর মাঝে ১৮ সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।

  • গাঁজা গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    গাঁজা গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    পিরোজপুরের কাউখালীতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাঁজা গাছসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোররাতে উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    কাউখালী থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামের শাজাহান হাওলাদারের ছেলে বাবু হাওলাদার (২৫) দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়ির পশ্চিম পাশে গাঁজা গাছ রোপণ করে তা পরিচর্যা করছিলেন। পরবর্তীতে ওই গাঁজা প্রক্রিয়াজাত করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাউখালী থানার এসআই মহিউদ্দিন ও এসআই মাসুদ আল মামুনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স বৃহস্পতিবার ভোররাতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বাবু হাওলাদারকে গাঁজা গাছসহ আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়।

    পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় কাউখালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    এ বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে গাঁজা গাছসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের পাশাপাশি জনসাধারণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ

    গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ

    রাজধানীর তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের আওতাধীন গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিস দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ একটি নিবন্ধন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। রাজধানীর অভিজাত এই এলাকায় প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক দলিল সম্পাদন হয়। শিল্পপতি, ব্যবসায়ী ও সাধারণ নাগরিকদের নিয়মিত আনাগোনায় ব্যস্ত থাকা এই সরকারি দপ্তরকে ঘিরে এবার উঠেছে অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের গুরুতর অভিযোগ।

    অভিযোগ রয়েছে, অফিসের এক নকল নবীশ কর্মচারী গিয়াস উদ্দিনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি অনিয়মের চক্র। সংশ্লিষ্টদের দাবি, পদমর্যাদায় তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হলেও অফিসের কার্যক্রমে তাঁর প্রভাব অনেক বেশি। বিভিন্ন মহলে অভিযোগ রয়েছে, তাঁর অনুমতি ছাড়া অনেক কাজ এগোয় না।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক দলিল লেখক অভিযোগ করেন, দলিল রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে সরকারি ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দিতে চাপ প্রয়োগ করা হয়। তাদের দাবি, নির্দিষ্ট একটি শতাংশ কমিশন না দিলে নানা অজুহাতে কাগজপত্রে ত্রুটি দেখানো হয় এবং কাজ বিলম্বিত করা হয়। এতে অনেক সময় ভুক্তভোগীদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে কাজ সম্পন্ন করতে হয়।

    একজন দলিল লেখক বলেন, “কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ না দিলে দলিলের প্রক্রিয়া জটিল করে তোলা হয়। পরে বাধ্য হয়ে বাড়তি খরচ করে কাজ শেষ করতে হয়।”

    তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে গিয়াস উদ্দিনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তা প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    অভিযোগকারীদের দাবি, গিয়াস উদ্দিনের প্রভাব শুধু অফিসের কাজকর্মেই সীমাবদ্ধ নয়। স্থানীয় কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে, তাঁর জীবনযাপন নিয়েও নানা প্রশ্ন রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    এদিকে, গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে আইন মন্ত্রণালয়, নিবন্ধন অধিদপ্তর ও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী। তাদের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ থাকলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

    সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন— একজন সাধারণ কর্মচারী কীভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে এতটা প্রভাব বিস্তার করছেন? এর পেছনে কোনো শক্তিশালী মহলের সহযোগিতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

    গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। তাদের মতে, সরকারি সেবা খাতে অনিয়ম দূর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি।

    গিয়াস উদ্দিনের প্রভাব ও অভিযোগের নেপথ্যে কারা— তা জানতে চলছে অনুসন্ধান। বিস্তারিত থাকছে আগামী প্রতিবেদনে।

  • কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া

    কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া

    শিক্ষাকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কুমিল্লা জেলা পরিষদের বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক জনাব মো. মোস্তাক মিয়া।

    সম্প্রতি তিনি কুমিল্লা সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া কলেজ, কুমিল্লা সরকারি কলেজ, অজিতগুহ কলেজ, কুমিল্লা জিলা স্কুল এবং পুলিশ লাইন স্কুল অ্যান্ড হাইস্কুল পরিদর্শন করেন। এ সময় জেলা পরিষদের অর্থায়নে পরিচালিত কম্পিউটার ল্যাব সংস্কার, নতুন কম্পিউটার সরবরাহ এবং স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ গড়ে তুলতে ইন্টারেক্টিভ প্যানেল স্থাপনের চলমান কাজ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

    পরিদর্শনকালে প্রশাসক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রকল্পের অগ্রগতি, কাজের মান এবং নির্ধারিত সময়সীমা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বাস্তবায়নাধীন প্রতিটি কাজ সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বিস্তারে প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

    তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক মানবসম্পদ গড়ে তুলতে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা অপরিহার্য। তাই শিক্ষার্থীদের হাতে আধুনিক প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া এবং শ্রেণিকক্ষে ডিজিটাল পাঠদান নিশ্চিত করতে জেলা পরিষদ ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব ও ইন্টারেক্টিভ প্যানেলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আরও কার্যকরভাবে পাঠ গ্রহণ করতে পারবে এবং শিক্ষকদের পাঠদান হবে আরও প্রাণবন্ত ও অংশগ্রহণমূলক।
    পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকরা জেলা পরিষদের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের ফলে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, পাঠদানের মান উন্নত হবে এবং স্মার্ট বাংলাদেশের উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার পথ আরও সুগম হবে।

    এ সময় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো. গোলাম জাকারিয়া, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং জেলা পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    জেলা পরিষদের এ উন্নয়ন কার্যক্রম কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা নিশ্চিত করে ভবিষ্যতের জন্য দক্ষ, উদ্ভাবনী ও স্মার্ট নাগরিক গড়ে তোলার একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকলে কুমিল্লার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিসমৃদ্ধ শিক্ষার পরিবেশে এগিয়ে যাবে।

  • জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ

    জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ

    চুয়াডাঙ্গা, ২৯ জুন ২০২৬ (বাসস): জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে প্রশাসন। এ উপলক্ষে আজ চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন প্রকল্পের আওতায় চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আজ বৃক্ষ রোপণ ও শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

    এ উপলক্ষে আজ সকালে এম এ বারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবদুর রশিদ, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সোহেল আহমেদ, দৈনিক আজকের চুয়াডাঙ্গা পত্রিকার সম্পাদক বিপুল আশরাফ এবং বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য মালিক আসাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শিক্ষক নাজমুল কবির। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

    পরে বিদ্যালয় চত্বর থেকে এক শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রা এতিমখানা সড়ক হয়ে সাতগাড়ী মোড় ঘুরে বিদ্যালয়ে এসে শেষ হয়। এতে শিক্ষার্থীরা জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন বহন করে। পরে স্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষ রোপণ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।