Blog

  • ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘শেষ’: ট্রাম্প

    ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘শেষ’: ট্রাম্প

    ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘শেষ’ হয়ে গেছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    রাতে মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘শেষ’ হয়ে গেছে।

    ন্যাটো সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে বুধবার আঙ্কারায় মিত্র দেশগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। তেহরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে সমর্থন না দেওয়া ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করেন ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে তার যুদ্ধের প্রভাব এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনকে ছাপিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    আঙ্কারা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    ট্রাম্প আরও জানান, তিনি এখনও গ্রিনল্যান্ড চান।

    এ বিষয়ে ইউরোপের বিরোধিতাকে তিনি ‘বড় সমস্যা’ বলে মন্তব্য করেন।

    ট্রাম্প বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ন্যাটো যা করেছে, তাতে আমি খুবই অসন্তুষ্ট আর সন্ত্রাসবাদের এক নম্বর রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক ইরানের বিরুদ্ধে তারা আমাদের সাহায্য করতে চায়নি।’

    স্পেনকে বিশেষভাবে আক্রমণ করে ট্রাম্প বলেন, দেশটি ‘ন্যাটোর জন্য ভয়াবহ অংশীদার।’

    এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘স্পেন ব্যর্থ, কারণ আমরা আর স্পেনের সঙ্গে কোনো বাণিজ্য করতে চাই না।’
    প্রতিরক্ষা ব্যয় নিয়ে চলমান বিরোধের প্রসঙ্গ টেনে তিনি অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে ‘সব বন্ধ করে দিতে’ বলেন।
    ন্যাটো সদস্য ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডের প্রতি নিজের আগ্রহ আবারও প্রকাশ করেন ট্রাম্প।
    তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বের সুরক্ষার জন্য আমাদের এটি দরকার। শুধু যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়। এটি ডেনমার্ককে সাহায্য করে না, কিন্তু আমাদের করে।’

    ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন ট্রাম্পের আগের দিনের মন্তব্যের জবাবে বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড অবশ্যই বিক্রির জন্য নয়।’

    মার্কিন নেতার সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের আগে মিত্র দেশগুলো উদ্বেগে ছিল। তবে এর আগে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে জোটের প্রতি ওয়াশিংটনের ‘পূর্ণ প্রতিশ্রুতি’ রয়েছে বলে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন।

    মঙ্গলবার তুরস্কে পৌঁছে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
    ৭৭ বছরের এই ট্রান্সআটলান্টিক জোটের সম্মেলনটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    ট্রাম্প সদস্য দেশগুলোর কাছে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি পূরণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ইউরোপ থেকে কিছুটা সরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  • তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল।

    আজ (বুধবার) সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

    সাক্ষাতে জোরিস ভ্যান বোমেল নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য জহির উদ্দিন স্বপনকে অভিনন্দন জানান।

    রাষ্ট্রদূত বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে।

    বর্তমানে তা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্প্রসারিত হয়েছে। এই সম্পর্ককে আরও জোরদারে বর্তমান সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেন তিনি।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কাজের ক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে। তিনি গণমাধ্যম ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করার গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।

    বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘নিউ মিডিয়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল ইকো-সিস্টেম আমাদের নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

    মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দেওয়াও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।’

    তথ্যমন্ত্রী এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডস কীভাবে কাজ করছে তা জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

    ডাচ রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল ডিজিটাল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি এক্ষেত্রে তার দেশের সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ ও কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।

    সাক্ষাৎকালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা এবং অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম উপস্থিত ছিলেন।

  • বাংলাদেশ-পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ-পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক মঙ্গলবার (৭ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তান প্রতিনিধিদলে দেশটির স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণবিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভী নেতৃত্ব দেন।

    বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সহযোগিতা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, আধুনিক নগর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    আলোচনার শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ বছরের মে মাসে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করেন।

    তিনি বলেন, ওই সফরের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার প্রতিরোধে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, তা দুই দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা এবং সমাজকে সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের অভিন্ন ইতিহাস এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে চায় বাংলাদেশ।

    তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৪ বছর বিরতির পর এ বছরের জানুয়ারি থেকে ঢাকা-করাচি রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়ায় দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

    বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের মানবিক সংকটের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন।

    তিনি জানান, প্রয়োজনীয় পারিবারিক নথিপত্রের অভাবে অনেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পাকিস্তানি নাগরিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা দেশটির ‘কম্পিউটারাইজড ন্যাশনাল আইডেন্টিটি কার্ড’ (সিএনআইসি) পেতে জটিলতার মুখে পড়ছেন। এর ফলে তারা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।

    এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে পাকিস্তানের মন্ত্রীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান।

    নগর নিরাপত্তায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে পাকিস্তানের সফল অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশটির ৪০টিরও বেশি প্রধান শহরে বাস্তবায়িত ‘সেফ সিটি’ উদ্যোগ বাংলাদেশের জন্য অনুসরণযোগ্য হতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সিনিয়র সচিব (বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব) ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইসলামাবাদ, লাহোর, মুলতান ও করাচির ‘সেফ সিটি’ মডেল সরেজমিন পরিদর্শন করেন। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের শহরগুলোকে আরও নিরাপদ করতে পাকিস্তান কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতা দিতে পারে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রদানের ক্ষেত্রেও পাকিস্তানের সহযোগিতা কামনা করেন।

    রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে সৌদি আরবে অবস্থানরত অনিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের জটিলতা বিষয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সমন্বিতভাবে কাজ করেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় দুই দেশের নিবিড় পরামর্শ ও বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

    তিনি বলেন, মিয়ানমার যেন তাদের নাগরিকদের দ্রুত, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে ফিরিয়ে নেয়, সে লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পাকিস্তানের জোরালো ও ধারাবাহিক সমর্থন প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।

    পাকিস্তানের ইন্টেরিয়র মন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান। জবাবে তিনি ধন্যবাদ জানিয়ে সুবিধাজনক সময়ে সফরের আশ্বাস দেন।

    বৈঠকে দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শনে উচ্ছ্বসিত সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা

    প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শনে উচ্ছ্বসিত সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ও হাসপাতালের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী শনিবার (১১ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    পরিদর্শনকালে তিনি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দু’টি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া বৃক্ষরোপণ এবং এক আলোচনা সভায় অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত থাকবেন।

    প্রধানমন্ত্রীর এ পরিদর্শনকে ঘিরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। চলছে নানা প্রস্তুতি। বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা এ পরিদর্শনকে মিলনমেলার সঙ্গে তুলনা করছেন।

    তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন ডিএমসিয়ান পরিবারকে উচ্ছ্বসিত করেছে। এ সফরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

    শিক্ষার্থীদের মতে, দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠান নানা সংকটেও নীরবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এ আগমন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের আরও উৎসাহিত করবে। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমানের উপস্থিতিও তাদের কাছে বিশেষ আনন্দের।

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও এ প্রতিষ্ঠানের অবদান অবিস্মরণীয়।

    তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা মেডিকেলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বহু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রিয় ক্যাম্পাসে আসছেন, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন ও আনন্দের।

    ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম বলেন, ‘দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরলস কাজ করার অঙ্গীকার আমাদের অনুপ্রাণিত করে। বর্তমান সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপ সুপরিকল্পিত ও আধুনিক। ঢাকা মেডিকেলে প্রধানমন্ত্রীর আগমন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তাদের আরও অনুপ্রাণিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান বলেন, ‘আগামী ১১ জুলাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমন ডিএমসিয়ানদের জন্য গৌরব, আবেগ ও নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসবে। এই আয়োজন আমাদের ঐতিহ্যকে নতুনভাবে তুলে ধরবে এবং তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ করবে।’

    তিনি বলেন, ২০০১-০২ সালে ঢামেকসুর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কর্মস্পৃহা তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।

    ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. বাদশা বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শুধু দেশের সর্ববৃহৎ চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, প্রতিটি জাতীয় সংকট, দুর্যোগ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মানবিক বিপর্যয়ে মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ছাত্রদলের একজন সাবেক কর্মী ও এ প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তাঁর সহধর্মিণীর ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শনকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও এ প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী। এ সফরের মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসা, শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও বেগবান হবে এবং দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আধুনিক, মানবিক ও জনমুখী করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    এমবিবিএস কোর্সের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাকিবুল হাসান বাসস’কে বলেন, ‘নিজ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এ সুযোগে স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত বিষয় তাঁর কাছে সরাসরি তুলে ধরতে পারব। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবেন এবং অন্যান্য খাতের মতো স্বাস্থ্যখাতকেও আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।’

    উল্লেখ্য, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত এ সরকারি মেডিকেল কলেজ বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষ চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে স্নাতক পর্যায়ে পাঁচ বছর মেয়াদি এমবিবিএস এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

  • বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের রাতে লজ্জার রেকর্ড রোনালদোর

    বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের রাতে লজ্জার রেকর্ড রোনালদোর

    গতরাতে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর ম্যাচে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসর থেকে বিদায় নিল পর্তুগাল। ইনজুরি সময়ের প্রথম মিনিটে স্পেনের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন মিকেল মেরিনো।

    দীর্ঘ দুই দশকের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে নিজের শেষ বিশ্বকাপে এসে বেশ কিছু লজ্জার রেকর্ডের সঙ্গী হয়েছেন পর্তুগালের সেরা তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

    বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ১০ ম্যাচে ৭৪১ মিনিট খেলে মাত্র ১টি গোল করেছেন রোনালদো। একমাত্র গোলটি চলতি বিশ্বকাপের নক আউটে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে করেছিলেন তিনি। এমনকি কোনো অ্যাসিস্টও করতে পারেনি এই পর্তুগিজ তারকা।

    আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসির পর বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭টি ম্যাচ খেলেছেন রোনালদো। বিশ্বকাপে ২০০৬ সালের সেমিফাইনালে খেলা তার সেরা সাফল্য।

    স্পেনের বিপক্ষে ১৯ বার বল স্পর্শ করেন রোনালদো। শুরুর একাদশে খেলা কোনো ফিফা বিশ্বকাপ ম্যাচে এটি রোনালদোর দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।

    বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের কোনো ম্যাচে কখনওই গোলপোস্ট লক্ষ্য করে দু’টির বেশি শট নিতে পারেননি রোনালদো। এর আগে তার সেরা পরিসংখ্যান ছিল ২০১০ সালের শেষ ষোলোয় স্পেনের বিপক্ষে দু’টি এবং ২০০৬ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দু’টি শট।

    এই বিশ্বকাপে ১৭টি শট নিয়েছেন রোনালদো। কিন্তু সতীর্থদের জন্য গোলের কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেননি তিনি। গত ৬০ বছরের মধ্যে কোনো সুযোগ তৈরি না করে সবচেয়ে বেশি শট নেওয়ার রেকর্ড এটি।

    রেকর্ড অনুযায়ী (১৯৬৬ সাল থেকে) সুযোগ তৈরি না করে সর্বোচ্চ শট নেওয়ার রেকর্ডটি মেক্সিকোর আলবার্তো গার্সিয়া আসপে ১৯৯৮ সালে ১৫টি শটে ১টি গোল করেছিলেন কিন্তু কোনো সুযোগ তৈরি করেননি।

    রোনালদো নিজের শেষ ৯টি ম্যাচে কোনো ড্রিবল করার চেষ্টাই করেননি। এমনকি শেষ ১৫টি ম্যাচে একটিও সফল ড্রিবলিং করতে পারেননি।

    ছয় বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে মোট ১১টি গোল করে ক্যারিয়ার শেষ করলেন রোনালদো। যা পর্তুগালের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। এই গোলগুলোর মধ্যে ১০টিই গ্রুপ পর্ব থেকে এসেছে।

    বড় কোনো টুর্নামেন্টে স্পেনের বিপক্ষে খেলা তিনটি নকআউট ম্যাচের সবগুলোতে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে পর্তুগাল। এর মধ্যে ২০১০ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো এবং ২০১২ ইউরোর সেমিফাইনাল আছে।

  • ময়মনসিংহ সদর ভূমি অফিসে রাজস্ব আদায় ১৫ কোটি ৭০ লাখ

    ময়মনসিংহ সদর ভূমি অফিসে রাজস্ব আদায় ১৫ কোটি ৭০ লাখ

    অর্থবছরে (২০২৫-২৬) ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে ১৫ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার ৩৫১ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। যা বিগত অর্থবছরের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। এর মাধ্যমে স্বচ্ছ ও ডিজিটাল ভূমি সেবার মানোন্নয়নে প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের পাশাপাশি সাধারণ মহলেও প্রশংসিত সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা তামান্না হুরায়রা।

    আজ মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় সরেজমিনে ভূমি সেবার মান পর্যবেক্ষণে এসব তথ্য জানা যায়।

    ভূমি অফিস সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভূমি উন্নয়ন কর থেকে ১৩ কোটি ৭ লাখ ২৮ হাজার ৪৬২ টাকা। অনলাইনে আদায়কৃত নামজারি ফি থেকে ২ কোটি ৬২ লাখ ৯ হাজার ১৭০ টাকা। চলনাদিত্ব (মিউটেশন) নবায়ন বাবদ ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৫৬ টাকা। ডিপি লিজ মানি থেকে ৫ লাখ ১ হাজার ৯৬৪ টাকা। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আদায় হয়েছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৬০০ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।

    এই পরিসংখানে গত ৩ বছরের মধ্যে এবার রাজস্ব আদায় রেকর্ড পরিমাণ। এতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ জেলা প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি মূল ভূমিকা হিসাবে কাজ করেছে।

    প্রশাসনের এধরনের কার্যক্রম প্রশংসার দাবি রাখে বলেও জানান সেবাপ্রার্থী ও নগরীর কাচিঝুলি এলাকার বাসিন্দা মো. আইনল হকসহ আরো অনেকেই।

    তবে প্রশংসনীয় এ কাজটি জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ও সচেতনতার জন্যই সম্ভব হয়েছে বলে জানান, উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা তামান্না হুরায়রা।

    তিনি বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনবান্ধব ভূমিসেবা নিশ্চিত করে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এলক্ষ্যে ভূমি সংক্রান্ত সকল সেবা দ্রুত, সহজও হয়রানিমুক্ত ভাবে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ডিজিটাল সেবার প্রসারেও কাজ চলছে।

    এ বিষয়ে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আজিমুদ্দিন বলেন, বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় প্রশংসনীয়। একজন কর্মকর্তা তার আত্মরিকতা এবং পরিশ্রম দিয়ে দায়িত্ব কর্তব্য পালন করলে দেশ ও মানুষ উপকৃত হয়।