Blog

  • আসুন মিলেমিশে দেশের জন্য কাজ করি : প্রধানমন্ত্রী

    আসুন মিলেমিশে দেশের জন্য কাজ করি : প্রধানমন্ত্রী

    দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘কদিন আগে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে মিলে এ দেশ থেকে স্বৈরাচার হটিয়েছি। এবার আসুন সবাই মিলেমিশে দেশের জন্য কাজ করি।’

    তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ যখন হয়েছিল, দল নির্বিশেষে সকলে মিলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলাম। এইমাত্র ক’দিন আগের কথা, আমরা এই দেশ থেকে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছি। সকল শ্রেণি-পেশা, সকল ধর্ম-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজপথে নেমে এসে এই দেশটাকে হটিয়েছে। তার মানে আমরা সকলে মিলে যদি কাঁধে কাঁধ রেখে দেশের জন্য, মানুষের জন্য যদি ভালো কাজগুলো করি, তাহলে সকলে মিলে উপকৃত হবো।’

    আজ বরিশালের ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি এলাকায় সাগরদী খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের আগে প্রধানমন্ত্রী জনসাধারণের প্রতি এ আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী একটি নারিকেল গাছের চারা রোপণ করে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। বৃক্ষরোপণ শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

    পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষা সরকারের একার দায়িত্ব নয়, সিটি কর্পোরেশনের একার দায়িত্ব নয়। আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। আসুন, আজকে বৃক্ষরোপণের দিনে আমরা সকলে মিলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই — সকলে মিলে দেশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখব, ঠিক রাখব। এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকে চেষ্টা করব আমাদের আশেপাশের এলাকা, আমাদের ঘরবাড়ির আশেপাশের এলাকা, আমাদের অফিস আদালতের আশেপাশের এলাকা, আমাদের স্কুল-কলেজের আশেপাশের এলাকা, আমাদের হাসপাতালের আশেপাশের এলাকাগুলো প্রত্যেকে আমরা চেষ্টা করব সেখানের পরিবেশটা যাতে নষ্ট না হয়, পরিবেশটা যাতে সুন্দর থাকে, ভালো থাকে।’

    ত্রিশ গোডাউনে সাগরদী খালের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সাগরদী খালটি এই এলাকার জন্য নিশ্চয়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা খাল। এই খালটার যত্ন করাও কিন্তু শুধু সিটি কর্পোরেশনের একার দায়িত্ব না। এই খালটা যত্ন করা খালের দু’পাশে যে সকল মানুষ আছেন, তাদের সকলকে এই খালটার যত্ন করতে হবে।’

    তিনি বলেন, ‘এই খালের পানির মধ্যে অনেক সময় অনেক প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিনের কাগজ, টিস্যু পেপারসহ আরো বিভিন্ন জিনিস ভাসতে থাকে। অর্থাৎ আমরা যারা এখানে পার্কে আসি, হয়তো পানি খেলাম আর বোতলটা ফেলে দিলাম খালের মধ্যে। আপনাদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ থাকবে, এখানে আপনারা যারা উপস্থিত আছেন সকলের কাছে, আপনারা যখনই যার সাথে দেখা হবে— দয়া করে প্রত্যেককে বলবেন যে, খালের মধ্যে আমরা এগুলো ফেলবো না।’

    সিটি কর্পোরেশনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে একটা ময়লা ফেলার বিন লাগানো আছে। সবাইকে আপনারা দয়া করে মাইকেও প্রচার করবেন, যারা এই খালের পাশে বসবেন, বিকেল বেলায় অনেকে বেড়াতে আসেন তারা যেন বিনের মধ্যে ময়লা ফেলেন। খাল পরিষ্কার রাখতে হবে।’

    তিনি বলেন, ‘দেখুন, খালের অপরপাড়ে একটা পাইপ লাগানো হয়েছে, এটা কীসের পাইপ? যা খালের সাথে এসে যুক্ত হয়েছে। বাসা-বাড়ির ব্যবহারের পানি? সিটি কর্পোরেশনের কাছে আমি অনুরোধ করব, আপনারা বাসা-বাড়ির পানির ড্রেনেজ সিস্টেম করুন। কিন্তু পানি বা সুয়ারেজ লাইনের কানেকশনগুলো খালের মধ্যে না রাখাই ভালো। এগুলো থাকলে পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায়, পানি দূষিত হয়ে যায়। কাজেই আমাদের নিজেদের পরিবেশ আমাদের নিজেদেরকে রক্ষা করতে হবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি আমাদের নিজের ঘর নিজেরা গুছিয়ে না রাখি, তাহলে ঘরটা যেমন ময়লা হয়ে যায়। ঠিক একইভাবে আমরা যদি আমাদের এলাকা, আমাদের এরিয়া, আমাদের পাড়া, আমাদের দেশ যদি আমরা নিজেরা পরিষ্কার না রাখি, নিজেরা যদি পরিবেশের খেয়াল না রাখি, তাহলে ভুক্তভোগী আমরাই হবো। অন্য দেশের সুন্দর সুন্দর জায়গা নিয়ে আমরা আফসোস করব, কিন্তু নিজের দেশের জায়গাগুলো সব আমরা নষ্ট করে দিব।’

    পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, নৌ প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরিনসহ নেতৃবৃন্দরা খালের দুই পাড়ে একটি করে গাছ রোপণ করেন।

    এসময় নেতাকর্মীরা স্লোগান ধরেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম, এক জিয়া লোকান্তরে, লক্ষ জিয়া ঘরে ঘরে, জিয়ার সৈনিক এক হও, এক হও।’

    প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণের এই কর্মসূচি শেষ করে সার্কিট হাউসে গিয়ে মধ্যাহ্নভোজ ও জোহরের নামাজ আদায় করেন। বরিশাল সফরে প্রধানমন্ত্রীর শেষ কর্মসূচি শিল্পকলা একাডেমিতে দলীয় নেতাদের সাথে মতবিনিময়।

  • কুমিল্লায় জলাবদ্ধতায় পরীক্ষার্থীদের পাশে প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু

    কুমিল্লায় জলাবদ্ধতায় পরীক্ষার্থীদের পাশে প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু

    কুমিল্লায় টানা ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন। হাঁটুসমান পানিতে আটকে পড়া পরীক্ষার্থীদের নৌকায় করে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।

    এ সময় সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও শিক্ষার্থীদের নিরাপদে কেন্দ্রে পৌঁছাতে সহযোগিতা করেন।
    প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এড়ানো সম্ভব নয়। তবে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল দখলমুক্ত করা ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে নগরবাসীকে এমন দুর্ভোগে পড়তে না হয়।

  • মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিস্তার রোধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি র‍্যালি

    মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিস্তার রোধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি র‍্যালি

    রাজধানীর ডেমরায় ধার্মিক পাড়া মাদক নির্মূল কমিটির উদ্যোগে মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিস্তার রোধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি র‍্যালি । পালন করেন স্থানীয় নাগরিক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শুক্রবার ১০ জুলাই বিকেলে ৬৪ নং ওয়ার্ড ধার্মিক পাড়া এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    উপস্থিত ছিলেন পনঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি সো: সোহরাব হোসেন বাবু,সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, আরো উপস্থিত ছিলেন, জাতীয়বাদী মহিলা দল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ডেমরা থানার সভাপতি রিনা ইয়াসমিন, সহ সভাপতি ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সাধারন সম্পাদক মোঃ সিরাজুল মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শহিদুল ইসলাম।

    আসন্ন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোঃ বজলুর রহমান,সহ নূরল ইসলাম, আসুতোষ, মোস্তফা, সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে,কোনাপাড়া ধার্মিক পাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের দৌড়াত্বে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। এসব মাদক প্রকাশ্যে বেচাকেনি হচ্ছে। যার ফলে এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি সহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে গেছে। এ নিয়ে মাদক বিক্রি ও মাদক সেবনকারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সভা-সেমিনার করে আসছে স্থানীয়রা। এতে মাদক বিক্রি সেবনকারীরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাদক ব্যবসায়ীদের ধরে পুলিশে দিলেও অদৃশ্য শক্তিতে মাদক ব্যবসায়ীরা কিছুক্ষণ পরেই মুক্তি পেয়ে যায়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাদকের কারণে যুব সমাজ ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানান তারা। বক্তারা আরও বলেন, প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম চরম হুমকির মুখে পড়বে। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা এলাকায় মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।

    এ বিষয়ে ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাইফুর রহমান মির্জা বলেন, মাদক বিক্রেতাদের কড়া হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে ডেমরা থানা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।জিরো টলারেন্সে কাজ করছি আমরা। এ ব্যাপারে কোনও ছাড় নাই। যে কোনও প্রয়োজনে বা যে কোনো তথ্য সরাসরি আমাকে জানালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • বাংলাদেশকে ২০০ রানের লক্ষ্য দিল জিম্বাবুয়ে

    বাংলাদেশকে ২০০ রানের লক্ষ্য দিল জিম্বাবুয়ে

    তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে জয়ের জন্য বাংলাদেশকে ২০০ রানের লক্ষ্য দিয়েছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। প্রথমে ব্যাট করে ওয়েসলি মাধভেরে ও ব্রাড ইভান্সের জোড়া হাফ-সেঞ্চুরিতে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানের সংগ্রহ পায় জিম্বাবুয়ে। মাধভেরে ৭৫ ও ইভান্স ৫০ রান করেন। বাংলাদেশের শরিফুল ইসলাম ৪৪ রানে ৪ উইকেট নেন।

    হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। বল হাতে বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দেন দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম।

    ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে জিম্বাবুয়ের ওপেনার বেন কারানকে ২ রানে বোল্ড করেন শরিফুল। পরের ওভারের শুরুতে উইকেট শিকারে মাতেন তাসকিন। আরেক ওপেনার ব্রায়ান বেনেটকে ৬ রানে বিদায় দেন তাসকিন।

    ১৭ রানের মধ্যে দুই ওপেনারের বিদায়ে চার নম্বরে ব্যাট হাতে নামেন ক্রেইগ আরভিন। শরিফুলের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ৫ রানে আউট হন তিনি।

    ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। চতুর্থ উইকেটে ৮২ বলে ৫১ রানের জুটিতে শুরুর চাপ সামাল দেন ইনোসেন্ট কাইয়া ও ওয়েসলি মাধভেরে। এই জুটি ভেঙ্গে বাংলাদেশকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন তাসকিন। ৬৭ বলে ২৫ রান করা কাইয়াকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান তাসকিন।

    পঞ্চম উইকেটে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক সিকান্দার রাজার সাথে ২৯ রানের জুটিতে দলের রান ১শ পার করেন মাধভেরে। দলীয় ১০৭ রানে বাংলাদেশ স্পিনার তানভীর ইসলামের শিকার হন রাজা। ১টি ছক্কায় ১১ রান করেন তিনি।

    ক্রিজে আসা নতুন ব্যাটার ক্লাইভ মাদান্দেকে ১ রানে বিদায় করেন শরিফুল। ১০৮ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। এ অবস্থায় জুটি গড়ার চেষ্টা করেন মাধভেরে ও ব্রাড ইভান্স। দু’জনের ৪১ বলে ৪৩ রানের জুটিতে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সপ্তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে ইনিংস বড় করার চেষ্টা করেন মাধভেরে। তবে ব্যক্তিগত ৭৫ রানে তানভীরের বলে বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজকে ক্যাচ দেন তিনি। ৭৪ বল খেলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন মাধভেরে।

    দলীয় ১৫১ রানে সপ্তম ব্যাটার হিসেবে মাধভেরে ফেরার পর জিম্বাবুয়ের রানের চাকা সচল রাখেন ইভান্স। অষ্টম উইকেটে ওয়েলিংটন মাসাকাদজার সাথে ২০ ও নবম উইকেটে আর্নেস্ট মাসুকুকে নিয়ে ২৬ রান যোগ করেন ইভান্স।

    ৪১ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন ইভান্স। ৪৮তম ওভারে দলীয় ১৯৭ রানে শরিফুলের বলে নবম ব্যাটার হিসেবে আউট হবার আগে ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ৪৩ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

    ইভান্স ফেরার পর ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। ৪৪ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সফল বোলার শরিফুল। ২টি করে উইকেট নেন তাসকিন ও তানভির। ১ উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

  • দেশের ৪ নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে

    দেশের ৪ নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে

    দেশের চারটি নদীর পানি এখনো ছয় জেলার কয়েকটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দীর্ঘস্থায়ী বন্যার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

    শনিবার (১১ জুলাই) নিয়মিত বন্যা পূর্বাভাসে কেন্দ্রটির নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান এ তথ্য জানান।

    পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এতে কয়েকটি স্থানে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

    একই সময়ে ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া ও হালদা নদীর পানিও বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে এসব জেলার নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নিচু এলাকাও এ সময় প্লাবিত হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১২৭টি পানি পরিমাপ কেন্দ্রের মধ্যে ৫৭টিতে নদ-নদীর পানি বাড়ছে, ৬৪টিতে কমছে এবং ছয়টিতে পানি অপরিবর্তিত রয়েছে।

    এ ছাড়া তিস্তা, কুশিয়ারা, সুরমা, সোমেশ্বরী, মুহুরী ও মাতামুহুরী নদীর কয়েকটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পানি বর্তমানে সতর্কসীমার কাছাকাছি বা সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

  • জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে কৌশলগত তেলের মজুত বাড়ানোর পরিকল্পনা অনুমোদন ভারতের

    জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে কৌশলগত তেলের মজুত বাড়ানোর পরিকল্পনা অনুমোদন ভারতের

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সময় জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকটের অভিজ্ঞতার পর জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ১৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুতাগার (স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ) গড়ে তোলার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস কোম্পানি।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক এবং তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানিতে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ ভারত। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের সময় হরমুজ প্রণালিতে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের কারণে দেশটি জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্নের মুখে পড়ে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    রাষ্ট্রায়ত্ত ‘অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস করপোরেশন (ওএনজিসি)’ বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে জমা দেওয়া এক নথিতে জানিয়েছে, তাদের পরিচালনা পর্ষদ ‘জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প’ হিসেবে দক্ষিণ ভারতের  ‘ম্যাঙ্গালোর’ অঞ্চলে ১৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন (১.৭৫ এমএমটি) ধারণক্ষমতার কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুতাগার গড়ে তোলার জন্য নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

    গত সপ্তাহে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এএফপিকে বলেন, দেশীয় পর্যায়ে তেল ও গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে সরকার জোরালো উদ্যোগ নিয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আমরা বড় পরিসরে বিনিয়োগ করছি। এ জন্য ১০ বিলিয়ন ডলারের একটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

    জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত অপরিশোধিত তেলের সরবরাহকারী দেশের সংখ্যা ২৭ থেকে বাড়িয়ে ৪১-এ উন্নীত করেছে। নতুন সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরান, ভেনেজুয়েলা, রাশিয়া থেকে বাড়তি আমদানি এবং আফ্রিকার কয়েকটি দেশ।

    রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সমালোচনার মুখে পড়েছিল ভারত। সমালোচকদের অভিযোগ, এভাবে তেল কিনে ভারত ইউক্রেনের বিরুদ্ধে মস্কোর যুদ্ধ পরিচালনায় পরোক্ষভাবে অর্থায়ন করেছে।