Blog

  • ঢাকাসহ ১৩ জেলার জন্য দুঃসংবাদ

    ঢাকাসহ ১৩ জেলার জন্য দুঃসংবাদ

    রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৩ জেলায় আজ মঙ্গলবার কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে এসব এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ দমকা ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর দুটি ভিন্ন তীব্রতার পূর্বাভাস দিয়েছে। বেশি ঝুঁকিতে আছে তিনটি অঞ্চল। রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই তিন অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে আরও ১০ অঞ্চলকে। এই তালিকায় আছে– ঢাকা, টাঙ্গাইল, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত জারি করা হয়েছে।

    অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া এই বিশেষ পূর্বাভাসে নৌ কর্তৃপক্ষ ও নদীপথে চলাচলকারীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বৈশাখ মাসের এই কালবৈশাখী ঝড় স্বল্পসময়ের মধ্যে তীব্র আকার নিতে পারে বলে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন।

    সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের দুপুরের আগেই প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

  • মাইক্রোবাসে বাসের ধাক্কা, খাদে পড়ে নিহত ৩

    মাইক্রোবাসে বাসের ধাক্কা, খাদে পড়ে নিহত ৩

    চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ধাক্কার পর মাইক্রোবাস খাদে পড়ে দুই বৌদ্ধ ভিক্ষু ও চালকসহ মোট তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কবির টিম্বার ব্রিকফিল্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতদের মধ্যে ইন্দাসারা ভিক্ষু (৪৮) নামে একজনের পরিচয় জানা গেছে। তিনি খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার পুজগাং চৌধুরীপাড়া এলাকার বাসিন্দা মংশি মগের ছেলে। বাকি দুইজনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা খাগড়াছড়িতে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনার শিকার হন। গাড়িটিতে অন্তত পাঁচজন বৌদ্ধ ভিক্ষু ছিলেন।

    প্রত্যক্ষদর্শী মিনহাজুর রহমান জানান, চট্টগ্রামমুখী মাইক্রোবাসটিকে কক্সবাজারগামী হানিফ পরিবহণের একটি বাস ধাক্কা দিলে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর বাসটি ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

    খবর পেয়ে লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা উদ্ধার কাজে অংশ নেন। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের সাব-অফিসার ফিরোজ খান জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং নিহত তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

  • ইন্দোনেশিয়ায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪

    ইন্দোনেশিয়ায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪

    ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার উপকণ্ঠে বেকাসি শহরের একটি রেলস্টেশনের কাছে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে।  আহত হয়েছেন ৮০ জনেরর বেশি।  মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা বলছে, সোমবার (২৭ এপ্রিল) গভীর রাতে একটি কমিউটার লাইন ট্রেন এবং একটি দূরপাল্লার ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

    কমিউটার লাইন অপারেটরের মুখপাত্র কারিনা আমান্দা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) স্থানীয় সময সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া সর্বশেষ তথ্যে ১৪ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত রেলওয়ে কোম্পানি কেএআই জানিয়েছে, এ ঘটনায় আহত অন্তত ৮৪ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

    ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার (বাসারনাস) প্রধান মোহাম্মদ স্যাফি বলেন, দুর্ঘটনাস্থলে এখনও উদ্ধারকাজ চলছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া যাত্রীদের বের করে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে সংকীর্ণ জায়গা এবং ট্রেনের বগিগুলোর মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির কারণে উদ্ধারকাজ বেশ জটিল হয়ে পড়েছে।

    তিনি জানান, আটকে পড়াদের নিরাপদে বের করতে উদ্ধারকর্মীদের ধীরগতিতে কাজ করতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে উদ্ধারকারীরা ট্রেন দুটিকে আলাদা করে ফেলেছেন এবং ধাতব কাঠামো কাটতে অ্যাঙ্গেল গ্রাইন্ডার ব্যবহার করছেন।

    এর আগে কেএআই-এর মুখপাত্র অ্যান পুরবা প্রাথমিকভাবে ৫ জন নিহত এবং ৭৯ জন আহত হওয়ার তথ্য দিয়েছিলেন। তবে মঙ্গলবার সকালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে পৌঁছায়।

     

  • সুদানের যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে লাশ সামলানোর লড়াই

    সুদানের যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে লাশ সামলানোর লড়াই

    খার্তুমের একটি অস্থায়ী মর্গে বসে প্রকৌশলী থেকে দাফনকর্মী হওয়া আলি গেব্বাই মৃতদের একটি স্প্রেডশিটে তথ্য খুঁজে দেখছিলেন।

    হাজার হাজার নাম। প্রতিটির সঙ্গে ছবি ও কবরস্থানের তথ্য। সুদানের যুদ্ধের এক ভয়াবহ নথি।

    স্বেচ্ছাসেবকদের দল যখনই কোনো লাশ পায়, তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি প্রকাশ করে। এরপর ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করে।

    আশায় থাকে, স্বজনরা দেখে এসে পরিচয় নিশ্চিত করবেন।

    খার্তুম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    গেব্বাই এএফপিকে বলেন, ‘আমরা প্রতিটি লাশের ছবি তুলি। পকেটে কিছু আছে কি না দেখি, যাতে পরিচয় শনাক্ত করা যায়। আর কোথায় দাফন করা হয়েছে, সেটিও আমরা চিহ্নিত করি।’

    এপ্রিলের তপ্ত এক দিনে, সুদানের রাজধানীর ছোট একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে মাটিতে পড়ে ছিল এক নারীর লাশ।

    বাদামি ছোপযুক্ত জোব্বা তার মুখ ও শরীর ঢেকে রেখেছে।

    কেউ পরিচয় নিশ্চিত করতে না এলে, দলটি পরিষ্কার সাদা কাফন প্রস্তুত করে। মুসলিম রীতি অনুযায়ী গোসল করিয়ে কাছেই দাফন করে।

    খার্তুমে মর্গ বলতে এখন এটুকুই ভরসা।

    আর সেটিও অধিকাংশ নিহতের ভাগ্যে জোটে না। অনেককে যেখানে নিহত হন, সেখানেই তড়িঘড়ি করে মাটিতে অগভীর কবর দেওয়া হয়।

    সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের মধ্যে চলমান এই সংঘাত এখন চতুর্থ বছরে।
    মৃতের সঠিক সংখ্যা নেই। তবে নিহত অন্তত কয়েক হাজার থেকে শুরু করে সহায়তা কর্মীদের হিসাবে ২ লক্ষাধিক হতে পারে।

    আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির সুদান শাখার উপপ্রধান হোসে লুইস পোসো গিল এএফপিকে বলেন, ‘এতসব অনুমান হতাশাজনক। মানুষ জানেই না যে কী ঘটেছে। এই ট্রমা ও প্রভাব উপেক্ষা করা যায় না।’

    গত এক বছরে সেনাবাহিনী খার্তুম পুনর্দখল করার পর, প্রায় ২৮ হাজার লাশ উত্তোলন করে, পুনরায় দাফন করা হয়েছে বলে জানান দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান হিশাম জেইন আল-আবেদিন।

    তবে এখনো রাজধানীর অর্ধেকের কিছু বেশি এলাকা পরিষ্কার করা গেছে।

    গেব্বাই বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে, তিনি ও তার দল প্রায় ৭ হাজার লাশ দাফন করেছেন।

    অন্যদিকে দারফুরে জাতিগত হত্যাযজ্ঞে একসঙ্গে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছে।

    এ বছরই কেবল কর্দোফানে ড্রোন হামলায় অন্তত ৭০০ জন নিহত হয়েছেন।

    -মর্গ ধ্বংস-

    দেশজুড়ে লাশ সংরক্ষণের জায়গা নেই। গণনারও উপায় নেই। সবচেয়ে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের সময়, মসজিদ ও বাজারে যখন অগ্নিবোমা আঘাত হানে, উদ্ধারকারীরা  তখন প্রায়ই কাফনের কাপড়ের সংকটে পড়ে যান। মৃতদের সেখানেই দাফন করা হয়। নিজের কাপড় বা প্লাস্টিক ব্যাগে জড়িয়ে।

    অনেক গ্রামে কেন্দ্রীয়ভাবে তথ্য পাঠানোর মতো মর্গ তো দূরের কথা কোনো ক্লিনিকই নেই।জেইন আল-আবেদিন বলেন, খার্তুমের মর্গগুলো ‘যুদ্ধের আগেই পূর্ণ ছিল।’

    আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির তথ্য অনুযায়ী, খার্তুমের চারটি মর্গই যুদ্ধের কারণে অচল হয়ে পড়ে। তবে ভেতরে লাশ রয়ে যায়।

    জেইন আল-আবেদিন জানান, হামলায় ওমদুরমান মর্গ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। কমপ্রেসর লুট হয়ে যায়। চারদিকে পচতে থাকা লাশ পড়ে ছিল।

    তার দল এক বছর ধরে খার্তুমের লাশ উত্তোলন করছে।

    তাদের লক্ষ্য—অগভীর কবর, জনসমাগমস্থল, নর্দমা ও নীল নদের তীর থেকে লাশ উদ্ধার করা।

    গুলি চলা আর গোলাবর্ষণের মধ্যে মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারেনি। পাশের রাস্তায় যাওয়া তো দূরের কথা, কবরস্থানে পৌঁছানোও অসম্ভব হয়ে পড়ে।

    ফলে মানুষ নিজেদের উঠান, খেলার মাঠ ও রাস্তার মোড়ে স্বজনদের দাফন করে।

    তিন বছরে খার্তুম এক খোলা কবরস্থানে পরিণত হয়েছে।

    জেইন আল-আবেদিন বলেন, ‘এটি সমাজে গভীর প্রভাব ফেলে। মানবিক মর্যাদা নষ্ট করে। মৃত্যু যেন স্বাভাবিক হয়ে যায়।’

    একই চিত্র গোটা সুদানজুড়ে। দারফুরে, স্যাটেলাইট ছবিতে রক্তের দাগ দেখা গেছে আর কর্দোফানে এখনো ড্রোন হামলায় সাধারণ মানুষ নিহত হচ্ছেন।

  • এশিয়ান বীচ গেমসে বাংলাদেশের প্রথম পদক গ্রহণ

    এশিয়ান বীচ গেমসে বাংলাদেশের প্রথম পদক গ্রহণ

    চীনের পর্যটন নগরী সানিয়ায় চলমান এশিয়ান বীচ গেমসে কাবাডি ডিসিপ্লিনে সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্ট জুড়ে দুর্দান্ত লড়াই শেষে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রোঞ্জ পদক গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ নারী কাবাডি দল। বিজয়মঞ্চে লাল-সবুজের জার্সি গায়ে যখন নারী অ্যাথলেটরা পদক গ্রহণ করছিলেন, তখন সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নারী কাবাডিতে সোনা জিতেছে ভারত আর রৌপ্য জিতেছে শ্রীলঙ্কা।

    আজকের পদক প্রদান অনুষ্ঠানে দলের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগ। তিনি পদকজয়ী নারী দলের খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেন এবং এই অর্জনকে দেশের কাবাডির জন্য এক বড় মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন।

    গেমসে বাংলাদেশ নারী কাবাডি দল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং আক্রমণাত্মক কাবাডি প্রদর্শন করেছে। সেমিফাইনালে শক্তিশালী ভারতের কাছে হারলেও, পুরো আসরে তাদের লড়াকু মানসিকতা সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

    ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগ বলেন, ‘আমাদের মেয়েরা বিদেশের মাটিতে দেশের সম্মান অক্ষুন্ন রেখেছে। এই ব্রোঞ্জ জয় কেবল একটি মেডেল নয়, এটি আমাদের কঠোর পরিশ্রম এবং সঠিক পরিকল্পনার ফসল।

    আমাদের বর্তমান কমিটির লক্ষ ছিল পদক পুনরুদ্ধার করা। এশিয়ান বীচ গেমসে আমাদের মেয়েরা সেটা করে দেখিয়েছে। ১৪ বছর পর এশিয়ান বীচ গেমসের কাবাডিতে  ব্রোঞ্জ জিতেছে বাংলাদেশ।’

    তিনি আরও বলেন, বীচ কাবাডিতে এই সাফল্য আগামীতে এশিয়ান গেমসসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দলকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। বিশেষ করে নারী কাবাডি দলের জন্য দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এই মেডেল তারই প্রতিফলন।

    গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে থাইল্যান্ড ও চাইনিজ তাইপেকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। যদিও গ্রুপের শেষ ম্যাচে নেপালের কাছে দারুন লড়াইয়ের পর ৩৬-৩৮ পয়েন্টে পরাজয় বরণ করতে হয় তাদের। নেপালের বিপক্ষে পরাজয়ের কারনে সেমিফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল শক্তিশালী ভারত। সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৫০-৩১ পয়েন্টে পরাজিত হয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সেমিফাইনাল নিশ্চিতের সাথে বাংলাদেশের ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত হয়। একইসাথে র‌্যাঙ্কিংয়ের তৃতীয় স্থান নিয়ে আসর শেষ করেছে বাংলাদেশের নারী দল।

  • রাজবাড়ীতে মে দিবসের প্রস্তুতিমূলক সভা

    রাজবাড়ীতে মে দিবসের প্রস্তুতিমূলক সভা

    রাজবাড়ী জেলায় মহান মে দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার বেলা ১টায় রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত মহান মে দিবস পালন উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা পারভীন।

    সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারিফ উল হাসান, সিভিল সার্জন প্রতিনিধি,  ডা. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনুল হক, সহকারী কমিশনার মো. আরিফুল হক।

    সিবিএ’র জেলা সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী মোল্লা, বাস মালিক সমিতি সহ সভাপতি মো মুরাদ হাসান, সাধারণ সম্পাদক সুকুমার ভৌমিক, জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামও রিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল মজিদ মোল্লা প্রমুখ।
    জেলা প্রশাসক বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম দিবস পালন শুধু মাত্র মিটিং মিছিল, রালীর মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করা উচিত।

    মে দিবসে অহেতুক অপচয় না করে শ্রমিকদের অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াই।

    তিনি বলেন আমাদের অনেক শিশু, পড়াশুনা বাদ দিয়ে শিশু শ্রমে জড়িয়ে পড়েছে। তাদেরকে এই কাজ থেকে নিরুৎসাহিত করে পড়াশুনায় মনোযোগী করতে আমাদের এগিয়ে আসা উচিত।

    এছাড়া অনেক শ্রমিক অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে পড়ে আছে। তাদের খোঁজ খবর নেয়া, তাদের পাশে দাঁড়ান আমাদের কর্তব্য।

    আমরা অসহায় শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ালে তাদের পরিবারের অনেক কষ্ট দূর হবে।

    আসুন এই দিবস পালনের মাধ্যমে আমরা একে অপরের প্রতি সহনশীল হই সমাজকে সুখী সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নেই।

    সভায় সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে শ্রমিক দিবস উপলক্ষে র‌্যালী বের করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।