Category: আন্তর্জাতিক

  • মানববিহীন যুদ্ধ হেলিকপ্টার

    মানববিহীন যুদ্ধ হেলিকপ্টার

    বিদেশের বাজারে বিক্রির জন্য তাদের প্রথম মানববিহীন যুদ্ধ হেলিকপ্টার প্রকাশ্যে আনল চীন। চীনের উত্তর-পূর্বের তাইজিং প্রদেশে অনুষ্ঠিত হওয়া চতুর্থ চায়না হেলিকপ্টার এক্সপোতে প্রথম বারের মতো প্রদর্শিত হল হেলিকপ্টার এভি৫০০ইব্লিউ। এই হেলিকপ্টারটি তৈরি করেছে অ্যাভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি কর্পস অফ চায়না। জানা গেছে, মানববিহীন যুদ্ধ কপ্টারটির দৈর্ঘ্য ৭.২ মিটার, ওজন ৪৫০ কিলোগ্রাম ও গতিবেগ ঘন্টায় ১৭০ কিলোমিটার। সূত্রের খবর, ১২০ কিলোগ্রাম ওজনের অস্ত্র ও মালপত্র বহনে সক্ষম এই কপ্টার। চীনা মিডিয়া সূত্রে খবর, মধ্য-প্রাচ্যের যে সমস্ত দেশ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে মূলত তাদের কাছেই এই কপ্টার বিক্রি করতে চায় চীন। এর অন্যতম নির্মাণকর্তা জিয়াং তাইয়ু জানিয়েছেন, গত আগস্ট মাসে প্রথম পরীক্ষায় সফল হয়েছে এই কপ্টার। এমনকি যেকোন স্থান ও পরিবেশে ওঠা-নামা করতেও সক্ষম এটি। চলতি বছরের মধ্যে কপ্টারটির চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষ করতে চায় চীন। ২০১৯ থেকে শুরু হবে বিদেশে বিক্রি। এখনও পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কাছে শুধুমাত্র রয়েছে মানবহীন যুদ্ধ হেলিকপ্টার। সেই তালিকায় নতুন সহযোজন চীন। সিনহুয়া।

  • নির্যাতন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জাতিসংঘের

    নির্যাতন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জাতিসংঘের

    রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর এখনও মিয়ানমার সেনাবাহিনী গণহত্যা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতিসংঘের তদন্তকারী কমিটির প্রধান। বুধবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে রোহিঙ্গা নির্যাতন বন্ধে আন্তর্জাতিক স¤প্রদায়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান তিনি। তবে, জাতিসংঘের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন মিয়ানমারের প্রতিনিধি। এর আগে বুধবার রাশিয়ার সমর্থনে ভোটের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক বাতিলের চেষ্টা করে চীন। রাশিয়া, চীন এবং ইথিওপিয়া বৈঠক বাতিলের পক্ষে ভোট দিলেও, এর বিপক্ষে ভোট দেয় যুক্তরাষ্ট্রসহ নয়টি দেশ। মিয়ানমার সেনাবাহিনী হত্যাযজ্ঞ এবং নির্যাতনের মুখে গত এক বছরে আশ্রয় নিয়েছে অন্তত আট লাখ রোহিঙ্গা। জাতিসংঘের তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতন ও গণহত্যা এখনো অব্যাহত আছে। মিয়ানমার সরকারের সম্পূর্ণরূপে কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কোনো আগ্রহ নেই। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘ ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের প্রধান মারজুকি দারুসমান জানান, ‘মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের রাখাইন রাজ্যে এখনো রোহিঙ্গা নিধন করা হচ্ছে। শারীরিক নির্যাতন ও গণহত্যা অব্যাহত থাকায় রোহিঙ্গারা এখনো পালাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন মারজুকি দারুসমান। এদিকে জাতিসংঘে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত হাউ দো সুয়ান ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনকে ‘ত্রুটিপূর্ণ, পক্ষপাতদুষ্ট এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক’ অভিহিত করে বলেন, মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যার উদ্দেশ্য’ স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। সংবাদ সম্মেলনে মিয়ানমারের মানবাধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ তদন্তকারী ইয়াংহি লি বলেন, তিনি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অনেকেই আশা করেছিলেন, মিয়ানমার নেত্রী অং সান সু চির নেতৃত্বে দেশটির পরিস্থিতি অতীতের চেয়ে অনেক আলাদা হবে; কিন্তু বাস্তবে এটি অতীতের চেয়ে বেশি আলাদা হয়নি। লি আরো বলেন, শান্তিতে নোবেলজয়ী, সাবেক রাজনৈতিক বন্দি এবং বর্তমানে মিয়ানমারের বেসামরিক সরকারের নেতৃত্ব দেওয়া সু চি রোহিঙ্গাদের ওপর ধর্ষণ, হত্যা, নির্যাতন এবং তাদের গ্রাম পুড়িয়ে মারার অভিযোগ ‘পুরোপুরি অস্বীকার’ করেছেন। ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে সাত লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাধ্য হয়ে নিজ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। ‘মিয়ানমার সরকার ক্রমশ দেখিয়েছে যে তাদের সম্পূর্ণরূপে কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কোনো আগ্রহ নেই, যেখানে সব মানুষ সমভাবে তাদের সকল অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগ করতে পারবে। দেশটির সরকার ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনকে সমর্থন করে না,’ বলেন লি। ‘এ রকম চলতে থাকলে মানুষ নিরপেক্ষভাবে ন্যায্য বিচার পাবে না, দোষী সাব্যস্ত করা হবে না এবং আইন নিপীড়নের অস্ত্র হিসেবে গণ্য করা হবে না,’ যোগ করেন তিনি। দারুসমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘মিয়ানমার সরকারের কঠোর অবস্থান এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বাধা। তাদের অব্যাহত অস্বীকার, জাতীয় সার্বভৌমত্বের আচ্ছাদনে নিজেদের রক্ষা করার প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে সা¤প্রতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ও পরিস্থিতি সম্পর্কে ৪৪৪ পৃষ্ঠার বিবরণী প্রত্যাখ্যানের কারণে মিয়ানমারের কাছ থেকে জবাবদিহি কোনোভাবেই আশা করা যায় না।’ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন দারুসমান এবং লি। মিয়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, আইভরি কোস্ট, কুয়েত, পেরু এবং পোল্যান্ড রোহিঙ্গা নির্যাতনের দায়বদ্ধতা নিশ্চিতের বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়। চীন, রাশিয়া ও বলিভিয়া ‘না’ ভোট দিয়েছে এবং গিনি, ইথিওপিয়া ও কাজাখস্তান ভোট দেয়নি। এপি,

  • চীনের সাগর সেতুতে শুরু যান চলাচল

    চীনের সাগর সেতুতে শুরু যান চলাচল

    বিশ্বের দীর্ঘতম সাগর সেতুতে গতকাল বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। চীনের এই সেতু দেশটির মূল ভূখন্ডের সঙ্গে হংকং ও ম্যাকাওয়ের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। গতকাল মঙ্গলবার চীনের হংকং-ঝুহাই-ম্যাকাও সেতু উদ্বোধন করেন প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। গতকাল সর্বসাধারণের জন্য তা খুলে দেওয়া হয়। গতকাল সকালে যাত্রী ও ভ্রমণকারীরা হংকংয়ের আন্তঃসীমান্ত বাস টার্মিনালে জড়ো হন। এ সময় বাস পরিচালকেরা তাদের বিভিন্ন ধরনের খাবার পরিবেশন করেন।
    ৫৮ বছর বয়সী অ্যাংগি চেং এসেছেন ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকতে। ম্যাকাও যেতে বাসে উঠেছেন তিনি। বার্তা সংস্থাকে বলেন, ‘আমি বাসে চড়তে চাই আর দেখতে চাই, এটা কতটা সুবিধাজনক। বাইরের মনোরম দৃশ্যও উপভোগ করতে চাই আমি। হাজার হলেও এটি ঐতিহাসিক প্রকৌশল প্রকল্প।’
    এই সেতু দিয়ে ম্যাকাও ও হংকংয়ের যাত্রী আর যানবাহনগুলো সরাসরি বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করতে পারবে। চীনের নদী পার্ল রিভারের ওপর দিয়ে সেতুটি সমুদ্র পার হয়ে চলে গেছে ওপারে। হংকং থেকে ম্যাকাওয়ে সড়কপথে যাতায়াতে তৈরি এ সেতু ৫৫ কিলোমিটার (৩৪ মাইল) দীর্ঘ। যাত্রাপথে সেতুটি আরও ১১টি বড় শহরকে যুক্ত করেছে। দক্ষিণ চীনের ৫৬ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার এলাকার ৬ কোটি ৮০ লাখ মানুষ এ সেতুর সুবিধা পাবে। এ সেতু চালু হওয়ায় হংকং ও ম্যাকাওয়ের মধ্যে দূরত্ব আড়াই ঘণ্টা কমে এসেছে। আগের তিন ঘণ্টার পথ এখন আধা ঘণ্টায় যাতায়াত করা যাবে। এছাড়া ঝুহাই যেতে সময় লাগবে ৪৫ মিনিট, আগে যেখানে ৪ ঘণ্টা লাগত। হংকং থেকে ঝুহাই যেতে মাত্র ১০ হাজার ব্যক্তিগত গাড়িকে সেতু পারাপারের লাইসেন্স দেওয়া হবে। বাকিরা বাসে যাতায়াত করতে পারবেন। সেতুর দুই পাশে কাস্টমস পার হয়ে যেতে হবে পর্যটকদের।
    সমর্থকেরা এই সেতুকে বিশ্বের প্রকৌশল খাতের বিজয় বলে আখ্যায়িত করলেও সমালোচনাও কম হচ্ছে না। সমালোচকেরা বলছেন, রাজনৈতিক ফায়দা লাভের জন্যই এই ব্যয়বহুল ‘সাদা হাতি’ তৈরি হয়েছে। বেইজিংয়ের প্রচেষ্টা এর মাধ্যমে আধা স্বায়ত্তশাসিত হংকংকে মূলভূমিতে যুক্ত করা।

  • রাশিয়াকে বাহুবল দেখাল ন্যাটো

    রাশিয়াকে বাহুবল দেখাল ন্যাটো

    স্নায়ুযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়ার আয়োজন করেছে পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটো। । আজ বৃহস্পতিবার নরওয়েতে চলছে এ সামরিক মহড়া। প্রায় ৫০ হাজার সেনা, ১০ হাজার সামরিক যান, ৬৫টি যুদ্ধজাহাজ, ২৫০টি যুদ্ধবিমান নিয়ে শুরু যাওয়া ‘ট্রাইডেন্ট জাঙ্কচার ১৮’ নামের এ মহড়াটি চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত।

    বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ৩১টি দেশ এ মহড়ায় অংশ নিয়েছে। নরওয়েতে রাশিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ১৯৮ কিলোমিটার দূরে মহড়াটির আয়োজন করা হয়েছে।

    আসলে এ মহড়ার মাধ্যমে রাশিয়াকে বাহুবল দেখাচ্ছে ন্যাটো। গত মাসে চীন-মঙ্গোলিয়াকে নিয়ে তিন লাখ সেনার অংশগ্রহণে সাইবেরিয়ার পূর্বাঞ্চলে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া দেয় রাশিয়া। সেনাসদস্য ছাড়াও ৩৬ হাজার সামরিক যান, ১ হাজার যুদ্ধবিমান ও ৮০টি যুদ্ধজাহাজ অংশ নেয় ওই মহড়ায়। ‘ভোস্তক-২০১৮ (প্রাচ্য-২০১৮)’ নামের ওই মহড়ায় রাশিয়া তাদের শক্তি প্রদর্শন করে। ওই মহড়ার পর ন্যাটোর শক্তি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সন্দেহ প্রকাশ করেন। সবার মুখে ছাই দিয়ে এবার বিশাল এ মহড়ার আয়োজন করল ন্যাটো।

    স্নায়ুযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়ার আয়োজন করেছে ন্যাটোগতকাল বুধবার নরওয়েতে ন্যাটোর মহাসচিব জেনস স্টোলটেনবার্গ বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউরোপের নিরাপত্তা পরিবেশ উল্লেখযোগ্যভাবে নষ্ট হয়েছে। ট্রাইডেন্ট জাঙ্কচার ১৮ আমাদের জোটভুক্ত দেশগুলো এবং সম্ভাব্য প্রতিপক্ষের কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা পাঠাবে। ন্যাটো মুখোমুখি সংঘর্ষে যাচ্ছে না, তবে কোনো হুমকির বিরুদ্ধে পুরো জোট রক্ষার জন্য আমরা প্রস্তুত।’

    এদিকে অসলোতে রাশিয়ার দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ট্রাইডেন্ট জাঙ্কচারকে তাঁরা রাশিয়াবিরোধী পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়, এ মহড়া উসকানিমূলক। স্টোলটেনবার্গের আশা, রাশিয়া ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ এড়িয়ে চলবে।

  • পাকিস্তানকে ৩০০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে সৌদি আরব

    পাকিস্তানকে ৩০০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে সৌদি আরব

    সৌদি আরবের কাছ থেকে ঋণ সুবিধা পেয়ে উচ্ছ্বসিত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। নিজ দল তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে বিষয়টি জানিয়ে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন ইমরান। সৌদি আরব ৩০০ কোটি ডলার দিচ্ছে পাকিস্তানকে।

    পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিও বার্তায় নিজ দেশের অর্থনৈতিক সংকটের বিষয়টি উল্লেখ করে ইমরান খান বলেছেন, ‘আমাদের ওপর ঋণের বোঝা থেকে মুক্ত হতে অনেক দিন ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম। আমাদের অনেক ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে।’

    আর্থিক সুবিধা পেয়ে উচ্ছ্বসিত ইমরান খান বলেন, সংকট উত্তরণে সৌদি আরব থেকে আমরা দারুণ প্যাকেজ পেয়েছি। যা আমাদের সংকট দূর করবে।

    দুটির বেশি বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র থেকে সরকার আর্থিক সহায়তার জন্য চেষ্টা করবে বলেও জানান সাবেক এই পাকিস্তানের ক্রিকেটার। ইয়েমেন যুদ্ধ বন্ধ করতে মধ্যস্থকারী হিসেবে ভূমিকা রাখতে পাকিস্তান চেষ্টা করবে বলে ঘোষণা দেন ইমরান খান। বলেন, ‘আমি আপনাদের জানাতে চাই- আমরা ইয়েমেনে যুদ্ধ বন্ধ করতে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করব।

    গত মঙ্গলবার রাতে পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, অর্থনৈতিক ভারসাম্য আনতে এক বছরের জন্য পাকিস্তানকে ৩০০ কোটি ডলার দিতে সম্মত হয়েছে সৌদি সরকার। তেল আমদানি ও অন্যান্য বিষয়ে ৩০০ কোটি ডলার পর্যন্ত ইসলামাবাদকে এক বছরের বিলম্বিত পরিশোধ সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে সৌদি সরকার।

    প্রসঙ্গত, ‘ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ উদ্যোগ’ শীর্ষক সম্মেলনে যোগ দিতে রিয়াদ সফর করছেন ইমরান খান। সৌদি সাংবাদিক খাসোগি হত্যার পর আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী অনেক ফোরাম সম্মেলনটি বর্জন করেছে। আর কেন তিনি সৌদি আরব সফর করছেন সেই কারণও ব্যাখ্যা করেছেন। ইমরান জানান, তাঁর দেশ গভীর অর্থনৈতিক সংকটে। তাঁদের সৌদি সরকারের জরুরি সহায়তা প্রয়োজন। যে কারণে অন্যদের পথ অনুসরণ না করে সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন তিনি।

  • পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার বাড়াবে যুক্তরাষ্ট্র, পাল্টা হুঁশিয়ারি রাশিয়ারও

    পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার বাড়াবে যুক্তরাষ্ট্র, পাল্টা হুঁশিয়ারি রাশিয়ারও

    রাশিয়া ও চীনকে চাপে ফেলতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার বাড়াতে পারে। এমনটাই জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    রাশিয়া ১৯৮৭ সালের ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস (আইএনএফ) চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। ফের এমন অভিযোগ করে হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প জানালেন, লোকজনের চেতনা ফিরে না আসা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তার পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার বৃদ্ধি করবে। যদিও রাশিয়ার তরফে এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে।

    শীতল যুদ্ধকালীন সেই মার্কিন-রুশ চুক্তিটিতে পারমাণবিক অস্ত্রবহনে সক্ষম মধ্যবর্তী পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার বাড়াতে শুরু করলে পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে রাশিয়া।

    এর মধ্যে মস্কোতে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। সেখানে আইএনএফ চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বের হয়ে যাওয়া পারমাণবিক অস্ত্রবিস্তার রোধ চুক্তিতে স্বাক্ষর করা রাষ্ট্রগুলোর জন্য ‘গুরুতর ধাক্কা’ হবে বলে বোল্টনকে সতর্ক করা হয়েছে।

    রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সচিব নিকোলাই পাত্রুশেভ বলেছেন, আইএনএফের বিষয়ে ‘পারস্পরিক’ ক্ষোভ নিরসনে ক্রেমলিন আমেরিকার সঙ্গে কাজ করতে ‘প্রস্তুত’ আছে। বোল্টনের সফর শুরুর সময়ই মস্কো সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, পারমাণবিক শক্তির ভারসাম্য ধরে রাখতে তারাও পদক্ষেপ নিতে পারে।

    ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ বলেছেন, “এই ইস্যুতে আমেরিকান পক্ষের ব্যাখ্যা শোনা দরকার আমাদের। চুক্তিটি পরিত্যাক্ত হলে নিজের নিরাপত্তার বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে রাশিয়া।”