Category: আন্তর্জাতিক

  • ভারতে ৬০ তলার সমান উঁচু ভাস্কর্য

    ভারতে ৬০ তলার সমান উঁচু ভাস্কর্য

    বিশ্বের সর্বোচ্চ ভাস্কর্য স্থাপনের গৌরব এখন ভারতের দখলে। দেশটির সাবেক বর্ষীয়ান রাজনৈতিক নেতা ও প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের ভাস্কর্যটি ১৮২ মিটার (৫৯৭ ফুট) উঁচু, যা প্রায় ৬০ তলা ভবনের সমান উঁচু। এর নামকরণ হয়েছে ‘স্ট্যাচু অব ইউনিটি’। জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।

    ভারতের গুজরাট রাজ্যের সাদু বেট আইল্যান্ডে নর্মদা নদীর পাশে ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু এই ভাস্কর্য দেশটির নতুন এক অনন্য নিদর্শন। এটি বহুল আলোচিত যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যাচু অব লিবার্টির প্রায় দ্বিগুণ। সেনাবাহিনীর সঙ্গে তিন হাজারের বেশি শ্রমিক এটি নির্মাণে কাজ করেন। স্বনামধন্য নির্মাণ ও প্রকৌশল কোম্পানি লারসেন অ্যান্ড টাউবরোর (এলঅ্যান্ডটি) ৩০০ প্রকৌশলী এই মানবমূর্তি নির্মাণের সঙ্গে ছিলেন। অনেক অপেক্ষা ও উত্তেজনার পর কাল বুধবার স্ট্যাচু অব ইউনিটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সরদার প্যাটেলের ১৪৩তম জন্মবার্ষিকীর এই বিশেষ দিনে তাঁর স্মরণে নির্মিত মূর্তিটি উন্মোচন করা হচ্ছে।

    সরদার বল্লভভাই প্যাটেল ভারতীয় ব্যারিস্টার ও কূটনীতিক ছিলেন। তিনি সরদার প্যাটেল নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। ভারতীয় ন্যাশনাল কংগ্রেসের এই জ্যেষ্ঠ নেতা দেশটির স্বাধীনতা আন্দোলনে ভূমিকা রাখেন। ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার পর তিনি প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী হন। তিনি ১৮৭৫ সালে মুম্বাইতে জন্মগ্রহণ করেন। বর্ণাঢ্য কর্মজীবন শেষে সরদার প্যাটেল ১৯৫০ সালে ১৫ ডিসেম্বর শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

    ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০১০ সালে গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভাস্কর্যটি নির্মাণের ঘোষণা দেন। আট বছর পর এবার সেই ভাস্কর্য দৃশ্যমান হলো। এ জন্য গুজরাটের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি ও মুখ্যসচিব জে এন সিং ভাস্কর্য নির্মাণে নিয়োজিত থাকা হাজার হাজার শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

    সরদার বল্লভভাই প্যাটেল রাষ্ট্রীয় একটা ট্রাস্টের (এসভিপিআরইটি) মাধ্যমে নরেন্দ্র মোদির তত্ত্বাবধানে ২০১১ সালে সব কটি রাজ্যের ১ লাখ ৬৯ হাজার গ্রামের প্রায় ১০ কোটি কৃষক ১২৯ টন লোহার সরঞ্জাম সরবরাহ করে ভাস্কর্য নির্মাণে অবদান রাখেন। সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রতীকী এই অবদান দিয়ে সরদার প্যাটেল স্ট্যাচুর ভিত্তি নির্মাণ করা হয়।

    এসভিপিআরইটিয়ের কর্মকর্তা ও সদস্য কে শ্রীনিবাসন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিশন তাঁর স্লোগান ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’ স্ট্যাচু অব ইউনিটির মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়েছে। এই স্থাপত্যের মাধ্যমে সংগঠিত ইন্ডিয়ার সরদার প্যাটেলের আদর্শই তুলে ধরা হয়েছে।

    ক্রেন দিয়ে ব্রোঞ্জের একটি অংশ ভাস্কর্যটির মাথায় জোড়া লাগানো হচ্ছে। ছবি: ইন্ডিয়া টুডের সৌজন্যেগুজরাট সরকারের সম্পন্ন অর্থায়নে স্ট্যাচু প্রকল্পের ব্যয় ৩ হাজার ৫০ কোটি রুপি। ভাস্কর্যটির পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৫ সালের মে মাসে। সাড়ে তিন বছর ধরে কাজ করে এর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। সরদার প্যাটেলের ১৯৪৯ সালের বাস্তব জীবনের আলোকচিত্র থেকে স্ট্যাচু অব ইউনিটি তৈরি করা হয়। যে ছবিতে প্যাটেলকে ধুতি ও জ্যাকেট পরা অবস্থায় দেখা যায়। বিশাল এই ভাস্কর্যের শিল্পী হলেন পদ্মভূষণ পুরস্কার বিজয়ী রাম ভি সুতার।

    ভাস্কর্যটি তিন স্তরবিশিষ্ট কাঠামোয় বিন্যস্ত। অভ্যন্তরীণ স্তরে ১২৭ মিটার দুটি উঁচু টাওয়ার আছে, যা ভাস্কর্যের বুক পর্যন্ত বিস্তৃত। দ্বিতীয় স্তরটি স্টিলের কাঠামো এবং তৃতীয় স্তর বা ভাস্কর্যের উপরিভাগ আট মিলিমিটার ব্রোঞ্জ দিয়ে মোড়ানো। ভাস্কর্যের আপাদমস্তক দর্শনের জন্য দুটি লিফট আছে। প্রতি লিফট ২৬ জন বহন করতে পারে। লিফটে আধা মিনিটের মধ্যে ভাস্কর্যের শীর্ষ স্থানে পৌঁছানো সম্ভব। উচ্চতার দিক থেকে এর আগে সর্বোচ্চ স্ট্যাচুর রেকর্ড ছিল চীনের। স্প্রিং টেম্পল অব বুদ্ধ নামের স্ট্যাচুটির উচ্চতা ১৫৩ মিটার। বর্তমানে সেই অবস্থান নিল ভারতের স্ট্যাচু অব ইউনিটি। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে জাপানের ১২০ মিটার উঁচু উশিকু দায়বাসু, চতুর্থ স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের ৯৩ মিটার উঁচু স্ট্যাচু অব লিবার্টি এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছে রাশিয়া ৮৫ মিটার উঁচু হোমল্যান্ড মাদার।

    যেভাবে ভাস্কর্যটি নির্মিত
    প্রথমে এলঅ্যান্ডটি কোম্পানি ১৯৪৯ সালের প্যাটেলের একটি আলোকচিত্রকে ভিত্তি হিসেবে নেয়। আলোকচিত্রটির অনুরূপ ১৮ ফুট উঁচু ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য তৈরি করেন ভাস্কর রাম ভি সুতার। সেই ভাস্কর্য প্যাটেলের জন্মস্থান গুজরাটের আনন্দ জেলার কারামাসাদে নিয়ে জনসমক্ষে প্রদর্শন করা হয়। মূলত, প্যাটেলের বাস্তব জীবনের সঙ্গে ভাস্কর্যের মিল আছে কি না, সেটা যাচাইয়ে স্থানীর জনতার মতামত ও পরামর্শের জন্য এটি করা হয়েছিল। জনতার প্রতিক্রিয়া মূল্যায়ন করে রাম সুতার ৩০ ফুট উচ্চতার ভাস্কর্য নির্মাণ করেন। বিভিন্ন গোষ্ঠীর পরামর্শে সেটাই চূড়ান্ত করা হয়। ভাস্কর্যে ব্যবহৃত ব্রোঞ্জের কাজ করেছে চীনের জিয়াংজি টোকাইন কোম্পানি (জেটিকিউ)।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও এলঅ্যান্ডটির কোম্পানির কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাম সুতার চীনে গিয়ে জেটিকিউয়ের কাজ পর্যবেক্ষণ করেন। এই কাজের জন্য চারবার চীনে যেতে হয় সুতারকে। বিভিন্ন সাইজের প্রায় সাত হাজার প্লেট ভাস্কর্যটিতে স্থাপন করা হয়েছে। এসব কাজ পর্যবেক্ষণে ছিলেন এলঅ্যান্ডটি প্রকল্পের পরিচালক মুকেশ রাভাল। তিনি বলেন, কাজটি ছিল চ্যালেঞ্জের। প্রতি সপ্তাহে কাজের অগ্রগতির প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রী মোদি, মুখ্যমন্ত্রী রুপানি ও উপমুখ্যমন্ত্রী নিতিন প্যাটেলের কাছে পাঠানো হতো। প্রকল্পটির ইনচার্জ ইঞ্জিনিয়ার জয়প্রকাশ নাভিক বলেন, ‘এটা ছিল স্বপ্নের প্রকল্প এবং বিশাল চ্যালেঞ্জ। এর আগে এত বড় ভাস্কর্য নির্মিত হয়নি। ফলে এর কোনো সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি ছিল না। দিন দিন পদ্ধতি পরিবর্তন হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই আমাদের লক্ষ্য বাস্তবায়ন হয়েছে।’

    দর্শনার্থীদের জন্য যা থাকছে
    সরদার প্যাটেল ভাস্কর্যের নিচ থেকে ২৫ মিটার উঁচু বা আটতলার উঁচু সমস্থানে ৪ হাজার ৭৪৭ স্কয়ার মিটার আয়তনের প্রদর্শনী হল ও চলচ্চিত্র কেন্দ্র আছে। যেখানে প্যাটেলের জাতীয় জীবনের কৃতিত্ব চিত্রায়িত করা হবে। এটি খুব শিগগির বড় পর্যটন কেন্দ্র হবে। এই স্ট্যাচু ও এর আশপাশের পাহাড়ি বনাঞ্চল পর্যটকদের আকর্ষণ করবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন। ভাস্কর্য আরোহণে দুটি লিফটের মধ্যে একটি ১৩৫ মিটার উঁচুতে উঠবে। ছিন্দ্রযুক্ত জানালার সঙ্গে আছে চিত্তাকর্ষক গ্যালারি। প্রতিদিন ভাস্কর্যটি পরিদর্শনে তিন হাজার দর্শনার্থীকে অনুমতি দেওয়া হবে।

    ড্রোন থেকে তোলা ভাস্কর্যের পায়ের অংশ ও এর আশপাশের চিত্র। ছবি: ইন্ডিয়া টুডের সৌজন্যেস্ট্যাচুর পাদদেশে আছে ভ্রমণকারীদের জন্য হাঁটার পথ, ফুট কোর্ট, বড় বাজার ও অতিথিদের থাকার ব্যবস্থা। স্ট্যাচুর অদূরে থ্রি স্টার হোটেল ও সেখানে ৫২টি কক্ষ আছে। ২৬৪ আসনের ক্যাফেটেরিয়া ও একটি গিফট আছে। এ ছাড়া ৮০০টি গাড়ি পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা। স্ট্যাচু অব ইউনিটি ঘিরে বিপুল পর্যটক আকর্ষণ করতে মোদি সরকারের পরিকল্পনা আছে। ভাদোদারা থেকে ৯০ কিলোমিটার ফোর লেন সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। পর্যটকেরা আকাশপথে বা রেলপথে ভাদোদারা পৌঁছে যেতে পারবেন। পরে সেখান থেকে ব্যক্তিগত গাড়ি, ভাড়া করা গাড়ি কিংবা বাসে করে ওই ভাস্কর্যস্থলে যেতে পারবেন।

    নতুন সম্ভাবনা
    ভাস্কর্যটির পাশে পাহাড়ি এলাকায় সবুজঘেরা বনাঞ্চল। সেখানে উপজাতি সম্প্রদায়ের বসবাস আছে। দুঃসাহসিক পর্যটনের জন্য ওই এলাকাকে ব্র্যান্ডিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। স্ট্যাচু–সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, স্ট্যাচুকে কেন্দ্র করে সরাসরি দুই হাজারজন ও পরোক্ষভাবে পাঁচ হাজারজনের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। স্ট্যাচু নিয়ে জাতীয় ভিশনের অংশ হিসেবে গুজরাট সরকার ওই এলাকায় রেস্ট হাউস নির্মাণের জন্য অন্য রাজ্যগুলোকে ভূমি অধিগ্রহণ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। এরই মধ্যে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ভূমি অধিগ্রহণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

  • চকের বদলে রং-পেনসিল, ফেরত ২০ লাখ ডলার!

    চকের বদলে রং-পেনসিল, ফেরত ২০ লাখ ডলার!

    অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনির প্যারাম্যাটা সিটি কাউন্সিলকে প্রায় ২০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের ভর্তুকি গুনতে হতে পারে। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে পার্কিং জরিমানা বাবদ আদায় করা এই অর্থ ফিরিয়ে দিতে হতে পারে জনগণকে। আর এই বিশাল অর্থের লোকসানের একমাত্র কারণ চকের জায়গায় মোমের তৈরি রং-পেনসিল ব্যবহার করা। পশ্চিম সিডনির প্যারাম্যাটা সিটি কাউন্সিলের আওতাধীন পার্কিং পরিদর্শকেরা আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের বেশি কোনো গাড়ি রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকলে জরিমানা করে। আর জরিমানা করার সময় গাড়িটি কতক্ষণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল তা চাকায় রং-পেনসিল দিয়ে চিহ্নিত করে দেয়। আর সেখানেই হয়েছে যত ঝামেলা।

    প্যারাম্যাটা কাউন্সিলের ট্রাফিক আইনে পার্কিং পরিদর্শকেরা গাড়ির চাকায় চিহ্ন দিতে শুধু চক জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করতে পারবে বলে উল্লেখ রয়েছে। যদিও নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের আইনে চক, রং-পেনসিল কিংবা অনুরূপ পদার্থের ব্যবহারের কথা বলা আছে। তবে প্যারাম্যাটার আইনে শুধু চকের কথা উল্লেখ আছে। আর পার্কিং পরিদর্শকদের এই নীতিবহির্ভূত কাজের কথা প্রথম সামনে আসে গত বছরের সেপ্টেম্বরে। তাই সে মাস থেকে অতিরিক্ত সময় পার্কিংয়ের জন্য আদায়কৃত জরিমানার প্রায় ২০ লাখ ডলার ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলছে নীতি নির্ধারক ও আইন বিশ্লেষকেরা। বিষয়টি একজন কাউন্সিলর দ্বারা গত বছরের ২৫ জুন কাউন্সিলকে জানানো হয় বলে জানিয়েছেন প্যারাম্যাটা সিটি কাউন্সিলের মুখপাত্র। আর অর্থ যদি ফেরত দিতেও হয়, তবে আরেকটি বড় ঝামেলার মুখোমুখি হবে প্যারাম্যাটা সিটি কাউন্সিল। কেননা রাজ্যের সড়ক ও সমুদ্র সেবার তথ্যকেন্দ্রে কাউন্সিল কর্তৃপক্ষের কোনো প্রবেশাধিকার নেই। আর তাই যাদের অর্থ ফেরত দিতে হবে তাদের এক এক করে খুঁজে বের করতে হবে প্যারাম্যাটা সিটি কাউন্সিলকে।

    বিষয়টি কাউন্সিলের পরবর্তী সাধারণ সভায় নিষ্পত্তি হতে পারে।

  • প্রায় কোটি টাকার পাবলিক টয়লেট!

    প্রায় কোটি টাকার পাবলিক টয়লেট!

    সম্প্রতি ভারতের মুম্বাইয়ের মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে সাধারণ মানুষের জন্য ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে তৈরি করা হয়েছে পরিবেশবান্ধব ও ব্যয়বহুল একটি টয়লেট।

    এটি দেশটির সবচেয়ে দামি পাবলিক টয়লেট। এ টয়লেটে পানির অপচয় রোধ, সোলার প্যানেল ও ভ্যাকুয়াম প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

    সম্প্রতি ভারতের সাউদ মুম্বাইয়ের মেরিন ড্রাইভের পাশে ছয় ব্লকের এ উন্নতমানের টয়লেটটি উদ্বোধন করেন শিবসেনা নেতা আদিত্য ঠাকরে।

    জি নিউজ ২৪-এ প্রকাশিত এক সংবাদ থেকে জানা যায়, টয়লেটটির বিশেষত্ব হল, সাধারণ টয়লেটে প্রতি ফ্লাশে যেখানে খরচ হয় ৮ লিটার সেখানে এটাতে খরচ হবে মাত্র ৮০০ এমএল পানি।

    সকালে হাঁটতে আসা সাধারণ মানুষ ও সাইকেল চালকদের জন্য এ টয়লেট খুব উপকারে আসবে বলে জানিয়েছেন নিমার্তারা। টয়লেটটি ব্যবহারে তাদের কোনো পয়সাও গুনতে হবে না।

  • সৌদি আরবকে কাতারের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে: উপ প্রধানমন্ত্রী

    সৌদি আরবকে কাতারের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে: উপ প্রধানমন্ত্রী

    কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের যে আগ্রহ সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান দেখিয়েছেন তার তীব্র সমালোচনা করে কাতারের উপ প্রধানমন্ত্রী খালিদ আল-আতিয়া বলেছেন, তার দেশের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপকারী চার দেশকে দোহার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

    তিনি শনিবার দোহায় ‘পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা: ফলাফল ও করণীয়’ শীর্ষক এক বৈঠকে বলেন, কাতারের জনগণের মধ্যে প্রবল ঐক্য এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার তড়িৎ পদক্ষেপের ফলে কাতারের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন অবরোধ ব্যর্থ হয়েছে।

    সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান গত মঙ্গলবার রিয়াদ অনুষ্ঠিত ‘মরুভূমির ডেভোস’ শীর্ষক বিনিয়োগ সম্মেলনে দেয়া বক্তৃতায় কাতারের সঙ্গে আবার সম্পর্ক স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মতবিরোধ থাকা সত্ত্বেও কাতারে একটি শক্তিশালী অর্থনীতি রয়েছে এবং দেশটি আগামী পাঁচ বছরে অনেক দূর এগিয়ে যাবে।

    সৌদি যুবরাজের ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা রাজতন্ত্র বিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যা করার কারণে মোহাম্মাদ বিন সালমান যখন প্রবল আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রয়েছেন তখন এ বক্তব্য দিলেন তিনি।

    তার এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কাতারের উপ প্রধানমন্ত্রী খালিদ আল-আতিয়া আরো বলেন, তার দেশ সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন দেশগুলোর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ কাটিয়ে উঠেছে। কিন্তু এ অবরোধ কাতারের জনগণের দৈনন্দিন জীবনের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে যা কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে।

    সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহররাইন ও মিশর ২০১৭ সালের জুন মাসে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন কথিত আরব জোটে যোগ দিতে অস্বীকার করায় দোহার বিরুদ্ধে ওই ব্যবস্থা নেয়া রিয়াদ। সম্পর্ক ছিন্ন করার পাশাপাশি জল, স্থল ও আকাশপথে কাতারের ওপর অবরোধ আরোপ করে ওই চার দেশ যা এখনো বহাল রয়েছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় সিনাগগে গুলি : নিহত ১১

    ফের মার্কিন মুলুকে বন্দুকবাজের হানা। এখনও পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে মার্কিন মিডিয়া সূত্রে খবর। বহু মানুষের আহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    আমেরিকার পিটসবার্গে ইহুদিদের ধর্মস্থান একটি সিনাগগের কাছে গুলি চলেছে বলে খবর। সেখানে এক বন্দুকবাজের উপস্থিতির কথাও জানানো হয়েছে। পুলিশ ওই জয়গাটি ঘিরে ফেলেছে।

    জানা গেছে, পিটসবাগের স্কোয়ারেল হিল অঞ্চলে ‘ট্রি অফ লাইফ’ সিনাগগের কাছে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ চারজনের মৃত্যুর খবর জানালেও স্থানীয় লোকজনের দাবি, অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ১০টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। এখনও পুলিশ ও বন্দুকবাজের মধ্যে গুলি বিনিময় চলছে ঐতিহ্যবাহী ওই সিনাগগের কাছে।

  • ছয় বছর বয়সেই বাংলাদেশি শিশুর হার্ভার্ডের স্বীকৃতি!

    ছয় বছর বয়সেই বাংলাদেশি শিশুর হার্ভার্ডের স্বীকৃতি!

    মাত্র ছয় বছর বয়সে বিশ্ববিখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশী শিশু সুবর্ণ আইজ্যাক। স্থানীয়দের কাছে সুবর্ণ পরিচিতি পেয়েছে ‘ক্ষুদে আইনস্টাইন’ নামে। বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ২০১৫ সালে হোয়াইট হাউসও স্বীকৃতি দিয়েছিলো এই শিশুকে।

    ২০১৪ সালে নিউইয়র্ক সিটি কলেজের প্রেসিডেন্ট ডক্টর লিসা কোইকো ছয় বছরের সুবর্ণকে উপাধি দেন ‘আমাদের সময়ের আইনস্টাইন’ নামে। পিএইচডি স্তরের গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বিজ্ঞানের জটিল সব বিষয়ের সমাধান করতে পারদর্শী শিশু শ্রেণিতে পড়া সুবর্ণ। বিরল এই প্রতিভার জন্য ২০১৫ সালে তৎকালীল প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কাছ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছিল সুবর্ণ।

    এবার স্বীকৃতি পেল হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। গত ২ মে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ডক্টর ডিল গিলপিন ফাউস্টের কাছ থেকে স্বীকৃতি পত্র পায় বাংলাদেশী শিশু সুবর্ণ।

    সুবর্ণ আইজ্যাকের বাবা রাশিদুল বারি স্থানীয় একটি কলেজের গণিত শিক্ষক। তিনি বলেন, এক বছর বয়স থেকেই অন্য শিশুদের চেয়ে কিছুটা আলাদা সুবর্ণ।

    মাত্র তিন বছর বয়সেই নিজের মেধাকে জানান দিতে ভয়েস অব আমেরিকায় সাক্ষাতকার দেয় এই শিশুটি। মেধাকে যাচাই করতে ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জন অধ্যাপক জ্যমিতি, বীজগণিতসহ রসায়নের জটিল বিষয়ের পরীক্ষা নিয়েছেন সুবর্ণের। এই পরীক্ষায়ও সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশী এই শিশুটি।