Category: আন্তর্জাতিক

  • পাকিস্তানকে অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি চীনের

    পাকিস্তানকে অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি চীনের

    পাকিস্তানের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দেশটির প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান গতকাল শুক্রবার চীন সফরে পৌঁছে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে বৈঠকের সময় এই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়।

    বৈঠকে ইমরান খান পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থাকে ‘খুবই জটিল’ বলে মন্তব্য করেন। চার দিনের সরকারি সফরে তিনি শুক্রবার বেইজিং পৌঁছান এবং চীনের গ্রেটহলে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে বৈঠকে বসেন। ইমরান খান বলেন, ‘তিনি শিখতে এসেছেন’।

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার গত আগস্ট মাসে ক্ষমতায় আসার পর দেশের অর্থনীতিকে খুব কঠিন অবস্থায় পেয়েছে। তিনি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে বলেন,‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশ একটি আবর্তের ভেতর দিয়ে চলে। তাদের উচ্চ পয়েন্ট ও নিম্ন পয়েন্ট থাকে। কিন্তু আমাদের দেশ এই মুহূর্তে খুবই বড় দুটি ঘাটতির ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। একটি হলো বাজেট ঘাটতি এবং অন্যটি হলো চলতি হিসাবের ঘাটতি। এজন্যই বলেছি যে, আমরা শিখতে এসেছি।’

    বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, চীন ও পাকিস্তান সকল অবস্থায়ই বন্ধু ছিল। তবে সাংবাদিকদের সামনে তিনি কোনো আর্থিক সহায়তার কথা ঘোষণা করেন নি।

    প্রেসিডেন্ট শি বলেন,‘আমি পাকিস্তান-চীন সম্পর্ককে খুবই গুরুত্ব দিয়ে থাকি এবং প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সাথে কাজ করে দুইদেশের সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরো শক্তিশালী করতে আগ্রহী যেন পাকিস্তান ও চীনের গন্তব্যের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।’

  • যা কিছু ঘটেছে দুজনের সম্মতিতেই’

    যা কিছু ঘটেছে দুজনের সম্মতিতেই’

    ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করলেন এমজে আকবর। আমেরিকা নিবাসী সাংবাদিক পল্লবী গগৈয়ের অভিযোগ অস্বীকার করে তার দাবি, নব্বইয়ের দশকে ওই সাংবাদিকের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল তাঁর। আর তাদের মধ্যে যা কিছু হয়েছিল, সবই দু’জনের সম্মতিতে। তাতে সমর্থন জানিয়েছেন তার স্ত্রী মল্লিকা। ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’-এ প্রকাশিত পল্লবীর সাক্ষাৎকারের প্রেক্ষিতে এমন দাবি করেছেন তাঁরা।

    একটি সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া বিবৃতিতে আকবর জানান, ‘১৯৯৪ সাল নাগাদ পল্লবী গগৈ এবং আমার মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়। তাতে দু’জনেরই সম্মতি ছিল। বেশ কয়েকমাস টিকেও ছিল সম্পর্কটি। বিষয়টি সর্বসমক্ষে এসে পড়ায় বাড়িতে তা নিয়ে ঝামেলা শুরু হয়। যার পর সম্পর্ক ভেঙে যায়। তবে সম্পর্কের শেষটা বোধহয় ভাল হয়নি।’

    প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, সেই সময় তাদের সঙ্গে যারা কাজ করতেন, তাদের অনেকেই সম্পর্কের কথা জানতেন। বিষয়টি নিয়ে সাক্ষ্য দিতে রাজি সকলেই।

    এম জে আকবরের স্ত্রী মল্লিকা আকবরও স্বামীর পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এতদিন মিটু আন্দোলন থেকে দরেই ছিলাম। স্বামীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। তবে ওয়াশিংটন পোস্টে পল্লবী গগৈয়ের অভিযোগ দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না। সত্যিটা তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মনে হচ্ছে। আমার স্বামীর সঙ্গে ওঁর সম্পর্কের কথা জানতাম আমি। রাতবিরেতে বাড়িতে ফোন আসত। এমনকি, আমার সামনেও আকবরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেছেন উনি। তুষিতা পটেল এবং পল্লবী গগৈ আমাদের বাড়িতে নৈশভোজেও এসেছেন। একসঙ্গে বসে মদ্যপান করেছেন। তখন নির্যাতনের ছাপ দেখিনি ওদের মুখে। পল্লবীর মিথ্যে বলা কারণ জানি না। তবে ডাহা মিথ্যে বলছেন উনি।’

    সম্প্রতি একাধিক মহিলা আকবরের বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের অভিযোগে এনেছেন। যার জেরে মন্ত্রিত্ব ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। তাতে নয়া সংযোজন ঘটে বুধবার। মার্কিন সংবাদপত্র ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন আমেরিকা নিবাসী সাংবাদিক পল্লবী গগৈ। বর্তমানে আমেরিকার ‘ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও’(এনপিআর)-তে কর্মরত তিনি। সেখানে দু’দশক আগের কথা তুলে ধরে অভিযোগ আনেন ।

  • কাশ্মিরে গুলিতে ভাইসহ বিজেপি নেতা নিহত, কারফিউ জারি

    কাশ্মিরে গুলিতে ভাইসহ বিজেপি নেতা নিহত, কারফিউ জারি

    জম্মু-কাশ্মিরে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তের গুলিতে রাজ্য বিজেপি সম্পাদক অনিল পারিহার(৫২) ও তাঁর ভাই অজিত পারিহার (৫৫) নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে কিশতওয়ারে দোকান থেকে বাড়ির ফেরার সময় অজ্ঞাত বন্দুকধারীর গুলিতে তাঁরা নিহত হন।

    ওই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হলে কর্তৃপক্ষ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে কারফিউ জারি করে।

    অন্যদিকে শুক্রবার কারফিউ কার্যকর থাকায় উচ্চমাধ্যমিক পার্ট-১ এ অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীরা দুর্ভোগে পড়েন। যার কারণে কিশতওয়ারে পাঁচটি কেন্দ্রের পরীক্ষা বাতিল করা হয়।

    অন্যদিকে, ভাদরওয়াতে পরীক্ষার রোল নম্বর সম্বলিত নথিকে কারফিউ পাশ হিসেবে গণ্য হওয়ায় সেখানে পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে বিশেষ সমস্যায় পড়তে হয়নি পরীক্ষার্থীদের।

    শুক্রবার সকালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে গোলযোগপূর্ণ এলাকায় ফ্ল্যাগমার্চ করা হয়। ডোডা জেলার পুলিশ প্রধান সাবির মালিক বলেন, সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে গোটা জেলায় ১৪৪ ধারা কার্যকর করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, যাতে কোনো গুজব না ছড়ায় সেজন্য মোবাইলের ইন্টারনেট পরিসেবার গতি কমিয়ে দেয়া হয়েছে।

    এদিকে, শুক্রবার জুমা নামাজের সময় কিশতওয়ার জামে মসজিদের ইমাম ফারুক কিচলু শোকগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করতে বিজেপি নেতা ও তাঁর ভাইয়ের শেষকৃত্যে উপস্থিত থাকার জন্য মুসল্লিদের আহ্বান জানান। কাশ্মির উপত্যকার মুসলমানদের মধ্যেও নিহত ওই বিজেপি নেতার যথেষ্ট জনপ্রিয়তা ছিল।

    এদিকে এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অমিত শাহ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, জম্মু-কাশ্মিরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও পিডিপি নেত্রী মেহেবুবা মুফতি, জম্মু-কাশ্মিরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লাহ, কংগ্রেস নেতা গুলাম আহমদ মীর, সিপিএম নেতা ও বিধায়ক মুহাম্মদ ইউসুফ তারিগামি প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

    জম্মু পুলিশের আইজি এস ডি সিং জামওয়াল বলেন, ওই ঘটনায় সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এজন্য বিশেষ তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।

  • ভারতে মুসলমানদের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়ার হুমকি

    ভারতে মুসলমানদের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়ার হুমকি

    ‘দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়েছে। কিন্তু তারপরও খণ্ডিত হিন্দুস্তানে মুসলিমদের থেকে যেতে দেয়া হয়েছিল। মুসলমানরা তাদের মতই থাকুক। শিক্ষা, জীবিকা, ধর্মাচরণের সুযোগও অব্যাহত থাকুক, কিন্তু বাদ যাক ভোটাধিকার।’ এমনই দাবি তোলা হয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মুখপত্র ‘বিশ্ব হিন্দু বার্তায়।’

    বাংলা বিশ্ব হিন্দু বার্তার (৪৪তম বর্ষ, কার্তিক ১৪২৫, তৃতীয় সংখ্যা) ১৯-২২ নং পৃষ্ঠায় নৃসিংহ প্রসাদ দে’র লেখা ‘হিন্দু সমাজ ভাবনা’র একটি অংশে মুসলিমদের ভোটাধিকার বাদ দেয়ার জন্য জোর দাবি করা হয়েছে।

    ‘হিন্দু সমাজ ভাবনা’ শীর্ষক প্রবন্ধটিতে নৃসিংহ প্রসাদ দে লিখেছেন,‘হিন্দুস্থান কেবল হিন্দুদের জন্যই। তাই অন্যদের ভোটাধিকার এখনই বন্ধ করা উচিৎ। ১৯৪৭ সাল থেকেই এটি করা উচিৎ করা ছিল।’

  • শৈশবের স্বপ্নে বুঁদ হয়ে কৃষক বানালেন উড়োজাহাজের রেপ্লিকা!

    শৈশবের স্বপ্নে বুঁদ হয়ে কৃষক বানালেন উড়োজাহাজের রেপ্লিকা!

    তাঁর শৈশবের স্বপ্ন, একটি আস্ত উড়োজাহাজের মালিক হবেন। ছোটবেলায় মানুষ কত কিছুই না ভাবে! কিন্তু কেউ কেউ বড় হয়েও স্বপ্নের ঘুড়ির নাটাই হাতে ধরেই রাখে। তেমনই একজন হলেন চীনের ঝু ইয়া। শৈশবের স্বপ্ন পূরণ করতে তাঁর দরকার ছিল সত্যিকারের উড়োজাহাজ। তবে আসল উড়োজাহাজ কিনতে না পারলেও প্রমাণ সাইজের এক রেপ্লিকা বানিয়েছেন তিনি!

    সংবাদমাধ্যম দ্য সান-এর খবরে বলা হয়েছে, এয়ারবাস কোম্পানির এ৩২০ মডেলের একটি উড়োজাহাজের রেপ্লিকা বানিয়েছেন ঝু ইয়া। ছোটবেলা থেকেই তিনি ভাবতেন, নিজের একটি উড়োজাহাজ থাকবে! কিন্তু এয়ারবাসের সত্যিকারের উড়োজাহাজ কেনার সামর্থ্য নেই তাঁর। শেষে একই আকারের একটি রেপ্লিকা বানিয়েছেন ঝু। দুই বছর ধরে একটু একটু করে গড়ে তুলেছেন এই রেপ্লিকা।

    সাংহাইয়িস্ট বলছে, ৪০ বছর বয়সে এসে শৈশবের স্বপ্ন পূরণ করেছেন ঝু ইয়া। তাঁর বানানো রেপ্লিকাটি ১২৪ ফুট লম্বা। আর প্রস্থে ১১৮ ফুট। ৪০ ফুট উঁচু রেপ্লিকাটি বানাতে ঝু-কে সাহায্য করেছেন তাঁর পাঁচ বন্ধু।

    কথায় আছে, শখের দাম লাখ টাকা! স্বপ্নের উড়োজাহাজ বানাতেও ঢের খরচ করছেন ঝু। মোট খরচ হবে ২৬ লাখ ইউয়ান। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা হয় প্রায় ২ কোটি টাকার বেশি। আগামী মে মাসে এর নির্মাণকাজ শেষ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    অবশ্য, স্বপ্নের উড়োজাহাজ নিয়ে আরও পরিকল্পনা আছে ঝু ইয়ার। সেখানে একটি রেস্তোরাঁ চালু করার ইচ্ছা আছে তাঁর। ঝু বলেন, ‘এখন আমি যেকোনো মূল্যে এর কাজ শেষ করতে চাই। পরে এখানে একটি রেস্তোরাঁ চালু করার পরিকল্পনা আছে আমার।’

  • কানাডার ইমিগ্রেশন নিয়ে যারা দোটানায় আছেন

    কানাডার ইমিগ্রেশন নিয়ে যারা দোটানায় আছেন

    ফারহান এবং মিমি সদ্য বিবাহিত। দুজনেই কাজের পাশাপাশি মাস্টার্স করছে বাংলাদেশের সুনামধন্য এক বিশ্ববিদ্যালয়ে। মিমির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো কানাডায় স্থায়ীভাবে চলে যাওয়া। ফারহানও সেটাই চায়।

    কিন্তু বাংলাদেশের ভালো চাকরিটা ছেড়ে যেতে মাঝে মাঝে মন সায় দেয় না। আর তার ওপরে বাংলাদেশে বাবা-মাকে দেখাশোনা করারও নির্ভরযোগ্য কেউ নেই।

    কানাডায় কী ইমিগ্রেশন নিয়ে যাওয়া ভালো হবে? নাকি স্টুডেন্ট ভিসা?

    কানাডা গিয়ে ভালো চাকরি মিলবে তো?

    নাকি অড-জব করেই কাটিয়ে দিতে হবে?

    কানাডায় থাকা-খাওয়ার খরচ কেমন হতে পারে?

    কানাডা যাওয়ার কত দিন পর বাবা-মাকে সে নিজের কাছে নিয়ে যেতে পারবে?

    কানাডার ইমিগ্রেশন কী নিজে করা সম্ভব?

    নাকি এজেন্সি বা ফেসবুকের কোনো দালালকে দিয়ে করাতে হবে?

    ইত্যাদি নানা প্রশ্ন ফারহানের মনে প্রতিদিন ঘুরপাক খায়। একইসঙ্গে ফার্স্ট ওয়ার্ল্ড কান্ট্রি কানাডার উন্নত জীবনও হাতছানি দিয়ে ডাকে।

    ফারহান আর মিমির মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রে অবশ্যই ইমিগ্রেশনকে প্রাধান্য দেওয়াটা জরুরি। কেননা স্টুডেন্ট হয়ে কানাডায় পড়তে যাওয়ার খরচ অনেক। যদিও কানাডায় স্কলারশিপ পেলে সেটা অবশ্যই ভালো। কিন্তু স্কলারশিপ, ফান্ডিং ইত্যাদি পাওয়াটাও সহজ ব্যাপার নয়।

    কানাডার ইমিগ্রেশনের কথা চিন্তা করলে কয়েকটি কথা মাথায় রাখতে হবে। এক. কানাডার ইমিগ্রেশন একটি ধৈর্যের পরীক্ষা দুই. সঠিক সময়ে সঠিক কাজগুলো করে ফেলাটা জরুরি তিন. বিভিন্ন এজেন্সি কিংবা দালাল ছাড়াই নিজের ইমিগ্রেশন নিজে করা সম্ভব।

    কানাডার ইমিগ্রেশনের জন্য শুরুতে কি করা প্রয়োজন?

    প্রথমেই  এ ভালো স্কোর করাটা জরুরি। এরপর রয়েছে এডুকেশনাল ক্রেডেনশিয়াল অ্যাসেসমেন্ট  করানো, ব্যাংকে নির্ধারিত ফান্ড জমা রাখা, ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স লেটার এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাগজাদি তৈরি করা ইত্যাদি কাজ।

    কানাডা গিয়ে ভালো চাকরি মিলবে কী?

    কানাডায় গিয়ে ভালো চাকরি পাওয়ার স্বপ্ন সবার মাঝেই কমবেশি থাকে। সাধারণত ব্যাংকিং, ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি সেক্টরে অভিজ্ঞতা সাপেক্ষে দ্রুত চাকরি পাওয়ার আশা থাকে।

    তারপরেও বলা যায়, কানাডায় গিয়ে কানাডিয়ান কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে পড়াশোনা শেষ করতে পারলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়। কানাডিয়ান পড়াশোনা, অভিজ্ঞতা, রেফারেন্স ইত্যাদি দ্রুত চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

    কানাডায় থাকার খরচ কেমন হতে পারে?

    বড় শহর যেমন, টরেন্টোতে থাকার খরচ বেশি। টরন্টোতে এক বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্ট লিভিংরুম এবং কিচেনসহ এলাকাভেদে প্রতি মাসে এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৩০০ ডলার।

    আর একা থাকলে সেক্ষেত্রে ৫০০ থেকে ৮০০ ডলারের মধ্যে এক রুম, শেয়ার্ড কিচেন এবং ওয়াশরুমসহ পাওয়া সম্ভব। খাবার খরচ জনপ্রতি মাসে ১০০ থেকে ১৫০ ডলার ধরে রাখতে পারেন। বাসায় নিয়মিত রান্না করে খেলে খরচ কমে যাবে। যাতায়াতে এক থেকে ১৫০ ডলার মাসে ধরে রাখতে হবে।

    বাবা-মাকে কানাডায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব কী?

    অবশ্যই সম্ভব। কানাডায় যাওয়ার পর ভিজিট ভিসা কিংবা সুপার ভিসাতে বাবা-মাকে কানাডায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব। তবে হ্যাঁ, সেক্ষেত্রে কেউ কানাডায় যাওয়ার পরপরেই হয়তোবা সেটা করা সম্ভব না হলেও কয়েক বছর পরে বাবা-মাকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

    বাংলাদেশ থেকে যারা কানাডায় ইমিগ্রেশন নিয়ে যেতে আগ্রহী, তাদের মনে এক ধরনের সংশয় কাজ করে যে, বাংলাদেশের বড় চাকরি কিংবা আরাম-আয়েশ ছেড়ে কানাডার ঠাণ্ডা আবহাওয়া এবং কঠিন জীবনের মুখোমুখি হওয়াটা আসলেই কী ঠিক কাজ হবে?

    উত্তরে এতটুকুই শুধু বলা যায় যে, পৃথিবীর অন্যতম শান্তির দেশ কানাডায় যারা পাড়ি জমিয়েছেন, শুরুতে হয়তোবা অনেক কষ্টের সম্মুখীন তারা হয়েছেন, কিন্তু কালক্রমে এই দেশান্তরী মানুষজন কানাডাতেই তাদের স্থায়ী ঠিকানা করে নিয়েছেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও একটি সুন্দর জীবন উপহার দিয়েছেন।