Category: আন্তর্জাতিক

  • ‘সু চির পদক্ষেপ দুঃখজনক, তবে নোবেল প্রত্যাহার নয়’

    ‘সু চির পদক্ষেপ দুঃখজনক, তবে নোবেল প্রত্যাহার নয়’

    রোহিঙ্গা সংকটে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির পদক্ষেপ ‘দুঃখজনক’ হলেও শান্তিতে তার নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন নোবেল ফাউন্ডেশনের প্রধান লারস হেইকেনস্টেন।

    শুক্রবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।

    লারস হেইকেনস্টেন বলেন, পুরস্কার প্রদানের পরের কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তা প্রত্যাহারের কোনো মানে হয় না। সেক্ষেত্রে বিচারকদের ধারাবাহিকভাবে পুরস্কারপ্রাপ্তদের যোগ্যতা নিয়ে আলোচনা করতে হবে।

    রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চির বিতর্কিত ভূমিকার জন্য একের পর এক তার পুরস্কার ও সম্মাননা প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে; এমন সময়ে নোবেল প্রধানের বক্তব্য এলো। এছাড়া আগামী শুক্রবারই  চলতি বছরের জন্য শান্তিতে পুরস্কার জয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

    সাক্ষাৎকারে হেইকেনস্টেইন বলেন, মিয়ানমারে সু চি যা করছেন তা যে বেশ প্রশ্নবিদ্ধ তা আমরা দেখছি। আমরা মানবাধিকারের পক্ষে, এটা আমাদের অন্যতম প্রধান মূল্যবোধ। রাখাইনে যা ঘটেছে অবশ্যই বিস্তৃতভাবে সু চি এর জন্য দায়ী। যা খুবই দুঃখজনক।

    মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯১ সালে সু চি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

    হেইকেনস্টেন বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই পুরস্কার পাওয়ার পর কিছু ব্যক্তিত্ব এমন বিতর্কিত কাজ করেন, যা আমরা অনুমোদন করতে পারি না। আগেও এমনটা ছিল, সবসময়ই হবে। এটা এড়ানো যাবে না বলেই আমার মনে হয়।

    গত বছরের আগস্টে সেনাবাহিনীর চেকপোস্টে হামলার অভিযোগ তুলে মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে অভিযানে নামে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দমন পীড়নে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে শুরু করে রোহিঙ্গারা।

  • কলকাতা মেডিকেল কলেজে আগুন

    কলকাতা মেডিকেল কলেজে আগুন

    কলকাতা মে়ডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ২৫০ জন রোগীকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। খবর এনডিটিভির

    বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

    তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী এবং রোগীর স্বজনরা প্রথম ধোঁয়া দেখতে পান।

    আগুনের উৎস বোঝার আগেই ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে পুরো হাসপাতালে। আতঙ্ক শুরু হয়ে যায় রোগী এবং তাদের আত্মীয়দের মধ্যে।

    হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা প্রথমে আগুন নেভানেোর কাজ শুরু করেন। এরপর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাদের সঙ্গে যোগ দেন।

  • এবার চীনের সাথে বাণিজ্যযুদ্ধে নামলো ভারত

    এবার চীনের সাথে বাণিজ্যযুদ্ধে নামলো ভারত

    চীনের ফ্রিজ, এসি সহ ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত।এর ফলে পাল্টা হুমকি দিয়েছে চীন।এর মাশুল দিতে হতে পারে ভারতকে৷ চিনের মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমসকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় এই মত প্রকাশ করেছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা৷ তাদের মতে, ভারতের এই সিদ্ধান্তের জেরে সমস্যায় পড়বে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলি৷ কারণ এই দুই দেশের অন্যতম প্রধান রফতানিকারক দেশ ভারত৷

    গত ২৭ সেপ্টেম্বর, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়ানোর কথা ঘোষণা করে৷ সেই তালিকায় এসি, ফ্রিজ, ওয়াসিং মেশিন, স্পিকার, জুতো, জেট ফুয়েল সহ ১৯টি পণ্য রয়েছে৷ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং ডলারের তুলনায় রুপির দরের সর্ব্বোচ পতনের জেরে আমদানি খরচ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতের৷ সেই খরচ কমাতে আমদানি শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার৷

    স্বভাবতই এই সিদ্ধান্তে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে চিন ও দক্ষিণ কোরিয় কোম্পানিগুলির৷ সেই চিন্তার কথা ফুটে উঠেছে বাণিজ্য মন্ত্রকের ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডেপুটি ডিরেক্টর বাই মাং এর গলায়৷ গ্লোবাল টাইমসকে তিনি জানান, এই সিদ্ধান্তের জেরে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলিতে প্রভাব পড়বে৷ কারণ ভারতে এই ১৯টি পণ্যের সিংহভাগ এই দুই দেশ থেকে আসে৷

    চিনের অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ, ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের পিছনে কাজ করেছে দুটি কারণ৷ প্রথমত, কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ডেফিসিট কমানো৷ অর্থাৎ রফতানির চেয়ে আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়া৷ দ্বিতীয়ত, প্রতিযোগিতার বাজারে বিদেশি কোম্পানির আগ্রাসন থেকে দেশীয় কোম্পানিগুলিকে সুরক্ষিত করতে সরকারের এই সিদ্ধান্ত৷ তাদের মতে, মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্ত মুক্ত অর্থনীতি ও বাণিজ্যের পরিপন্থী৷ এতে বিদেশি কোম্পানিগুলি সমস্যায় পড়বে৷ শুধু কোম্পানি সমস্যায় পড়বেনা, ক্রেতারাও৷ তাদেরও বেশি দাম দিয়ে সেই পণ্য কিনতে হবে৷

  • মুসলিমরা রামের বংশধর, রাম মন্দির নির্মাণে তাদের সাহায্য করা উচিত’

    মুসলিমরা রামের বংশধর, রাম মন্দির নির্মাণে তাদের সাহায্য করা উচিত’

    বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেছেন, ভারতের মুসলিমরা সবাই ভগবান রামের বংশধর৷ তাই অযোধ্যার বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মাণে মুসলিমদেরও এগিয়ে আসা উচিত৷ কারণ তাঁরা প্রত্যেকে রামের বংশধর৷ সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাতকারে এমনই মন্তব্য করেন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী৷

    পাশাপাশি, তিনি বলেন যদি রাম মন্দির গঠনের কাজ দ্রুত শুরু না হয়, তবে ধৈর্য্য হারাবেন দেশের হিন্দুরা৷ ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা নাকি মথুরা, অযোধ্যা ও কাশীর দখল নিতে পারেন৷ তা দেশের শান্তি শৃঙ্খলার জন্য খুব একটা সুখকর হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন এই মন্ত্রী৷

    ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পমন্ত্রী গিরিরাজ সিং কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকেও একহাত নেন এদিন৷ তিনি বলেন বিভিন্ন মন্দিরে ঘুরে বেরিয়ে, পুজো দিয়ে আসলে রাজনৈতিক নাটক করছেন কংগ্রেস সভাপতি৷ হিন্দুদের নিজের দলের দিকে আকৃষ্ট করতে চাইছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি৷

    গিরিরাজ সিংয়ের বক্তব্য, রাহুল গান্ধী যদি আসল হিন্দু হন, তবে ঠিক ভোটের আগে মন্দিরে গিয়ে পুজো দেওয়ার নাটক বন্ধ করুন৷ পারলে কংগ্রেসের মধ্যে গোমাংস খাওয়া আটকান, তারপর রাহুল যেন হিন্দু বলে নিজেকে দাবি করেন৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন রাহুল গান্ধীর কৈলাশ মানসরোবর যাত্রা আসলে লোকসভা ভোটের আগে হিন্দু ভোটব্যঙ্ক নিজেদের দিকে টানার চেষ্টা৷

    এরআগে, গিরিরাজ বলেন ভারত আবার এক দেশভাগের সাক্ষী থাকবে৷ ধর্মের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালে ভারত এক দেশভাগের সাক্ষী ছিল। স্বাধীনতার পর এই ৭২ বছরে দেশের জনসংখ্যা বেড়েছে হুহু করে। ৩৩ কোটি থেকে বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা ১৩৫.৭ কোটি।

    কোনও বিশেষ সম্প্রদায়ের নাম উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, ‘এই জনসংখ্যার চাপ আগামী দিনে ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে’। ট্যুইটারে তিনি আরও লেখেন ‘আগামী দিনে ভারত যে পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে চলেছে তা বর্ণনা করাও মুশকিল’।

    তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ হয়। সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে ২০৪৭ সালে।

    উল্লেখ্য, এর আগেও কয়েকজন বিজেপি নেতা ভারতের মুসলমান এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য করেছেন।নির্বাচন ঘনিয়ে এলে এ কাজটি তারা বেশি করে করে থাকেন।

  • কাতালোনিয়ায় স্বাধীনতাকামী লাখো মানুষের বিক্ষোভ

    কাতালোনিয়ায় স্বাধীনতাকামী লাখো মানুষের বিক্ষোভ

    স্পেনের কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার প্রশ্নে অনুষ্ঠিত গণভোটের এক বছর পূর্তিতে স্বাধীনতাকামী লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছে। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়, পৌর পুলিশ জানিয়েছে, স্বাধীনতার দাবিতে প্রায় ১ লাখ ৮০ মানুষ রাস্তায় বিক্ষোভ করেছে। এর আগে বিক্ষোভকারীরা বার্সেলোনা শহরের প্রধান সড়ক অবরোধ করে। জিরানোয় রেল চলাচলে বাধা দেয়। খবর’র বিবিসি

    গত বছর ১ অক্টোবর কাতালোনিয়ায় গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৯০ শতাংশ ভোটার কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা পক্ষে ভোট দেয়। এরপর ২৭ অক্টোবর গণভোটের আলোকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে কাতালোনিয়ার সরকার।

    কিন্তু স্পেনের সরকার কাতালোনিয়ার গণভোটকে অবৈধ বলে আখ্যা দেয় এরপর সেখানে মাদ্রিদের সরাসরি শাসন জারি করে। এ থেকেই সংকটের শুরু। ভোট দেওয়ার জন্য কাতালোনিয়ার অধিবাসীরা ভোটকেন্দ্রে যাওয়া চেষ্টা করলে তাতে বাধা দিয়েছিল স্পেনের জাতীয় পুলিশ বাহিনী

    কাতালোনিয়ার জনসংখ্যা ৭৫ লাখ। স্পেনের মোট জনসংখ্যার ১৬ শতাংশ এই কাতালোনিয়ায় বাস করে। স্পেনের উত্তর-পূর্বের এই প্রদেশের রাজধানী বার্সেলোনা। কাতালোনিয়ার নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, পার্লামেন্ট, জাতীয় পতাকা ও সংগীত আছে। এমনকি কাতালোনিয়ার নিজস্ব পুলিশ বাহিনী আছে এবং স্কুল ও স্বাস্থ্যসেবার মতো জনপরিষেবাগুলোও এই অঞ্চল নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করে। এই অঞ্চলের ইতিহাস প্রায় এক হাজার বছরের পুরোনো। স্পেনের মোট জিডিপির এক–পঞ্চমাংশ আসে বার্সেলোনা থেকে।

    কমিটিজ ফর দ্য ডিফেন্স অব দ্য রিপাবলিকের (সিডিআরএস) ডাকে এই বর্ষপূর্তির বিক্ষোভ হয়। আন্দোলোনকারীদের দাবি স্পেন থেকে আলাদা হওয়া। সিডিআরএস বার্সেলোনা এবং ফিজোয়েরেসের মধ্যে রেল যোগাযোগ অবরোধ করে। এই সংস্থার ব্যানারে লন্ডন ও প্যারিসেও বিক্ষোভ হয়।

  • ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প: ধসে পড়া চার্চে মিলল ৩৪ শিক্ষার্থীর লাশ

    ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প: ধসে পড়া চার্চে মিলল ৩৪ শিক্ষার্থীর লাশ

    ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে চাপা পড়া একটি চার্চে ৩৪ শিক্ষার্থীর লাশ পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পের পর নিঁখোজ ৮৬ শিক্ষার্থীর মধ্যে এই ৩৪ জন ছিল, যারা সিগি বিরোমারু এলাকার জোনুগে চার্চের ট্রেনিং সেন্টারে বাইবেল ক্যাম্প করছিল। অপর ৫২ শিক্ষার্থী এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

    ওই সিগি বিরোমারু এলাকাটি ভূমকিম্প ও সুনামি আঘাত হানা পালুর পাশেই অবস্থিত। উদ্ধার কর্মীরা জানান, তারা মৃতদেগগুলো উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। কিন্তু কাদামাটির কারণে সেটা ব্যাহত হচ্ছে।

    ইন্দোনেশিয়ান রেডক্রসের কর্মকর্তা রিদওয়ান সোবরি জানান, ভূমিকম্পের পর ওই এলাকায় কাদায় ভরে গেছে। এর মধ্য দিয়ে আমাদের প্রায় দুই ঘণ্টা হেঁটে যেতে হচ্ছে। যেটা উদ্ধার তৎপরতাকে জটিল করে তুলছে।

    ওই ৩৪ শিক্ষার্থীর পরিচয় ও বয়স নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয় ইন্দোনেশিয়ায়, যার মধ্যে কয়েকটি ছিল বেশ শক্তিশালী। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭.৫। ভূমিকম্পের প্রভাবে প্রায় তিন মিটার উঁচু ঢেউ নিয়ে সুনামি আঘাত হানে পালু শহরের সুলাওয়েসি দ্বীপে।

    ওই ভূমিকম্প ও সুনামিতে এখন পর্যন্ত ৮৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে দুর্গম এলাকাগুলোতে এখনও উদ্ধার কাজ চালানো সম্ভব হয়নি। ওইসব এলাকায় উদ্ধার অভিযানে নামলে মৃতের সংখ্যা বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামো ও ক্রমাগত আফটার শকের কারণে উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ তৎপরতা ধীরগতিতে চলছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া কেউ কেউ এখনও বেঁচে আছেন বলে ধারণা করছেন উদ্ধার কর্মীরা।