Category: আন্তর্জাতিক

  • কিমের সঙ্গে শিগগিরই দ্বিতীয় বৈঠকে বসবেন ট্রাম্প

    কিমের সঙ্গে শিগগিরই দ্বিতীয় বৈঠকে বসবেন ট্রাম্প

    উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং–উনের সঙ্গে খুব শিগগির দ্বিতীয় দফায় বৈঠকে বসার আশা করছেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল সোমবার নিউইয়র্কে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইনের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ কথা জানান। বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, অনেক অগ্রগতি হয়েছে। সম্পর্ক খুবই ভালো। কিছু ক্ষেত্রে অসাধারণ!

    এক বছর আগেই দুই দেশের সম্পর্কটা এমন ছিল না। প্রকাশ্যে একে অপরকে পারমাণবিক যুদ্ধের হুমকি দিত দুই দেশ। তবে গত জুনে দুই নেতার ঐতিহাসিক বৈঠকের পর অবস্থার পরিবর্তন হয়।

  • ট্রাম্প কি ম্যুলারকে পদচ্যুত করবেন?

    ট্রাম্প কি ম্যুলারকে পদচ্যুত করবেন?

    গত শুক্রবার নিউইয়র্ক টাইমস যে বোমা ফাটায়, তার জেরে রাশিয়ার সঙ্গে আঁতাত প্রশ্নে তদন্তরত বিশেষ কৌঁসুলি রবার্ট ম্যুলারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। টাইমস জানিয়েছিল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রড রোজেনস্টাইন বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ট্রাম্পকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য শাসনতন্ত্রের ২৫তম সংশোধনী ব্যবহারের কথা বলেছিলেন। এই উদ্দেশ্যে ট্রাম্পের অসংলগ্ন কথাবার্তা গোপনে রেকর্ড করার কথাও বলেছিলেন তিনি।

    রোজেনস্টাইন অবশ্য সব কথাই অস্বীকার করেছেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও ট্রাম্প সমর্থকদের মধ্যে এই নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে সমালোচনা বন্ধ হয়নি। বিচার বিভাগের একজন সাবেক কর্মকর্তার লিখিত নথিতে এসব কথাবার্তার উল্লেখ রয়েছে, সে কথা উল্লেখ করে ট্রাম্পের সমর্থকেরা দাবি তুলেছেন, প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জন্য রোজেনস্টাইনকে পদচ্যুত করতে হবে। এত দিন পর্যন্ত তাঁরই তত্ত্বাবধানে ম্যুলারের তদন্ত পরিচালিত হয়েছে। ট্রাম্প বারবার রাশিয়া তদন্তকে মিথ্যা ষড়যন্ত্র বলে তা বাতিলের দাবি করেছেন, কিন্তু রোজেনস্টাইন তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ম্যুলারকে পদচ্যুত করবেন না, এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের চাপের মুখে তিনি নতিস্বীকার করবেন না, এমন কথাও জানিয়েছেন।

    শুধু রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিকর, এই বিবেচনায় ট্রাম্প এত দিন রোজেনস্টাইনকে পদচ্যুত করা অথবা ম্যুলার তদন্ত বন্ধের নির্দেশ দিতে পারেননি। এখন তাঁর সামনে সে সুযোগ নিজ থেকেই হাজির হয়েছে। এদিকে নিউইয়র্ক টাইমসের খবর ফাঁসের পর রোজেনস্টাইন এতটা চাপের মুখে রয়েছেন যে তিনি নিজেই পদত্যাগের প্রস্তাব করেছেন। সত্যি সত্যি যদি তিনি নিজের পদত্যাগপত্র পেশ করেন ও তা গৃহীত হয়, তাহলে ট্রাম্প তাঁর পছন্দমতো এমন একজনকে এই পদে নিয়োগ করতে পারেন, যিনি তাঁর নির্দেশ মেনে বিনা বাক্যে রাশিয়া তদন্ত বন্ধ করে দিতে পারেন।

    ট্রাম্প এত দিন এমন একটি সুযোগেরই অপেক্ষায় ছিলেন, কিন্তু তাঁর একাধিক ঘনিষ্ঠ মিত্র তাঁকে এই মুহূর্তে রোজেনস্টাইনকে পদচ্যুত করার বিরুদ্ধে পরামর্শ দিচ্ছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর মাত্র সপ্তাহ ছয়েক বাকি। ইতিমধ্যে একটি ট্রাম্পবিরোধী ঢেউ উঠেছে। রোজেনস্টাইনকে পদচ্যুত করলে ও ম্যুলার তদন্ত বন্ধ করে দিলে এই ‘নীল ঢেউ’ আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এই যুক্তি মাথায় রেখে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা রক্ষণশীল টিভি ব্যক্তিত্ব শন হ্যানিটি পুরো ব্যাপারটা বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের একটি ষড়যন্ত্র ভিন্ন অন্য কিছু নয় বলে রায় দিয়েছেন। ট্রাম্পকে তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, ‘এই ফাঁদে পা দেবেন না।’

    ট্রাম্প নিজে মুখে বলেননি তিনি ঠিক কোন সিদ্ধান্ত নেবেন। ইতিমধ্যে রোজেনস্টাইন চিফ অব স্টাফ জন কেলির সঙ্গে দেখা করে পদত্যাগের প্রস্তাব রেখেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানান হয়েছে। ট্রাম্প এই মুহূর্তে জাতিসংঘের ৭৩তম অধিবেশন নিয়ে ব্যস্ত আছেন। নিউইয়র্কে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা সেরে আগমী বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর রোজেনস্টাইন প্রশ্নে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে তিনি নিজেই সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

  • হস্তক্ষেপের অধিকার নেই জাতিসংঘের: মিয়ানমারের সেনাপ্রধান

    হস্তক্ষেপের অধিকার নেই জাতিসংঘের: মিয়ানমারের সেনাপ্রধান

    মিয়ানমারের ক্ষমতাধর সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং বলেছেন, তার দেশের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার জাতিসংঘের নেই।

    রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’ চালানোর দায়ে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানসহ অন্য শীর্ষ জেনারেলদের বিচারের মুখোমুখি করতে জাতিসংঘের তদন্তকারীরা আহ্বান জানানোর এক সপ্তাহ পর রোববার সেনা সদস্যের উদ্দেশ্য দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

    মিয়ানমারের সামরিকবাহিনী নিয়ন্ত্রিত একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, এর মধ্য দিয়ে বিষয়টি নিয়ে প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে প্রতিক্রিয়া দিলেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান।

    মিয়ানমারের রাজনীতি থেকে সেনাবাহিনীকে সরে যাওয়ার যে দাবি জাতিসংঘ জানিয়েছে তারও সমালোচনা করেন মিন অং হ্লাইং। তিনি বলেন, ‘একটি দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর হস্তক্ষেপ করার এবং দেশটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কোনো দেশ, সংস্থা বা গোষ্ঠীর নেই।’

    গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা অভিযানের নামে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতা শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। সে সময় মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানকে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞ’ বলে অভিহিত করে, যা আন্তর্জাতিক আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ।

    রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর থেকে প্রায় ৭ লাখের মতো রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, রাখাইনে সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ করছে এবং তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে।

    অবশ্য বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে মিয়ানমার সরকার। বরং রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের দমনেই রাখাইনে সেনা অভিযান চালানো হয় বলে দাবি করে তারা।

    তবে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন যে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছে তাতে সেনাবাহিনীর এই অভিযানকে ‘প্রকৃত নিরাপত্তা হুমকির ক্ষেত্রে যথাযথ ও সঙ্গতিপূর্ণ নয়’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ২০১৭ সালের মার্চে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল গঠিত এই মিশনের প্রতিবেদনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে তাদের বিচারের মুখোমুখি করার জন্য পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে বলেও জানানো হয়।

  • যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, তবে শান্তির পথও খোলা: পাকিস্তান আর্মি

    যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, তবে শান্তির পথও খোলা: পাকিস্তান আর্মি

    পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর বলেছেন, আমরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, তবে পাকিস্তানের জনগণ শান্তি চায়

    প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনেও আমরা বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    ভারতের সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াতের বক্তব্যের পাল্টা জবাবে এ কথা বলেন আসিফ গফুর।

    শনিবার ভারতের জয়পুরে পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা নাকচ করে দেয়া প্রসঙ্গে ভারতের সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার সময় এখন না। এখন তাদের বর্বরতার জবাব দেয়ার সময়।

    এ সময় সন্ত্রাস ও আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না মন্তব্য করে বিপিন বলেন, আমাদের সরকারের নীতি এ ব্যাপারে স্পষ্ট। পাকিস্তানের উচিত এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করা।

    উল্লেখ্য,পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পক্ষ থেকে ভারতের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল।

    কিন্তু কয়েকদিন আগে পাক-ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এক সদস্যের মাথাবিহীন লাশ পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র দুদেশের মাঝে আবার কূটনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    এ ঘটনার পরই পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আসা আলোচনার প্রস্তাব বাতিল করে দেয় ভারত।

    ভারত দ্বিপাক্ষিক আলোচনা বাতিল করায় পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এক টুইটবার্তায় বলেন, ভারত আলোচনার প্রস্তাব বাতিল করে দেয়ায় আমি হতাশ।

    ইমরান খানের এ বক্তব্যের পাল্টা জবাবে ভারতের সেনা প্রধান বলেন, পাকিস্তানের জঙ্গি ও সেনার বর্বরতার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়ার সময় এসেছে। তবে তা হতে পারে ভিন্ন উপায়ে, বর্বরতায় নয়।

    ভারতের সেনা প্রধানের এমন হুশিয়ারির জবাবও আসে পাক সেনার পক্ষ থেকে।

    মেজর জেনারেল আসিফ গফুর এক টিভি চ্যানেলে জানিয়েছেন, পাকিস্তান শান্তি চায়। শান্তি কী জিনিস তা পাকিস্তান ভালো করেই জানে। পাকিস্তানকে দুর্বল ভাবলে ভুল হবে। যুদ্ধ চাপিয়ে দিলে আমারও তৈরি রয়েছি। ভুলে গেলে চলবে না আমারও পারমাণবিক অস্ত্রসমৃদ্ধ একটি দেশ।

    তিনি আরও যোগ করেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের দীর্ঘদিন যুদ্ধ করার রেকর্ড রয়েছে।

    মাথাহীন বিএসএফ সদস্যের মৃত্যু প্রসঙ্গে আসিফ গফুর বলেন, অতীতে সেনার দেহ বিকৃত করার অভিযোগ ভারত বারবারই করেছে। পাক সেনা একটি পেশাদার বাহিনী। এ রকম ন্যাক্কারজনক কাজ তারা করে না। সূত্র: ডন, টাইমস অব ইন্ডিয়া, দ্য ইকোনমিক টাইমস।

  • নাগরিকত্বহীনদের জন্য নীতিমালা তৈরি করতে বলেছেন ইমরান

    নাগরিকত্বহীনদের জন্য নীতিমালা তৈরি করতে বলেছেন ইমরান

    পাকিস্তানে অনাগরিকদের জন্য নীতিনির্ধারণ করতে বলেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বুধবার তিনি বলেন, অনাগরিকদের বিষয়টি আর উপেক্ষা করতে পারে না পাকিস্তান।কয়েক দশক ধরে পাকিস্তানে বসবাস করছেন, এখানেই জন্ম নিয়েছেন ও বিয়ে করেছেন- এসব নাগরিকের জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন পাক প্রধানমন্ত্রী।দেশটির জাতীয় পরিষদে মঙ্গলবার ইমরান খান বলেন, সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশকে উপেক্ষা করে দেশ ভালো কিছু অর্জন করতে পারে না। করাচিতে একটি ব্রিফিংয়ে আমরা অবগত হয়েছি- রাস্তাঘাটে অপরাধে জড়িতদের একটি বড় অংশ হচ্ছে নাগরিকত্ব ছাড়াই পাকিস্তানে বসবাস করা লোকজন।তিনি বলেন, তাদের নাগরিকত্ব দেয়া না হলে তারা স্কুলে যেতে পারবে না, চাকরি পাবে না, কাজেই অপরাধ ছাড়া তারা আর কি করতে পারে?আর এভাবেই আমরা একটি অবহেলিত শ্রেণি তৈরি করেছি জানিয়ে ইমরান খান বলেন, কাজেই এ ক্ষেত্রে একটি নীতিমালা তৈরি করতে হবে।সাবেক এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার বলেন, কয়েক দশক ধরে তাদের অধিকার দেয়া হচ্ছে না, শোষণ করা হচ্ছে- এমনকি তাদের মজুরিও অর্ধেক করে দেয়া হয়েছে।তিনি এটিকে মানবাধিকারের বিষয় হিসেবে নিয়েছেন জানিয়ে বলেন, আমরা মানুষের সঙ্গে চলাফেরা করি। কাজেই তাদের দেখভালও আমাদের করতে হবে।

  • চিতাবাঘের সড়ক অবরোধ!

    চিতাবাঘের সড়ক অবরোধ!

    রাস্তায় শুয়ে আছে একটি চিতাবাঘ। এ কারণে বন্ধ হয়ে আছে যান চলাচল।এ ঘটনাটি ঘটেছে ১৫ সেপ্টেম্বর ভারতের ডুয়ার্সের ফালাকাটা বীরপাড়া সড়কে। শনিবার বীরপাড়ার তাসাটি চা বাগানের মধ্য দিয়ে চলে যাওয়া একটি রাস্তার মধ্যখানে শুয়ে থাকে চিতাবাঘটি।বাঘটি এ চা বাগানের জঙ্গলেরই। আরও কয়েকটি আছে। এদের অস্তিত্ব টের পেলেও আগে কখনও এভাবে দেখা যায়নি বলে জানান ডুয়ার্সের বাসিন্দারা।স্থানীয়রা আরও জানান, এ অঞ্চলের জঙ্গলে চিতার বসবাস। অনেক দিন আগে এদের তাড়িয়ে দিয়ে চা বাগান তৈরি করে কর্তৃপক্ষ। এর পর থেকে এসব হিংস্র জীব জঙ্গলের এদিক-সেদিক ঘুরে বেড়াতে থাকে।এদিকে উৎসুক পথচারীরা শুয়ে থাকা বাঘ সরাতে ইটপাথর ছোড়ে। এতে এক চুলও নড়েনি বাঘটি। তবে বিকালে বাঘটি নিজেই উঠে রাস্তার পাশের ঝোপে গিয়ে বসে বলে জানান প্রতক্ষ্যদর্শীরা।চা বাগান কর্তৃপক্ষ ভারতের বন দফতরে খবর দিলে তারা বাঘটি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ছুটে আসেন।বন বিভাগের কর্মীরা বাঘটিকে ক্লোরোফরম মেশানো তীর ছুড়ে অচেতন করে খাঁচায় পুরে নেয়।বন বিভাগ কর্মীরা জানান, কোনো একটি দুঘর্টনায় চিতাবাঘটির কোমর ও পেছনের পায়ে আঘাত লেগেছে।স্থানীয় খয়েরবাড়ি পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসার পর বাঘটিকে আবার জঙ্গলে ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানান তারা।