Category: আন্তর্জাতিক

  • ইমরান খানকে বাংলাদেশের মডেল অনুসরণের পরামর্শ

    ইমরান খানকে বাংলাদেশের মডেল অনুসরণের পরামর্শ

    পাকিস্তানকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মডেল অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন দেশটির এক সাংবাদিক। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রধান ইমরান খানের নেতৃত্বে পাকিস্তানের নতুন সরকার ইউরোপের দেশ সুইডেনের আর্থিক মডেল অনুসরণের পরিকল্পনার খবর প্রকাশের পরই ওই সাংবাদিক এ মন্তব্য করেন।

    পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টেলিভিশনের টক শো ‘আওয়াম’-এ সম্প্রতি দেশটির প্রবীণ সাংবাদিক জায়গাম খান এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানটির ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে অনেকেই অনেক ধরনের মন্তব্য করছেন। তবে সাংবাদিকের এ পরামর্শ ইমরান খানের সরকার কতটা মানবে, তা জানা যায়নি। সুইডেনের আন্তর্জাতিক ঋণ এবং মূল্যবৃদ্ধির হার বেশ কম। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে এটিই বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে।

    ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পশ্চিম পাকিস্তানের সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ চালায়। এরপরই প্রতিরোধ গড়ে তোলে বাংলাদেশের আপামর জনগণ। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে নতুন দেশ বাংলাদেশের অভ্যুদয় হয়। সদ্য জন্ম নেওয়া বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে পাকিস্তানের বিশেষজ্ঞরা নানা তির্যক মন্তব্যও সে সময় করেছিলেন। ৪৭ বছর পর দেশটির সাংবাদিকের মুখে উল্টো সুর শোনা গেল।

    পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সুইডেনের পরিবর্তে বাংলাদেশকেই মডেল হিসেবে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সাংবাদিক, নৃতাত্ত্বিক ও উন্নয়নকর্মী জায়গাম খান। এর সপক্ষে যুক্তি হিসেবে তিনি তুলে ধরেছেন কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নতি করে চলেছে। এ ছাড়া ঢাকা ও ইসলামাবাদের স্টক এক্সচেঞ্জের তুলনা করেও তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন। বক্তব্যে তিনি পাকিস্তানের দুর্বল দিকগুলো তুলে ধরেন। জায়গাম খানের বক্তব্যের পর টক শোতে অংশ নেওয়া অপর সাংবাদিক, আর্থিক পরামর্শদাতা ও বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের অনন্য অর্জন ও সাফল্যর প্রশংসা করেন।

    ওই টক শোতে জায়গাম খান বলেন, ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া দুর্নীতিসহ সব সমস্যার সমাধান করে বাংলাদেশের মতো হতে চাইলেও অনেক সময় লাগবে পাকিস্তানের। আর উন্নয়নের নিরিখে বাংলাদেশকে ছুঁতে চাইলে পাকিস্তানকে ১০ বছর ধরে চেষ্টা করে যেতে হবে। তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, বাংলাদেশ এখন ৪ হাজার কোটি ডলারের পণ্য বিশ্বে রপ্তানি করে। সেখানে পাকিস্তানের পরিমাণ হলো ২ হাজার ২০০ কোটি ডলার।

    পাকিস্তানের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের কলামিস্ট জায়গাম খান বলেন, ‘আমরা সুইডেনের মতো হতে চাই না। আল্লাহর দোহাই, অনুগ্রহ করে আমাদের বাংলাদেশের মতো করে দেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইমরান খানের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব, যদি তিনি আগামী ১০ বছরে পাকিস্তানকে বাংলাদেশের কাতারে নিতে পারেন।’ তবে এটা অনেক কঠিন বলেও মন্তব্য করেন সাংবাদিক জায়গাম খান। তথ্যসূত্র: ইকোনোমিকটাইমস ও ইউটিউব।

  • কে হচ্ছেন নতুন আইএসআই-প্রধান!

    কে হচ্ছেন নতুন আইএসআই-প্রধান!

    পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের নতুন মহাপরিচালক শিগগিরই নিয়োগ দেবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এই মাসেই সংস্থাটির বর্তমান মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল নাভিদ মুখতার অবসরে যাচ্ছেন। এরপরই আলোচনা শুরু, কে হতে যাচ্ছেন পাকিস্তানের নতুন আইএসআই-প্রধান।

    সম্প্রতি মেজর জেনারেল থেকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল হওয়া ছয় কর্মকর্তার মধ্য আসিম মুনির পরবর্তী আইএসআইয়ের প্রধান হতে যাচ্ছেন বলে সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, আইএসআইয়ের বর্তমান প্রধান নাভিদ মুখতার এ মাসের মধ্যেই কোনো একদিন বিদায় নেবেন তিনি। তিনি ২০১৬ সালের ডিসেম্বর থেকে এ পদে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

    নাভিদ মুখতারের অবসরের পর প্রধানমন্ত্রী নতুন আইএসআই-প্রধান নিয়োগ দেবেন। তবে কে হতে পারেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে সম্প্রতি সামরিক বাহিনীর মেজর জেনারেল থেকে লেফটেন্যান্ট জেনারেলের পদে উন্নীত হয়েছেন এমন কাউকেই নিয়োগ দেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    আএসপিআরের তথ্যমতে, সম্প্রতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে উন্নীত হয়েছেন মেজর জেনারেল শাহিন মাজহার, মেজর জেনারেল নাদিম জাকি মাঞ্জ, মেজর জেনারেল আবদুল আজিজ, মেজর জেনারেল আসিম মুনির, মেজর জেনারেল আদনান ও মেজর জেনারেল ওয়াসিম আশরাফ।

    পাকিস্তানে সেনাপ্রধানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি ধরা হয় আইএসআই-প্রধানকে। প্রচলিত রীতি অনুসারে, আগে গোয়েন্দা সংস্থায় কাজ করার পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন কোনো তিন তারকা জেনারেলকেই এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

    প্রচলিত ধারা অনুসরণ করলে নতুন আইএসআই-প্রধান হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে তিনজনের। তাঁরা হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল নাদিম জাকি মাঞ্জ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসিম মুনির ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াসিম আশরাফ। এর মধ্যে নাদিম জাকি মাঞ্জ ও আসিম মুনিরের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থায় কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আর ওয়াসিম আশরাফের সরাসরি আইএসআইয়ের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে।

    সেনাপ্রধান কামার জাবেদ বাজওয়া গত শুক্রবার ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে অন্য আলোচনার সঙ্গে ছিল আইএসআইয়ের নতুন প্রধান নিয়োগের বিষয়টিও।

    সেনাপ্রধান আইএসআইয়ের প্রধান হতে পারেন এমন তিনজনের নাম সুপারিশ করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠান। এর মধ্য থেকে প্রধানমন্ত্রী একজনকে পরবর্তী আইএসআই-প্রধান হিসেবে বেছে নেবেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটাই হবে ইমরান খানের প্রথম কোনো গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তাবিষয়ক সংস্থার প্রধান নিয়োগের ঘটনা।

    নির্বাচিত হওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি আইএসআইয়ের সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সংস্থাটির অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তথ্যসূত্র: পিটিআই ও এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

  • ক্যান্সার নিয়ে গবেষণায় নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী

    ক্যান্সার নিয়ে গবেষণায় নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী

    ক্যান্সারের চিকিত্সায় নতুন পদ্ধতির আবিষ্কারের জন্য এ বছর চিকিৎসায় যৌথভাবে নোবেল পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের দু’জন বিজ্ঞানী। খবর সিএনএন ও মেডিকেল এক্সপ্রেসের

    সোমবার সুইডেনের কারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট চিকিৎসা বিজ্ঞানের নোবেল জয়ী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের জেমস পি অ্যালিসন ও জাপানের তাসুকু হনজো’র নাম ঘোষণা করে।

    নোবেল কমিটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ক্যান্সারের চিকিৎসায় এ দুজনের যৌথ গবেষণা একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

    টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অ্যালিসন এবং কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তাসুকু তাদের গবেষণার জন্য ২০০৪ সালে এশিয়ার নোবেল হিসেবে পরিচিত ‘ট্যাং প্রাইজ’ জিতেছিলেন।

    আগামী ১০ ডিসেম্বর সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে নোবেল পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। নোবেল পুরস্কারের প্রায় ৯০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার এই দুই বিজ্ঞানী ভাগ করে নেবেন।

  • ওয়াশিংটনে এস কে সিনহার ‘ব্রোকেন ড্রিম’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

    ওয়াশিংটনে এস কে সিনহার ‘ব্রোকেন ড্রিম’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

    যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সদ্য প্রকাশিত ‘ব্রোকেন ড্রিম: রুল অব ল, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হয়েছে।

    স্থানীয় সময় শনিবার বিকাল তিনটায় ওয়াশিংটন ডিসির ন্যাশনাল প্রেসক্লাবে মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সীমিতসংখ্যক অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি. মাইলাম।

    বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের খবর পেয়ে বৃহত্তর ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের নেতারা ন্যাশনাল প্রেসক্লাবে উপস্থিত হলেও আমন্ত্রণপত্র না থাকায় তারা সেখানে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ সভাপতি সাদেক খান, সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসাইন, জুয়েল বড়ুয়া ও যুগ্ম সম্পাদক হারুনুর রশীদ, ভার্জিনিয়া স্টেট আওয়ামী লীগ ও মেরিল্যান্ড স্ট্রেট আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অনুষ্ঠানের বাইরেই অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

  • মোহাম্মদ ব্রিটেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম!

    মোহাম্মদ ব্রিটেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম!

    এ মুহূর্তে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় নামটি হচ্ছে অলিভার। ২০১৩ সাল থেকে পরের টানা চার বছর ধরে সবচেয়ে বেশি রাখা নামের শীর্ষে রয়েছে এ নামটি। ব্রিটেনের জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসের বরাতে বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে

    কিন্তু নামের বানানের বিষয়টি বিবেচনা করলে এই পরিসংখ্যান সহজে বদলে যেত। বানানের হেরফের না হলে মোহাম্মদ হয়তো নামের তালিকার শীর্ষে থাকত।

    ২০১৭ সালের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, সে বছর ইংল্যান্ডে জন্ম নেয়া শিশুদের নামের তালিকার শীর্ষে ছিল অলিভার। ৬২৯৫ জনের নাম রাখা হয় অলিভার।

    নামের তালিকার ১০ নম্বরে ছিল মোহাম্মদ। ৩৬৯১ শিশুর নাম রাখা হয় মোহাম্মদ।

    কিন্তু ইংরেজিতে মোহাম্মদ নামের বানান করা হয়েছে ১৪ রকমভাবে- মুহাম্মদ, মহম্মদ, মোহামেদ, মোহাম্মদ, মহাম্মদ ইত্যাদি ইত্যাদি। ফলে সরকারি তালিকায় ভিন্ন ভিন্ন নাম হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

    হিসাব করে দেখা গেছে, একভাবে যদি এই নামের বানানটি লেখা হতো তা হলে মোহাম্মদ নাম রাখা শিশুর সংখ্যা হতো ৭৩০৭। অর্থাৎ অলিভারের চাইতে এক হাজারেরও বেশি শিশুর নাম হতো মোহাম্মদ।

    মোহাম্মদ হতো ইংল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম। মেয়েশিশুদের ক্ষেত্রেও একই নামের বানান ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় তালিকাতে সেগুলোর নাম আলাদাভাবেই দেয়া হয়।

    যেমন ২০১৬ সালে সবচেয়ে বেশি মেয়েশিশুর নাম রাখা হয়- অ্যামেলিয়া। কিন্তু সোফিয়া নামটির ইংরেজি বানান ভিন্ন ভিন্নভাবে না লেখা হলে সোফিয়া নামটি থাকত শীর্ষে।

    ইংল্যান্ডে অনেক নাম ধীরে ধীরে আবেদন হারাচ্ছে, জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে।

    যেমন ১৯০৪ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত মেয়েশিশুদের যেসব নাম রাখা হতো, তার শীর্ষ দশটির মধ্যে থাকত ‘ডরিস’। ১৯০৪ সালে ডরিস ছিল জনপ্রিয় নামের তালিকায় তৃতীয়। ১৯২৪ সালে সেটি ৭ম স্থানে নেমে যায়। ১৯৩৪ সালে সেটি চলে আসে ৩৩ নম্বরে।

    এখন ডরিস নামটি তালিকার একশর মধ্যেও নেই।

  • ইসরাইলের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা চায় ব্রিটিশ লেবার পার্টি

    ইসরাইলের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা চায় ব্রিটিশ লেবার পার্টি

    দিন দিন বেপরোয়া হয়ে ওঠা ইসরাইলের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছে ব্রিটেনের বিরোধী দল লেবার পার্টি।

    লিভারপুলে মঙ্গলবার দলের বার্ষিক সম্মেলেন শেষে লেবার পার্টি ওই আহ্বান জানায়। সম্মেলনে ফিলিস্তিন ইস্যু নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। খবর আনাদোলুর।

    এ ছাড়া এবারের সম্মেলনে দলের এক লাখ ৮৮ হাজার সদস্য ফিলিস্তিনকে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে দেখার পক্ষে মত দিয়েছেন।

    গত ৩০ মার্চ থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার জনগণ দখল হয়ে যাওয়া নিজেদের বাড়িঘরে ফেরার দাবিতে ইসরাইলবিরোধী বিক্ষোভ করে আসছে। ওই বিক্ষোভ দমন করতে দখলদার ইসরাইল বাহিনী যেসব অস্ত্র ব্যবহার করছে, তার মধ্যে ব্রিটিশ অস্ত্রও রয়েছে।

    ৩০ মার্চ থেকে ইসরাইলি সেনাদের নির্বিচার গুলিবর্ষণে এ পর্যন্ত নারী-শিশুসহ ১৮০ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

    বার্ষিক সম্মেলেনে লেবার পার্টির শ্যাডো পররাষ্ট্রমন্ত্রী এমিলি থর্নবেরি বলেন, লন্ডনকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে, ফিলিস্তিনি নিরপরাধ জনগণের ওপর হামলা করতে ব্রিটিশ অস্ত্র ব্যবহৃত হচ্ছে না। লেবার পার্টির এ আহ্বান ও অবস্থানকে ব্রিটিশ সরকারের জন্য শক্ত বার্তা বলে মনে করা হচ্ছে।

    ব্রিটেনে ফিলিস্তিনি অধ্যাপক কামাল হাওয়াশ বলেন, ব্রিটিশ সরকার ইসরাইলের কাছে স্নাইপার রাইফেল বিক্রি করে এবং ইহুদিবাদী সেনারা সেই স্নাইপার রাইফেল দিয়ে ফিলিস্তিদের হত্যা করছেন।