Category: আন্তর্জাতিক

  • ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৫২

    ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৫২

    ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে পাহাড়ি রাস্তা থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে পড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ জন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। নিহতদের মধ্যে ছয় শিশুও রয়েছে।গত মঙ্গলবার ভারতের রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার যাত্রীবাহী বাসটি জাগতিয়াল জেলার একটি পাহাড়ি রাস্তা থেকে গড়িয়ে ৩০ ফুট নিচে পড়ে গেলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবর দ্য হিন্দুস্তান টাইমসের।

    হনুমান মন্দির পরিদর্শন শেষে ৬০ জনেরও বেশি তীর্থযাত্রী বাড়ি ফিরছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে আরেকটি বাসকে সাইড দিতে গিয়ে ওই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

    ঘটনাস্থলেই ৪৫ জন নিহত হন। হাসপাতালে নেয়ার পর গুরুতর আহতদের মধ্য থেকে আরও সাতজন মারা যান।

    তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি নিহতদের পরিবারকে ৫ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

  • মানব হত্যাকারী বাঘিনীকে রক্ষায় আপিল খারিজ

    মানব হত্যাকারী বাঘিনীকে রক্ষায় আপিল খারিজ

    ভারতে মানুষ মারা একটি বাঘিনীকে যেন গুলি করে হত্যা না করা হয়, এ মর্মে করা এক আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্ট।কর্মকর্তারা বলছেন, মহারাষ্ট্র রাজ্যে বনভূমির কাছে গরু-ছাগল চরানোর সময় পাঁচ গ্রামবাসী নিহত হয়েছে ওই বাঘিনীটির হাতে।আদালত বলেন, বনরক্ষীরা যদি বাঘটিকে ধরতে ব্যর্থ হয় এবং গুলি করে হত্যা করতে বাধ্য হয়, তা হলে আদালত এতে হস্তক্ষেপ করবে না।-খবর বিবিসি বাংলা।বনরক্ষীরা বাঘটিকে ধরার পরিকল্পনা করার পর বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকর্মীরা আদালতে আপিল করেন যে, বাঘিনীটির প্রতি দয়া দেখানো হোক। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে একে প্রাণভিক্ষার আবেদন বলে অভিহিত করা হয়।সংরক্ষণ কর্মীরা বলেন, বন বিভাগ এটি প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে যে, গ্রামবাসীদের মৃত্যুর জন্য বাঘিনীটিই দায়ী। ভারতে কিছু সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, বাঘিনীটির হাতে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন।তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, একটি মাত্র বাঘের হাতে এত লোক আক্রান্ত হওয়া খুবই অস্বাভাবিক।

    ভারতে প্রাণী সংরক্ষণ নীতির ফলে বাঘের সংখ্যা এখন বাড়ছে, কিন্তু বনভূমির পরিমাণ কমে আসায় তাদের সঙ্গে মানুষের সংঘাতও বাড়ছে।

  • ভার্সিটিতে পড়তে যাবে মেয়ে, সঙ্গে চাই ১৩ কর্মী

    ভার্সিটিতে পড়তে যাবে মেয়ে, সঙ্গে চাই ১৩ কর্মী

    কয়েক মাস আগেই বেরিয়েছিল বিজ্ঞাপনটি— মালিককে ঘুম থেকে তোলার জন্য কর্মী চাই!

    কিন্তু কার জন্য এমন বিজ্ঞাপন, সে প্রশ্নেই সরগরম ছিল ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম। তবে উত্তরটি মিলেছে সম্প্রতিই। জানা গেছে, এক ভারতীয় কোটিপতির কিশোরী কন্যা সবে ভর্তি হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার যাতে কোনো রকম অসুবিধা না হয়, তার জন্যই এত আয়োজন!

    স্কটল্যান্ডের সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রেখেছে ওই মেয়েটি। তার মধ্যেই ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছে সে। জুটে গেছে সবচেয়ে অভিজাতের তকমাও।-খবর আনন্দবাজারপত্রিকা অনলাইনের।

    একসময় এ বিশ্ববিদ্যালয়েরই বিখ্যাত প্রাক্তন ছাত্রী ছিলেন ডিউক ও ডাচেস অব কেমব্রিজ উইলিয়াম ও কেট। কিন্তু সেই সময় উইলিয়ামও আর পাঁচজন পড়ুয়ার মতো খুব সাধারণভাবেই থাকতেন। তাই ভারতীয় কোটিপতি-কন্যার জন্য এমন আয়োজনে হতভম্ব অনেকেই।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ওই ছাত্রী বরাবরই বিলাসবহুল জীবনে অভ্যস্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য কি সেসব ছাড়তে হবে তাকে? এটি তো আর কয়েক মাসের ব্যাপার নয়! পুরো চার বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে কাটাতে হবে। কিন্তু এতদিন থাকতে গেলে সহপাঠীদের সঙ্গে তো ঘর শেয়ার করতে হবে! এমনকি নিজের কাজ নিজেকেই করতে হবে!

    মেয়ের এহেন অসুবিধায় এগিয়ে আসে পরিবারই। বাড়ির আদরের মেয়ের যাতে কষ্ট না হয়, তার জন্যই বিলাস-ব্যসনের এলাহি আয়োজন। প্রথমেই সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি একটি বিশাল বাড়ি কিনে ফেলেছে পরিবারটি। মাঝেমধ্যে সেখানে গিয়ে মেয়েকে সঙ্গ দেবেন তার বাবা-মা ও ভাই।

    কিন্তু মেয়ের কাজ কে করবে? তার জন্যই তো নিয়োগ করা হয়েছে ১৩ কর্মীকে। আর এ কর্মী নিয়োগ করার জন্যই যোগাযোগ করা হয়েছিল এক অভিজাত নিয়োগকারী সংস্থা সিলভার সোয়ানের সঙ্গে। তারা একটি বিজ্ঞাপন দিয়েছিল, শহরতলিতে ঘরের কাজের জন্য ১৩ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মী চাই। মাইনে— বছরে ৩০ হাজার পাউন্ড।

    এখানেই শেষ নয়, বিজ্ঞাপনে এ-ও বলা ছিল যে, ঘরের কাজের মহিলা কর্মীকে কর্মশক্তিতে ভরপুর, উচ্ছল হতে হবে। ওই মহিলা কর্মীর কাজ হল— রুটিন অনুযায়ী অন্য কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা, ওয়্যারড্রব গ্রুমিং ও মেয়েটির ব্যক্তিগত শপিংয়ে সাহায্য করা। শুধু তা-ই নয়, মেয়েটির ঘুম থেকে উঠে ক্লাসে যেতে দেরি না হয়ে যায়, সে কারণে মেয়েটিকে ঠিক সময়ে ঘুম থেকে উঠিয়ে দেয়াটাও মহিলা কর্মীর কাজের মধ্যে পড়বে।

    আর খাওয়া-দাওয়া? সে বিষয়েও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শেফ খুঁজেছে পরিবারটি। বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, ওই ছাত্রীর জন্য রান্না করতে যারা ইন্টারভিউ দেবেন, তাদের ভারতীয় খাবার বানানো জানতে হবে।

    বিশেষ করে, দক্ষিণ ভারতীয় খাবার। এ ছাড়া চাইনিজ ও ইতালীয় খাবারদাবার বানানোয়ও দক্ষ হতে হবে শেফকে। এ ছাড়া সাহায্যকারী কর্মীদের দলে থাকছেন একজন মালি, একজন গাড়ির চালক ও এক বাটলার।

    কে সেই কোটিপতি কন্যা, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও। কারণ কোনো সংবাদমাধ্যমেই এখনও মেয়েটি বা তার কোটিপতি বাবার নাম প্রকাশিত হয়নি।

  • প্যারিসে ছুরি হামলায় দুই ব্রিটিশ পর্যটকসহ আহত ৭

    প্যারিসে ছুরি হামলায় দুই ব্রিটিশ পর্যটকসহ আহত ৭

    ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ছুরি নিয়ে পথচারীদের উপর এক দুর্বৃত্তের হামলায় দুই ব্রিটিশ পর্যটকসহ ৭জন আহত হয়েছেন।

    এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ এক আফগান যুবককে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গেছে। খবর গার্ডিয়ানের।

    সোমবার সকাল ৮টায় (স্থানীয় সময় রোববার রাত ১১টায়) প্যারিসের ব্যাস্ততম পর্যটন এলাকায় লেকের পাশে এ ছুরি হামলার ঘটনা ঘটে।

    ব্রিটিশ দুই পর্যটকের বুকে এবং অন্যদের মাথায় ছুরিকাঘাত করে হামলাকারী। এ ঘটনায় আহত সাতজনের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    তবে আটক আফগান যুবকের নাম বা তার ব্যাপারে বিস্তারিত আর কোন তথ্য প্রকাশ করেনি পুলিশ।

  • এক সময়ের কুখ্যাত গ্যাংস্টার এখন গরিবের বন্ধু

    এক সময়ের কুখ্যাত গ্যাংস্টার এখন গরিবের বন্ধু

    এক সময় কুখ্যাত গ্যাংস্টার ছিলেন। আর এখন দিন কাটান গরিব মানুষজনের জন্য নুডলস বিলি করে।সেই ছোট বেলাতেই অপরাধ জগতের সঙ্গে যোগাযোগ হয় তাইওয়ানের নিউ তাইপেই শহরের ইয়েন ওয়েই-শানের। যখন তার ১৫ বছর বয়স, একটি দলের সঙ্গে তীব্র গোলমালে জড়িয়ে পড়েন। হাতাহাতিও হয় তাদের সঙ্গে। আর সেখানেই মৃত্যু হয় একজনের।সেই ১৫ বছর বয়সেই অনিচ্ছাকৃত খুনের দায়ে জেল হয় ইয়েনের। সাড়ে চার বছর কারাবন্দি থাকতে হয়। কিন্তু জেল থেকে বের হওয়ার পর এক্কেবারে অপরাধ জগতেরই লোক বনে যান। গড়ে ওঠে নিজের বাহিনী।দীর্ঘ দিন চলছিল এভাবেই। টার্গেট হয়ে পড়েন পুলিশের। বছর আটেক আগে ধরা পড়ে যান ইয়েন। তবে আদালত থেকে এটাই শেষ সুযোগ বলে ক্ষমা করে দেয়া হয় ইয়েনকে।এর পরেই যেন দিনে দিনে অন্য স্বাধীনতার স্বাদ পেতে থাকছিলেন ইয়েন। তার কথায়, ওই সুযোগটাই যেন আমার ঘুম ভাঙিয়ে দিয়েছিল। তখন থেকেই আমার পরিবার আর স্বাধীনতাকে আগলে রাখি আমি।-খবর আনন্দবাজারপত্রিকা অনলাইনের।নিউ তাইপেই শহরে একটি নুডলসের দোকান চালান ইয়েনের মা। নুডলস ছাড়াও সেই স্টলে পর্ক, চিংড়ি সঙ্গে বাঁধাকপিও মেলে। আর এই সব কিছুই সাধারণ খরিদ্দারদের জন্য মেলে ন্যায্য দামে। কিন্তু যাদের সামর্থ্য নেই?তাদের জন্য বিনামূল্যেই এই সব খাবারের বন্দোবস্ত করে থাকেন ইয়েন এবং তার মা। ইয়েন বলছিলেন, মাসে প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ বাউল নুডলস ফ্রিতেই গরিব মানুষজনকে দেয়া হয়।চার বছর আগে মার সঙ্গে এই কাজে হাত দিয়েছিলেন ইয়েন। আর আজ পর্যন্ত প্রায় ৪০,০০০ বাউল নুডলস বিনামূল্যেই মানুষকে বিলি করেছেন বলে জানাচ্ছেন এক সময়ের গ্যাংস্টারের।ইয়েনের মতে, মূলত বৃদ্ধ মানুষজন আর বেকার যুবকেরাই বিনামূল্যে খাবারের জন্য আবেদন করে থাকেন।তবে শুধু নুডলসের দোকানেই দিন কাটে না ইয়েনের। জেলে গিয়ে বন্দিদের সঙ্গে রীতিমতো আলাপচারিতাও জমাতে যান ইয়েন।৬২ বছরের আর এক সাবেক গ্যাংস্টার ইয়েনের দোকানের প্রতিদিনের খরিদ্দার। পরিবারের সঙ্গেও সমস্ত যোগাযোগ ছিন্ন করে ফেলেছেন সেই ব্যক্তি। ইয়েন বলছেন, আমি অনেক গ্যাংস্টারকেই দেখেছি, নিজের জীবনটা এই ভাবে শেষ করে ফেলতে। মাঝেমধ্যে আমারও ভেবে কষ্ট হয় যে, আমিও জীবনের কতটা সময় এই সব করেই নষ্ট করেছি।অপরাধ জগতের সঙ্গে যুক্ত থাকাকালীন সময়ে মনে হতো আমি যেন একটা দড়ির ওপর দিয়ে হাঁটাচলা করছি। কারণ যে কোনও মুহূর্তেই আমার জন্য একজন শত্রু অপেক্ষা করে রয়েছেন। আর এখন এমন মানুষের সঙ্গে দেখা হয়, যারা আমাকে দেখে সত্যিই খুব খুশি।

  • মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে ৭ বছরের কারাদণ্ড

    মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে ৭ বছরের কারাদণ্ড

    মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়নের তথ্য সংগ্রহের সময় গ্রেফতার রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে তাদের সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

    সোমবার ইয়াঙ্গুনের জেলা জজ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। খবর রয়টার্সের।

    এ সময় দণ্ডপ্রাপ্ত সাংবাদিক কো ওয়া লোন (৩২) ও কায়াও সোয়ে ও (২৮) আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

    রায় ঘোষণার সময় বিচারক ইয়ে লউইন বলেন, ওই দুই সাংবাদিক গোপনীয় নথি সংগ্রহ ও প্রাপ্তি উপনিবেশিক যুগের অফিসিয়াল সিক্রেটস আইন ভঙ্গ করেছিল। এ জন্য তাদের দোষী সাব্যস্ত করে দণ্ডিত করা হয়েছে।

    রয়টার্সের প্রধান সম্পাদক স্টিফেন জে অ্যাডলার রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, মিয়ানমারের জন্য, রয়টার্সের সাংবাদিক ওয়া লোন ও কিয়াও সো ওর জন্য এবং বিশ্বের সব সংবাদমাধ্যমের জন্য আজ একটি দুঃখের দিন।

    উল্লেখ্য, কো ওয়া লোন এবং কায়াও সোয়ে ও নামে এ দুই সাংবাদিককে গত ১২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ইয়াঙ্গনের উপকণ্ঠে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাদেরকে ১৫ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

    রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর নির্যাতন নিয়ে তারা কিছু দলিল জোগাড় করেছিলেন। সে জন্য তাদের অফিসিয়াল সিক্রেটস আইনে গ্রেফতার করা হয়। দুজনই মিয়ানমারের নাগরিক। দুই সাংবাদিক বলেছেন, তারা কোনো ভুল করেননি।

    রয়টার্স জানায়, তাদের দুই রিপোর্টারকে ১২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ডিনারের কথা বলে ডেকে নিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। এর পর তাদের বিরুদ্ধে ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টয়ের আওতায় অভিযোগ করা হয়।

    ১৯২৩ সালে প্রণীত ওই আইনের আওতায় আটক ব্যক্তি দোষি সাব্যস্ত হলে তার ১৪ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে দেশটিতে।