Category: আন্তর্জাতিক

  • ‘ভয় দেখাতেই দক্ষিণ চীন সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন’

    ‘ভয় দেখাতেই দক্ষিণ চীন সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন’

    প্রতিবেশি দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ বা ভয় দেখাতেই দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিং ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে বলে অভিযোগ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস।

    শনিবার সিঙ্গাপুরে এক উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ অভিযোগ করেন।

    তিনি বলেন, দক্ষিণ চীন সাগরে রণতরী বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও ইলেক্ট্রনিক জ্যামারসহ বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জামাদি মোতায়েন করেছে চীন। এছাড়া কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তারা। এতে নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে প্রতিবেশি দেশ গুলো।

    ম্যাটিস বলেন, বেইজিং এর সাথে সমঝোতা করতে প্রস্তুত ওয়াশিংটন। এছাড়া চীনের আমন্ত্রণে দ্রুতই বেইজিংয়ে সফরের কথাও জানান তিনি। তিনি বলেন, কোরীয় উপদ্বীপকে ‘সম্পূর্ণ যাচাইযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়’পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করতে চাপ অব্যহত রাখবে পেন্টাগন।

  • ভারতীয় কৃষকদের অন্যরকম আন্দোলন

    ভারতীয় কৃষকদের অন্যরকম আন্দোলন

    গ্রামের কৃষকরা যেসব ফসল ফলান তার কিছুই শহরে যাবে না। চাষিরা তাদের চাষ করা ফল, দুধ, তরকারিসহ সবকিছু এক জায়গায় জড়ো করছেন কিন্তু সেগুলো কোনো পাইকারি বাজারে যাচ্ছে না, আবার বিক্রিও করছেন না। ভারতের কৃষকরা এই অন্যরকম আন্দোলনের নাম দিয়েছেন ‘গাঁও বন্‌ধ’।

    দেশটির ১৭২টি কৃষক সংগঠন জোট হয়ে ২২টি রাজ্যে ১০ দিনের এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। শুক্রবার ছিল এর প্রথম দিন। এই দশ দিনে গ্রাম থেকে কোনো কৃষি ও খামারজাত পণ্য শহরে পাঠাবেন না কৃষকরা। খবর আনন্দবাজারের।

    কিছু আনাজ-দুধ পথে ফেলে প্রতীকী প্রতিবাদ করলেও আন্দোলনকারীরা ঠিক করেছেন, কৃষি ও খামারজাত সব পণ্য নষ্ট না করে গ্রামবাসীদের মধ্যে বিক্রি করা হবে।

    দেশটির মূল শক্তির জায়গা যে গ্রাম। এটাই কৃষকরা শহরের এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে বুঝিয়ে দিতে চান। তারা চাইছেন গ্রামগুলি যদি শহরের পাশে না থাকে তাহলে শহরের কী অবস্থা হয় সেটাই দেখুক উঁচুতলার লোক। গাঁও বন্‌ধের প্রথম দিনেই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্র।

    ৬২টি কৃষক গোষ্ঠীকে নিয়ে গড়া কিসান একতা মঞ্চের নেতা রামনদীপ সঙ্ঘ মান জানান, পাঞ্জাবে আজ দুধ সরবরাহ ৪০ শতাংশ ব্যাহত হয়েছে। আগামী নয় দিনে উত্তর ও মধ্য ভারত-সহ গোটা দেশের শহরগুলিতে কৃষিপণ্যের আকাল দেখা দিতে পারে। ডিজেলের আকাশছোঁয়া দামের জন্য এমনিতেই জিনিসপত্রের দাম বাড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে গাঁও বন্‌ধের জেরে ফল-আনাজ-দুধের দাম চড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    এই আন্দোলনের মূল দাবি তিনটি। ১, কৃষকদের সব রকম ঋণ মাফ করতে হবে। ২, সব রকম খরচ ধরে উৎপাদন ব্যয় যা দাঁড়াবে, ন্যূনতম সহায়ক মূল্য হতে হবে তার চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি। তিন, আয়ের নিশ্চয়তা দিতে হবে।

    গাঁও বন্‌ধের শেষে ১০ জুন ভারত বন্‌ধ ডেকেছে কৃষক সংগঠনগুলি। ব্যবসায়ীদেরও শামিল হওয়ার ডাক দিয়েছেন তারা। রাষ্ট্রীয় কিসান মজদুর মহাসঙ্ঘের সভাপতি শিবকুমার শর্মার (কাকাজি) কথায়, ‘বিগত বছরগুলিতে যে সব কৃষকের প্রাণ গিয়েছে, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। ১০ জুন বেলা দু’টো পর্যন্ত ভারত বন্‌ধ হবে। সব ব্যবসায়ীকে এই বন্‌ধে শামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

    সরাসরি মাঠে না নামলেও কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছে কংগ্রেস। গত ৬ জুন বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশের মন্দসৌরে আন্দোলনরত কৃষকদের উপরে গুলি চালিয়েছিল পুলিশ। ছ’জন কৃষকের মৃত্যু হয় তাতে। ওই ঘটনার বর্ষপূর্তির দিনে রাহুল গান্ধী মন্দসৌরে থাকবেন।

    যদিও বিজেপি বোঝাতে চাইছে, বিষয়টিকে আমলই দিচ্ছে না তারা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহের কথায়, ‘কংগ্রেস সভাপতি ভোটের সময় এ সব করে থাকেন। মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান স্পষ্ট বলেছেন, আন্দোলনটা কংগ্রেসের। কৃষকদের নয়।’ পাশাপাশি রাজনাথের কটাক্ষ, ‘উত্তরপ্রদেশের ভাট্টা পারসলের কথা রাহুল ভুলে গিয়েছেন। এখন মন্দসৌরের কথা বলছেন! ৬০ বছর ক্ষমতায় থেকে কৃষকদের কোন উন্নতিটা করেছে কংগ্রেস?’

    এ বছরের ১১ মার্চ রাতে কৃষকদের বিশাল মিছিল মুম্বাইয়ে পৌঁছায়। বিক্ষত পায়ে ৫০ হাজার কৃষক তাদের শক্তির নমুনা দেখিয়েছিল।

  • এবার ভোগের প্রচ্ছদে সৌদি রাজকুমারী

    এবার ভোগের প্রচ্ছদে সৌদি রাজকুমারী

    বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে সৌদি রাজপরিবার। এবার বিখ্যাত ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল বিষয়ক ম্যাগাজিন ভোগের প্রচ্ছদে সৌদি রাজকুমারীর ছবি থাকায় ব্যাপক বিতর্কর সৃষ্টি হয়েছে। জুন মাসের আরব সংস্করণে ভোগের প্রচ্ছদে গাড়ির চালকের আসনে বসে থাকতে দেখা যায় সৌদি রাজকুমারী হায়ফা বিনতে আব্দুল্লাহ আল সৌদকে।

    হাই হিল জুতা পরে হুড খোলা গাড়িতে সৌদি রাজকুমারীর এমন ফটোশ্যুট নিয়ে চলছে সমালোচনা। কারণ, দেশটিতে নারীদের গাড়ি চালানোর প্রস্তাব পাস হলেও এখনও আইনটি কার্যকর হয়নি। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসের ২৪ তারিখের পর থেকেই গাড়ি চালানোর অনুমতি পাবেন সৌদি নারীরা। কিন্তু তার আগেই সৌদি রাজকুমারীর এমন ছবি সমালোচনার মুখে পড়ে।

    সম্প্রতি দেশটিতে গাড়ি চালানোর অধিকার চেয়ে আন্দোলন করার অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয় ১১ আন্দোলনকারীকে। আর এই পরিস্থিতিতে রাজকুমারীর এই ছবি কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না সাধারণ মানুষ।

    প্রচ্ছদের ব্যাপারে রাজকুমারী বলেছেন, ‘আমাদের দেশে কিছু রক্ষণশীল মানুষ রয়েছেন, যারা বদলকে ভয় পান। রক্ষণশীলতাই তাদের জগৎ। আমি মন থেকে এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানাচ্ছি।’

    ম্যাগাজিনটির সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তের পক্ষে কাজ করেছেন জানিয়ে ভোগের প্রধান সম্পাদক ম্যানুয়েল আর্নট বলেছেন, আরব বিশ্বে এখন উল্লেখযোগ্য এবং প্রধান আলোচনার বিষয় নারীত্ব। প্রচ্ছদে রাজকুমারী হায়ফার ছবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সেই বার্তাটিই তুলে ধরা হয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘অর্থপূর্ণ বিষয়ে ভালো বিতর্ক আমাদের কাছে অগ্রাধিকার পায় এবং আদর্শিক ও শক্তিশালী অবস্থানে থেকে আমরা সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিই।

    সৌদির সামগ্রিক দিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গত বছর রক্ষণশীল থেকে বেরিয়ে বেশকিছু নিয়ম পরিবর্তনের ঘোষণা দেন সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। তাতে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি, সিনেমা হল নির্মাণ, পশ্চিমাদের আদলে সমুদ্র সৈকত বিনির্মাণসহ বেশ কিছু ঐতিহাসিক পরিবর্তানের ডাক দেয়া হয়।

    তবে বিশ্বের কাছে যতই সৌদি বদলে যাওয়া ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করুক। এই বদল দেশের অন্দরে আসলে কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে তা নিয়ে সন্দিহান বিশেষজ্ঞরা।

  • কিমের চিঠি পেয়ে ট্রাম্প জানালেন ‘বৈঠক হবেই’’

    কিমের চিঠি পেয়ে ট্রাম্প জানালেন ‘বৈঠক হবেই’’

    যুক্তরাষ্ট্র সফররত উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের প্রতিনিধি কিম ইয়ং সোল এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসময় কিমের লেখা একটি চিঠি ট্রাম্পের কাছে হস্তান্তর করেন উত্তর কোরিয়ার প্রভাবশালী এ কর্মকর্তা।

    কিমের চিঠি পড়ে ‘বৈঠক হবেই’ বলে নিশ্চয়তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ১২ জুনের বৈঠক কোরিয়া উপদ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রকীরনের প্রথম পদক্ষেপ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। খবর আল জাজিরার।

    ১২ জুন সিঙ্গাপুরে দুই নেতার বৈঠকের প্রস্তুতি এবং আলোচ্যসূচি নির্ধারণ করতে যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন উত্তর কোরিয়ার সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ও প্রভাবশালী কর্মকর্তা কিম ইয়ং সোল।

    এর আগে বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন তিনি। সোলের সঙ্গে বৈঠকের পর পম্পেও ‘ভালো উন্নতি’ বলে মন্তব্য করেন।

    কিম ইয়ং সোল হলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ প্রভাবশালী ব্যক্তিদের একজন। দীর্ঘ ১৮ বছর পর উত্তর কোরিয়ার এমন একজন ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন।

    চলতি বছরের শুরুতে আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধির ঘোষণা দেয় উত্তর কোরিয়া। এর ধারাবাহিকতায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দেন কিম। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তা গ্রহণ করেন। তবে তার জন্য উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের শর্ত দেয়া হয়। আর উত্তর কোরিয়া ইতোমধ্যে তাদের প্রধান পরমাণু পরীক্ষা কেন্দ্রটি ধ্বংস করে।

    দুই নেতার বৈঠক যখন নিশ্চিতের দিকে যায় ঠিক তখনই এ বৈঠক বাতিলের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। তবে উত্তর কোরিয়ার আগ্রহ এবং দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি মার্কন মিত্র দেশ এর প্রতিবাদ জানালে একদিন পরই বৈঠক হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তারপর থেকেই দুই নেতার বৈঠকের পূর্ণ প্রস্তুতি শুরু করেছে দুই দেশ।

    এ বৈঠক উপলক্ষে এবং কোরিয়ান উপদ্বীপে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে ইতোমধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দুই বার বৈঠক করেছেন উত্তর কোরীয় নেতা কিম। এছাড়া দুইবার চীন সফরও করে ফেলেছেন তিনি। আর সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া সফর করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ।

  • গাজায় নার্সকে গুলি করে মারল ইসরায়েলিরা

    গাজায় নার্সকে গুলি করে মারল ইসরায়েলিরা

    গাজায় আহত ফিলিস্তিনিদের সেবা দেয়ার সময় এক নার্সকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। গাজা সিটির পূর্ব দিকে খান ইউনিস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা ও রয়টার্স।

    ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২১ বছর বয়সি রাজান আল নাজ্জার নামের ওই সেচ্ছাসেবি নার্সের বুকে গুলি করে ইসরায়েলি বাহিনী। এরফলে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

    একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছে, ইসরায়েলের গুলিতে আহত হওয়া এক ব্যক্তি মাঠে পড়ে ছিল। তাকে উদ্ধার করা ও সেবা দেয়ার জন্য দৌড় দেন রাজান। তখনই তাকে গুলি করা হয়।

    ওই প্রত্যক্ষদর্শী আরও জানান, নার্সের সাদা ইউনিফর্ম পরা ছিল রাজানের। এছাড়া তিনি তার হাত উঁচু করেছিলেন। কিন্তু নার্সের পোশাক পরিধান এবং হাত উঁচু করা সত্ত্বেও ইসরায়েলি বাহিনী তার বুকে গুলি করে।

    ফিলিস্তিনে কর্মরত স্বাস্থ্যসেবা দেয়া সংস্থার সূত্র দিয়ে আলজাজিরা জানিয়েছে, শুক্রবার শতাধিক ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সরাসরি গুলির কারণে ৪০ জনের মতো আহত হয়েছেন।

    গত ৩০ মার্চ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত আড়াই মাস ধরে গাজা সীমান্তে বিক্ষোভ করে সাধারণ ফিলিস্তিনিরা। এসময় কয়েক সপ্তাহে এসব নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর সরাসরি গুলি করে সাংবাদিকসহ শতাধিক ব্যক্তিকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী। গত ১৪ মে জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতিবাদে করা বিক্ষোভে গুলি করে ৬০ জনেও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী।

    এঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করে বিশ্বের প্রভাবশালী দেশ ও সংগঠন। এছাড়া এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানায় অনেক দেশ। জাতিসংঘের জরুরি বৈঠকে গাজার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের প্রস্তাব উঠলে এর বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে এ ঘটনায় হামাসকে দায়ী করে। সর্বশেষ ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্টও নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর সরাসরি গুলির পক্ষে মত দেয়।

  • অনাস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতা ছাড়লেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী

    অনাস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতা ছাড়লেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী

    স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয় সংসদের অনাস্থা ভোটে হেরে পদচ্যুত হয়েছেন। স্পেনের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী অনাস্থা ভোটে হারলেন। শুক্রবার এ খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি।

    মারিয়ানো রাজয়ের দল পিপলস পার্টি (পিপি) বড় ধরনের দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকায় তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিলেন স্প্যানিশ স্যোশালিস্ট ওয়ার্কার্স পার্টির (পিএসওই) নেতা পেদ্রো সানচেজ।তিনিই এখন স্পেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হবেন।

    শুক্রবার পার্লামেন্টে ভোটের আগে সানচেজ বলেছিলেন, ‘আমরা দেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছি।’

    ২০১১ সাল থেকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রক্ষণশীল পিপলস পার্টির নেতা রাজয়। শুক্রবার পার্লামেন্টে দ্বিতীয় দিনের মত বিতর্ক চলার সময়ই তিনি পরাজয়ের মুখে রয়েছেন বলে আভাস দিয়েছিলেন।

    তিনি সাংসদদের উদ্দেশ্য বলেছিলেন, ‘আরো উন্নত স্পেনের প্রত্যাশায় আমি পদ ছাড়তে পেরে সম্মানিত বোধ করছি।’

    বাস্ক ন্যাশনালিস্ট পার্টিসহ অনেকগুলো ছোট দলের সমর্থন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন স্যোশালিস্ট নেতা সানচেজ। ভোটাভুটিতে অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন ১৮০ জন এমপি, বিপক্ষে পড়ে ১৬৯ ভোট এবং একজন ভোটদানে বিরত ছিলেন।